Planet Earth III

Planet Earth III

Télécharger le sous-titre en Bengali

Saison 1

Informations sur la version

Planet Earth III S01E01 Coasts 1080p IP WEB-DL H264 AAC2 0
Planet Earth III S01E01 Coasts 2160p UHD Blu-Ray Remux HDR
Planet Earth III S01E01 Coasts 2023 1080p BluRay x264 Atmos
Un commentaire de ADIL
চোখ ধাঁধানো প্রাকৃতিক দৃশ্য, হ্যান্স জিমারের ধুন্ধুমার মিউজিক, এবং ডেভিড এটেনবরো’র জাদুময় কণ্ঠ – সব মিলিয়ে ২০০৬ সালে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত বিবিসি’র প্ল্যানেট আর্থ এর তৃতীয় সীজন। Facebook: https://www.facebook.com/groups/banglasub

Tags

bluray
professional_translation
resynced
official_release
transcript
Publié le: 2024-07-07
Téléchargements: 58
Malentendants: No
FPS: 23.976

Aperçu des sous-titres Bengali

Les 200 premières lignes.

প্রায় ২০০ বছর আগে,

ইংল্যান্ডের গ্রামীণ এলাকায় এই পথগুলি দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময়

এবং তাঁর বাড়ির কাছাকাছি নদীর ধার ও মাঠগুলি লক্ষ্য করার সময়,

চার্লস ডারউইন বিবর্তনের বিষয়ে

তাঁর নতুন ধারণা তৈরি করেছিলেন,

এই ধারণা প্রকৃতিকে নতুন ভাবে দেখার সুযোগ করে দিয়েছিল

এবং প্রকৃতির প্রকৃত বিস্ময়কে আমাদের চোখে ধরিয়েছিল।

সেই সময় থেকে, আমরা প্রায় পৃথিবীর প্রতিটি অংশই অনুসন্ধান করেছি

এবং প্রকৃতির বিস্ময়কর বৈচিত্র্য দেখেছি।

কিন্তু এখনও অনেক কিছুই আবিষ্কার করা বাকি।

'প্ল্যানেট আর্থ'-এর এই নতুন ধারাবাহিক এ...

..আমরা যাব প্রকৃতির বিস্ময়কর প্রান্তরগুলিতে......

..দেখব রহস্যময় প্রাণীদের...

উপলব্ধি করব বিস্ময়কর ঘটনাবলী...

এবং উদ্ঘাটন করব প্রাণীজগতের অবিশ্বাস্য কর্মকাণ্ড!

প্রকৃতির জগত আমাদের অবাক করতেই থাকবে।

কিন্তু ডারউইনের সময় থেকে, প্রকৃতি অপরিকল্পনীয় রূপ নিয়েছে...

..একটি শক্তির প্রভাবে এর রূপান্তর ঘটেছে।

আমরা...

আমরা দেখব কিভাবে প্রাণীরা নতুন চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলা করে

বেঁচে থাকার জন্য অভিনব উপায়ে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।

আমাদের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে,

আমাদের এখন পৃথিবীকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দেখতে হবে।

এটাই প্ল্যানেট আর্থ তৃতীয় সিরিজ।

তাসমানিয়া, শিপস্টার্নস ব্লাফ...

..যেখানে দুই জগতের সংঘর্ষ।

এই ঢেউগুলি মহাসাগরের মধ্যে ১,০০০ মাইলেরও বেশি দূরপথ পাড়ি দিয়ে এসেছে...

..ক্রমাগত শক্তি সঞ্চয় করছে।

এখানেই এদের মিলন ঘটবে তাদের বিস্ফোরক সমাপ্তির সাথে।

উপকূল হলো বিপজ্জনক এবং পরিবর্তনশীল সংঘাতক্ষেত্র।

এখানে সফল হতে হলে, প্রাণীদের চরম পরিবর্তনশীলতার সাথে খাপ খাওয়াতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার রবার্গ উপদ্বীপ।

হাজার হাজার বাদামী পশম সীল এখানে প্রজনন করতে আসে।

এই শাবক জন্ম নিয়েছে একটি জনাকীর্ণ জগতে।

কিন্তু এখন, প্রায় এক বছরের বয়সে, সে জলে নিরাপদে পালাতে পারে।

শুধু সে সেখানে পৌঁছাতে পারলেই হলো।

কোনো সন্দেহ নেই যে কোথায় এই শাবকের আসল ঠিকানা।

জলে সে দ্রুত এবং দক্ষ।

এবং সেটা হওয়ারই কথা।

ওলট-পালট সাগরের ঢেউগুলির আড়ালে থাকে প্রাণঘাতী বিপদ।

একটা বিশাল সাদা হাঙ্গর।

ভাগ্যের জোরে এইবার শাবকটি বেঁচে গেছে।

আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে,

সীলরা প্রতিবার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে খাদ্য সন্ধানে বের হয়।

শক্তিশালী সমুদ্র প্রবাহগুলো মাছের বিশাল ঝাঁককে আকর্ষণ করে।

কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে,

এই অঞ্চলে বিশালাকার সাদা হাঙ্গরের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে ।

সাদা হাঙ্গরগুলি চতুর শিকারি এবং তারা যেকোনো আবরণকে কাজে লাগায়।

এই হাঙ্গরটির আরও কয়েকদিন খাদ্য গ্রহণের প্রয়োজন হবে না।

কিন্তু এটি একা নয়।

সাধারণত একা শিকার করা এই মাছগুলো

আজ নজিরবিহীন সংখ্যায় সমবেত হচ্ছে।

একসাথে দশ থেকে বারোটি!

সিলগুলি খুব ক্ষিপ্রগতির...

..কিন্তু সাদা হাঙ্গরগুলো ধৈর্যশীল...

..এবং হঠাৎ গতি বৃদ্ধি করে...

..কেবলমাত্র পাঁচবার লেজ নেড়ে তারা সর্বোচ্চ গতিতে পৌঁছে যায়।

কোণায়...

..সীলগুলো অসমতল পাথরগুলোর কাছাকাছি থাকে।

তারা আটকে পড়েছে।

কিন্তু যখন বিরাট সাদা হাঙ্গর হত্যার জন্য কাছে আসতে থাকে...

..সীলগুলি অদ্ভুত কিছু করে।

একসাথে....

..তারা তাদের শত্রুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ায়।

আরও সীল যুক্ত হওয়ায়, চাঁপ বেড়ে যায়......

..সংখ্যায় এবং আত্মবিশ্বাসে।

পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে।

একমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে...

..এই সীলগুলি বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত শিকারীকে...

..সমুদ্রের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

এখানে, প্রাণীরা দ্রুত পরিবর্তনশীল জগতের

নতুন চ্যালেঞ্জগুলির সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।

আর্কটিকে...

..এরকম আকর্ষক পরিবর্তন একটি নিত্যদিনের ঘটনা।

গ্রীষ্মকাল।

অতিথিরা দলবদ্ধভাবে আসছে...

..পৃথিবীর যেকোনো উপকূলের মধ্যে সবচেয়ে বড়

ঋতুবৈচিত্র্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে।

৩০০ বিলিয়ন টনেরও বেশি বরফ গলে যাচ্ছে...

..পুষ্টিকর জল মুক্ত করে দিচ্ছে।

অদ্ভুত নতুন অতিথিরা উঁকি দিচ্ছে গভীর থেকে।

একটি সামুদ্রিক পরী।

আমাদের ছোট্ট আঙুলের আকারেরও বড় নয়।

মাসখানেক ধরে খুব কম খেয়েছে।

তার ফাঁপা পেট উজ্জ্বল হলুদ রঙ ধারণ করেছে।

এখানে অন্যান্য ক্ষুধার্ত অতিথিরাও এসেছে।

একটি সামুদ্রিক প্রজাপতি।

ডানাযুক্ত এক শামুক।

পরী এবং প্রজাপতি উভয়ই অন্ধ।

কিন্তু খাবার খোঁজার সময়, তারা পানিতে সামান্য পরিবর্তনও অনুভব করতে পারে।

এই পরীর আবার এক দৈত্য রূপও রয়েছে।

তার মুখের অংশ উলটে যায়...

...লতার মত একটা ফাঁদ পাতার জন্য।

..যা থেকে পালানো খুব দুষ্কর।

পেটে পর্যাপ্ত খাদ্য থাকায়, পরী তার উজ্জ্বলতা হারিয়েছে...

..তবে তার ক্ষুধা যায়নি।

সুযোগ পেলেই সে ভোগ করবে।

শীঘ্রই শিকারী এবং শিকার উভয়ই গভীরে ফিরে যাবে...

..যতক্ষণ না বরফ এই উপকূলকে পুনরায় বদলে দিচ্ছে।

নামিবিয়া...

...যেখানে মরুভূমির সিংহরা বিশাল এলাকা জুড়ে ঘুরে বেড়ায়।

এই মরুভূমির সিংহরা অবিরাম খাদ্য সন্ধানে থাকে।

এবং এই কারণেই এই দুই তরুণী বোন...

..এখানে এসেছে।

আফ্রিকার কুখ্যাত কঙ্কাল উপকূলে।

অতীতে নামিবিয়ার এই সিংহরা নিপীড়ন সহ্য করার পর, ..এখন তারা সুরক্ষিত...

...এবং তাদের পরিসর আবারও বাড়ছে।

এরাই প্রথম সিংহ দল যাদের এই উপকূলে ৪০ বছর পর দেখা গেছে।

দিনের বেলায়, তাদের জন্য এখানে খুব কম কিছুই রয়েছে।

কিন্তু রাতের বেলায়, গল্প অন্যরকম।

হাজার হাজার সামুদ্রিক পাখি...

এখানে রাত কাটায়।

এই দুই ক্ষুধার্ত বোন এমন সুযোগ কখনও পায়নি।

তবে কোনো সিংহ, বিশেষ করে মরুভূমির সিংহ,

পানিতে পা ভিজাতে পছন্দ করে না।

এই ঘুমন্ত পানকৌড়ি রাতের দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন এই শিকারিদের কাছে

বসে থাকা হাঁসের মত।

তাইতো মনে হয়েছিল।

বড় সিংহরা সাধারণত পাখি শিকার করে না,

আর সামুদ্রিক পাখি তো নয়ই।

এই দুই বোনকেও চোখ পেতে রাখতে হবে।

রাতে উড়ন্ত শিকার ধরা সহজ নয়...

..তবে এই সিংহদের এটা অভ্যাস এ পরিণত হয়েছে।

উপকূলগুলি শুধু খাদ্য যোগায় না...

..বরং এগুলি আশ্রয়স্থলও হয়ে থাকে।

এই মহিলা দক্ষিণের ডান তিমিটি

৫,০০০ মাইলের মহাসাগর ভ্রমণ শেষে করতে যাচ্ছে।

সে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে অবিচল রয়েছে...

..এমন একটি বিশেষ জায়গা, যা সে জন্মলগ্ন থেকেই চেনে।

আর্জেন্টিনার পেনিনসুলা ভালদেস।

এই প্রশান্ত এবং প্রাচীর জলরাশিতে...

..তার আচরণে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

সে তার বিশাল শরীরটিকে গুটিয়ে নিচ্ছে এবং নাড়াচাড়া করছে।

হয়তো সে নিজেকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে নিচ্ছে।

অন্যান্য মহিলারাও কাছাকাছি রয়েছে।

কেউ কেউ গত ৫০ বছর ধরেই এখানে আসছে...

..জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই উপকূলে আশ্রয় নিয়েছে।

এই তিমিটি এখানে এসেছে...

..বাচ্চা প্রসব করতে।

একটি নতুন জীবন শুরু হচ্ছে।

শাবকটি পুরোপুরি মাতৃনির্ভরশীল।

এই মা প্রতিদিন প্রায় ২০০ লিটার দুধ উৎপাদন করছে।

যে শক্তি সে হারাচ্ছে, শাবকটি তা অর্জন করছে।

এবং শাবকটি ক্রমশ স্বাধীন ও চঞ্চল হয়ে উঠছে।

এই নার্সারি উপসাগরে, অনেক খেলার সঙ্গী রয়েছে।

কিন্তু মা তার শাবককে কখনোই দূরে যেতে দেয় না...

..এবং সর্বদাই আলিঙ্গন জানাতে প্রস্তুত থাকে।

এই পরিবার ক্রমাগত ফিসফিসানি শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখে।

নতুন গবেষণায় জানা গেছে,

অগভীর উপকূলীয় জলরাশিতে, তাদের ডাক শুধু যে দ্রুত হারিয়ে যায়, তা নয়

এমনকি উপকূলে ঢেউ ভেঙ্গে পড়ার শব্দ সেটাকে আড়াল করে দেয়...

..যাতে করে শিকারিদের নজর না কাড়ে।

খুব একটা আগের কথা নয়, এই তিমিগুলি একটি গুরুতর হুমকির মুখোমুখি হয়েছিল।

তারা প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছিল।

কিন্তু 40 বছর আগে, বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

আজ, তাদের জনসংখ্যা ১২,০০০ প্রায়...

...এবং এই তিমি গুলির জন্য এই উপসাগর এখন...

পৃথিবীর যেকোন স্থানের চেয়ে সবচেয়ে বড় মিলনমেলায় পরিণত করেছে।

বিশ্বের মধ্যে প্রায় এক মিলিয়ন মাইল উপকূল রয়েছে।

একসাথে, তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ আবাসস্থল গঠন করে।

এখানে কানাডার পশ্চিম উপকূলে,

সমুদ্রের সবচেয়ে শক্তিশালী সমুদ্র প্রবাহগুলো

অসংখ্য দ্বীপগুলির উপকূলে

নিরবচ্ছিন্নভাবে পুষ্টি সরবরাহ রয়েছে।

এবং যারা এখানে বাস করে তারা এর পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করে।

নামের সাথে কাজের যার মিল আছে যার... এটাই বিচরণকারী গার্টার সাপ।

সে এই স্থানে অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে...

..কিন্তু সে খাওয়ার জন্য এখানে আসে।

এখানকার পানি বাতাস থেকে দশ ডিগ্রিরও বেশি ঠান্ডা।

কিন্তু সেটা এই সাহসী শিকারিকে ডুব দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

পানির নিচে, খ্যাদের প্রাচুর্যতা রয়েছে...

...যদি সে তা ধরতে পারে।

সাপ হলো ঠাণ্ডা রক্তের প্রানী,

তাই সে এই ঠাণ্ডা পানিতে দীর্ঘক্ষণ থাকতে পারবে না।

আবার রোদে ফিরে, সে তার মাথা গরম করে,

হয়তো তার ইন্দ্রিয়গুলোকে তীক্ষ্ণ করছে।

এবং তারপর, বাতাস নিয়ে...

..সে তার শিকার অব্যাহত রাখে।

ধারণা করা হয় যে গার্টার সাপ

বাতাসের মত পানির নিচেও, তাদের বিভক্ত জিভ ব্যবহার করতে পারে

বাতাসে ঘ্রাণ নিয়ে...

..লুকিয়ে থাকা শিকারিকে সনাক্ত করে।

সে কিছু পেয়েছে।

একটি ছোট মাছ।

এখন, তার এটি ধরতে হবে।

সাফল্য।

যে প্রাণীগুলি স্থল এবং সমুদ্র এই দুয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারে,

তাদের জন্য বিস্ময়কর পুরস্কার রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার রাজা আমপাট।

এখানে, অন্য যেকোনো উপকূলের চেয়ে

বেশি প্রাণীর বৈচিত্র্য রয়েছে।

প্রবালসমূহ বন দ্বারা সুরক্ষিত।

লবণাক্ততা সহনশীল গাছগুলি বাঁকানো বিস্তৃত শিকড় দিয়ে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখে।

এই মাছগুলি গাছের উপরে থাকা শিকারগুলো ধরার কৌশল শিখেছে।

তিরন্দাজ মাছগুলি পানির ধারা ছুঁড়ে তা তীরের মতো ব্যবহার করে।

এই নিখুঁত নির্ভুলতার জন্য...

..প্রয়োজন জটিল সমীকরণের।

প্রথমে শিকারী তার লক্ষ্যের দূরত্ব আনুমাণ করে...

..তারপর নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি নিয়ে প্রস্তুত হয়।

লক্ষ্যভেদ করার সময় তারা পানির চলমান পৃষ্ঠের

More Bengali subtitles for Planet Earth III

Commentaires

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left