Mickey 17

Mickey 17

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

Mickey 17 (2025) WEB-DL Bangla Subtitle [02 16 56]
Un commento di Luca

Tag

webdl
Pubblicato il: 2025-04-08
Download: 251
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

• • • অনুবাদে • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম তাফহিম রহমান

• • • সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

বেঁচে গেলাম কীভাবে?

অনেক উপর থেকে পড়েছি।

ধুর, ছাই। আমার রেডিও কাজ করছে না।

থার্মালও ভোগে চলে গেছে।

ধীরে ধীরে জমে কুলফি হবার বদলে,

আমার তো ভর্তা হয়ে গিয়ে

মরে যাওয়া উচিত ছিল।

টিমো?

টিমো!

টিমো, আমি নিচে আছি।

আহ।

টিমো।

মিকি?

টি... টিমো!

- টিমো, আমি নিচে। - মিকি। ওউ।

এখনো মরোনি তুমি?

- না। - দাঁড়াও।

ওহ, ধ্যাৎ।

তোমার ফ্লেমথ্রোয়ারের কিছু হয়নি দেখি।

একটা আঁচড়ও পড়েনি।

ভাবলাম এত ভালো একটা জিনিস ফেলে যাওয়া ঠিক হবে না।

অস্ত্রাগার একে দেখে খুশি হবে।

এই, আমি এটা রিটার্ন করে দিব, ঠিক আছে?

আমি নিয়ে নিব।

রাগ করোনি তো? কারণ শুধু এটা নিয়ে যাচ্ছি?

মানে, তোমার অবস্থাও খুব একটা ভালো লাগছে না, তাই না?

- আর, রশিও এর চেয়ে নিচে যাবে না। - উহ-হু।

হ্যাঁ, ব্যাপার না।

তোমার ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না।

হ্যাঁ, সেটাই বলছিলাম।

তাছাড়া, এমনিতেও কাল ওরা তোমাকে আবার প্রিন্ট করবে।

হ্যাঁ।

এই, মিকি।

হ্যাঁ?

মরতে কেমন লাগে?

এতদিনে যদিও তোমার অভ্যাস হয়ে গেছে। তারপরও...

এবার নিয়ে কতবার হবে?

তুমি মিকি... ১৬?

১৭। বলদ।

এরপর ১৮ হবে।

বেশ, জেনে ভালো লাগলো, তোমার মরণ ভালো হোক।

কাল দেখা হবে।

ওহ, জোশ।

অবশ্যই।

বেশ বড় আছে দেখি।

আশাকরি, এক বারেই গিলে ফেলবে আমাকে।

ধীরে ধীরে জমে মরার চেয়ে এটাই ভালো হবে।

হয়তো।

হয়তো না।

প্রতিবারই আমি মরার পর ওরা আমাকে

প্রিন্ট করে ফেলে।

আমার সব ডেটা সেভ আছে, আমি একটা সম্পূর্ণ নতুন শরীর পেয়ে যাব।

ওরা আমার মস্তিষ্কে স্মৃতি আর ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য,

রেগুলার আপলোড করে...

এবং রি-ইমপ্ল্যান্ট করে।

মানে মাথা নষ্ট করা প্রযুক্তি।

মানে বলা যায় অ্যাডভান্সড।

একটু বেশিই অ্যাডভান্সড।

হ্যাঁ।

ওহ, দাঁড়াও, দাঁড়াও।

থামো। এক সেকেন্ড থামবে কি?

মানে... শান্ত থাকো৷ শান্ত থাকো।

ব্যস, শ্বাস নাও। হ্যাঁ, শ্বাস নাও।

- ওহ! - হ্যাঁ!

পুরো বডি প্রিন্টিং

আর মেমোরি ট্রান্সপ্ল্যান্টের ব্যাপারটা,

সত্যি বলতে, যুগের চেয়ে এতো এগিয়ে ছিল,

যার কারণে অনেক বিতর্ক হয়েছে,

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, আরো কত কেচ্ছা-কাহিনী,

তাই এসব পৃথিবীতে নিষিদ্ধ ছিল,

আর এখন শুধুমাত্রই পৃথিবীর বাইরে আমার মতো এক্সপেন্ডিবলদের

ব্যবহারের অনুমতি আছে।

তো, পৃথিবী থেকে বের হবার সঙ্গে সঙ্গেই,

আমাদের কুত্তার মতো খাটানো শুরু করে।

একটার পর একটা মিশন দিতে থাকে।

উহ, টেক, কী অবস্থা? এখানে তো এক্সট্রা ক্যাবল আছে।

উম, ব্যাপার হচ্ছে, মিকি...

এই, মেডিকেল, তুমি বলবে ওকে?

কী বলবে আমাকে?

হাই, মিকি। কী অবস্থা তোমার?

তোমার কি মাথা ঝিম ঝিম করছে বা ঘুরছে বা বমি বমি ভাব পাচ্ছে?

উম, একটু মাথা ঘুরছে এই যা।

এখান থেকে অবস্থা আরো খারাপ হবে, মিকি,

অনেক জ্বরও চাপবে।

সত্যি বলতে, তুমি এই মূহুর্তে

অকল্পনীয় মাত্রার রেডিয়েশনের সংস্পর্শে আছ,

এই কারণেই তোমাকে আগে ওখানে পাঠানো হয়েছে।

ঠিক আছে।

তোমার লক্ষণের

বিবরণ দিলে ভালো হয়।

তো, প্রথমে কসমিক রেডিয়েশনের

কিছু প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে চাইব।

তোমার চামড়া ঝলসানো শুরু হচ্ছে কতক্ষণে?

তারপর, চোখে দেখা বন্ধ হচ্ছে কখন?

আর হ্যাঁ, মরতে কতক্ষণ লাগছে?

এই ক'টা জিনিসই জানতে চাই আমরা।

অনেক আগে ক্লাস ফোরে থাকতে

সাইন্স ক্লাসে,

ল্যাবের এক ব্যাঙের সাথে অন্যায় করেছিলাম।

সেই পাপেরই শাস্তি ভোগ করছি বোধ হয়।

মিকি, তোমার গ্লাভস খুলে ফেলো,

যাতে দেখতে পারি তোমার স্পেস স্যুটের ভেতর কী হচ্ছে।

ওহ! ওহ! ওরে! দেখলে কী হলো?

শুভ সকাল।

- শুভ সকাল। - পানি খেতে থেকো, মিকি।

শীঘ্রই তোমার অনেক তৃষ্ণা পাওয়া শুরু করবে।

আর্কাডি, ডোজ অনেক বেশি হয়ে গেছে মনে হয়।

কী এসে যায় তাতে, ডরোথি? ও এমনিতেও ১০ মিনিটে মারা যাবে।

তো ব্যস ওর ব্লাড স্যাম্পলগুলো নাও।

ওর চোখ, নাক, মুখ, কান, পাছা

সবখান থেকে রক্ত বের হওয়া শুরু হবে।

ওর প্রত্যেকটা ফুঁটো থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করবে। বুঝা গেছে?

একই সাথে মেমোরি আপলোডও চালিয়ে যাবে।

এই মিকি অনেক স্পেশাল, জানো তো, না?

সব মিকির মধ্যে তোমার জীবনকাল সবচেয়ে কম হবে।

- শুনেছি। ১০ মিনিট। - বেশ...

আসলে, ভালো খবর হচ্ছে, ১৫ মিনিট মতো।

শুনে ভালো লাগছে, তাই না?

জীবনবিমার বদৌলতে

এতদিনে টাকার কুমির হয়ে যেতাম, যদি...

মানে, এক্সপেন্ডিবলদের জন্য জীবনবিমা কার্যকরী হতো।

আমাদের জন্য না আছে কোনো ক্ষতিপূরণ, না আছে ইউনিয়ন, না আছে পেনশন।

আমি অবাক হবো না

যদি এখন এসে ভাবো,

"তাহলে, কেন... কেন নিজের সাথে এমনটা করছি?"

বেশ, কারণ আমার এক বন্ধু বলেছিল

ম্যাকারন বার্গারের চেয়ে বেশি বিক্রি হবে।

আর সেই মদন বন্ধুর কথা শুনেছিলাম বলে,

ম্যাকারনের দোকান খুলতে গিয়ে

এক ভদ্রলোকের পাহাড় সমান দেনা আমার মাথায় এসে পড়ে।

ওহ, ধ্যাৎ।

ঠিক আছে, ঠিক আছে,

শান্ত হও।

আমি ভালো করেই জানি তোমাদের হাতে ৪ সপ্তাহ আছে।

এটাকে তদারকি ভাবতে পারো।

যদি সময় মতো টাকা না দিতে পারো

তাহলে কী হতে পারে তারই একটা ঝলক।

তাছাড়া, তোমাদের দুজনের হাতে সময়ই সময়,

যেহেতু তোমাদের দোকান ভোগে চলে গেছে।

এখন অবধি যা বুঝানোর চেষ্টা করছেন সুন্দর মতো বুঝেছি।

কথা একদম ক্লিয়ার। কোনো ভংচং কেচ্ছা-কাহিনীর সময় নেই।

"মানছি। আমি দেরি করেছি। টাকা আসতে দেরি হচ্ছে।"

কিন্তু এসে যাবে। দুজন...

ড্যারিয়াস ব্ল্যাংক। এই নামটা কখনো না শুনলেই ভালো হতো।

ব্ল্যাংক সাহেবের টাকা নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই।

অভাব নেই টাকার।

এই বিল্ডিং ওনার অগাধ সম্পত্তির ছোট একটা অংশ।

ওনার ব্যর্থ দেনদারদের মরতে দেখা,

তাদের মৃত্যুর প্রতিটা খুঁটিনাটি...

উনি উপভোগ করেন।

কথা একদম ক্লিয়ার। আপনি থামতে পারেন। আমরা থামতে পারি, ঠিক আছে?

আমি বুঝে গেছি।

ব্যস দুই সপ্তাহে সব সেটেল করে দিব।

যা আছে নেন আপাতত। সামনে আরও পাবেন,

আরও টাকা আসবে...

আরও টাকা আসবে...

ঐ ভদ্রলোককে চারদিন আগে

মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে ধরেছিলাম আমরা।

দামী মনে হচ্ছে।

তো জেনে রাখো, কেউ ডেডলাইন মিস করলে,

পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক আমরা খুঁজে বের করি।

তাই আমরা পৃথিবী ছেড়েই ভাগার চিন্তা করি।

কোনো কিছুতেই লাভ হচ্ছিল না, পরিবার বলতেও তেমন কেউ ছিল না।

তাই, কলোনি অভিযানে আবেদন করি,

কিন্তু এমন পরিকল্পনা

আরও লাখো মানুষের ছিল।

যেন এই আধ মরা গ্রহ থেকে

সবাই কিছু থেকে পালাচ্ছে।

হয়তো সবারই টাকার সমস্যা।

কিন্তু আমাদের যে করেই হোক শিপে ওঠা লাগতো,

কারণ সিজনের শেষ শিপ ছিল এটা।

লাখো মানুষের ঢল নেমেছে যারা পৃথিবী ছাড়ার জন্য মরিয়া।

এটা পরিষ্কার যে অভিযান বিরোধীদের সাথে আলাপ করে কোনো ফায়েদা নেই

যখন তারা মনে করে জীবন ঝুঁকিতে ফেলে

আরেক গ্রহে যাবার চেয়ে পৃথিবীকে সংস্কার করা শ্রেয়।

মনে হচ্ছে যেন এই উৎসাহী আবেদনকারীরা

এখনই স্পেসে আছেন।

তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই অভিযানের

মূল হোতা প্রাক্তন কংগ্রেসম্যান, কেনিথ মার্শাল,

তিনি গত দুইটা নির্বাচনে হেরেছেন।

তাহলে কি এই ব্যর্থ রাজনীতিবিদ

পৃথিবীর বাইরে একটা সাম্রাজ্য গড়ার চেষ্টা করছেন?

ওনার অন্ধ সমর্থকের কারণেই কি

একটা বিশেষ ধর্মীয় সংগঠন এবং

কর্পোরেশন থেকে এত বড় ফান্ড পেতে সফল হয়েছেন?

অনেক প্রশ্নেরই উত্তর জানা বাকি।

চলুন গিয়ে জনসাধারণের সাথে কথা বলা যাক।

আচ্ছা, আপনি কি কেনিথ মার্শালের সমর্থক?

হ্যাঁ। হ্যাঁ। একদম।

আমি ওনার অনেক বড় সমর্থক।

আমার চেয়ে বড় সমর্থক আর দুনিয়াতে নেই।

আপনি কি মার্শালের অফিশিয়াল চ্যানেল থেকে এসেছেন?

- আমি ইসি ২০ থেকে এসেছি... - সত্যি!

তো মার্শাল এখন দেখছেন এই ব্রডকাস্ট?

- ওহ, খোদা! - প্লিজ আমাকে নিন।

প্লিজ আমাকে সিলেক্ট করুন।

অভিযানের জন্য আপনাদের তরুণ আর সুস্থ লোকের প্রয়োজন।

সুধী যাত্রীবৃন্দ,

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left