Les 200 premières lignes.
মুভি→ The Way Back (2010) দেশ→ আমেরিকা ভাষা→ ইংরেজি, পোলিশ, রাশিয়ান বাংলা সাবটাইটেল→ হাসান মাহাদী
দেখো বেচারাদের।
ওদের রাতকানা হয়েছে।
ট্র্যানজিট ক্যাম্পে দেখেছি।
অনাহারে ভিটামিন স্বল্পতায় এ অবস্থা।
অর্ধেক খেয়ে বেঁচে থাকার চিন্তা করছ?
দেখো, ও একজন বৃদ্ধ।
আমিও বৃদ্ধ মানুষ।
আমি সকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকব, ও বাঁচবে না।
উদারতা!
এখানে তোমার জীবন কেড়ে নেবে।
উনি আমেরিকান।
এখানে এলো কীভাবে?
স্টালিন বিদেশিদের ঘৃণা করে।
সাথে পোলিশদেরও।
তুমি পোলিশ, তাই না?
হুঁ।
আমার পোলিশদের ভালো লাগে।
অবিচারের প্রতি জ্বলন্ত চেতনা...
মুক্তির আকুলতা।
কাভারভ, আন্দ্রে তিমোফভিচ।
উইসজেক- ইয়ানুস।
তোমার নামে কী অভিযোগ? জানতে পারি, ইয়ানুস?
৫৮-১০
গোয়েন্দাগিরি?
ওরা তাই বলছে।
দশ বছর?
না, ২০।
৫৮-১৪, নাশকতার জন্য ১০ বছর।
তুমি সোভিয়েতের পক্ষে ছিলে?
ওরা তোমাকে গ্রেফতার করে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ দেয়।
প্যাঁদানি দিয়েছে নাকি?
স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর করেছ?
না।
না, আমি স্বাক্ষর করব না।
তাহলে... অন্য কাউকে মেরেছে?
দু:খিত।
আমি অভিনয় করতাম।
চলচিত্রে।
সর্বশেষ সিনেমায় আমি হিরোর ভুমিকায় ছিলাম।
সিনেমা মুক্তির সময়, আমাকে গ্রেফতার করেছে।
কেন?
ওদের দাবী...
আমি পুরোনো আভিজাত্যের চুড়ায় উঠেছিলাম...
তাহলে, অভিনয় করার জন্য ১০ বছরের সাজা দিয়েছে?
আমি ভালোই নজরদারী করেছিলাম।
উর্কি?
জানো ওরা কারা?
পেশাদার অপরাধী।
খুনী আর ডাকাত।
ওদের দিকে দেখো না।
গার্ডগুলো ওদের এসব করার সুযোগ দেয়...
তাই ওদের ভয়ে ভয়ে চলতে হবে।
ওদের এসব করতে দেয় কেন?
কারণ ওরা মধ্যবিত্ত শ্রেণির বংশধর...
তাই মানুষের বন্ধু।
আমরা রাজনৈতিক বন্দী তাই মানুষের শত্রু।
সোভিয়েত ইউনিয়ন বিস্তীর্ণ কারাগার হয়ে গেছে।
দাস।
ওরা এসেছে সুদূর সোভিয়েত থেকে...
সবাই একসাথে ধরা পড়েছে।
ওদের কেউ বেড়ার বাইরে যেতে পেরেছে?
না ইয়ানুস, তোমাকে আরও সাবধান হতে হবে।
সবখানে স্টালিন এর নজর।
এমনকি এখানেও।
যদি সাবধানী না হও...
বছর না যেতেই তুমি শেষ!
যদি হাতে না-ও মারে।
তবে ভাতে মারবে।
তুমি এখানে কতদিন?
১১ মাস ২৯ দিন।
আমার জন্য করে দাও।
তোমার ছবি আঁকতে বলছ?
না, আমার ছবি না।
উকুন!
আমাকে জ্যান্ত খেয়ে নিচ্ছে।
এসো, আমার কাছে একটা পুরোনো আমলের ঔষধ আছে।
মাইন।
রাতে বিষ্ফোরণ হয়েছে।
কী করছ?
তাড়াতাড়ি করো।
নয়তো সকালে পাওয়া যাবে না।
সারারাত এখানে ফেলে রাখবে? কেন?
সেটা দেখতেই পাবে।
হতে পারে...
আমি তারের সাথে একটা পথের সন্ধান জানি।
কীভাবে?
লেজার, আমার সহযোগী।
ও নির্মাণকাজ দেখাশোনা করে।
সে দেখিয়েছে।
যদি কখনো ক্যাম্প থেকে পালাতে চাও...
বহুদিন থেকে তোমার মতো কারো অপেক্ষায় আছি।
এমন একজন যার মনোবল শক্ত।
যার ইচ্ছাশক্তি আছে।
কিন্তু যাব কোথায়?
মানে, আমরা পশ্চিম দিকে যেতে পারব না।
কথা হচ্ছে, জার্মানদের থেকে পালালে, অপর প্রান্তে সোভিয়েতরা আছে।
আর পূর্বদিকে, রাশিয়ার পাশে প্রশান্ত মহাসাগর।
না, না, না, না।
দক্ষিণ দিকে যেতে হবে।
ঠিক।
কিন্তু তুমি কি জানো, আমাদের অবস্থান কোথায়?
আমার মনে হয়, আমরা বৈকাল হ্রদ থেকে ৫০০ কিলোমিটার উত্তরে আছি।
হ্রদ এখানে।
ক্যাম্প এখানে।
আর এটা সীমান্ত।
আমরা হ্রদের কিনারা অনুসরণ করে...
দক্ষিণে যেতে থাকব।
একদম ঠিক, তারপর আমরা ট্র্যান্স সাইবেরিয়ান রেলপথ অতিক্রম করব...
মঙ্গলিয়ান সীমান্তের দিকে, তবেই মুক্তি মিলবে।
বসন্ত কাছাকাছি এসে গেছে...
আমাদের শরৎকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
না, কেন অপেক্ষা করব?
কেন?
কারণ, সীমান্ত পর্যন্ত যেতে হাজার কিলোমিটার বা আরো বেশি পথ পাড়ি দিতে হবে।
আমাদের সাবধানে পরিকল্পনা করে, পর্যাপ্ত খাবার মজুত করতে হবে।
আমি ইতোমধ্যে লেনদেন শুরু করেছি।
তুমিও লেগে পড়ো।
তাছাড়া শরৎকালে আবহাওয়া অনুমান করা যায়।
তুষারপাত কাজে লাগিয়ে আমাদের পদচিহ্ন আড়াল করতে পারব।
আমার বন্ধুকে নিয়ে আসব।
তোমার বন্ধু? ভরসা আছে ওদের ওপর?
অবশ্যই।
ওরা সবাই বাঁচতে পারবে না।
কিন্তু মুক্তির আনন্দ নিয়ে মরতে পারবে।
মুক্তি!
সত্যিই সাহসী।
বড় ডালপালা নিয়ে এসো।
প্রথমে একদিকে সাজিয়ে তারপর অন্যদিকে।
সাহায্য কর, কাজিক।
এটা নিচে, ঐ ডালের নিচে দাও।
হ্যাঁ।
আমাকে অনুসরণ করো, আমরা দুজন এভাবেই যাব।
কী?
ভালো।
হ্যাঁ, ওখানে রাখো।
জোরান, তোমার কম্বল।
বাতাস থামানোর জন্য।
ভেতরে এসো।
এসো।
আমাদের সাথে এসো। থাকার জায়গা আছে।
আমি জোরান, যুগোস্লাভ। এ হলো ইয়ানুস।
ইনি কাজিক।
হরডিনস্কি।
ওরা পোলিশ।
বস, আমি ল্যাটভিয়ান।
এটা বিভিন্ন জাতির মৈত্রী।
আর তুমি?
স্মিথ।
নামের প্রথমে কী?
মিস্টার।
মিস্টার স্মিথ।
ঠিক।
গতকালই আমাদের গুলি করে মারত।
এখন আমাদের খনিতে কাজ করাবে।
এই কলারগুলো প্রাচীনকালে মিশরিয়রা ব্যবহার করত।
হ্যাঁ, কিন্তু ওদের ঘোড়ার জন্য।
না, না, না, না মানুষের জন্য।
তুমি কীভাবে জানলে?
আমি লেনিনগ্রাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিশরিয় পুরাকীর্তির অধ্যাপক ছিলাম।
পাগল হয়েছ? ওরা গুলি করে দেবে।
আমি পালানোর পথ পেয়ে গেছি।
আমি ফিরে যাব।
আমায় যেতে হবে।
এটা হবে।
কী হবে?
কোথায় তার আছে, ও জানে।
একটা বুদ্ধিও বের করেছে।
শশ...... কে বুদ্ধি বের করেছে।
ওর নাম, কাবারভ।
অভিনেতা।
চেনো ওকে?
ওর পালানোর কোনো ইচ্ছা নেই।
কী বলতে চাও?
ও একটা মিথ্যুক।
এক বছর থেকে এখানে আছে।
শুধু নতুনদের ধান্দায় থাকে।
আমি যখন এখানে আসলাম...
সে আমাকেও পালানোর কথা বলেছিল।
ওর মতো অনেককে দেখেছি...
তোমাকে বিশ্বাস করতে যাব কেন?
ক্যাম্পে কিছুতেই কিছু হয় না।
তোমার শক্তি, মনোবল কেড়ে নেবে।
তোমাকে মুক্তির স্বপ্ন দেখাবে।
তোমার সাহায্যে ও বেঁচে থাকবে।
সে রক্তচোষা ছাড়া কিছুই না।
ও মিস্টার, তুমি জমে গেছ।
এখনো বেঁচে আছি, এটুকুই জানি।
কিন্তু আর ছ'মাস বাঁচব না।
আর এখানে তুমিও বাঁচতে পারবে না।
এই মাইনগুলোর ভেতরে না।
কিন্তু যদি গুরুতর নাও...
সত্যি সত্যি এখান থেকে পালানোর ব্যাপারে...
আমি তোমার সাথে আছি।
ভেবেছিলাম, তুমি নিঃসঙ্গ।
এটা একা সম্ভব না।
তাছাড়া, তোমার একটা দুর্বলতা আছে।
তুমিও আমার কাজে আসতে পারো।
সেটা কী?
মহানুভবতা!
No comments yet. Be the first to leave one.