200 ensimmäistä riviä.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
"লিঙ্কন গুলিবিদ্ধ। অবস্থা গুরুতর।"
"ডাক্তারদের রায় আগামীকাল ভোরের আলো দেখতে পাবেন না।"
"আমরা দায়িত্ব পালন করেছি"
"আপনি করবেন কী? ভূমি এবং সমুদ্রপথে দেশের সেবায় যোগ দিন।"
"সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগদান বিল কীভাবে এড়াবেন!"
"ইউএস নৌবাহিনীতে ১,০০০ লোক প্রয়োজন, ১২ মাসের জন্যে।"
"$৫০,০০০,০০০ পুরষ্কার!"
"নিউইয়র্ক মিউজিক বক্স।"
এসো!
না, ধন্যবাদ।
আপনার হাসপাতালে থাকার কথা না?
"ডালভাতের মতো সীমান্ত অঞ্চল দখল করছ চলেছি"
ওরা বললো হাঁটতে পারবো।
গুলি চালাতে পারবো না অবশ্য।
ওহ।
হ্যাঁ, সমস্যা নেই...
অন্তত প্রাণে তো বেঁচেছি।
যাইহোক, ওই গর্তটা থেকে আমাকে কীভাবে বের করলে?
ভেবেছিলাম, কাজটা করলে হয়তো প্রোমোশন পাবো।
ওহ, তোমার প্ল্যান স্বার্থক হয়েছে।
ইউজিন, আমরা বিরাট অর্জন করেছি।
প্রোমোশন পেয়েছি আর সাথে হোয়াইট হাউজ থেকে ডাক পেয়েছি।
জেন্টলম্যান, এখন পর্যন্ত আমাদের আখের ভালোই যাচ্ছে...
আর সেজন্য আমরা সীমান্ত অঞ্চলগুলোর কাছে ঋণী।
স্প্যানিশ-আমেরিকান যুদ্ধের সৌজন্যে, আমরা নতুন সীমান্ত অঞ্চল দখল করতে পেরেছি, যেমনঃ
ফিলাপাইন, গুয়াম আর পুয়ের্তোরিকো।
এখন থেকে, আটলান্টিক ইউরোপিয়ান অঞ্চলে মনোযোগ দেবার বদলে,
চীনের পার্শ্ববর্তী প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
মেজর কাইল মুর,
ক্যাপ্টেন ইউজিন চোই।
- জি, স্যার। - জি, স্যার।
যেমন কুকুর তেমন মুগুর নীতি নেবে, আর জোসনে রওনা দেবে।
- জি, স্যার। - জি, স্যার।
এটা কি সুসংবাদ নাকি দুঃসংবাদ?
মানে, জোসন এ যাওয়াটা কি সুসংবাদ?
এমন একটা নাজুক সময়ে,
একজন আমেরিকান কূটনীতিক হয়ে যাবে,
জোসনের বেশ উপকারে আসবে তুমি।
জোসন তোমার স্বদেশ, তাই না?
কথাটা সত্যি নয়...
আমি হয়তো কোরিয়ায় জন্মাতে পারি কিন্তু আমার স্বদেশ হচ্ছে আমেরিকা।
জোসন কখনোই আমাকে টানেনি।
"রিয়ার অ্যাডমিরাল জন রজার্সের রিপোর্ট"
"এপিসোড ০১"
"জুন ১০, ১৮৭১, গোজংয়ের রাজত্বের ৮ম বছর"
গাংহোয়ার উপকূলীয় জলসীমায়, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ দেখা গেছে।
তারা গাংহোয়া অঞ্চলে ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি চাইছে।
অতীতে, তারা পিয়ংইয়ংয়ে ১৮৬৬ সালে আমাদের বিরুদ্ধে একটা বিদেশি জাহাজ পোড়ানোর অভিযোগ তুলেছিল।
কিন্তু আজ,
আমাদের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে।
এই আমেরিকা দেশটা কেমন?
আমেরিকা ওয়াংশিটনের হাতে প্রতিষ্ঠিত একটি দেশ...
যে ইংল্যান্ডের সাথে সমঝোতা করেছিল।
দেশটাকে ছোট একটা গ্রামের মতোই বলতে পারেন...
আর লোকগুলো বর্বরদের চাইতে কোন অংশে কম নয়।
ঠিক তাই।
আপনার তাদের তাড়িয়ে দেওয়া উচিত।
"হাইয়নের প্রশাসক"
"গোজং"
- তাহলে... - না।
বর্বরগুলোর সাথে আমরা কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারি না।
গাংহোয়া অঞ্চলে সেনা আর কামানের সংখ্যা বাড়ান।
সেনা প্রশিক্ষণ দল থেকে, ২ দল, বিশেষ হামলাকারী দল থেকে, ৩০০ লোক,
একহাজার কিলোগ্রাম বারুদ, ১০ জন ধনুকবাজ...
আর ৩০০ তীরন্দাজ।
মাত্র চারটে দল বাড়ানো হয়েছে গাংহোয়া এলাকায়?
তাহলে তো সর্বসাকুল্যে ৫০০ জন হবে।
এটা কী করে যথেষ্ট হতে পারে?
ওদের সম্ভবত আমাদের চাইতে অস্ত্রশস্ত্র অনেক বেশি আছে।
মন্ত্রীমশাইকে তো চেনেন।
পশ্চিমা বর্বরগুলোর চাইতে বিদ্রোহ নিয়েই উনি বেশি মাথা ঘামান।
ওনার দুঃশ্চিন্তা হচ্ছে আরো সৈন্য ছাড়া হলে কোনো অভ্যুত্থান ঘটে যেতে পারে।
লোকটা ভালোই মাথা খাটাতে জানে, তাই না?
এই কথায় মনে পড়লো,
সম্ভ্রান্ত লোক হিসেবে আপনার গবেষণাগুলো প্রশংসনীয়,
তবে যদি আপনি মন্ত্রীমশাইকে সাহায্য...
দেশ নিয়ে আপনার দুঃশ্চিন্তা দেখে...
মনে হচ্ছে আপনার আর কোনো কাজ নেই।
শুনেছি আপনি আরো বড়ো বাড়িতে উঠেছেন।
নিশ্চয়ই ওটায় আরো কাজের মেয়ে লাগবে।
মন্ত্রীমশাইকে সাহায্য করতে,
আমাকে সম্ভবত রাজধানীর প্রধান হাকিম হতে হবে।
তাতো অবশ্যই।
খোদা।
কিন্তু জায়গাটায় না ইতোমধ্যেই একজন আছেন?
সেটা তো আগামীকালও খালি হয়ে যেতে পারে।
চালাক লোক।
কিন্তু...
ওই মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেছে।
আপনাকে একটা কুমারী মেয়ের...
আপনার অবস্থা দেখে,
বোঝাই যাচ্ছে কেন আপনি বেশিদূর যেতে পারেননি।
আপনি চাইলেই যেকোনো জায়গা খালি করতে পারেন...
আর মেয়েটার স্বামীকে সরিয়ে দিতে পারেন।
একদম ঠিক বলেছেন। নিন, পান করুন।
এতে আপনাকে আরো এক পেয়ালা ঢেলে দিতে পারবো।
কী দেখছো তুমি?
আকাশটা, হুজুর।
কিন্তু কেন?
ভাবছিলাম একটা কাক কীভাবে আকাশের সৌন্দর্যটা নষ্ট করে দিতে পারে।
কোন বাড়িতে কাজ করো তুমি?
কেন জিজ্ঞেস করছেন?
তোমার নজর মাটিতেই রাখা উচিত।
আকাশটা তোমার স্থান নয়।
দাসেরা বড়ো লক্ষ্যের স্বপ্ন দেখলে,
তাদের অল্প বয়সেই মরতে হয়।
আমি সেটা জানি, হুজুর।
জানতাম কাল রাতের স্বপ্নটা শুভ লক্ষণ ছিল।
এখন এটাকেই আমি বলি ভাগ্য।
দাস হয়ে পালানোর চেষ্টা করিস কোন সাহসে!
বিশেষ করে...
তোরা।
এতো লোক থাকতে তোরাই?
দাঁড়িয়ে কী দেখছিস?
ব্যাটাকে মুড়ে ফেল।
- জি, হুজুর। - জি, হুজুর।
প্রভু, আমরা দুঃখিত।
দয়া করে আমাদের ক্ষমা করুন!
আমরা অনেক বড়ো ভুল করে ফেলেছি।
দয়া করে ওকে মারবেন না। হুজুর, মাফ করে দিন!
সে কিছুই করেনি। সব আমার দোষ।
আমিই ওকে পালাতে বলেছিলাম।
- দয়া করুন... - বাবা! মা!
না, যাস না।
ছেলেটাও হয়তো জানতো।
- জানতো না! - ধর ওকে।
ও জানতো না, হুজুর। দয়া করে বিশ্বাস করুন!
দয়া করে ওদের মারবেন না, হুজুর!
ছেলেটাকেও ওর বাপ-মায়ের অপরাধের শাস্তি পেতে হবে।
তুই বসে বসে দেখ।
দেখ আর শেখ আইন অমান্য করলে দাসদের...
কী পরিণতি হয়।
দাঁড়িয়ে কী দেখছিস?
হতচ্ছাড়াকে পেটা।
ছোট হুজুর, দয়া করে সাহায্য করুন।
দয়া করে আমার বাবাকে বাঁচান, ছোট হুজুর।
নইলে উনি মরে যাবে!
কিছু করতে গেলে বাবা আমাকেও মেরে ফেলবেন। সরে যা।
লোকজন দেখছে। ছাড়!
মেরে ফেল।
হয়তো কিছু লোকসান হবে,
কিন্তু এতে অন্য দাসগুলো শিক্ষা পেয়ে যাবে,
তাই একেবারে বৃথা যাবে না।
ইয়ু-জিন!
ইয়ু-জিন...
তুই...
- ওগো... - বউ!
বাবা...
দাঁড়িয়ে না থেকে শালীটাকে ধর!
কেউ নড়বে না।
নড়লে, ওনাকে মেরে ফেলবো।
নড়বে না। তোমাদের স্থির থাকতে বলেছে!
শালী, এতোবড়ো সাহস আমাকে মারার চেষ্টা করিস!
পরের খোচাটা আরো গভীর হবে।
আপনি আপনার বাচ্চাকে বাঁচান...
আর আমি আমারটাকে বাঁচাবো।
শালীর...
তুলে নে। এক্ষুণি!
ওটার দাম কমপক্ষে তিন মণ চাল।
এরচাইতে কমে ছাড়বি না। নিয়ে পালিয়ে যা...
আর কখনো ফিরে আসবি না।
যা। পালা!
মা...
- যা বলছি! - চুপ কর!
শালীটাকে ধর। না, ছেলেটাকে আগে ধর।
ভুলেও ধরবেন না নয়তো এরপর বাচ্চাটাকে ছোরা মারবো।
হারামী...
সবুর করো। নিজেকে শক্ত করো।
কথা না বলে কিছু একটা করো। আমি প্রায় মরতে বসেছি!
যা, পিচ্চি, যা! পালা এখান থেকে! জলদি!
আহাম্মকের দল।
ছেলেটাকে থামা!
কেউ নড়বে না!
কেউ এক পাও এগোবে না।
আমি সবাইকে দেখে রাখছি!
মা...
যা!
দয়া করে যা...
তুই পালালে আমাদের মৃত্যু বৃথা যাবে না!
যা। যতোদূরে পারিস পালিয়ে যা।
শালা হাদারামের বাচ্চারা...
ওহ খোদা, ওনার প্রসববেদনা উঠেছে!
- বউ, তুমি ঠিক আছো? - দেখে ঠিক আছি মনে হচ্ছে?
গাধার বাচ্চা!
সর!
মেরে ফেলুন।
মারতে হাত নিশপিশ করছে,
কিন্তু আমার উত্থান ওর ওপরেই নির্ভর করছে...
তাই মারবো না।
আমি মরে যাচ্ছি। ব্যথায় মরে গেলাম গো!
উঠোনের অবস্থা দেখতে পাচ্ছিস না?
লাশটাকে ফেলে দিয়ে উঠোনটা পরিষ্কার কর।
আর শালীকে, বন্দী কর...
যা! দয়া করে যা...
যা।
যতোদূরে পারিস পালিয়ে যা।
কোনদিকে গেল রে? খোঁজ।
ওদিকে যা।
এদিকে।
No comments yet. Be the first to leave one.