Ponman

Ponman (പൊൻMAN)

Unduh Subtitle Bengali

Informasi rilis

Ponman Bangla Subtitle by Zahid Hasan
Komentar oleh Luca

Tag

webdl
Diterbitkan pada: 2025-03-21
Unduhan: 187
Tuna Rungu: No

Pratinjau subtitle Bengali

200 baris pertama.

অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ হাসান~

পোনম্যান

এই, কী করছেন আপনারা?

এই পোস্টারগুলো ব্রুনো লাগিয়েছে।

টেরর ব্রুনো!

তাতে কি?

গির্জার দেয়াল কি এসব লাগানোর জন্য?

ঠিক আছে! নিজের শনি নিজেই ডেকে আনছেন!

এরা এটা কী করেছে!

আমাদের পার্টির পোস্টার ছিঁড়ছে কে?

-আমি ছিঁড়েছি! -সরে দাঁড়াও!

তুই আমাকে বলার কে?

-বাবা! -চলে যাও!

-আমার বাবাকে ছেড়ে দাও! -নির্লজ্জ!

আরেকবার হাত দিয়ে দেখ!

এই পার্টি আমার রক্তে চলে!

কেউ স্পর্শ করার সাহস কোরো না...

সরো!

চলো!

-এটাই কি তোমার সম্পত্তির সীমানা? -হ্যাঁ।

এই নৌকাটা কি তোমার?

হ্যাঁ, কিন্তু আমি সমুদ্রে যাই না।

তাহলে, কী করো তুমি?

আমি পার্টির কর্মী।

-পার্টির কর্মী? -হ্যাঁ।

-মিঠা পানির মাছ খেতে ভালোবাসো? -হ্যাঁ।

-অ্যাগনেস... -হ্যাঁ।

কী রান্না করছো?

ওহ, মাছের ঝোল?

একটুও লবণ হয়নি!

হ্যাঁ!

এখন একদম ঠিক আছে!

ওর আরো কয়েকটা বিয়ের প্রস্তাব এসেছে।

শার্লির পরিবার ২৩ ভরি সোনার গয়না দিতে রাজি।

কিন্তু তোমাদের প্রস্তাব আমাদের ভালো লেগেছিল, কারণ তোমরা ২৫ ভরি দিতে চেয়েছো।

যদি কোন সমস্যা থাকে, এখনই জানাও, বুঝেছো?

তাহলে আমরা শার্লির বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেব।

না, না, তার দরকার নেই।

আমরা কখনো আমাদের কথা ফিরিয়ে নেই না।

ওহ, ঠিক আছে।

ছোট মেয়েটারও বিয়ে দিতে হবে!

আমাদের উপকূলেরই এক ছেলের সঙ্গে ঠিক হয়েছে।

কিন্তু ওরা খুব তাড়াহুড়ো করছে!

তাই এর সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আগেই শেষ করতে হবে।

এই কারণেই।

কোনো সমস্যা আছে?

না, একদমই না!

তাহলে, তোমরা দিনক্ষণ ঠিক করে ঘটককে জানিয়ে দিও।

কিন্তু বিয়েটা লেন্ট শুরুর আগেই হতে হবে।

কী বললে?

-লেন্টের আগেই? -কেন?

কোনো সমস্যা আছে?

আসলে... না, কোনো সমস্যা নেই।

লুসি!

-দেরী হয়ে যাচ্ছে! -ওহ!

উনি ডাকছেন!

আমি যাই তাহলে। উনি খুব রাগী মানুষ।

-অ্যাগনেস... -হ্যাঁ।

লেন্ট শুরুর আগেই, ঠিক আছে?

হ্যাঁ... ঠিক আছে।

-আমি চললাম। -ঠিক আছে।

এই, ব্রুনো! দাঁড়াও বলছি!

দাঁড়াও!

এটাই আমার শেষ সতর্কবার্তা।

তুমি ক্ষমা চাইলেই সব মিটমাট হয়ে যাবে!

যদি এখানেই বলো, তাহলে ব্যাপারটা চার্চের মধ্যেই থাকবে।

-কি বলো? -কখনোই না, ফাদার!

ওরা পার্টির পোস্টারে হাত দিয়েছে।

ওর কপাল ভালো যে, ঐদিন ছেড়ে দিয়েছি!

ফাদার, এটা শুধু আমার বিরুদ্ধে হামলা নয়।

এটা আমাদের চার্চের বিরুদ্ধে আক্রমণ!

আমি কোনো সমঝোতায় রাজি নই, ফাদার!

আমি অবশ্যই পুলিশের কাছে মামলা করব!

করো গিয়ে!

তুমি পার্টির পোস্টার ছিঁড়েছো, তাই না?

পার্টির কর্মীরাই এর জবাব দেবে।

এই, তুই!

আমি তোকে দেখে নেবো!

-আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো! -তুমি ভেতরে যাও!

ভেতরে যাও! বসো সেখানে!

এই, এই!

এত অহংকারী হয়ো না, ঠিক আছে?

তোমার পরিবারের কথাও ভাবা উচিত।

ভুলে যেও না, তোমার বোনের বিয়ে আসন্ন।

জেলে সম্প্রদায় আর গির্জার সঙ্গে ঝামেলা কোরো না!

যদি তারা তোমাকে একঘরে করে,

তাহলে কী হবে, জানো তো?

ওর বিয়ে ঠিকঠাকই সম্পন্ন হবে, ফাদার।

গির্জার বিরুদ্ধে গিয়ে,

আমরা অনেক বিয়েই করিয়েছি!

আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন না।

চলো!

আমরাও এই প্রস্তাবে পুরোপুরি রাজি নই, লাভলি।

কিন্তু যখন চিন্তা করলাম,

ইতিমধ্যেই ওর বয়স ৩২ পার হয়ে গেছে, তাই না?

ছেলেটা সাগরে কাজ করে।

-তাছাড়া তাগড়া জোয়ান! -তাই নাকি?

যাই হোক না কেন, তাকে তো প্রতিদিন অন্তত পাঁচ-ছয়টি মাছ ধরতে হবে, তাই না?

সাথে একটু চাল-ডাল হলেই ওদের চলে যাবে!

এটাই তো সবার আগে ভাবতে হবে, তাই না?

এটা ঠিক বলেছো, দিদি।

আমি কতবার ওকে বলেছি,

শিক্ষিত ছেলের জন্য অপেক্ষা করে সময় নষ্ট না করতে।

চলো, দিদি। ওখানে বসি।

ঠিক আছে।

আর, ঈশ্বরের কৃপায়,

আমরা ভালোভাবেই বিয়ের আয়োজন করতে পারব।

ওর বাবা যখন মাছ ধরার নৌকা চালাতেন,

তখন আমাদের এলাকায় সব বিয়েতে মন খুলে খরচ করতেন,

-তুমি তো জানোই! -অবশ্যই!

সব কিছু আমাদের কাছেই ফিরে আসবে।

তাছাড়া, তার ভাইয়ের পার্টির কর্মীরাও...

তারাও তো কিছু সাহায্য করবে, তাই না?

কিন্তু ছেলেপক্ষ হঠাৎ তাড়াহুড়ো করায়, একটু ঝামেলায় পড়ে গেছি!

বিয়ের দিন কিছু অলঙ্কার না পরলে কি হয়?

বিয়ের উপঢৌকন পেলে আবার ম্যানেজ করে নেবো!

দয়া করে তোমার স্বর্ণালংকারগুলো দাও।

আরে, কী বলছো দিদি!?

তুমি কি এগুলোর কথা বলছো?

এগুলো তো সিটি গোল্ডের!

আমার স্বামী এটা সেটা বলে বারবার আমার গহনা নিয়ে যায়!

গহনা তো তিনিই বানিয়ে দিয়েছেন, তাই না?

তিনি চাইলে আমি কীভাবে না করি?

তারপর, এই বাড়িতে একটা মেয়েও তো বড় হচ্ছে, তাই না?

এসব ভেবে আমার মাথা ঘুরছে!

এখানেও একই অবস্থা।

স্টেফি! চলো, যাই!

খেয়ে যাও, দিদি!

না, ঠিকাছে!

আমি তো বলেছিলাম, লাভলি আন্টি কিছু দেবে না!

যখন ও তার স্বামীর সাথে পালিয়েছিল,

তখন তোর বাবা আমার তিন ভরি সোনার চেইন নিয়ে তার গলায় পরিয়ে দিয়েছিল।

এখন সেই একই চেইন পরে বড় বড় মিথ্যা বলছে!

সিটি গোল্ড! মিথ্যুক কোথাকার!

দেখ, কীভাবে রোদে গা এলিয়ে পড়ে আছে!

-তুই কি পাগল, বুড়ি? -হ্যাঁ, আমি পাগলই।

সময়মতো সোনা না দেয়ার কারণে,

আমার মেয়ের বিয়ে যদি ভেস্তে যায়,

তাহলে ওকে সাথে নিয়ে আমি সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে মরব!

মনে রাখিস!

নবাবের মতো রোদে গা এলিয়ে পড়ে আছে!

বেশি নাটক করবি না, বুড়ি!

ওর বিয়ে, তাই না? সব ঠিকভাবেই হবে।

তুই কী করবি?

যেভাবে সবাই করে!

কিছু একটা উপায় হয়ে যাবে।

বাড়িওয়ালা বলে গেছে, আগামী মাসে এই বাসা ছাড়তে হবে!

তারপর আমরা কোথায় যাব?

ফুটপাতে!?

বুড়ি!

এই! কী দেখছিস?

পড়শিদের ওপর নজর দেওয়ার এত ইচ্ছা কেন?

ভেতরে যা!

-বুড়ি! -দূর হ!

ও ব্রুনোর বোন।

-জানিস তো? -হ্যাঁ, জানি!

আমি খুব ভালোভাবেই জানি!

আমি কখনো কারো ভরসায় ওকে বড় করিনি!

আমি জানি কীভাবে ওর বিয়ে দিতে হয়। ঠিক আছে?

ওর জন্য আমাদের দলে এক হাজার ভাই আছে!

হ্যাঁ, দেখা যাবে!

আমি তোমাদের সবাইকে দেখিয়ে দেব!

দূর হ, বলছি!

-কমরেড, বেরোনোর সময় হয়নি? -বলেছে ১১টার মধ্যে বেরোবে।

গির্জার সঙ্গে ওই ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা করছে।

শেষ হলেই আমরা বের হবো!

-ব্রুনোর ঐ ব্যাপারটা নাকি? -হ্যাঁ, সেটাই!

ওর মাস্তানি আমরা সহ্য করবো কেন?

এই, ভালো করে বাজাও!

হ্যাঁ, চলো!

এক মিনিট, আমি আসছি।

ব্রুনো তো দলের জন্যই এসব করেছে, তাই না?

তাহলে এখন সমস্যা কী?

যখন কিছু এলোমেলো লোক দলের নাম ব্যবহার করে ঝামেলা সৃষ্টি করে,

তাদের মনে রাখা উচিত আমাদের উপকূল অঞ্চলের ভোটও দরকার।

-ব্রুনো এসে গেছে, কমরেড। -সেই ভোট আমাদের লাগবেই!

-দেখা যাবে। -ও বাইরে আছে।

হুঁ?

কি ব্যাপার, কমরেড?

এসো, কমরেডরা। চলে যাই।

কমরেড...

কি ব্যাপার?

এই পোস্টার কাণ্ড একদম হাতের বাইরে চলে গেছে।

ওই গির্জার কেরানি মামলা ঠুকে দিয়েছে।

তাতে কী হয়েছে? পার্টির উচিত মামলা লড়া।

-গির্জার বিরুদ্ধে? -গির্জার বিরুদ্ধে হতে যাবে কেন?

তুই একটা গাধা! এখানে আয়।

তোকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চার্জ করা হয়েছে। বুঝলি?

আমি কি এটা পার্টির জন্য করিনি, কমরেড?

পার্টির জন্য?

পার্টি কি তোকে বলেছিল তার মাথা ফাটিয়ে দিতে?

-গির্জা নাকি তোকে মীমাংসার জন্য ডেকেছিলো... -হ্যাঁ।

আর তুই কি সেটা পার্টিকে জানিয়েছিলি?

জানিয়েছিলি?

সামনেই আমার বোনের বিয়ে, এই অবস্থায়...

তুই হুটহাট কাজ করিস আর...

কিছুটা বুদ্ধি তো থাকা উচিত!

এখন কী করবো, কমরেড? সেটা বলো।

এবার কিছুই করার নেই।

এখন তো নির্বাচন চলছে।

Ponman subtitles in other languages

Komentar

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left