Le prime 200 righe.
ওই মাগীগুলো আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার পর,
তাদেরকে এখন জবাব দেবার সময় হয়েছে...
এতে আমাদের সম্মান ফিরে পাব।
এবং টাকা।
আমাদের টাকা।
এই কাজে নতুন একজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।
ডারউইন।
সে একজন দক্ষ খুনি।
সে কাজ করেছে মেডেলিন, কিউদাদ, জুয়ারেজ, সিনালোয়া...
এসব জায়গায় কাজ করার মানে সে আসলেই দক্ষ।
সে এবং মইসেস কাজটা করবে।
আর তোমরা তাদের সাথে থাকবে।
কাজটা অনেক সহজ।
যদি জিনা তার মাকে কল করার মত ভুল করে,
মানে তারা সব ভুলে গেছে।
ওরা এখান থেকে যাওয়ার ছয় মাস হয়েছে, আর ওরা ভাবছে সব ঠিক হয়ে গেছে।
ওয়েন্ডি!
ওয়েন্ডি!
নিচে নামো।
ওকে।
হাই।
আমার গার্লফ্রেন্ডকে ছেড়ে দিয়েছি।
কী?
মানে এসব পাগলামি আর সহ্য করতে পারছি না। একদমই না।
মনে হচ্ছিল তাকে মিথ্যা বলছি।
কিন্তু... মম, তুমি কাউকে মিথ্যা বলছ না। আমাদের মধ্যে কিছুই চলছে না।
হ্যা, কিন্তু তার পরিবর্তে এখন তোমার কথা সবসময় ভাবি।
মানে, ঘুম থেকে ওঠে তোমার কথা ভাবি। না ভেবেও পারছি নাহ।
কাজ করতে গেলে তোমার কথা ভাবি।
এবং ঘুমাতে গেলে, মানে সবসময় তোমার কথা ভাবি।
তোমার চিন্তায় ঘুমাতেও পারি না।
আমাদের ভবিষ্যতের কথা ভাবি, যেমন বাইকে করে কোথাও ঘুরতে যাওয়া।
- তো কোথায় যাবে? - আসলে, জানি না।
আমরা মাদ্রিদে বা কোন পাহাড়ে যেতে পারি..
হেলিকপ্টারে কোথাও যেতে পারি।
-হেলিকপ্টারে? - হ্যা, হেলিকপ্টারে।
ওয়েন্ডি, জানি না তুমি চুমু খেলে আমার ভালো লাগবে কি-না।
মানে, আসলে, বলতে চাচ্ছি, চুমু না খেলেই ভালো হবে।
কথা হচ্ছে...
আসলে, আম..
জানি না এই সম্পর্ক কতদিন টিকবে,
না-কি এটা ব্যাস ক্ষনিকের ভালোলাগা।
কিন্তু মনে হচ্ছে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।
আসলেই।
বেশ...
এই ফোনবুথ থেকে জিনা তার মাকে কল করেছিল।
তারা সম্ভবত এর আশেপাশে কোথাও লুকিয়ে আছে,
এজন্য প্রতিটা রাস্তা, প্রতিটা মহল্লা,
প্রতিটা গলি চেক করব।
একটা কোণাও বাদ দেব না,
যতক্ষণ না তাদের খোঁজ পাচ্ছি।
আমরা ওখানে ঘাঁটি গেড়ে তাদের খুঁজব।
-এবং অপেক্ষা করব। -কিন্তু কেন?
সঠিক সময়ের জন্য।
বাঘকে শিকার করতে দেখিসনি?
আমরাও সেভাবে করব।
আমাদের না দেখে মত করে ঘাপটি মেরে বসে থাকব।
বড় বিচিওয়ালা কোন রুস্তমের মত না,
ছোট্ট সিদ্ধান্তও সতর্কতার সঙ্গে নেব।
বাঘের মতো।
টনির নামে একটা টোস্ট করছি, যে এত সুন্দর পাহেলা বানিয়েছে।
-ধন্যবাদ, বন্ধুরা। - ধন্যবাদ।
-টনির উদ্দেশ্যে! - একদম।
- শুনে খুশি হলাম। - আমি তোমাকে ভালোবাসি।
- আর তোমাদের নামেও চিয়ার্স, হাহ? - ওকে, আমাদের নামে।
সত্যিই ডিনারের জন্য ধন্যবাদ। অনেক দারুণ লাগছে।
এই শহরে, কেবল আমার স্টুডেন্টদের পার্টিতে আমন্ত্রণ পাই,
যারা মাত্র আট বছর বয়সী। জানো, তাদের পার্টিতে শুধু চিজ আর সোডা পাওয়া যায়।
কোরালও তো শিক্ষক ছিলো। তোমাদের মাঝে অনেক মিল আছে।
ওহ, সত্যি?
তেমন কিছু না।
ব্যাস কয়েকজন মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতাম, পার্ট টাইম জব ছিলো।
অনেক লম্বা কাহিনী।
তোমরা কখনো নিজেদের গল্প বললে না।
কোন গল্পই বল না।
এটা বল কিভাবে তোমরা এই মধ্য মরুভূমিতে বেকারির দোকান দিলে?
ব্যস করে ফেললাম।
- আমরা জীবনে পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলাম। - মম-হুমম।
-কে পরিবর্তন চায় না? - ঠিক।
অবশ্যই।
হ্যা, বন্ধু। যতই সাবান ব্যবহার করি না কেন গ্যাসের গন্ধ যায়ই না। অনেক ঘেন্না লাগে।
কিন্তু সবকিছু পেছনে ফেলা সহজ না, তাই না?
আসলে, তার জন্য তোমাকে খানিকটা দায়িত্বহীন হতে হবে, যেমন আমরা।
ওহ। নো।
তুমি কী করতে, জিনা?
আসলে, আমি সবকিছুই করতাম, তাই না?
বললাম না? একটা আতঙ্কময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
মরুমেয়ের গোপন আত্মকথা।
একদম মুভির নামের মতো।
- কী যা-তা বলছ? বাদ দাও তো।
আমি আপেল পাই চেক করে আসছি।
ওহ, ধুর।
বেশ...
আমি ডিটারজেন্ট কোম্পানির সিইও ছিলাম।
ডিটারজেন্ট, রেফেলেন্ট, জীবাণুনাশক এসব কাজ করতাম।
এবং একদিন,
আমি মিটিং শেষে সব কর্মচারির সাথে লাঞ্চের জন্য বের হলাম।
চার্চের পাশ দিয়েই যাচ্ছিলাম, এবং, আসলে,
প্রথমবার যাওয়ার পর আর যাইনি। I had never been to a church since I took my first communion.
কিন্তু সেদিন, গিয়েছিলাম। এবং সোজা প্রথম সারিতে বসেছিলাম।
এবং হটাৎ, উপরে তাকালাম,
এবং দেখলাম জিশুখ্রিস্ট আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
এবং ঐ মুহুর্তে কিছু একটা অনুভব করলাম।
সে আমার সাথে কথা বলছে।
- জিশুখ্রিস্ট? - হ্যা।
আর সে কী বলল?
বলল, "হে বালিকা, তুই ঐ কোম্পানিতে অনেক অশান্তিতে আছো,
সবসময় মিটিং করা, বাজে বাজে পন্য তৈরি কারা।"
" এবং তুমি ব্যাস চাও এসবের যেন ইতি টানে!"
তো... সে বলল,
"কোরাল,
কাজটা ছেড়ে দাও।"
তো আমি, ব্যাস,
ছেড়ে দিলাম। মম-হুমম।
এবং এখানে চলে এলাম।
উপরওয়ালা কিছু বললে, অবশ্যই সেটা পালন করতে হবে।
- মম-হুমম। -মম।
এবার তুমি বল, ওয়েন্ডি।
- তাদের বল কিভাবে তুমি বিমানবালার কাজ করতে। - না!
- মম-হুমম। কিন্তু গল্প পরে হবে। - হ্যা।
কারণ আপেল জুস আপেল স্কানাপস ছাড়া জমে না।
- হ্যা। - ঠিক!
কোরাল।
- কী বালছাল বলছিস? - মম...
মানে, তাদের কী বোকা মনে করেছিস?
না-কি তাদের অচেনা কেউ ভেবেছিস?
মানে মনে যা চাইবে তাই বলতে পারিস না।
সোনা, উপরওয়ালার সাথে কথা বলার মানে কী?
আর আমি বিমানবালা?
ওহ, ইয়ার্কি মারিস? আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে এভাবে মিথ্যা বলতে পারিস না।
ওহ, ওয়েন্ডি, আমি ব্যাস তোর উপকার করছিলাম।
মানে? কিসের উপকার?
তাকে ব্যাস একটা সুন্দর বিরক্তিকর গল্প বলছিলাম
যাতে সারাজীবন তোর অতীত সম্পর্কে কিছু জানতে চায়?
তাদেরকে যদি সত্যিটা বলি তখন?
হাহ? এখন না, কিন্তু ভবিষ্যতে যদি বলি?
ওহ তুই টনিকে সত্যিটা বলতে চাস?
-আহ.. - যে লোকজন তোর উপর পেশাব করার জন্য টাকা দিত?
এবং এই ছেলে তোর কোনো ক্লায়েন্টের?
আর তোর গার্লফ্রেন্ডকে বলতে চাস যে তোকে উল্টো করে বেঁধে
পেছন মারা দিতো?
এটাই বলতে চাস? ওকে।
- আমাদের অপহরণের গল্পটা বলতে পারি। - আহ।
আমাদের সাথে জোরাজোরি করত, এজন্য পালিয়ে এসেছি। এতে সমস্যা কোথায়?
আমাকে প্রোপজ করার সময় টনিকে বলতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু.. বলতে পারি নি।
কিন্তু তার প্রস্তাবে রাজিও হতে পারিনি।
কারণ মনে হচ্ছে তাকে ধোঁকা দিচ্ছি।
বন্ধুরা,
আমাদের বাজে অতীতের ব্যাপারে তাদের বললে,
সবকিছু বরবাদ হয়ে যাবে।
আমাদের এই নতুন জীবন ধংশ হয়ে যাবে।
আমাদের সুন্দর সব মূহুর্তগুলো শেষ হয়ে যাবে.…
বুঝেছ?
তখন তারা আমাদেরকে ভালোবাসার বদলে,
সমবেদনা,
সন্দেহ এবং দয়া দেখাবে।
এখন তারা তোমাদের মাঝে ওয়েন্ডি এবং জিনাকে দেখে।
কিন্তু যদি তাদেরকে সত্যিতা বল,
তাহলে তারা কী ভাববে বলে মনে হয়?
কিছুই আর আগের মতো হবে না। বুঝেছ।
আমাদের খারাপ অতীত কখনো আমাদের পিছু ছাড়বে না।
এটা প্রতি রাতে অনুভব করি।
এবং ঘুমাতে পারি না।
শ্বাস নিতে পারি না।
নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায়।
তোমরা কী চাও না,
যে সকালে ঘুম থেকে উঠার পর এসব ভয়ভীতি মুছে যাক?
হ্যা?
আসলে, তাদেরকে আমাদের গোলাগুলি করা, ট্রাক লুট করা,
এবং গুন্ডাদের জীবন্ত দাফন করার গল্প তো বলতে পারব না, তাই না?
বিশেষকরে যখন ঐ গুন্ডারা যেকোনো দিন
তাদের টাকা ফেরত নেবার জন্য,
আমাদের দরজায় গোলাগুলি করতে পারে, তো...
এজন্য তাদেরকে একটা মনগড়া কাহিনি শুনিয়ে দাও।
এবং মজার কাহিনি।
তাহলে আর এটা নিয়ে জীবন পার করা লাগবে না।
ওকে?
যতক্ষণ না তিনজনকে কোনো নির্জন জায়গায় দেখছি,
ততক্ষণ কেউ গুলি চালাবে না।
কিছু হলে আমাকে এবং ডারউইনকে জানাবে।
আমি চাই না একজনকে মারার পর বাকীরা ভেগে যাক।
তিনজনকে একসাথে মারতে চাই।
একদম ঘটনাস্থলেই,
কোনো সাক্ষী ছাড়াই।
চলো এই চোদনামিটা চিরতরে শেষ করে দেওয়া যাক...
ভাই।
সে জড়িয়ে ধরার সময়,
মনে হয়েছিল ঐ তিনজনকে খুঁজে মেরে ফেললেই
আমি শান্তি পাব।
কিন্তু সত্যি বলতে, এটা রোমিওর চাল ছিলো।
যেমনটা যুদ্ধের ময়দানে সৈনিকের মনে হয়,
ঐ মুহুর্তে মনে করে তারা সবকিছু সঠিক করছে।
কিন্তু বাস্তবে, কেউ তাদের মগজ ধোলাই করে দেয়।
হুমম। আমি ঐসময় মাটির চেয়ে আকাশে বেশি থাকতাম।
আমার ফ্লাইট বুয়েনোস থেকে লিমা,
সেখান থেকে বোগোতা এবং চিলি যেতো।
আর এটা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলে?
তাদের ডাকার সোদনে ক্লান্ত হয়েছিলাম।
- হুমম? - হুমম?
No comments yet. Be the first to leave one.