Az első 200 sor.
পাইরেসি সমর্থন থেকে বিরত থাকুন। প্রিয় ইন্ডাস্ট্রিকে জীবিত রাখুন!
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
"Aadhalal Kadhal Seiveer"
গানঃ "Mella Sirithal" লিরিক্সঃ Yugabharathi সিংগার ও কম্পোজারঃ Yuvan Shankar Raja
If she smiles slowly, it's love!
If there's lightning, it's love!
If she blinks her eyes, it's love!
If she moves her hand, it's love!
If she jumps, it's love!
If she touches, it's love!
If she kisses, it's love!
If she breathes, it's love!
That's why,
Love!
That's why,
Love!
Try and love, you'll feel time stop!
The moon light will fall on the street lamps!
Even a textbook will seem like a poetry book!
Your sweat will glisten!
Noise will become music!
The world will appear as new!
Try and love, really!
You can arrest even the wind!
Try and love my friend, you'll feel like being alive tomorrow too!
I'm telling love is an emotion of the angels!
That's why,
Love!
That's why,
Love!
With love, you can trap rainbows in your umbrella!
With love even the brain feels happy!
Even the house will feel like a jungle
Electricity will flow through the body's cells!
With love, even Ganga
will join a dirty stream!
With love smiles will stay throughout life!
Even stones on road can turn into gods!
That's why,
Love!
That's why,
Love!
জেনি! বেশিকিছু বোলো না।
তুই কেন ভয় পাচ্ছিস? তুই কী করছিস?
- তবুও... - আয়।
- এ দে রে। মেসেজটা দেখতে দে। - ছাড় তো।
হাই জেনি, বলো।
কাল রাতে ওকে মেসেজ দিছিস কেন?
- আমি দেইনাই তো। - মিথ্যা বলিস না।
9962001206, তোর নাম্বার না?
একটা মেয়ের নাম্বার পাইছিস দেখে যা ইচ্ছা মেসেজ করবি? কী ভাবিস তুই?
সেরকম কিছু না, জেনি। আমি স্বেতাকে সত্যিই ভালোবাসি।
ভালোবাসলেই এই রকম এসএমএস দিবি?
দ্যাখ, ও তোকে ভালোবাসে না। তাই এরকম ফালতু কাজ আর করবিনা।
অন্তত এসে প্রপোজ করতে পারতি! এত্তো টেনশন!
- ডিনকে বলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছি। - বেচারা ছেলে! ভয় পেয়ে আপসেট হয়ে আছে বোধহয়। দাও এটা।
বেচারা?! এতোকিছুর পরেও ক্যান্টিনে দেখা করার জন্য মেসেজ দিছে!
- কত টাকা? - দেড়শ টাকা আপা।
নেন।
এখন এসব কাহিনী কেন? পরীক্ষা আসতেছে সামনে। পড়ালেখায় মনোযোগ দে।
- পরীক্ষা আগে ভালো কর। - পরীক্ষার পরে আসতে বলি তাহলে?
তোদের জেনারেশনের এতো ধৈর্য্য নাই। দুই দিনের মধ্যে অন্য মেয়ের পেছনে ঘুরবে!
দ্যাখ ভাই, তোর ভাগ্য তোর, আমার ভাগ্য আমার!
কপালে লেখা আছে প্রত্যেকের ভাগ্য।
প্রত্যাখ্যান পেয়ে হয়তো আপসেট হয়ে আছিস। মনকে শক্ত কর। অল ইজ ওয়েল!
তো, তোর ভাগ্যে যে আছে তাকে আমি পাবোনা, আমার ভাগ্যে যে আছে তাকে তুই পাবিনা।
তোর ভাগে আমি নাম লেখাতে পারবোনা, তেমনি আমার ভাগে তুই নাম লেখাতে পারবিনা।
- ভাই গো! - কী রে?
ভাই রে, আপনার ফ্রেন্ডরে আমি সাত জন্মে আর মেসেজ-কল করবো না।
তবুও এডভাইস দেওয়া বন্ধ করেন।
- পায়ে পড়বে এতোটা আশা করি নাই। - আমার ফিলিংকে টাচ করে গেল!
ভবিষ্যতে একটু ভেবে দেখিস, স্বেতা।
- হেয়, কী হইছে? - ব্রেকআপ হয়ে গেছে দোস্ত।
ব্রেকআপ?! আগের সপ্তাহেই পিক আপ করলি আর এখন ব্রেকআপ?!
এখন সব ব্রেকআপ ব্রেকফাস্ট খাওয়ার মতো!
ধুর! ব্রেকফাস্ট খাওয়ার সময়ই ব্রেকআপ হইছে।
কী ছন্দ! ওকে, জারি রাখ তোর ফিলিংস।
এ, তারপর? খবর কী তোর?
কেবলই একটা প্রবলেম সলভ করলি। এখন ওর খবর জেনে কী করবি?
সবসময় প্রবলেম ফেস করেই তো নেতা হতে হয়। বল রে, কেমন চলছে?
- ছয় মাস ধরে ফলো করতেছি, কোনো রেজাল্ট নাই! - কোনো রেজাল্টই পাসনাই?
বলছিস তো মেয়েটাকে?
আমার কন্ঠ শুনলে তো কোকিলের বাচ্চা মনে হয়!
তো কাজ না হওয়া পর্যন্ত মুখ না খোলার মতলব করছিস?
কোন এলাকায় থাকে? এইযে, শুনো।
- হাই, আমি জয়। ও আমার বন্ধু সাবারি! - হ্যালো।
- আমরা এনসি কলেজেই পড়ি। - তো?
- আমার বন্ধু তোমাকে ৬ মাস ধরে ফলো করতেছে। - ৬ মাস ধরে? আগে দেখিনি তো!
- তুমি যখন হাঁটো, তখন তোমার পেছনেই থাকি। - তাহলে আমি কীভাবে জানবো?
গাঁধারাম! এইভাবে কাউকে ফলো করে? পেছন থেকে ফলো করলে মেয়ে কীভাবে বুঝবে?
সরি ভাই, আমি মনে করছি দেখতে পাইছে।
সরি! এবার থেকে ভালোভাবে ফলো করবে! এখন তো জেনেই গেছো। কী বলো?
- দু'মিনিট একা কথা বলবো। - সুপার! এনজয়।
- ওর সাথে না, আপনার সাথে! - আমি?!
আসলে একই সমস্যা...
- ...আমিও ভালোবাসি... - ভালোবাসো?
- ... আপনার বন্ধু... - ওহ! সাবারিকে ভালোবাসো?
না! কার্তিককে ভালোবাসি!
কি?! কার্তিককে?
হ্যাঁ। কার্তিকের বাবার টিউশনে যাই আমি। কার্তিক আমাকে দেখেনি!
কিন্তু আমি দেখেছি ওকে!
আমাদের কথা হয়নি! কিন্তু আমার বন্ধুদের মাঝে অনেক কথা হয়েছে ওকে নিয়ে।
ভেবেছিলাম ঠিক সময় দেখে ভালোবাসার প্রপোজ করে দিবো ওকে।
একদম মোক্ষম একটা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনেক থ্যাংকস!
আপনাকে আমাদের দুজনকে মেলাতেই হবে ভাইয়া।
সর তো! বিশ্বাস করেছিলাম তোকে।
ছয় মাস থেকে ফলো করে এক বছরের মধ্যে ছিপে তোলার প্লান করছিলাম। ভেস্তে দিলি সব!
আচ্ছা, ছাড় এখন।
আমার কথা শোন। তাকেই ভালোবাস যে তোকে ভালোবাসে।
হ্যাঁ, আমাকে ভালোবাসার জন্য মেয়েরা লাইন ধরে আছে তো! যা!
সরি রে। মনে কিছু নিসনা, ঠান্ডা হ!
দোস্ত, যদি ওকে হয় তাহলে পিক আপ করে প্যাক আপ হয়ে যা!
- সরি! আমার দরকার নাই। - কেন?
না রে। অন্য কাউকে ভালোবাসি।
- হেয়! কে সেই মেয়ে? - স্বেতা!
স্বেতা?! আমাদের স্বেতা?
কতদিন থেকে এই ভালোবাসা?
- তোদের গ্যাঙে জয়েন করার আগে থেকে। - তো তুই গ্যাঙে যোগ দিছিলি স্বেতাকে পিক আপের জন্য!
তুই অনেক দেরি করছিস দোস্ত। যদি স্বেতা জানতে পারে...
- এই, স্বেতা! - কী রে জয়? গভীর আলোচনা চলছে?
- আরেকটু আগে আসলেই পারতি। - কী ব্যাপার?
সাবারি একজনকে পছন্দ করছিলো না? মেয়েটা কার্তিককে পছন্দ করে!
- ওহ, সুপার! - কিন্তু কার্তি রাজি না।
- কেন? - এ অলরেডি ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে!
ও ভালোবাসে? কাকে?
এখনও ওয়ান সাইড লাভ। ডুয়েট হলে তারপর বলবে।
কিন্তু একটা কথা, কার্তিক।
মেয়েটাকে প্রপোজ করার আগে, আগে বন্ধুত্ব কর।
আরেকটা, খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাইক! কারণ প্রত্যেক মেয়েই বিএফকে জড়িয়ে ধরে বাইকে চড়তে চায়।
বাইক নিয়ে প্রপোজ করলে কাজ হয়ে যাবে!
সুপার, স্বেতা! জেনি খুঁজতেছিল তোকে। তুই যা।
দোস্ত, ওকে পটানোর জন্য ও নিজেই তোকে আইডিয়া দিয়ে গেল রে!
সুযোগ মিস করিস না রে। কোমড়ে দড়ি বেঁধে রোডে বাইক নিয়ে নেমে পড়!
সেসব ওকে। কিন্তু বাবার কাছে বাইক চাইতে পারবো না!
কেন?
পেরিমামা... ফোনে...
নিচে যা, আসতেছি।
মেয়েগুলোর সামনে ফ্যাসাদে পরে গেছিলাম!
তাতে কোনো সমস্যা নেই।
প্রভুকে একবার বাড়িতে নিয়ে গেছিলাম। ভালোভাবেই কথা বলল।
- ভেতরে যাও! - থ্যাংক ইউ।
বাড়িতে বন্ধু আনতে নিষেধ করিনি?
না বাবা, আজকে টিউশন নেই দেখে এনেছি।
আনতে নিষেধ করেছি, আনবি না।
দারুণ বাপ রে!
তাঁদের ঘাড়ের চেয়ে বেশি লম্বা হয়ে গেলে আর ওতো অনুমতির দরকার হয়না দোস্ত। নিজেদেরই ডিসাইড করতে হয়।
ঠিকভাবে চাইলে আকাশের চাঁদও পাবি!
- কীরে? কফি লাগবে? - বাইক লাগবে!
বাবার স্কুটার তো আছেই, না?
ওই আশি সালের বাসি জিনিস নিয়ে কলেজে যাইতে পারিনা মা। বাস সাড়ে ছয়টায় পিক আপ করে, নয়টা বাজে পৌছাতে।
ফিরে আসতে জানের বারোটা বাজে! বাসে যাওয়া খুবই কষ্টের মা!
- এতো ধকলে কলেজে গিয়ে ঘুম ধরে! - স্যার চাচ্ছেন কী এখন?
বাইক চাচ্ছে।
- বাইক? পাবি পাবি! আগে বাইক চালানো শেখ। তারপর নিয়ে দেবো। - আমি বাইক চালাতে পারি।
- ঠিকভাবে চালাতে পারিস তো? - তোমার চেয়ে ভালো পারি!
এই, ট্রিট দিচ্ছিস তবুও বলছিস না মেয়েটা কে!
মেয়েটা কে আমি জানি। স্বপ্না না?
সাসপেন্স!
- বেশি ভাব ঝারিস না! - ওরকমই।
তুই-ই বল, কাকে ভালোবাসিস?
কনফার্ম হলে বলবো।
- আসলে ও জয়ের বোনকে ভালোবাসে। - জয়ের বোন?!
ব্যাপারটা জয়ের বোন এখনও জানেনা।
ওহ! তাহলে এই ব্যাপার?!
- না, আমি ডায়েটে আছি! - সব তোর ভালোর জন্যই দোস্ত!
- কীরে? স্বেতাকে বলছিস? - বলছে বলছে! কিন্তু কোনো উত্তর পায়নাই।
তুই বলছিস না? বাকিটা আমি দেখবো।
- এই, ও তো ফাঁস করে দিবে! - বন্ধুরা পাবলিকে ফাঁসাফাঁসি করেনা!
তো স্বেতা, ওকে তো?
- কীসের ওকে? - কার্তির লাভ মেটার!
- তুই ওকে তো? - তুই যদি ওকে হোস, আমি কেন ওকে হবোনা?
- কিন্তু... তোর ডিসিশন? - তোর বোনের ব্যাপার এটা।
- আমার ডিসিশন দিয়ে কী হবে? - আমার বোন?!
হ্যাঁ, তাই তো প্রভু বলল!
- এ, কী বলছিস রে? - কেন রে? কার্তির ক্রাশ তোর বোন না?
চুপ রে!
- জয়ের বোন বলে তুই মিথ্যা বললি, কেন রে? - ফীগার বোধহয় ভালো না!
- তাই বলতে চাচ্ছে না! - স্বেতা, না জেনে কিছু বলবি না।
পরে বুঝতে পারবি!
তো মেয়েটা কি সুপার ফিগারওয়ালা?
একটা তো ক্লু দে না...
বল রে! বলে দে!
না, রবিবারে বলবো।
ছাড়, কোনো না কোনোদিন ঠিকই জানবো।
কথা বলার সময় ঠিকই থাকে, কিন্তু প্রপোজ করতে গেলে হাঁটু কাঁপতে থাকে!
ভালোবাসার প্রথম ধাপেই ভয় পাচ্ছিস। পরের বিষয়গুলোতে আরও কী করবি?
একটা কাজ করি... শোন তো!
একটা মেয়েকে সেট করে স্বেতাকে কল করতে বলবো। কার্তিককে ও ভালোবাসে এটা বলে মেয়েটা ডিটেইল জানতে চাইবে।
তারপর স্বেতার মনোভাবটা দেখবো। যদি ওর হিংসে হয়, তাহলে ও তোকে ভালোবাসে!
সুপাররে দোস্ত! ঠিক না?
- এই! তোর জিএফকে তাহলে কল করতে বল। - ওর জিএফের কন্ঠ পুরাই পুরুষের মতো! ধরা পড়ে যাবে!
দোস্ত, তোর কন্ঠ মেয়েদেরই মতো। তুই কর না!
মজা উড়াচ্ছিস?
পারবোনা আমি, যা!
এসবে কিচ্ছু হবেনা।
একদম মুখোমুখি, চোখে চোখ, ঠোঁটে ঠোঁট রেখে বলে দে!
কাজ হবেই।
সেই তখন থেকে কাঁদছিস তুই!
কী সমস্যা?
মহেশের সাথে কিছু হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.