200 ensimmäistä riviä.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - রায়হান শেখ (জনি) তাওহীদুল ইসলাম সুমন আতিক আরাফাত সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
A MUSE
আমি কখনোই চাঁদকে এত সুন্দর দেখিনি।
আমার বিশ্বাস সেও একই চাঁদকে দেখছিল।
কিন্তু তার কাছে...
চাঁদ এত সুন্দর লাগছিল না।
প্রত্যেক ব্যক্তি একই বস্তু...
...ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখে।
আপনারা কারা?
তুমি কে?
আমার নাম ইউংয়ো।
ভেতরে ঢুকেছ কীভাবে?
বেড়ার পাশে একটা সিঁড়ি আছে।
আমি সবসময় এমন একটি চেয়ারে বসতে চেয়েছি।
এটা কি আপনাদের জায়গা?
তুমি বন থেকে ঢুকেছ?
তুমি থাকো কোথায়?
লন্ড্রোম্যাটের পাশেই থাকি।
আমি এখনি চলে যাচ্ছি।
বিদায়।
'জাতীয় কবি' শব্দটা কেন জানি অপরিণত শোনায়।
এমন একজন মহৎ শিক্ষকের কাছ থেকে শিখতে পারাটা...
...অনেক সৌভাগ্যের ব্যাপার।
আপনার বয়স ২০ বৎসর পার হয়ে গেলে...
...আমার মনে হয় না বয়সটা কোনো সমস্যা হবে।
বিস্ময়কর ব্যক্তি বলে ডাকাটা আমার নামের পাশে বড্ড বেমানান হবে।
আমার ক্ষেত্রে,
মনে হয়, আত্মবিশ্বাসের সাথে বিশ্বের অন্তর্দেশ উপস্থাপন করার মতো বয়স আমার হয়েছে।
আমি এখন প্রাপ্তবয়স্ক।
ভবিষ্যতে আমি আরো বেশি চেষ্টা করবো।
আর এতে অনেক দুঃখকষ্ট জড়িত থাকবে।
খুব নোনতা?
এখন তুমি তোমার...
...নিজের গল্প লিখতে পারো।
এখন...
এটাই মন...
যা সবখানে তালিকার শীর্ষে হয়!
এটাই মন।
হ্যাঁ।
প্রসঙ্গত...
আমি একটি গল্প লেখার কাজ পেয়েছি।
কী?
বললাম...
আমি একটি গল্প লেখার কাজ পেয়েছি।
আমি ওটার উপর মনোযোগ দিতে চাই।
তো...
বারান্দার চেয়ারে ঘুমিয়ে পড়া ওই মেয়েটির কথা মনে আছে?
হঠাৎ ওর স্কুল থেকে ওকে গাড়িতে লিফট দিয়েছিলাম।
ও একটা পার্ট টাইম চাকরি খুঁজছিল।
ও কি হাইস্কুলে পড়ে না?
বলছিল যে ও ঘরের সব কাজ করতে পারে।
ওকে এই শনিবার বিকেলে আসতে বলো।
হ্যালো।
- দুঃখিত! - না ঠিক আছে।
আমাকে করতে দিন।
না, ঠিক আছে। আমি করছি।
চিন্তা করো না।
সাবধানে।
সেরেছে!
মানে?
উহ, মানে, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
- আর আপনার নাম... - সিও ইউনপা।
সিও ইউনপা।
- ধন্যবাদ। - আপনাকে একটু জড়িয়ে ধরতে পারি?
- ধন্যবাদ, বিদায়। - ধন্যবাদ।
যখন উপরের জানালা পরিষ্কার করি,
তখন আমার আঙুলগুলো ব্যথা হয়ে যায়।
এটা আমাকে নাচ শেখানোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে...
সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত আমি নাচের ক্লাস নিতাম।
এটা আরো একটু টাইট করতে পারবেন?
আপনি কেমন করে নিশ্বাস নিচ্ছেন?
স্কার্ট?
এতটুকু ছোট করবো?
আরো ছোট।
তাহলে তো মানুষজন আপনার প্যান্টি দেখতে পাবে!
এতটুকু ছোট করছি।
দাদু, আপনার পেন্সিলগুলো ছোট হয়ে গেছে।
এগুলো আমাকে কেটে ধারালো করতে দেবেন?
ওগুলো ওভাবেই থাকুক।
ধারালো পেন্সিল দুঃখের কারণ হয়।
এগুলোতে এত দুঃখ কীসের?
তোমার কী মনে হয়?
দাদু।
আচ্ছা।
ধারালো হওয়ার কারণে যদি...
...পেন্সিলগুলো দুঃখের কারণ হয়।
এর অর্থ কি পৃথিবীর সব ধারালো পেন্সিলই দুঃখের কারণ?
এটা কি...
কবিতা?
একটি বস্তুর থেকে প্রাপ্ত ছবিগুলো...
...প্রায়ই স্বর্গ এবং নরকের মতো সুদূর অতীতে হারিয়ে যায়।
যখন আমি পেন্সিলের কথা ভাবি...
তখন আমি একটি ছেলেকে স্কুলে যেতে দেখতে পাই।
খড়খড়, খড়খড়।
তার পেন্সিলের বাক্সের শব্দ।
তার স্কুল ব্যাগের ভেতরে ঘরঘর শব্দ হতে থাকে।
সে এটা ভালোবাসতো।
যখন ছেলেটি আর...
স্কুলে যেতে পারে না,
তখন খড়খড়, খড়খড় শব্দ হয়।
খড়খড় শব্দতে মনে হয়...
যেন পেন্সিলগুলো কাঁদছে।
তাই আমার কাছে,
পেন্সিল মানেই অশ্রু।
যখন তুমি বললে...
দাদু, পেন্সিলগুলো কেটে ধারালো করে দেবো।
তখন তোমার কথার জায়গায় আমি এটা শুনেছিলাম।
'দাদু, প্লিজ আমার অশ্রু মুছে ফেলো।'
দাদু?
আমি ইউংয়ো।
দাদু।
এত রাতে এখানে কী করছো?
আমাকে প্রথমেই ধমক দিয়ে কথা বলছেন...
দেখতে পাচ্ছেন না আমি বৃষ্টিতে ভিজে গেছি?
দাদু...
আজ রাতটা কি এখানে কাটাতে পারি?
কি?
দয়া করে আমাকে থাকতে দিন।
আজ রাতে আমি বাড়িতে যেতে পারবো না।
আমাকে তোমার মুখটা দেখতে দাও।
আমাকে তোমার মুখটা দেখতে দাও।
কেউ তোমাকে চড় মেরেছে।
এমনটা কে করেছে?
তোমার আপন কেউ করেছে?
আমার মা।
তোমার মা?
আমার মা মেরেছে।
মা মাঝে মাঝেই মারে।
কিন্তু শুধুমাত্র আমার সাথে...
...এমন কিছু ঘটলে...
আমি সাধারণত আমার বন্ধুর বাড়িতে চলে যাই।
চলো আগে জামাকাপড় পাল্টে নাও।
আমার পেছন পেছন এসো।
দাদু।
আমি আপনাকে কিছু বলতে পারি?
বৃষ্টি থেমে গেলে তোমাকে আমি বাড়িতে পৌঁছে দেবো।
আপনাকে কিছু কথা বলতে পারি?
বলবো?
কী?
বললাম, আপনাকে কিছু কথা বলতে পারি?
হ্যাঁ বলো।
বইতে পড়া...
...আপনার কবিতাটা আমার মনে আছে।
'ক্যামেলিয়া', তাই না?
ক্যামেলিয়ার কবরের পাশে একটি ছোট্ট পাখি বসে থাকে।
লাল ঠোঁটওয়ালা একটা বিমর্ষ পাখি।
ছোট্ট পাখিটি গাঢ় লাল রঙের অশ্রু ফেলে যায়।
কবিতাটা আমার গত পরীক্ষাতে ছিল।
বলতে গেলে...
আমার বেলায়...
পেন্সিল আমাকে মায়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।
যখন আমি ছোট ছিলাম,
আমার মা পায়ের গোড়ালি শেভ করার জন্য...
আমার পেন্সিল ছুরি ব্যবহার করতো।
উবু হয়ে...
সে আর এমনটা করে না।
এখন সে কাজটা পাবলিক ব্যাথহাউজে করে।
এখন এটা চলমান দুঃখ।
তাহলে আপনাকে ড্রায়ার ব্যবহার করতে হবে।
খারাপটা কী তা আমি জানি না।
এজন্য...
আমার মনে হয় পেন্সিল শার্পনার দুঃখের কারণ হয়।
নাকি গোড়ালিও দুঃখের কারণ হয়?
এটা শুধু কবিতা।
বিমর্ষ পেন্সিল...
বিমর্ষ গোড়ালি...
দাদু!
আমার পা দেখে আপনার কী মনে হয়?
সেরেছে!
কী?
তোমার জামা ফেলে দেওয়ার জন্য আমাকে ধন্যবাদ দিচ্ছ?
দাদু...
চলুন সকালের নাস্তা করে নিই।
হ্যালো।
হ্যালো।
তুমি কী পরে আছো?
এটা দাদুর পোশাক।
খুব আরামদায়ক।
উনি কোথায়?
জানি না।
উনি কি পড়ার ঘরে আছেন?
দাদু! আপনার কি ভালো ঘুম হয়েছে?
উনি পাউরুটি খান না।
বললাম তো উনি পাউরুটি খান না।
ফ্রিজে কিছু রাখা আছে।
ওটা আমার।
আমি ভাবলাম উনি পাউরুটি খাবেন।
তুমি কীভাবে জানলে?
তাহলে আপনি মনে করেন আপনি উনাকে ভালো করে চেনেন?
অবশ্যই।
তাই নাকি?
দাদু।
টা-ডা! বাড়িতে বানানো ক্লাব স্যান্ডউইচ।
খেতে ভালো হবে, তাই না?
ফ্রিজে থাকা খাবার দেখছি...
...শিল্পকর্মে পরিণত হয়েছে।
খেয়ে দেখুন।
আচ্ছা খাচ্ছি।
No comments yet. Be the first to leave one.