The Rite of Passage

The Rite of Passage (Mała matura 1947)

Lataa Bengali -tekstitys

Julkaisutiedot

Blue Planet II S01E01 One Ocean 720p 10bit WEBRip 2CH x265 HEVC-PSA
Blue Planet II S01E01 One Ocean 1080p AMZN WEB-DL DDP5 1 H 264-mkvcage
Blue Planet II S01E01 One Ocean 720p AMZN WEB-DL DDP5 1 H 264-mkvcage
Blue Planet II S01E01 One Ocean 1080p AMZN WEB-DL DDP5 1 H 264-NTb
Blue Planet II S01E01 One Ocean 1080p 10bit WEBRip 2CH x265 HEVC-PSA
Kommentaari tskushal
ডাউনলোড লিংকঃ ফুল এইচ ডি https://goo.gl/iwUrS3 এইচ ডি https://goo.gl/v8EK8f হেভক https://goo.gl/Cav5CB

Tunnisteet

webrip
web
720p
720
BRip
x265
HEVC
2CH
Web-DL
web-dl
WEB-DL
1080
mkv
MkvCage
Julkaistu: 2017-11-08
Lataukset: 67
Kuulovammaisille: No

Bengali tekstityksen esikatselu

152 ensimmäistä riviä.

আপাতদৃষ্টিতে মহাসাগরগুলো সীমাহীন,

তারা আমাদের অনুভূতিতে শ্রদ্ধা, বিস্ময়, কখনোবা নিগূঢ় ভয়ও সঞ্চারিত করে।

আমাদের গ্রহের ৭০% ভূমিই তাদের দখলে,

আর এখনো তাদের কম অংশই উন্মোচিত হয়েছে।

ঠিক আমার পায়ের নিচেই হাজারো ঢেউ এর গভীরে লুকিয়ে আছে

এমনও অনেক সৃষ্টি, যা আপনার কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যাবে।

প্রযুক্তির উৎকর্ষে আমরা এখন প্রবেশ করতে পারি...

সেই বিস্ময়কর নতুন জগতে

যা গত প্রজন্মে একরকম অসম্ভবই ছিল।

আমরা আরেকটা অস্বস্তিকর বিষয়ে অবগত হয়েছি।

আমাদের মহাসাগর গুলোর অবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

তাদের গাঠনিক অবস্থা অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।

প্রকাশ করার মত এমন কঠিন সময় আর আসেনি

যে, ঠিক কী হতে চলেছে সাগরের তলদেশে।

আমাদের প্রথম পর্বে,

আমাদের যাত্রা হবে গ্রীষ্মমণ্ডল এর উষ্ণ জল হতে-

মেরু অঞ্চলের শীতল অংশের দিকে।

এ প্রচেষ্টা - ঢেউ এর নিচের জীবন সম্পর্কে নতুন কিছু ধারণা দেওয়ার।

পেশ করছি 🌐🌎নীল গ্রহ -2🌏🌐

সমুদ্রতলে অনেক প্রানিই লুকিয়ে থাকে, যারা বাস করে জলের আরো গভীরে

কিন্তু সবাই না।

বোটলনোজ ডলফিন।

তারা চরম বুদ্ধিমান।

আর এই বুদ্ধিমত্তার সাথে সাথে আসে আনন্দ আর উন্মত্ততা।

তারা ঢেউ এর সাথে পাল্লা দেয়।

যতটা বলা যায়, তারা এটা করে শুধু তাদের আনন্দের জন্য।

কিন্তু তাদের আচরণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে,

আপনাকে তাদের সাথে তাদের জগতে যাত্রা করতে হবে।

একদল বোটলনোজ ডলফিন লোহিত সাগরে একটা প্রবাল প্রাচীর পরিদর্শন করছে।

নবীনদের এখানে অনেক কিছু শেখার আছে।

বয়স্করা বাচ্চাদের নিয়ে চলে প্রবালের মতই একধরনের গুল্ম ঝোপ এর কাছে,

যাদের নাম জর্গনিয়ান।

আর এখানে বয়স্করা কিঞ্চিৎ অদ্ভুদ আচরণ করে

গুল্মের শাখাগুলোতে তারা ইচ্ছে করেই নিজেদের ঘষে নেয়।

বাচ্চারা সেটা করতে কিছুটা অনিচ্ছুক।

কিন্তু বড়দের দেখে দেখে,

তারা হয়তো বুঝতে পারে, এ কাজটা তাদেরও করা উচিত।

জর্গনিয়ার শাখাগুলো মিউকাস দিয়ে আবৃত

যার যন্ত্রনা উপশম এবং জীবাণু প্রতিরোধ এর গুণ রয়েছে।

হয়তো বড় ডফিনরা এমনটা করছে

বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্যই।

ডলফিনদের প্রবাল প্রাচীর সম্পর্কে এমন বদ্ধমূল ধারণা

আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে এখানে নতুন ওষুধের খোঁজ করতে।

গ্রীষ্ম প্রধান প্রবাল প্রাচীরগুলো

সাগরতলের মাত্র এক শতাংশের দশ ভাগ জায়গা দখল করে আছে।

কিন্তু অগভীর উষ্ণ জল আর বছর জুড়ে তাদের স্থিতিশীলতা

দলবদ্ধ আর বিভিন্ন সংখ্যাবহুল প্রজাতিদের সাহায্য করে

সাগরের যে কোন জায়গায় তাদের খুঁজে পেতে।

And there are new discoveries to be made on every one of them.

অস্ট্রেলিয়ার বিশাল প্রবাল প্রাচীরের একটা প্রাণী

মাছের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে বসেছে!

টাস্ক ফিস।

তার এই নামকরণের কারণটা আপনিও বুঝতে পারবেন।

সে এমন কিছু করে, যা কেউ বিশ্বাসই করতে চাইবে না

প্রতি সকালেই সে সমুদ্রের তলদেশ ঘেঁষে চলে।

খাওয়ার জন্য সে বিশেষ কিছু একটা খুঁজছে

প্রবাল আর বালির মধ্যে।

এই যে, একটা।

একটা ছোট ঝিনুক।

কিন্তু এটা ভেঙে এর মাংস পাওয়া সম্ভব কিভাবে?

সে এটাকে নিয়ে আবার ফিরে চলে

তার স্পেশ্যাল কিচেনে।

প্রবালটা অনেকটা গামলা আকারের

যার ভিতরের বিশেষ একটা জায়গা সে প্রতিনিয়তই সংঘর্ষের কাজে ব্যবহার করে।

হাত ছাড়া এমন কাজ আসলেই খুব কঠিন।

ওহঃ! 😥

সে আবার চেষ্টা করে।

তার রয়েছে দৃঢ় মনোভাব,

আর অবিশ্বাস্য নিখুঁত মাপকাঠি।

অবশেষে হল তাহলে।

তো, একটা মাছ পাওয়া গেল, যে যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করে।

কিছু মাছতো এমন বুদ্ধিমান যে আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না।

গ্রীষ্ম মন্ডলীয় সমুদ্রতলে প্রাণীদের আধিক্য

নিশ্চিত ভাবেই বেঁচে থাকার এক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করে।

শুধু সমুদ্রতলের প্রাণীকূল না,

সমুদ্রের উপর উড়ে বেড়ানো পাখিদেরও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নামতে হয়।

গ্রীষ্মকালে,

আধা মিলিয়ন এর চেয়েও বেশি টার্ন পাখি

ভারত মহাসাগরের দূরবর্তী প্রবাল পূর্ন হৃদ এলাকাগুলোতে ভিড় করে।

বাচ্চাগুলো এখনো অনেকটা অজ্ঞ, ডানাও পরিপক্ক হয়ে উঠেনি।

বয়স অনুযায়ী তারা বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

তুলনামূলক একটু বড় বাচ্চাদের বাতাসে নিয়ে যাওয়া হয়,

অন্যরা এখনো সেভাবে প্রস্তুত হয়নি।

তারা সবেমাত্র উড়তে শিখছে

প্রবাল পূর্ন অগভীর হৃদগুলোকে কেন্দ্র করে,

যা তাদের কাছে প্রশিক্ষণ এর মাঠের মতোই।

অনেকের জন্যই উপরে একটানা ভেসে থাকাটা কঠিন হয়ে পরে।

দৈত্যাকার ট্রিভ্যালি!

অনেকটা ভবঘুরে একাকী শিকারী,

কিন্তু পাশের এলাকা থেকে প্রায় ৫০টা এখানে এসেছে

পর্যাপ্ত শিকারের আশায়।

পাখিরা যতটুকু পারে, পানি থেকে দূরেই থাকে,

এমনকি পানিও পান করে বাতাসে ভেসে থেকেই।

মাছেরা যদি এখন শিকার করতে চায়

তাহলে ধাওয়া চালিয়ে যেতেই হবে।

তারা আসলে এমন ধরনের মাছ , যাদের

বাতাসের গতি মাপার দক্ষতা আছে,

সেই সাথে উচ্চতা আর পাখির গতিবিধিও।

উপযুক্ত সময় তখনই আসবে যখন প্রতিটা পাখি খোলা বাতাসে আসবে

নিজেদের খাবার সংগ্রহের জন্য।

প্রশিক্ষণের মাঠে বাবা মায়েরাই প্রশিক্ষক।

টিকে থাকতে হলে,

তাদের খুব দ্রুত শিখতে হবে।

এলাকা জুড়ে এক মাসের প্রশিক্ষণের পর,

নবীনরা জায়গা ছাড়তে শুরু করে

আর খোলা সাগরের বাতাসে গা ভাসায়।

সাগর পৃথিবীর মোট জলের ৯৭শতাংশ জল ধারণ করে থাকে।

সূর্যের উষ্ণতায় তাদের উপরিভাগের জল বাষ্পীভূত হয়।

বাষ্প আকাশে জমা হতে থাকে

যতক্ষণ না তা শীতল হয়ে মেঘের পাহাড়ে ঘনীভূত হয়।

আর তা সৃষ্টি করে প্রলয়ঙ্করী ঝড়ের।

পৃথিবীর ঘূর্ণন এইসব ঝড়ের গতিপথ পরিবর্তন করে দেয়

উত্তর থেকে দক্ষিণ অক্ষাংশের দিকে।

এরকম ঝড় যখন সাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে,

ঝড়ো হাওয়া জলকে প্রচন্ড ভাবে ফাঁপিয়ে তোলে।

আর তা যখন অগভীর পানিতে পৌঁছায়,

তারাই সৃষ্টি করে দৈত্যাকার একেকটা ঢেউ।

এক একটা বড় ঝড়ে যে পরিমান শক্তি নির্গত হয়

তা প্রায় দশ হাজার নিউক্লিয়ার বোমার সমান।

এগুলো হচ্ছে মৌসুমী সাগর।

বসন্তে যখন তারা উষ্ণ হয়ে পড়ে,

অনেকটা আচমকাই জীবনের আনাগোনা এখানে বেড়ে যায়।

মবুলা রে ম্যাক্সিকোর কোর্টেজ সাগরে

প্রচুর পরিমানে এসে জড়ো হয়।

তাদের এমন লাফালাফির কারণ কি?

এটা কি তাদের অস্তিত্ব জানানোর চেষ্টা?

এর কারণ আসলে কেউই জানে না।

তারা বেশিরভাগ সময়ে রাতেই খাবার খায়...

যখন ঝাঁকে ঝাঁকে প্লাঙ্কটন গভীর থেকে ভেসে উঠতে থাকে।

জলের তোলপাড় এর কারণে অনেক প্লাঙ্কটনকেই

আলোকচ্ছটার মত দেখা যায়।

বর্তমান প্রযুক্তির কারণে আমরা তাদের ক্ষীণ আলোকচ্ছটা ধারণ করতে পেরেছি।

তাদের পাশ ঘেষে চলা এইসব দ্যুতির ধারা

জীবন মৃত্যুর এক অসাধারণ আখ্যান রচনা করে।

জলের প্রাচুর্যতার মূল ভিত্তি খুব ক্ষুদ্র এক ধরনের গাছ,

ফাইটোপ্লাঙ্কটন,

যেগুলো ব্যাপক হারে জন্মায়, আর আমাদের উপকারেও আসে।

সাগরের শৈবাল আর ঘাস সহ তারা সবাই মিলে

যে পরিমাণ অক্সিজেন উৎপন্ন করে

তা স্থলভাগের সকল বনাঞ্চল এর অক্সিজেন উৎপাদন এর সমান বলা যায়।

নিউজিল্যান্ডে প্রতি বসন্ত শেষে

কিছু দুষ্প্রাপ্য অতিথির আগমন ঘটে।

ভুয়া খুনে তিমি।

তারা খুনে তিমি জাতেরই আত্মীয়,

ছয় মিটার লম্বা আর এক টনের চেয়েও অধিক ওজন।

ডলফিনের খোঁজেই তাদের আগমন।

আর এই উপকূলীয় জলে তাদের সংখ্যাও অনেক বেশি।

এখানে বোটলনোজ ডলফিনরা দলবদ্ধ ভাবে

পরষ্পরের সাথে শীষ আর ক্লিক ধ্বণির মাধ্যমে হট্টগোলে মেতেছে।

এক মাইল পর্যন্ত কানে তালা লাগিয়ে দেয়ার মত শোরগোল।

ভুয়া খুনে তিমিরা তাদের অবস্থান সনাক্ত করে ফেলেছে।

এভাবে ১০ নট গতিতে ছুটে চলে, খুনেগুলো তাদের কাছাকাছি চলে আসছে।

More Bengali subtitles for The Rite of Passage

Kommentit

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left