Les 200 premières lignes.
এই হাসি!
ওখানে কী করছিস?
দেবী আন্টি অনেকক্ষণ ধরে তোকে ডাকছে।
দেবী! ধুর, দেবী!
দেবী! ধুর, দেবী!
দেবী! ধুর, দেবী!
ওরে বাবারে!
- বিয়েটা বরবাদ করলি কেন? এতো সাহস তোর! - আর মেরো না ওকে।
মরে যাবে, ছেড়ে দাও।
মা-বাবা তো কখনো তোর খারাপ চায়নি, তাই না?
এটাও তোর ভালোর জন্যই করছি।
মা বলে যদি কিছু থাকে তোর কাছে...
সব ভুলে গিয়ে এই বিয়েটা মেনে নে।
তোর বাবাকে বলে দিই যে তুই বিয়েতে রাজি?
শোনো, মারধোর আর চিৎকারে কিছু হবে না।
আজকালকার ছেলেমেয়েদের একটু চালাকি করে সামলাতে হয়।
তোমার সেটা নেই, বুঝলে?
ভালোই তো, তোমার ওটা আছে।
এই! সুপারি গাছটা কাঁপছে কেন?
এই!
অনুবাদ ও সম্পাদনা ~ জাহিদ হাসান ~
- থাম! - বাবা, প্লিজ মেরো না।
তোমরা যাকে বলবে, তাকেই বিয়ে করব। মেরো না বাবা।
মেরো না, ওহ্!
মারতে মারতে মেরে ফেলো না, প্লিজ।
এই, থাম!
কি অভিনয় রে ভাই! আমাকেও বোকা বানিয়ে দিলি।
মারবো না তোকে।
চল, উঠে আয়!
ওহ্ ভগবান!
সরি বাবা।
ধন্যবাদ।
আমার মান ইজ্জত শেষ করলি!
বল তো, তোর সমস্যাটা কী আসলে?
তুই স্কুলে ঝামেলা করেছিস বলেই তো এই বিয়েটা ঠিক করলাম।
এখন তো কাউকে মুখ দেখাতেই পারছি না।
কী সমস্যা তোর? বল।
সরি বাবা, আর করবো না। প্রমিস।
সব পরিষ্কার হয়ে গেছে।
তোমাকে পরে দেখাচ্ছি আমি। চালাকি, তাই না?
আমার চালাকি তো কাজ করলো না।
এখন তুমি যা খুশি করো।
দয়া করে তুই ওর মতো কাণ্ড করে বসিস না যেন।
না, আমি শুধু ওকে দুয়েকটা কথা বলতে এলাম।
এই, সকালে কোথায় পালিয়ে গিয়েছিলি?
চড় খাবি এখন? তুইই তো পালাতে বলেছিলি!
পালানো মানে ব্যাগ নিয়ে রাস্তা দিয়ে দৌড়ানো নয়।
আগে প্রেমে পড়, তারপর পালা।
প্রেমে পড়েই যদি পালাতে হয়, তাহলে তো বিয়েটাই মেনে নিতাম!
পেছনের বাগানে একটা ঝাউ গাছ আছে।
ওটাও কেটে ফেলে দে। -এই সুপারিগুলো ভালোই ছিল।
শোন, নিজের মত করে চলতে চাস তো?
তাহলে এমন একজন স্বামী লাগবে যে তোর কথা শুনবে।
যার চাহিদা কম, এমন কাউকে ভালোবাস।
তাহলে যা খুশি করতে পারবি।
এমন কে আছে?
অনেকেই আছে।
সত্যি?
অনেক অনেক!
একটুখানি হাসলেও গুগল পেতে মেসেজ পাঠিয়ে দেবে।
আচ্ছা, এখন আমার দরকার নেই।
পুরুষদের বেশিরভাগই এমন।
উদাহরণ?
ভালো করে ধর!
- কষ্ট হচ্ছে? - না।
আরে, ভালো করে ধরো। আমিও সাহায্য করতাম, কিন্তু হাত ব্যথা করছে,
হ্যাঁ, শক্ত করে ধরেছি। কুঞ্জাই, চিন্তা কোরো না।
হাত কেটে গেলেও দড়ি ছাড়ব না আমি।
ছাড়িস না যেন।
সুকু, আমাকে একটু নামিয়ে দিবি?
এই!
আস্তে নামা।
পাচা...
ঠিক আছে?
কুঞ্জাই, আমি আসছি।
এই, বালতিটা উপচে না ফেললেও চলে।
দুবারে ফেলে দেবো আমি।
যেভাবে ইচ্ছা ফেল, আমি ভরছি।
- সুকু কোথায়? - মাল খাচ্ছে!
মাল খাচ্ছে? আমাকেও দে এক গ্লাস।
জয়ফল?
রবিবারে মাংস নেই নাকি?
জয়ফল শরীরের জন্য ভালো।
সুধাকরণ, তোর বাচ্চারা কি এই কুয়োতেই খেলে?
খেলনারে ভরে গেছে সব। আর কতবার তুলব বল?
- কুঞ্জাই... - কী?
- নীচে পাঠাচ্ছি! - তাড়াতাড়ি কর!
আসছে। -এই, ফেলিস না কিন্তু।
- সুকু! - হ্যাঁ?
নাস্তার কী খবর?
- সুকু... - কথা শুনতে পাচ্ছি না।
পাচা, এখন তুই কী করছিস?
আমি সুকু ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করছি...
কিন্তু সুকুর দোকানে তো এখন কোনো কাজ নেই।
না, ব্যাপারটা তেমন নয়।
আসলে, আমার বাবা-মা মনে করেন এটা আমার জন্য ভালো হবে।
তার মানে কোনো বেতন নেই।
ভাই, তুমি কী করো?
আমি সরকারি চাকরি করি। কেএসআরটিসিতে কাজ করি।
বেতন পাও?
কূপে যথেষ্ট পানি আছে।
আমি নিয়ে আসছি। - এই, কড়া করে পেগ বানা!
ঠিক আছে!
সুধাকরণ, কড়া করে পেগ বানা!
কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটা দিয়ে চালাতে হবে।
এই, সুকু!
ওহ, আস্তে ডাকতে বল। কূপে প্রতিধ্বনি হচ্ছে।
এই, সুকু!
হায় ভগবান!
কী হলো, মা?
একটা কাঁঠাল পেড়ে দে। কতদিন ধরে বলছি?
এখন? আমি কাজে আছি। দেখতে পাচ্ছ না?
দে না বাবা!
তুমি বাড়ি যাও। আমি আসছি।
এটা শেষ করি আগে।
আমি জানি তুই ওখানে মদ খাচ্ছিস।
- এখানে কঠোর পরিশ্রম করছি, দেখতে পাচ্ছ না? - ভাই, তুমি কি ওদের সাহায্য করতে পারো না?
আমার হাতে ব্যথা। - ওহ্, আচ্ছা।
এটা নিচে পাঠা।
অন্য কেউ সাহায্য চাইলে, দরদ উথলে উঠে!
কুঞ্জায়ি, আসছে।
কড়া হয়নি?
এটা রঙ চা, সুকু। - বুঝেছি।
- আজকে কাজ নেই? - হ্যাঁ, নাইট ডিউটি।
ওহ, তাহলে তুমি গিয়ে ঘুমাতে পারো।
- কাজটা ধরতে পেরেছ? - হ্যাঁ।
- আমার জন্য একটা দুধ চা দিতে পারো? - ঠিক আছে!
ধন্যবাদ!
আমাকেও একটা দিস।
কড়া করে...
সুকু, তোর মদ লাগলে আমি কিনে দেব।
- প্লিজ এসে ওই কাঁঠালটা পেড়ে দে। - বুঝতে পারছো না কেন, মা?
আমি তোকে অনুরোধ করছি।
এসব কী? প্লিজ যাও, মা।
আমি করবো। - আমি জানি তুই করবি না।
মা, প্লিজ যাও।
প্লিজ যাও।
দেখো, তোমার স্বামী কাঁঠাল নিয়ে যাচ্ছে।
হায় হায়, ওর তো ডিস্কের সমস্যা আছে।
এই, সাবধানে।
- তোর মা রেগে গেছে? - হ্যাঁ।
ওহ নো!
উফ্!
কী হলো?
এটা চা ছিলো।
চা? দেওয়ার আগে বলবি না!
বাবু, কুন্ডলি ভূতের কথা শুনেছিস?
ও প্রতিদিন বাচ্চাদের ভয় দেখাতো। - তাই?
হ্যাঁ! প্রতিদিন।
মা, বলেছিলাম না বৃষ্টি হলে আমার জাঙ্গিয়া ভিতরে রাখতে।
- এখন আমি কী পরবো? - আমি কুঞ্জিকে বলেছিলাম।
- এই, কুঞ্জি! - কুঞ্জি!
- কুঞ্জি! - হ্যাঁ!
এখানে আয়।
- কী হলো? - এটা কী?
এখন আমি কী পরবো?
আমি ভুলে গেছি। এখন তোর পরার কিছু নেই?
সুকু এই পৃথিবীতে কিছু না পরেই এসেছিল।
তাই আমি জানি একদিন এটা না পরলেও কী করতে হবে।
বুঝলি?
ওহ মাই গড!
জাঙ্গিয়া না পরে যাওয়ার জন্য এত বড় ডায়লগ দিলি?
মামা, চাইলে আমার প্যান্ট পরতে পারো।
বাবু, তোরটা ওর গায়ে লাগবে না।
চুপ কর, পিচ্চি!
- আচ্ছা, তাহলে কাঁঠালটা তোর জন্য এনেছে? - তুই খাবি?
বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? ভিতরে বসতে পারিস না?
মন চাইলে ভিতরে আয়।
পাচা, তোর কোলে বসে গাড়ি চালাব?
পিছনে যা!
তাহলে সুকু ভাই কোথায় বসবে?
ও এলে ঠিক করে নেব।
এই বৃষ্টিতে বাইরে যাস না।
এত কষ্ট করে কোথায় যাচ্ছিস?
পাচা, সামনে এগো।
হ্যাঁ, সামনে এগো। - তিনজন একসঙ্গে উঠিস না।
মনে হচ্ছে উনি সুগার ড্যাডি। - ইয়াক!
সুগার ড্যাডি?
- সুগার ড্যাডি কী? - বস!
পল্লিকাভুতে পুলিশ চেকিং হবে।
মার্কেট রোড দিয়ে যা!
কুঞ্জায়ি, কাল কোনো কাজ নিস না। বাইক আনতে যেতে হবে।
থ্যাঙ্ক গড, বিচিতে জাঁতা খেয়ে আর বাইক চালাতে হবে না।
- বুলেট থাকবে, তাই না, সুকু ভাই? - চিন্তা করে দেখবো।
অবশেষে আমি ট্যাঙ্ক থেকে সিটে যেতে পারব।
এই, একটা পেগ নে।
আরে, বুড়োদের গান বাজা।
তোর বয়সী লোকেদের সঙ্গে গিয়ে খাঁ! আমাদের বুড়ো বানাচ্ছিস কেন?
তাহলে আমি যে বোতল কিনেছি সেটা নিয়ে চলে যাব?
বোতলের পয়সা দিয়েছিস বলে বারবার খোঁটা দিতে লজ্জা লাগে না?
এটা আমার কষ্টার্জিত টাকায় কেনা।
ভাই, আজকে কিন্তু অনেক লাগবে।
ওই গাছটা খালি করে দেবো।
ভাই, আমার জন্য একটা।
মনে হচ্ছে বড় একটা থোকা ফেলেছে।
এই, আমারটা দে।
ভাই, এখন কিছু ফেলিস না। আমি আমারটা নিতে আসছি।
ওহ, না! দোস্ত, তাড়াতাড়ি আয়।
সুকু ভাই গাছ থেকে পড়ে গেছে। তাড়াতাড়ি আয়!
সুকু!
No comments yet. Be the first to leave one.