Az első 200 sor.
হরমোনের ব্যাপার।
আমার এসবে তেমন যায় আসে না। এই পাগলামি শুধু মেয়েরাই করে।
বাড়িকে বাচ্চার জন্য নিরাপদ বানাচ্ছে?
ভাই রে ভাই, ড্রয়ারগুলো পর্যন্ত!
জানিই না আদৌ আমাদের বাচ্চা হবে কিনা...
আর ও পড়ে আছে হাতুড়ি-মাস্তুল নিয়ে। ড্রয়ার খোলাই যাচ্ছে না।
খোলাই যাচ্ছে না?
এক-আধ ইঞ্চি খুলছে, এভাবে আঙুল ঢুকিয়ে দিতে হচ্ছে।
- যন্ত্রণার একশেষ! - আজ হোক কাল হোক...
আজ কাল না ভাই। এত উঁচু উঁচু তাক বানিয়েছে...
বাচ্চারা ত্রিশ বছর বয়সেও নাগালে পাবে না। যদি আমাদের বাচ্চা হয় আরকি।
মা তো সন্তানের কথা ভাববেই।
- তুমি শালা... তোমারও দেখি মেয়েলি হাবভাব! - একদম না। আজব কথা বলছো!
আরে এসব অশুভ।
এতকিছু করে শেষে দেখব বাচ্চাই এলো না।
একটা বিয়ারের বোতল আসতেও বিশ মিনিট লাগে!
শুনুন। শুনুন!
স্টকহোমও ব্যর্থ।
সত্যি? ওরা নাকি ভালোই করছিল?
ব্যর্থতার কারণ?
ভিডিও এখনও দেখিনি। অনেক কথাই কানে আসছে।
এমনটাই হওয়ার ছিল।
সবাই জানে সুইডেনকে ভরসা করা যায় না।
তার মানে বাকি রইল শুধু জাপান। জাপান আর আমরা।
এমনটা এই প্রথম নয়।
জাপানের রেকর্ড নিখুঁত।
আমরা দুই নাম্বারে আছি।
যদি আমরাও না পারি...
আরে ১৯৯৮ থেকে আমরা অব্যর্থ।
আমরা জানি আমাদের কী করতে হবে।
কিংবা বই পড়ে জেনে নিব, ব্যাপার না।
যদি আপনারা কোনো ভুল করে বসেন...
এবার তাহলে বাজি-টাজি ধরবে না তুমি?
বললাম আরকি, আপনাদের কাজটাই তো আসল।
দেখলাম তো তুমি কী বললে।
১৯৯৮এ কেমিক্যাল ডিপার্টমেন্টেরই দোষ ছিল না?
তুমি যেন কোন ডিপার্টমেন্টে? ইতিহাস ঘুরে আসছে দেখছি!
সবার ছোটাছুটি দেখে বোঝা যাচ্ছে এবার ছুটি ভালোই জমবে।
সোমবার রাতে আমার বাড়ি আসবে?
আমার ড্রয়ারগুলোকে আমার বউয়ের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে।
আমার কথা কানে ঢুকছে?
জঙ্গলে এক কুটির
বাংলা সাবটাইটেল ফিহাদ আর-রহমান
প্রফেসর 'চুত'ওয়ার্ড...
চোদনাটার ছবিতে এখনও গুলি মারছিস না কেন?
এত সহজ না বন্ধু... ওরে বাবা!
- তোর চুল! সোনালি! - জোস না?
- সত্যি সত্যি করে ফেললি! - কিন্তু খুব জোস না?
জলদি জোস বল, আমার ভয় করতে শুরু করেছে।
না না, দারুণ হয়েছে। কার্ট চোখ ফেরাতে পারবে না।
কার্টের থেকে ধন্যবাদ তো পাবোই, তোর থেকেও পাবো...
যখন এই ছবিটা ভস্ম করে দিব।
এখনই না...
সত্যিই তার দোষ ছিল না।
কোনটা দোষ ছিল না?
ছাত্রীকে চোদা নাকি ইমেইলে ব্রেকাপ করা?
আমি জানতাম আমি কীসে জড়াচ্ছি।
ভাই রে ভাই!
এই ছুটির দিনে কীসে জড়াবি সেটা তুই জানিস?
এটাতে!
কার্ট যেমন বলেছিল হোল্ডেন যদি সত্যিই তেমন কিউট হয়...
...জড়ানোর পর খুলেও ফেলবি।
সেটা তো একদমই চাই না।
সব যদি তোরা ঠিক করেই রাখিস, আমার মজাটা কোথায়?
হতেই হবে তা বলছি না।
কিন্তু এটা সঙ্গে নিয়ে নিচ্ছি।
আর এটা নিলে এসবের জায়গা হবে না...
- বোর হয়ে যাই যদি? - বোর হলে তুই এসব পড়িস?
সোভিয়েত অর্থনৈতিক কাঠামো? সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক আবহাওয়া...
না না! ওখানে বিল আছে, মদ আছে।
- পড়াশোনা নেই। - দ্রুত মাথা চালাও।
আরেকটু দ্রুত!
সরি, চলতে থাকুন।
- বাহ! - ও-ই হোল্ডেন?
নিচে আসছি এখনই। স্টেট থেকে এসেছে।
দলের সবচেয়ে চৌকস খেলোয়াড়। মিষ্টি ছেলে।
এবং হাত খুব ভালো চালায়!
আমার একজন গার্লফ্রেন্ড আছে।
কিন্তু তুমি তার চেয়ে অনেক বেশি সোনালি।
ভাবছিলাম ওকে ছেড়ে তোমাকে... এইসব কী?
কী এসব? কী করবে তুমি এগুলো দিয়ে?
আচ্ছা আচ্ছা, বই নিব না সঙ্গে।
কে দিয়েছে তোমাকে এগুলো? কে শিখিয়েছে এসব?
তোমার থেকেই শিখেছি, বুঝেছ?
তোমার জন্যই আমার এই দুর্গতি!
শোন, প্রফেসর বেনেট ক্লাসেই এই পুরো বই বুঝিয়ে দিয়েছে।
তোর পড়া উচিত... এটা।
কুরোবস্কির লেখা বেশি ভালো।
তাছাড়া এ বিষয়ে বেনেটের গবেষণা কম...
তাই লেখা কিছুটা ভাসা ভাসা।
এবং তুই প্যান্ট পরিসনি।
- আর কিছু নেই তো? - থাকলেও নিব না।
জুলস, আমরা যাচ্ছি ছুটি কাটাতে, একেবারে থাকতে নয়।
বিশ্বাস করো যখন আমি বলব ব্যাগগুলো সব ফাঁকা...
...তোমার রাগ আরও বেড়ে যাবে।
আচ্ছা বাবা চুপ করছি।
ওরে খোদা!
মার্টি!
তোর সমস্যাটা কী রে ভাই?
এ শহরের মানুষ বড্ড ভয়-পরবশ হয়ে গাড়ি চালায়।
এই হলো আমার মন্তব্য।
তুই কি ছুটি জেলে কাটাতে চাস?
আমরা কাটাতে চাই আমার কাজিনের গ্রামের বাড়িতে।
মার্টিসোনা, এটা ঠিক না।
পরিসংখ্যান বলছে...
পুলিশ কখনই লম্বা তামাকের পাইপওয়ালা গাড়ি আটকায় না।
কেন?
ওরা ভয় পায়। তামাক-টানা মানুষ ওদের চেয়ে বেশি জানে।
প্রাচীন যুক্তিতর্কে তার মাথা ভরপুর।
তোর চুল পাকলো কবে?
ওই জিনিস আমার গাড়িতে যেন না আসে।
কী?
তোর বাপের গাড়িতে তামাকের পাইপ?
গাঁজা খাইছিস নাকি তুই?
হ্যালো।
ড্যানা! কিউটের ডিব্বা!
খাবার-দাবার কিছু আছে?
- সবাই রেডি? - একদম!
- হু? - আমি রেডি!
চলো এবার রাস্তা কাঁপানো যাক!
পাখি রওনা দিয়েছে। একদম ঠিক সময়ে।
আমরা ঠিক রাস্তায় আছি তো?
জিপিএসে এই রাস্তার কোনো হদিস নেই।
গ্লোবাল পজিশনিংয়ের যোগ্যতা পর্যন্ত নেই এই রাস্তার।
সেটাই তো মজা। ছিন্ন করো সকল বাঁধন...
নো মোবাইল নেটওয়ার্ক...
নো সিসি ক্যামেরা...
ছুটি কাটানোর এমন জায়গা যেখানে...
...আমার পাছা কোনো স্যাটেলাইটে ধরা পড়বে না।
সমস্যাটা তো এই জায়গাতেই।
সমাজ ভেঙে যাচ্ছে, তাই না মার্টি?
না, সমাজ তো আরও জোড়াতালি মারছে।
ফাঁকফোকর সব সিমেন্ট দিয়ে ভরে দিচ্ছে।
সমস্তকিছু লিখে রাখা হচ্ছে ফাইলে কিংবা ব্লগে, তাই না?
বাচ্চাদের মাথায় ঢোকানো হচ্ছে কম্পিউটার চিপ যেন ওরা হারিয়ে না যায়।
সমাজের ভাঙ্গা উচিত।
আমরা ভীতুর ডিমেরা শালা ভাঙতে দিচ্ছি না।
তোর আবোলতাবোল বকা খুব মিস করেছি।
একদিন তুই ঠিক বুঝবি।
আপনাদের পরিচয় প্লিজ...
মিস্টার সিটারসন...
- মিস্টার হার্ডলি... - ধন্যবাদ।
- কী নাম তোমার? - ড্যানিয়েল ট্রুম্যান, স্যার।
এটা আর্মি না, ট্রুম্যান। স্যার না বললেও চলবে।
কিন্তু সিটারসনকে ম্যাডাম বলে ডাকলে খুশি হয়।
- কিংবা সোনাপাখি। - সোনাপাখি বললেও হবে।
- এখানে কী হয় সব বুঝেছো তো? - আমাকে বোঝানো হয়েছে সব।
বুঝে যাওয়া মানেই তৈরি হয়ে যাওয়া নয় সেটা কি বলা হয়েছে?
জি। আমি নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করব, মিস্টার হার্ডলি।
বেশ।
ওকে, সিস্টেম এখন অনলাইন।
দেখা যাক কোথায় ওরা।
মনে হচ্ছে এই যন্ত্র ক্রেডিট কার্ড দিয়ে চলবে না।
আমার মনে হচ্ছে এটা টাকা দিয়েও চলবে না।
পণ্যের বিনিময়ে পণ্য দিতে হবে।
হোল্ডেন?
- হোল্ডেন? - মনে হচ্ছে না এখানে কেউ...
- আপনি না বলেই ঢুকে পড়েছেন। - মাগো!
- দোকান বন্ধ লেখা পড়োনি? - আমাদের একটু গ্যাস দরকার ছিল।
এই পাম্প কি কাজ করে?
কাজ করাতে পারলে করবে।
একটা ঠিকানাও খুঁজতে হবে।
আমরা যাচ্ছি... কী যেন নাম?
টিলারম্যান রোড। এই রাস্তাতেই কিনা জানেন কি?
টিলারম্যান রোড ঐ পাহাড়ে গেছে। পুরনো বাকনারের বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়েছে।
আমার চাচাতো ভাই একটা বাড়ি কিনেছে ওখানে। একটা টানেল তারপর বিল...
- ওখানেই... - বাকনারের বাড়ি।
সবসময় কেনা-বিক্রি চলে ওই বাড়ি।
আসল মালিককে চেনেন আপনি?
হ্যাঁ, কে বানিয়েছিল তা জানি না।
অনেক মুরগিই আসতে যেতে দেখেছি। সেই যুদ্ধের সময় থেকে আমি এখানে।
- কোন যুদ্ধ? - তুই জানিস না কোন যুদ্ধ?
ধূসরের মধ্যে একটু নিল নিল ছিল, সেই যুদ্ধটা?
ভাইয়ের বুকে ভাই গুলি মারছিল?
টিটকিরি মারছো ছোঁড়া?
আপনি আমার বন্ধুর সাথে অভদ্রতা করেছেন।
এই মাগীটা?
- কী বললেন? - যথেষ্ট গ্যাস নেওয়া হয়ে গেছে।
ওই পর্যন্ত যেতে তো পারবা। আসতে পারবা কিনা...
... সেটা তোমাদের ব্যাপার।
দোয়া করি আপনার ব্যবসা ভালো চলুক, স্যার।
শিগগিরই এদিকে রেললাইন আসতে চলেছে।
বিশাল রেললাইন।
রাস্তার উপর রাস্তা বসবে।
শালা।
বাহিরে দেখো একবার!
এটাই নিশ্চই সেই জায়গা।
বাহ! খুবই সুন্দর জায়গা।
একটা মাকড়সার দেখা পেলেই আমি আর এখানে নেই।
সত্যি বলছি।
এসো, মালপত্র নামাই।
ভেতরটা জোস!
বেশ ভালোই।
তুমি খাওয়ার জন্য কাঠবিড়ালী শিকার করবে?
এবং তার চামড়া দিয়ে তোমাকে টুপি বানিয়ে দিব।
সবাই তৈরি হয়ে নাও। দশ মিনিটের মধ্যে আমরা বিলে যাব।
হ্যাঁ।
সাঁতার-ফাতারের ব্যাপারে আমাকে আগে বলা হয়নি কেন?
দরকার নেই এ জিনিসের।
অসম্ভব!
No comments yet. Be the first to leave one.