Le prime 200 righe.
: : : অনুবাদ ও সম্পাদনায় : : : . . . PopcornGuy_Bsub . . .
এই দেখো! প্রেসিডেন্ট!
আর পোপও!
হায় আল্লাহ! দেখো! এরা তো ডাকবিভাগের খেপা কর্মচারী!
একটু থামো! আমার বাচ্চাটা ফেরত দাও!
- তুমি ঠিক আছো? - আমি ভিজে একাকার।
- আমি ট্যালকম পাউডার আনি। - ওটা না।
ভয়ানক দুঃস্বপ্ন দেখলাম। চারপাশে অপরাধ, থামাতে পারছিলাম না।
- ফ্রাঙ্ক, ওটা তো শুধু স্বপ্ন। - ঠিক বলেছো।
আমার শুধু এক রাত ভালো ঘুম দরকার। আগামীকাল সব ঠিক হয়ে যাবে।
আমার ছোট্ট ছেলে কেমন আছে? ঠিকঠাক চলছে তো, সোনা?
জেলে একজন স্ট্রেইট ছেলের যা দশা হয়, আমারও তাই। আর সহ্য হচ্ছে না।
- টানিয়ার খবর কী? - টানিয়া তো আগের মতোই আছে।
দুধের মতো ফর্সা গায়ের রঙ, লাল টুকটুকে ঠোঁট, টাইট নিতম্ব,
ভরা স্তন, কান দুটো যেন চেটে খাওয়ার মতো...
- চালিয়ে গেলে আমি ছেলে হয়েও ক্র্যাম্প খাব। - দুঃখিত।
তোমার সঙ্গে দেখা করতে কেউ এসেছে।
পাহ্পশমির!
- আমার লোকজন খুব রেগে আছে। - অবশ্যই, এরা আরব সন্ত্রাসী।
তুমি তো নাকি দুনিয়ার সেরা বোমা-সন্ত্রাসী!
- রেলস্টেশন, সরকারি ভবন উড়িয়েছো। - সাউথ ফ্লোরিডার ধ্বংসযজ্ঞ!
- ওটা তো হারিকেন অ্যান্ড্রু ছিল। - জনগণকে তাই বলেছিল।
আমরা চেয়েছিলাম আমেরিকাকে অপদস্থ করতে। তুমি পুলিশদের নায়ক বানিয়ে দিলে।
আমি তো বলেছিলাম, ফার্স্ট-ক্লাস কাজের দাম পাঁচ মিলিয়ন।
তুমি যদি দাম বাড়াতে চাও,
আমার কাছে এমন টার্গেট আছে যা সিটি হলকে তুচ্ছ বানাবে।
বড় টার্গেট। কিন্তু আলাদা কেন হবে?
কারণ পাঁচ মিলিয়ন ডলারে আমিই পালাচ্ছি!
আমি এখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছি।
এইবার ব্যর্থ হলে, মিস্টার ডিলন, আমার লোকজন আর ক্ষমা করবে না।
ব্যর্থ? দেখাও তো একজন মানুষ যে আমাকে থামাতে পারে।
সতর্কবার্তা ক্রেতাগণ, কাগজের তোয়ালে-এ আমাদের বিশেষ অফার আছে।
সেটা আইল সেভেন-এ।
এই!
- এটা দাও! - আমার পার্স! কেউ বাঁচাও!
- ব্যাগ ছাড়ো, মহিলা! - আমাকে বাঁচাও!
কারণ সে খুব ভালো মানুষ, কারণ সে খুব ভালো মানুষ...
...যেটা কেউ অস্বীকার করতে পারে না।
আমরা একসাথে অনেক লোক গুলি করেছি। চমৎকার সময় ছিল।
আজ আমি অবসর নিচ্ছি। এখন থেকে যদি গুলি করি, সেটা হবে আমার নিজের বাড়িতে।
আশা করি, সেটা হবে অনুপ্রবেশকারী, শ্বশুরবাড়ির কেউ নয় যেমন বিয়ের আগের রাতে হয়েছিল।
এড, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে তোমাকে আমার বন্দুক দিলাম...
...আর আমার ব্যাজ।
আর... জেন আর আমি হাতকড়িটা স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রাখতে চাই।
মন খারাপ করো না, এড। এটা বিদায় নয়। এটা শুধু "আর কখনো দেখা হবে না"।
- কেউ আমাকে বাঁচাও! - সরে দাঁড়াও!
- এটা... ড্রেবিন! ফ্রাঙ্ক! কিছু দেখোনি? - কী? ওহ...
হ্যাঁ, বিড়ালের লিটার। দুই ব্যাগ এক ডলার। দারুণ!
আদালত শৃঙ্খলা। জুরি শেষ বক্তব্য উপেক্ষা করবে। চালিয়ে যান, উকিল।
- ভরণপোষণ আদালত ঠিক করেছে। - হ্যাঁ, কিন্তু...
তুমি দুই বছর ধরে কিছুই দাওনি, বারবার আদালতের আদেশ অমান্য করেছো।
- তাই তো, মিস্টার ক্লেটন? - আমি তার ঠিকানা হারিয়ে ফেলেছিলাম। সে দু'বার বাসা বদলেছে।
মিথ্যা বোলো না। তুমি শপথ নিয়েছো।
জানো কি শপথ ভাঙার সাজা কী?
- আবার জিজ্ঞেস করছি। - আপত্তি!
মাননীয় বিচারক, আমি... আউচ, আউচ, ওহ।
- উকিল সাক্ষীকে প্রভাবিত করছে। - গ্রহণ করা হলো!
মা বলেছেন তিনি শুনানি চলার সময় মারপিট নয়।
অভিযোগপক্ষের শেষ বক্তব্য পড়ে শোনাও।
"মিথ্যা বোলো না, মিস্টার ক্লেটন। তুমি শপথ নিয়েছো।" ভালো ছেলে।
"জানো কি শপথ ভাঙার সাজা কী?"
এই পর্যন্তই, মাননীয় বিচারক।
চালিয়ে যান, মিসেস স্পেনসার-ড্রেবিন।
অভিযোগপক্ষ শেষ করলো।
ডিফেন্স অ্যাটর্নি মিসেস ডেভিস-জ্যাকবস-স্টেইনার-লাজলো।
আর কোনো প্রশ্ন নেই।
আদালত বিরতি দেবে সকালের খাওয়াদাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত।
- আমরা জিতব। আমার মনে হচ্ছে। - হ্যাঁ, অবশ্যই।
- আমি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছি। - আমি ভাবিনি এটা সম্ভব।
- কী বললে? - কিছু না।
লুইস, ভুল মানুষ বলে কিছু নেই।
তুমি চাইলে সেটা কাজ করাতে পারবে।
এবার দেখি। মিস্টার আর মিসেস ড্রেবিন, তাই তো?
তাহলে, তোমরা ছয় মাস হলো বিয়ে করেছো?
হ্যাঁ। আমাদের দেখার সময় দেওয়ায় আপনাকে সত্যিই ধন্যবাদ।
আমাদের আগের থেরাপিস্ট আপনাকে সাজেস্ট করেছিলেন।
হ্যাঁ, তার আত্মহত্যার খবর শুনে খারাপ লেগেছিল।
একটা দম্পতিকে শুরু থেকেই সঠিক পথে হাঁটতে হয়, দোষারোপে না জড়িয়ে।
- এবার বলো, তোমাদের মধ্যে কে অক্ষম? - সেটা উনি।
হ্যাঁ, অবশ্যই।
- কেন, কে শীতল? - সেটাও উনি।
- তুমি কীভাবে জানো? - সে রাগ করে কারণ আমি কাজ করি।
সে একদমই বোঝে না একজন নারীর কী চাহিদা।
- তুমি খুবই উদাসীন। - এটা কি আবার টয়লেট সিটের ব্যাপার?
আমি একটা বাচ্চা চাই। কিন্তু যখনই মিলিত হই, তুমি মাথা ব্যথার অজুহাত দাও।
আমি কোনো মাংসপিণ্ড নই। আমি চেষ্টা করছি!
আমার কাছে আছে মলম, লোশন, ক্রিম, বই, ভাইব্রেটর টাইপ জিনিস...
- ফ্রাঙ্ক! - হয়তো দোষ তোমারই।
কখনো কি সেক্সি লঞ্জারি চেষ্টা করেছো? লেসি আন্ডারওয়্যার? কালো টেডি?
- সবই ট্রাই করেছি। কোনো কাজে লাগে না। - ওহ!
তুমি কেন বাচ্চা চাও না?
আমি কি চেষ্টা করিনি ওই ১৮ বছরের কোরিয়ান মেয়েটাকে দত্তক নিতে?
জেন, ফ্রাঙ্ক, আমার সাজেশন হলো—
আজ রাতটাকে বিশেষ করো। ডিনার, ওয়াইন, রোমান্টিক মিউজিক।
২৪ ঘণ্টার জনি ম্যাথিস স্টেশন চালাও। শুধু জেন আর ফ্রাঙ্ক হও।
প্রেমিক-প্রেমিকা!
অনেক দিন হলো এমন রাত কাটাইনি আমরা।
- একসাথে না। - ফ্রাঙ্ক!
জেন, বাচ্চা নেওয়া কিন্তু একটা বড় দায়িত্ব।
যেমন হাইতিয়ান জেলে স্যানিটেশনের দায়িত্ব নেওয়া।
আমি আসলে ভয় পাচ্ছি।
চলো আজকের রাতটাকে একটু স্পেশাল করি।
ওহ সোনা, আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি সেটা বোঝাতে চাইছিলাম।
আমার ছোট্ট পাখি-সোনা।
আমার মিষ্টি কুকুরছানা-প্রেম।
আমার আদরের লাভ-বিস্কুট।
- আমার স্নুকি-ওকুমস। - আমার ছোট্ট চিজি-ফাফা!
মিস্টার আর মিসেস ড্রেবিন, দয়া করে থামেন, আমি ডায়াবেটিক। আপনাদের যাওয়াই ভালো।
- ভাবিনি শেষটা এমন হবে। - তাহলে কেমন ভেবেছিলে?
জানি না, অন্যরকম কিছু।
ওহ জেসন, প্লিজ...
ববি...
- আগেও আমি আঘাত পেয়েছি। - আমাদের একসাথে লড়াই করতে হবে।
এড, নর্ডবার্গ! অনেক দিন পর!
- তোমাকে দেখে ভালো লাগলো। - তুমি তো দারুণ লাগছো।
আমি স্টেপ ক্লাসে যাচ্ছি, আর ক্রিসমাসে একটা থাই মাস্টার পেয়েছি।
আসো আসো, ভেতরে ঢুকো!
- বেশ সুন্দর ঘর! - বসো, বসো।
এত অগোছালো দেখে মাফ কইরেন। ইস্ত্রি করার দিন। কেকও বানাইছি।
- একটা খাইবেন নাকি? - এখন না।
একটা সন্ত্রাসী হুমকির ঝামেলায় আছি আমরা।
- পুলিশ স্কোয়াড নিশ্চিত যে... - আমি একটা খাই।
- কফির গন্ধ দারুণ লাগছে। - আমি নিজেই বিন পিষি।
আমরা এসেছি কারণ আপনার সাহায্য দরকার।
- কেকটা দারুণ! - আশা করেছিলাম তোমাদের ভালো লাগবে।
একদম হাতে বানানো। একটু বসি।
সিটি হল বোমা হামলার চেষ্টায় একজন সন্দেহভাজনকে খুঁজে পেয়েছি আমরা।
একজন ফটোগ্রাফার এই ছবি তুলেছে।
- ওকে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। - আমরা ছবি বড় করেছি।
- দেখতে চেনা লাগছে। - না ফ্রাঙ্ক, ব্যাজ দেখো। সে একজন নার্স।
এটা আমি রাখতে পারি?
আমরা তাকে মির্টলউডের কার্লসন ক্লিনিক পর্যন্ত ট্রেস করেছি। নাম টানিয়া পিটার্স।
- তুমি কি তাকে চেনো? - মনে নেই ৭০ দশকে?
বড় ডিস্কো শুটআউট।
এই এড, কী খবর রে ভাই?
গত রাতের ফন্ড্যু পার্টিতে তোমাকে মিস করেছি।
পারিনি। ভিলেজ পিপল দেখছিলাম। মজা পাইছি এক্কেবারে।
- হেই মজা! বুঝছি ব্যাপারটা। - এ কী?
একজন ডিস্কো ড্যান্সার মরছে।
- হায়রে! মাথা ঘুরায় দিছে। - আমরা মনে করি প্রেমের ত্রিভুজ।
এই যে সন্দেহভাজনের প্রেমিকা, টানিয়া পিটার্স।
- সিগারেট? - হ্যাঁ, জানি।
স্টেশনে একটা স্টেটমেন্ট লাগবে তোমার কাছ থেকে।
- নর্ডবার্গ! - আসতেছি লেফটেন্যান্ট!
হ্যাঁ মনে পড়ছে! তুমি তো মিনক্সিডলের প্রথম টেস্ট কেস ছিলে।
- কী? - সাহায্য করতে পেরে খুশি।
আপত্তি না থাকলে, আমার একটা ভেড়ার মাংস রোস্ট করতে হবে।
- আমাদের একটা অনুরোধ আছে। - এত বড় রোস্ট না।
ওটা না, আমরা চাই তুমি গোপনে ক্লিনিকে ঢুকো।
আমি পুলিশি কাজ ছেড়ে দিয়েছি। ভুল জায়গায় খুঁজছো।
না চাইলেও বলতে হচ্ছে, আমরা বিপদে আছি।
- হেজেস আর ও'ম্যালি কই? - তারা হাওয়াইতে... একসাথে।
আমি পারবো না। জেন আর আমি একটা স্পেশাল নাইট প্ল্যান করেছি।
কিছু ঘন্টা মাত্র লাগবে। ডিনারের সময় থাকবে।
জানি না। তবে আমাকে পর্ক চপ বানাতে হবে।
সব অপরাধ নিয়ে ভাবো। কেউ নিরাপদ না। এতে জেনও সুরক্ষিত হবে।
তুমি শুধু জেন না, সারা দুনিয়ার সব জেনকেই রক্ষা করবে।
- গত ৬ মাসে কাউকে গুলি করোনি। - সত্যি।
মজার ব্যাপার হলো ছোটখাটো জিনিসগুলোই মিস করি।
আবার ঠান্ডা বন্দুকটা উরুর পাশে অনুভব করতে ইচ্ছে করছে।
চেজের মজা... আসলেই পুরুষ হওয়া!
কাপড় ভাঁজ করার পর ক্লিনিকের পথে রওনা দিলাম।
পুলিশি কাজের জন্য নিখুঁত ছদ্মবেশ লাগে।
এই মিশনও তার ব্যতিক্রম নয়।
টানিয়া আমাকে চিনতে পারে ভেবে চশমা পরে নিলাম।
চুলও একটু আলাদা করে আঁচড়ালাম।
প্ল্যান করলাম ঢুকে তার বোমা হামলার কানেকশন খুঁজে বের করব,
তারপর দ্রুত বের হয়ে আসব।
পুরনো ফুটবল ইনজুরি সাজানোই যথেষ্ট হবে ভেবেছিলাম।
- আপনাকে সাহায্য করতে পারি? - আমি ডাক্তারকে দেখতে চাই।
এখানে সাইন করুন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে, মিস্টার...?
স্মিথ। না, নেই।
- তাহলে একটা নাম্বার নিন। - ছয়।
- কী? - ছয়টা খালি আছে?
ওটা কি এক থেকে দশের মধ্যে হতে হবে নাকি?
- আপনাকে ডাকা হবে। - ধন্যবাদ।
মিস্টার স্মিথ?
একটা ক্যান্সেলেশন হয়েছে। এখনই আসতে পারেন। ডাঃ কোলজাক?
শুভ সকাল মিস্টার স্মিথ। এই দিকে আসুন।
আমাকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বেশি সময় নেবে না।
- প্রথম কখন সমস্যা লক্ষ্য করলেন? - ব্যাকইয়ার্ডে, আমার চাচার সাথে।
- ব্যাকইয়ার্ডে? চাচার সাথে? - হ্যাঁ, যখন সে আসে...
...আমরা ব্যাকইয়ার্ডে যাই আর একসাথে ছুঁড়াছুঁড়ি করি।
তাহলে তোমরা কী জানতে পারলে?
আমি ওর সঙ্গে তাল মিলাতে পারি না। বিশেষ করে লম্বা শটে ব্যথা লাগে।
আমি সোজা করতে পারি না। কোনো অনুভূতি নাই। একদম অসাড় লাগে।
হয়তো অনেক বেশি টেনে ফেলছি।
- যদি আপনি... - কী জন্য?
- স্পার্ম কাউন্ট। - এখানেই?
একদম ব্যাকইয়ার্ড না হলেও কাজ চালাইয়া যাবে।
আচ্ছা...
আমার সাথে আসেন, কাগজপত্র গুছাই।
নিচে সাইন দেন, নার্সের কাছে জমা দেন।
- এইদিকে আসেন। - কী?
- নাম্বার ১৭। - কোনো সমস্যা?
- না। - এটা ১৭। আপনি পরের জন।
- আমাদের আগে কোথাও দেখা হয়েছে? - মাফ কইরেন, আমি পরেরটা।
স্যার...
মিস্টার স্মিথ, কেমন আছেন?
ব্যস্ত আছি, যদি এটাকেই বোঝান।
No comments yet. Be the first to leave one.