The Rite of Passage

The Rite of Passage (Mała matura 1947)

Lataa Bengali -tekstitys

Julkaisutiedot

Blue Planet II S01E06 The Coasts 1080p BRRip 6CH MkvCage
Blue Planet II S01E06 The Coasts BRRip 720p HEVC BRRip Bangla PSA
Blue Planet II S01E06 The Coasts BRRip 1080p HEVC BRRip Bangla PSA
Blue Planet II S01E06 1080p The Coasts BRRip Bangla rarbg
Blue Planet II S01E06 720p The Coasts BRRip Bangla rarbg
Blue Planet II S01E06 1080p The Coasts BRRip Bangla MZABI
Blue Planet II S01E06 The Coasts 720p BRRip 6CH MkvCage
Blue Planet II S01E06 The Coasts 720p BRRip Bangla UTR
Blue Planet II S01E06 The Coasts 720p Web Bangla MkvCage
Blue Planet II S01E06 The Coasts 720p Web Bangla PSA
Kommentaari tskushal
সিজন ১ এর ছয় নং এপিসোড। ব্লুরে এবং ওয়েব ডিএল, উভয় প্রিন্টের জন্য আলাদা সাব ফাইল দেয়া আছে, সেই সাথে ভিডিও ডাউনলোড লিংক দেয়া আছে। ভাল লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Tunnisteet

brrip
1080
HEVC
TS
720p
720
mkv
MkvCage
Julkaistu: 2018-05-20
Lataukset: 59
Kuulovammaisille: No

Bengali tekstityksen esikatselu

150 ensimmäistä riviä.

অনুবাদ আয়োজনেঃ কুশল ভাবানুবাদঃ শহিদুল ইসলাম অপু

একটি অলিভ রিডলে কচ্ছপ!

কোস্টারিকার অদূরে অগভীর একটা স্থানে সে বিশ্রামে আছে,

হাজার মাইল পেরিয়ে সে এখানে এসেছে।

এর আসল কারন হচ্ছে, তার পেটের ডিমগুলো যেন শুকনো জায়গাতে থাকে।

এখন সে সেই পুরোনো সৈকতে ফিরে এসেছে

যেখানে সে দশ বছর আগে ডিম দিয়েছিলো।

তার সমুদ্র জগতের নিরাপত্তাকে ছেড়ে

অপরিচিত এই জগতে তাকে সাহসী হতে হবে।

সে খুবই ক্লান্ত,

কিন্তু তার পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কিছুটা সংকটাপন্ন।

সমস্ত সৈকতেই এই মনোরম দৃশ্য শত বছরের ব্যবধানে অনেকটা

অপরিবর্তিত ই রয়ে গেছে।

মহাসাগর থেকে মা সামুদ্রিক কচ্ছপ এসে জড়ো হয়

শত শত - হাজারে হাজারে!

শুধুমাত্র যারা এ সকল বড় চ্যালেঞ্জগুলো উৎরে যেতে পারে,

জলে এবং স্থলে...

তারাই কেবল উপকূলে বংশের বিস্তার ঘটাতে পারে।

আমাদের তটভূমিগুলো হচ্ছে আকস্মিক পরিবর্তনশীল।

ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের গালাপাগোস দ্বীপ।

পরিত্যাক্ত তটভূমি কিছুটা বসবাসের অনুপযোগী মনে হচ্ছে,

কিন্তু একটি প্রাণীর দল আছে যারা এটা থেকেই সুবিধা নিয়ে নিচ্ছে।

সী লায়ন !

সঙ্গীহীন পুরুষ!

তাদের দলবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে।

শুধুমাত্র শক্তিশালী পুরুষরাই স্ত্রীদের প্রজননের জন্য আকৃষ্ট করতে পারে।

যদি এই যুবকটি পর্যাপ্ত আকারে বাড়তে না পারে,

তাহলে এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ এলাকায় তারা টিকতে পারবে না।

তাই একটি ক্ষুধার্ত যুবক একাই বেরিয়ে পড়লো।

সে এখন ভালো কিছু শিকারের চেষ্টায় আছে।

হলুদ পাখনাওয়ালা টুনা!

একেকটি প্রায় ষাট(৬০) কেজির মতো

যারা প্রায় ঘণ্টায় চল্লিশ(৪০) কি.মি. বেগে ছুটতে পারে।

খোলা সমুদ্রে এদের নাগাল পাওয়া প্রায় অসম্ভব,

কিন্তু তার একটি পরিকল্পনা আছে।

খাড়ির প্রবেশমুখে তাড়িয়ে নেয়া।

সে ঝাকটিকে খাড়ির মুখের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যায়

তার নিজস্ব ফাঁদের দিকে।

তাড়িয়ে নেয় একটা আবদ্ধ স্থানের দিকে।

কিন্তু এ যাত্রায় বেঁচে গেল তারা।

সে ব্যার্থ হলো।

কিন্তু অন্য কোন উপায় নিশ্চই আছে।

এবার তারা দলবদ্ধ ভাবে আক্রমন করে

আরো বেশি পরিমান টুনাকে ঘিরে,

এবং পুণরায় খাড়ির দিকে তাড়িয়ে নেয়।

সবদিক থেকে টুনাদের খাড়ির সরু এবং শেষ মাথায় তাড়িয়ে নেয়া হয়।

আবদ্ধ জায়গাটাতে আবারো টুনারা আটকে পড়ে।

এ সময়ে যুবকরা দ্বিগুণ শক্তিতে ঝাপিয়ে পড়ে

এবং পিছন দিকে বের হবার পথকে আটকে দেয়।

যখন টুনার দলটি পালানোর চেষ্টা করে,

সী লায়নরা তাদের পুনরায় বদ্ধ খাড়ির দিকে তাড়িয়ে নেয়।

সী লায়নরা এখন অনায়েসে তাদের একটা একটা করে শিকার করতে পারে।

এই চাতুরিভরা শিকার পদ্ধতিতে,

দরকার দূরদর্শিতা, পরিকল্পনা এবং সহযোগীতা,

যা শুধু এই গালাপাগস দ্বীপেই দেখা যায়।

এক একটি মাছ তাদের পাঁচগুন বেশি প্রোটিন দেয়

অন্যান্য সাধারণ শিকারের তুলনায়।

পরিশেষে, যুবকটি তার আবাস স্থল ত্যাগ করে

নিজের ভাগ বুঝে নেবার আশায়।

একটি উচ্চমাত্রার প্রোটিন সম্মৃদ্ধ টুনা খাবারের পর,

সে পরিপূর্ণ যুবক হওয়ার পথে এগিয়ে চলে।

খাড়ি ব্যবহার করে,

গালাপাগসের সী লায়নরা শিকারের সম্ভাবনাকে বৃদ্ধি করেছে,

এই কারণটাই সৈকতে দুটি ভিন্ন জীবনকে একত্র করেছে।

সামুদ্রিক পরিবেশে সৈকতই খুব দ্রুত পরিবর্তনশীল

কারণটা হলো জোঁয়ারভাটা!

সাগরে চাঁদের মধ্যাকর্ষনের দরুণ জোঁয়ারভাটা হয়।

চাঁদের বৃত্তাকার গতিপথের কারণেই সমুদ্রের জোয়ার ভাটা হয়।

তা দিনে প্রায় দুইবার,

পৃথিবীর বুকে যা এক ধ্রুব গতিশীল চিত্র অংকন করে যাচ্ছে।

সাগরে বসবাসরত প্রাণীদের মতো এতো প্রতিযোগীতাপূর্ণ জীবন আর কোথাও নেই।

প্রতিদিন রোদ পোহাতেও, ঝুঁকি নিয়ে বের হতে হয় এখানে।

একটি পাথুরে তীর, জল কমতে কমতে

একটি অস্থায়ী মরুউদ্যানের জন্ম দিয়ে আসতে পারে।

একটি পাথুরে জলাশয়।

আপাতদৃষ্টিতে, একটি শান্ত আশ্রয়স্থল।

কিন্তু তা খুব বেশিক্ষনের জন্য না।

খুব দ্রুতই অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটে যেতে পারে।

পাথুরে জলাশয়ে, গ্রিজারস, স্কেভেনজারস এবং ফিল্টার ফিডারদেরকে

স্বল্প সময়ের মধ্যে সব কাজ করে ফেলতে হবে,

জোয়ার আসার আগেই।

অ্যানিমোনাস যা পায় তাই সাবার করে ফেলে।

যদিও কিছু খাবার হজম করা কঠিন।

এই সুন্দর স্থানটি অচিরেই যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে।

পাঁচ হাতওয়ালা ভয়ংকর শিকারী যার মুখটা থাকে ভেতরের দিকে।

ওকার তারামাছ।

সে লিমপিট খুঁজছে।

কিছু লিমপিটদের আর রক্ষা নেই।

কিন্তু কিছু লিমপিটদের প্রতিরক্ষার গোপন তরিকা আছে।

তারা একটি পিচ্ছিল আবরণ তৈরি করে

যা তাদের পিছলিয়ে নিরাপদে বের করে আনে।

এই লিমপিটের নিজস্ব এক দেহরক্ষী আছে।

কামড়াতে পারে এমন একটি স্কেল কীট।

তারামাছ ঐ ধরনের খাবার পছন্দ করে যা তাকে কামড় দিবে না।

লিমপিট এগিয়ে চলে,

দেহরক্ষীর নিরাপদ আশ্রয়ে।

কিন্তু এখানে আরেকটি শিকারী আছে

যার কাছে লিমপিটের বাঁচার উপায় নেই।

ক্লিঙ্গফিস!

দাঁত দিয়ে সে তাকে উল্টে উঠিয়ে নেয়

এবং সে তাকে বোতলের মুখের মতো মুচড়ে নেয়।

তারপর সে গিলে নেয়...

পুরো লিমপিটকেই।

এরকম ঘটনা, পাথুরে জলাশয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে ঘটে

জোয়ার ফিরে আসার আগে।

প্রতিদিনই সাগর হয় স্থল আর স্থল হয় সাগর।

এবং নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করে।

সেলি লাইটফুট কাঁকড়া,

হাজার হাজার কাঁকড়া রয়েছে একটা নির্দিষ্ট সময়ের অপেক্ষায়।

প্রতিদিন ব্রাজিলের ক্রান্তীয় সমুদ্র তীরে তারা জড়ো হয়,

ভাটা এলে বেরুবে বলে।

যা তাদের খাদ্যস্থান উন্মুক্ত করবে,

তীর থেকে পাথরগুলো প্রায় একশো মিটারের মতো শৈবালে আবৃত থাকে।

স্রোতের বিপরীতে সেখানে বিচরণ একটা কঠিন কাজই বটে।

তারা পাথর থেকে পাথরে লাফিয়ে চলে।

মনে হয় কাঁকড়াগুলি পানিকে ভয় পাচ্ছে।

এর একটি উপযুক্ত কারণও আছে।

মোরে ইল!

চেইন মোরে কাঁকড়া শিকারে ওস্তাদ।

তার নিরেট দাঁত খুব সহজেই কাঁকড়া ধরতে এবং তার আবরণ ভাঙতে পারে।

সে কাঁকড়ার জন্য যমদূত।

কিন্তু কাঁকড়ার খাদ্যস্থান এখনও অনেক দূরে।

তাদের অবশ্যই সেখানে যেতে হবে।

মাঝপথ।

কিন্তু শিকারীদের অন্য আরেকটা প্ল্যান আছে।

শুকনো স্থানটুকু পার হয়ে

ঘাপটি মেরে থাকা।

খাবার খেতে অবশ্যই কাঁকড়াকে এগুতে হবে।

কিন্তু কোন স্থানই সুরক্ষিত নয়।

অক্টোপাসও কাঁকড়া শিকার করে।

কাঁকড়াটি সবেগে একটি দৌড় দেয়।

বেঁচে গেলো এ যাত্রায়।

জীবন বাজি রেখে

ঘাস খেতে সমুদ্র-শৈবালের চারণভুমিতে যেতে হয় এদের।

কিন্তু জোয়ার আসার মাত্র দুই ঘণ্টা বাকি,

তাদের আবার নিরাপদে ফিরতে হবে।

উপকুলে প্রভাব বিস্তারের জন্য জোয়ারই একমাত্র শক্তি নয়।

দানবাকৃতির ঢেউগুলি সমুদ্র থেকে অনেক দূরে তৈরি হয়

এবং অনবরত এসে সৈকতে আছড়ে পড়ে।

As the shallowing sea floor drags at their underside, সমুদ্রতল যেহেতু তাদের নিচের দিকে টানে,

ঢেউগুলো প্রায় একশো(১০০) ফিট উচু হয়,

ডিগবাজি খেয়ে খেয়ে তা ভেঙে পড়ে।

পৃথিবীর সার্ফ করার বেশির ভাগ সবচেয়ে বড় ঢেউগুলো

পর্তুগালের নাজারেতে তৈরি হয়।

প্রতিদিন এই সৈকতে সৃষ্টি ঢেউগুলির শক্তি

প্রায় দেড় মিলিয়ন টন টিএনটির(Trinitrotoluene)সমান।

ঢেউয়ের কারণেই আমাদের সৈকত পুনর্গঠিত হয়।

ইউরোপের কিছু অংশে,

ঢেউগুলো প্রতি বছর সৈকত থেকে প্রায় তিন মিটার দূরে সরে যায়।

এই পশ্চাৎধবনের হারই পাথর কে পুনর্গঠিত করে

More Bengali subtitles for The Rite of Passage

Kommentit

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left