All Quiet on the Western Front

All Quiet on the Western Front

Lataa Bengali -tekstitys

Julkaisutiedot

All Quiet on the Western Front 1930 1080p BluRay x264-AMIABLE SDH-Bengali By Raihanjony
All Quiet on the Western Front 1930 720p BluRay x264 YIFY
All Quiet on the Western Front 1930 BluRay 720p DTS x264-CHD
Kommentaari Raihanjony
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, নৃশংসতা ফুটে উঠেছে এই সিনেমায়। যুদ্ধের অমানবিক নৃশংসতা তরুণদের মনে কত গভীরভাবে দাগ কাটে তাও ফুটে উঠেছে এই সিনেমায়। যুদ্ধের সিনেমায় সাধারণত সৈনিকদের বীরত্ব, শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের যে অনুপ্রেরণা তুলে ধরা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে এস

Tunnisteet

BluRay
x264
720p
720
1080
TS
HD
Julkaistu: 2019-05-23
Lataukset: 85
Kuulovammaisille: Yes

Bengali tekstityksen esikatselu

200 ensimmäistä riviä.

ভাবানুবাদঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)

উৎসর্গঃ তানভীর রহমান তূর্যকে। বাংলা সাবটাইটেল ও ক্ল্যাসিক মুভির বিশাল ভক্ত!!!!

ত্রিশ হাজার।

রাশিয়ানদের থেকে?

না, ফরাসিদের থেকে।

রাশিয়ানদের আমরা প্রতিদিন তার চেয়েও বেশি বন্দী করছি।

মিঃ পোস্টম্যান।

যুদ্ধ তো যুদ্ধই আর কাজ তো কাজই, কিন্তু দায়িত্ব তো পালন করতেই হবে।

সকাল থেকে এখন পর্যন্ত তুমি কোন চিঠি দাওনি।

আহ, আমি দুঃখিত, মিঃ মেয়ার।

হ্যালো, হিমেলস্টোস। আজ আমাদের জন্য কোন কিছু আছে?

না, না, মাস্টার পিটার।

হয়তো, এখানে কিছু একটা হবে।

হয়েছে, এখন যাও, বদমাশ ছেলে।

নিন। যাই হোক, এটাই শেষ চিঠি আমি বিলি করছি।

কি?

আগামীকাল থেকে আমি পোশাক পরিবর্তন করছি।

তুমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিচ্ছ?

হ্যাঁ, আমার ডাক পড়েছে।

আমি রিজার্ভে সার্জেন্ট হয়েছি, বুঝতেই পারছেন।

যদি কয়েক মাসের মধ্যে এসব শেষ না হয়, তাহলে আমি নিজে থেকেই যুদ্ধে যাবো।

যদিও সেটা হবে।

আমি নিশ্চিত আপনার কথায় ঠিক, মিঃ মেয়ার।

...আমাদের দেশকে, আমাদের জন্মভূমিকে

রক্ষা করার জন্য সেনাবাহিনীতে যোগ দাও।

এখন, আমার ক্লাসের প্রিয় ছাত্ররা, এটাই তো আমাদের করা উচিত।

আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে লড়াই করতে হবে।

বছর শেষ হওয়ার আগেই

প্রতিটি ইঞ্চি শক্তি দিয়ে শত্রুকে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি এই প্রসঙ্গটি আবারও পেশ করছি।

তোমরা তরুণরাই জন্মভূমির জীবন।

তোমরা জার্মানির লৌহ মানব।

তোমরা সাহসী বীর যারা শত্রুদের বিতাড়িত করবে

যখন জন্মভূমির চরম সঙ্কটলগ্নে তাঁর আহবানে সাড়া দেবে।

এটা নিজের জন্য না হলেও

প্রত্যেকের উচিত উঠে দাঁড়ানো এবং তার জন্মভূমি রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা।

কিন্তু আমার সন্দেহ হচ্ছে এমন একটি বিষয় তোমাদের মাথার মধ্যে যাচ্ছে কিনা।

আমি জানি যে, একদিন স্কুলের ছেলেরা

ক্লাসরুমে জন্মভূমির জন্য মমতা জেগে উঠবে...

এবং দলবেঁধে নিজেদের নাম সেনাবাহিনীতে তালিকাভুক্ত করবে।

কিন্তু, অবশ্যই, যদি এমন ঘটনা এখানে ঘটে যায় তাহলে

তোমাদের গর্বের অনুভূতির জন্য আমাকে দোষারোপ করবে না।

সম্ভবত কিছু লোক বলবে...

যে তোমাদেরকে যুদ্ধে যেতে দেওয়া এখনও উচিত হবে না,

তারা বলবে যে, তোমরা খুব অল্পবয়সী, তোমাদের বাড়ি আছে, মা আছে, বাবা আছে,

এসব থেকে তোমাদেরকে বিচ্ছিন্ন করা ঠিক হবে না।

তোমাদের বাবারা কি তাদের জন্মভূমির কথা এতোটাই ভুলে গেছে

যে তারা দেশকে তোমাদের চেয়ে বরং বেশি ধ্বংস হতে দিচ্ছে?

তোমাদের মায়েরা কি এতোটাই দূর্বল যে, যেই দেশে তাদের জন্ম হয়েছে,

সেই দেশকে রক্ষা করার জন্য নিজের সন্তানদের যুদ্ধে পাঠাতে পারছে না?

এবং সর্বোপরি, একজন ছেলের জন্য এমন কিছু খারাপ বিষয়ে

কি সামান্য অভিজ্ঞতা হয় না?

সেই পোশাক পড়া আমাদের জন্য কি সম্মানজনক নয়,

এমন কিছু যা পড়লে আমাদের সম্মান বহুগুণ বেড়ে যাবে?

আর যদি আমাদের যুবতী মহিলারা ঐসব পোশাক পরিহিত ব্যক্তিদের দেখে গর্বিত হয়,

সেটা কি লজ্জার কিছু হবে?

আমি জানি তোমাদের মনে কখনোই জোরজবরদস্তির মাধ্যমে বীর হওয়ার ইচ্ছা জাগবে না।

এটা আমার শিক্ষার অংশ হবে না।

যুদ্ধে আমাদের নিজেদেরকে বিজয়ী প্রমাণ করতে হবে

আর সেই কারণেই বিজয়ের মুকুট আমাদেরকে ছিনিয়ে আনতে হবে।

দেশের জন্য যুদ্ধ করা...

সর্বোত্তম কাজ, অমর্যাদাকর নয়।

আমার বিশ্বাস খুব দ্রুতই যুদ্ধ শুরু হবে,

যার কারণে কিছু ক্ষতি হবে।

কিন্তু যদি কিছু ক্ষতি হয়েই যায়,

তাহলে আমাদেরকে ল্যাটিন উক্তিটি মনে রাখতে হবে,

যেটা অনেক রোমানদের মুখের স্লোগান থেকে এসেছে,

যখন তারা বহিরাগতশত্রুর হাত থেকে জন্মভূমিকে বাঁচানোর জন্য রুখে দাঁড়িয়েছিল।

"Dulce et decorum est pro patria mori."

"জন্মভূমির জন্য সম্মানজনক মৃত্যু ঘটে।"

তোমাদের অনেকের লক্ষ্য থাকতে পারে।

আমি একজন তরুণকে চিনি যে একজন বড় লেখক হওয়ার অঙ্গীকার করেছে

এবং সে গল্পের প্রথম ট্রাজেডি লিখেছে...

যেটা একজন শিক্ষকের কাছে অনেক সম্মানের বিষয়।

আর আমার অনুমান সে হয়তো "গোথ" এবং "শেলার" এর মতো

আদর্শবান লেখক হওয়ার জন্য স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে,

আর আশা করি সে একদিন তা হবে।

কিন্তু এখন আমাদের দেশ আমাদেরকে ডাকছে।

জন্মভূমির সত্যিকারের সাহসী বীরের প্রয়োজন আছে।

আমাদের দেশের তরে এক মহান আত্মত্যাগের জন্য...

...নিজেদের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা একপাশে ছুঁড়ে ফেলে দাও।

এখানেই তোমাদের জীবনের গৌরবজনক অধ্যায় শুরু।

সম্মানের স্থান তোমাদেরকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।

আমরা এখানে কেন?

তুমি, ক্রপ, তুমি নিজেকে কি জন্য লুকিয়ে রেখেছ?

তুমি, মুলার, তুমি জানো এ জন্মভূমির তোমাকে কতটা প্রয়োজন?

হ্যাঁ, তোমার ভেতর আমি বীরের ছাপ দেখতে পাচ্ছি।

আর আমি তোমার ভেতরেও দেখতে পাচ্ছি, পল বাউমার,

আর আমি কল্পনা করছি তুমি কি করতে যাচ্ছ।

- আমি যাবো। - আমি যেতে চাই।

আমাকেও নিন।

আমিও যাবো।

আমি প্রস্তুত।

আমি বাড়িতে বসে থাকতে চাই না।

আমাকে অনুসরণ করো! এখন তালিকাভুক্ত করা হবে!

আর কোনো ক্লাস নেই!

- চুপচাপ বসে থাকিস না। - চল, বেন!

একসঙ্গে মিলে যোগ দিই। এটাই তো আমাদের করতে হবে।

চল সবাই একসঙ্গে মিলে সেনাবাহিনীতে যোগ দিই।

চল, বেন।

ঠিক আছে। ঠিক আছে।

আমিও যাবো।

এই না হলো কথা!

চলো যাই!

গান গাও! চলো গান গাও! গান গাও!

সৈন্যরা, লাইন হয়ে দাঁড়াও।

আপনি যেটা বলেন, জেনারেল।

সবাই, থামো!

বামে ঘোরো!

ইউনিফর্ম পড়ে প্রস্তুত হয়ে যাও। তারপর বাইরে আসো।

বাজি ধরে বলতে পারি এমন একটা ভালো পরিবেশে থেকে তুই অভিভূত হয়ে যাবি।

লম্বা মার্চ করার জন্যই হয়তো হবো।

আমি ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধ করতে চাই।

ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধ করা আমার দ্বারা হবে না।

যুদ্ধের ময়দানে তুই পদাতিক বাহিনীকেই বেশি দেখতে পাবি।

বন্দুকগুলো সব কোথায়? সেটা তো আমিও জানতে চাই।

আচ্ছা, তুই তো এখন পর্যন্ত কোনো বন্দুকই চিনিস না।

আমি তো সব শত্রুকে খতম করে দেবো, তার আগে আমাকে কিছুটা প্রাকটিস করতে হবে।

ওহ!

বায়োনেট ড্রিল (ছোরার মতো ফলা)। এটাই তো আমি চাই।

তাহলে তখন তুই একটা পদক পেয়ে যাবি, মুলার।

সবুর কর। এক মাসের ভেতর দেখবি, আমিই সবাইকে বাঁচাবো।

আমার মুখের সামনে থেকে তোর জুতা সরা।

কেন, এই জুতো জোড়া তোর মুখের সামনে থাকাটা সম্মানের।

এই জুতো জোড়া সেনাবাহিনীর মধ্যে সেরা। আমার আংকেল আমাকে দিয়েছেন।

তাকিয়ে দেখ বিশেষ আমদানি করা চামড়া দিয়ে তৈরি।

শুধু আমার মুখের সামনে বাদে, তোর যেখানে খুশি এগুলো রাখ গিয়ে।

রান্না ঘরের কাজের মেয়েরাও এভাবে আমার দিকে তাকাবে না।

অ্যাটেনশন!

আরে এটা তো হিমেলস্টোস!

তাই তো দেখছি।

আর পোশাক পড়েও আছে দেখছি।

হ্যালো, হেমি।

হয়তো ভাবতেই পারোনি যে আমাদের সাথে তোমার এতো শীঘ্রই দেখা হয়ে যাবে, তাই না?

তুমি আমার পদমর্যাদা দেখছো?

অবশ্যই।

তাহলে পিছনে সরো!

হিমেলস্টোস, আমরা তোমাকে দেখে সত্যিই খুশি হয়েছি।

কী বললে তুমি?

- আমি বলছি... - বলার কথা কখনোই মাথায় আনবে না!

তোমার আবার কী হলো, হিমেলস্টোস।

যখন তুমি তোমার উচ্চপদস্থ অফিসারকে ডাকবে, তখন "স্যার" বলবে।

এমন সুন্দর পোশাক তুমি কোথায় থেকে পেয়েছ?

আমাদের জন্য কোন চিঠি আছে, হেমি?

শান্ত হও!

আমার প্রিয় বন্ধু, তুমি চিৎকার করে কথা বলছো।

অনেক হয়েছে, হিমেলস্টোস। আমরা তোমাকে চিনি।

এইসব ফাজলামি বন্ধ করো তো।

আমার বিশ্বাস তুমি এটার মানে বুঝেছ।

আমি যেটা বললাম সেটা আগে বুঝে নাও।

কিন্তু মাত্র তিনদিন আগেই তো তুমি আমাদের পোস্টম্যান ছিলে।

চুপ করো!

এখানে আসো!

লাইন হয়ে দাঁড়াও!

লাইন হয়ে দাঁড়াও! ভেতরে সবাই লাইন করে দাঁড়াও! ভুলেও অন্য কোনো বিষয় মাথায় আনবে না।

তোমরা সবাই! আমি বলছি লাইন হয়ে দাঁড়াও!

হুম।

কি চমৎকার দেখতে লাগছে!

কীভাবে লাইন করে দাঁড়াতে হয় তা কখনো শোনোনি?

তোমরা ভালোই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারো।

আমি তোমাদেরকে শেখাবো।

এর জন্য আমাদেরকে পুরো দিন ব্যয় করতে হবে, ঠিক আছে?

হয়তো তোমরা বোকা হবে, কিন্তু আমি পিটিয়ে মানুষ করে নেবো।

তার পাশাপাশি এখানে শেখার জন্য অনেক জিনিসও পাবে।

ওহ, আমি তোমাদেরকে অবহেলা করবো না।

হুম।

শুরুতে তোমরা তেমনটা গুরুত্ব না দিলেও, আমি কিন্তু আমার সেরাটাই দেবো।

দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের এখানে আসার পর সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে,

আর আমরা সেটা ঠিকও করে নেবো, ঠিক আছে?

এবং প্রথমে যেটা করতে হবে তা হলো তোমরা আগে যা কিছু জানতে সবকিছু ভুলে যাও।

যা কিছু শিখেছিলে, সব ভুলে যাও! বুঝেছ?

ভুলে যাও তোমরা কী ছিলে, কী ভাবতে, কী হতে যাচ্ছিলে।

তোমরা সৈনিক হতে যাচ্ছ আর এটাই মূল কথা!

তোমাদেরকে মায়ের আচঁলের নিচ থেকে বের করে আনবো। ফুটন্ত পানিতে তোমাদেরকে সিদ্ধ করবো।

আমি তোমাদেরকে সৈনিক হিসেবে গড়ে তুলবো নয়তো মেরে ফেলবো!

এখন, স্যালুট দাও!

অ্যাটেনশন!

সবাই, শুয়ে পড়ো!

মাথা নিচু করো!

মাথা নিচু করো!

মাথা নিচু করে রাখো, বাউমার!

সবাই, উঠে পড়ো!

অগ্রসর হও!

এখন গান গাও!

এটাকে কি গান গাওয়া বলে?

সবাই, থামো!

মনের ভেতর কোন উৎসাহ নেই, তাই না?

উপভোগ করতে মন চাইছে না।

কাজ সেটাই যেটা ঠিকভাবে করতে পারবে। ভালো!

তাহলে আমরা কাজে ফিরে যাবো।

সবাই, শুয়ে পড়ো!

তোমাদের মাথা নিচু করে রাখো।

এখন, গান গাও!

সৈন্যরা, থামো!

অস্ত্র সোজা করো!

৩:০০ টায় পরিদর্শন হবে। মার্চ শেষ!

ওহ, শুয়োরের বাচ্চা! এর মানে আমাদের কোনো ছুটি নাই।

পরিদর্শনের জন্য প্রস্তুত হতে আমাদেরকে চার ঘন্টা সময় দিয়েছে।

আমি জানতে চাই ওর মাথার ভেতর কী চলছে।

ওর মাথার ভেতর যেকোনো কিছু চলতে পারে!

Kommentit

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left