نخستین 200 خط.
ভ
ভা
ভাব
ভাবা
ভাবান
ভাবানু
ভাবানুব
ভাবানুবা
ভাবানুবাদ
ভাবানুবাদে
ভাবানুবাদে
ভাবানুবাদে -
ভাবানুবাদে -
ভাবানুবাদে - ম
ভাবানুবাদে - মা
ভাবানুবাদে - মার
ভাবানুবাদে - মারি
ভাবানুবাদে - মারিব
ভাবানুবাদে - মারিব
ভাবানুবাদে - মারিব স
ভাবানুবাদে - মারিব সি
ভাবানুবাদে - মারিব সির
ভাবানুবাদে - মারিব সিরা
ভাবানুবাদে - মারিব সিরাজ
ভাবানুবাদে - মারিব সিরাজ
ভালো থেকো, চিহিরো। আবার দেখা হবে।
চিহিরো? চিহিরো!
আমরা প্রায় এসে পড়েছি।
একদম নির্জন এলাকা।
বাজার করতে পাশের শহরে যেতে হবে।
এভাবেই আমাদের মানিয়ে নিতে হবে।
দেখ, ঐ যে স্কুল।
চিহিরো, এটাই তোর নতুন স্কুল।
কেন, স্কুলটা তো সুন্দর।
আমার আগের স্কুলটাই ভালো ছিল।
মা, আমার ফুলগুলো নেতিয়ে গেছে।
হবেই তো, যেভাবে ওগুলো চেপে ধরে রেখেছিস!
একটু পানিতে রাখলেই আবার এগুলো সতেজ হয়ে উঠবে।
জীবনে প্রথম ফুলের তোড়া পেলাম, সেটাও বিদায় উপলক্ষ্যে।
কেন, তোর জন্মদিনে না গোলাপ দিলাম?
একটা মাত্র গোলাপ! একটা গোলাপে তো আর তোড়া হয় না।
তুই কার্ড ফেলে এসেছিলি।
এখন তৈরি হয়ে নে। আজ সারাদিন ব্যস্ততায় কাটবে।
SPIRITED AWAY (2001)
Bangla Subtitle by Marib Siraj
আরে! আমি কি ভুল বাঁক নিলাম?
আমি বুঝতেই পারিনি।
ঐ যে ওখানে।
শেষের নীল বাড়িটা।
তাই তো।
আমি আগের মোড়েই গাড়ি ঘুরিয়ে ফেলেছি।
সোজা যেয়ে দেখবো?
থামো তো, এভাবেই আমরা বারবার পথ হারাই।
এখানে কী কী আছে দেখা যাক।
- ওগুলো কী? - আত্মাদের ঘর।
বাবা, তুমি ঠিক রাস্তায় যাচ্ছো তো?
আমরা যেহেতু গাড়িতে, তাই ভয়ের কিছু নেই।
চিহিরো, বসে পড়।
কী করছো তুমি? আস্তে যাও!
একটা টানেল।
এই বিল্ডিংটা কীসের?
দেখে মনে হচ্ছে একটা গেট।
সোনা, আমাদের ফিরে যাওয়া উচিত।
চিহিরো!
উফ...
এটা তো দেখছি প্লাস্টার করা।
নতুন করে বানানো হয়েছে।
বাতাস ভিতর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।
কী এটা?
চলো, ঐপাশে কী আছে দেখি।
আমার ভয় করছে, বাবা। চলো ফিরে যাই?
ভীতু হলে চলবে না। চল, একবার দেখে আসি।
ততক্ষণে কুলিরা তো পৌছে যাবে।
তো? ওদের কাছে চাবি আছে। ওরা সবটা সামলে নিবে।
আমি জানি, তবুও...
না! আমি যাব না।
বাবা, চলো ফিরে যাই।
আয় তো, মজা হবে।
আমি এখানেই থাকছি!
চিহিরো, তুই গাড়িতেই বসে থাক।
মা...
দাঁড়াও!
সাবধানে পা ফেলো।
চিহিরো, এভাবে জড়িয়ে ধরিস না। হোচট খেয়ে পড়ে যাব কিন্তু!
- কী এটা? - এই, শুনতে পাচ্ছ?
- ট্রেনের শব্দ। - হয়তো কাছেই স্টেশন আছে।
চল, খুঁজে দেখি। কাছেই কোথাও হবে।
মানুষের বাড়ি, এখানে!?
আগেই বুঝেছিলাম।
এটা একটা পরিত্যাক্ত শিশু পার্ক।
নব্বইয়ের দশকে এমন অনেক পার্ক বানানো হয়েছিল।
কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে তারা দেউলিয়া হয়ে যায়।
এটা সেগুলোরই কোনোটা হবে।
দাঁড়াও, আমরা কোথায় যাচ্ছি?
ফিরে চলো, বাবা।
প্লিজ!
মা, বিল্ডিংটা থেকে গোঙানির আওয়াজ আসছে।
ওটা বাতাসের শব্দ।
কি সুন্দর জায়গা! আমাদের স্যান্ডউইচ নিয়ে আসা উচিত ছিল।
এখানে হয়তো নদী ছিল।
কোনো গন্ধ পাচ্ছো?
- একটা সুগন্ধ পাচ্ছি। - ঠিক ধরেছো।
হয়তো ওরা আবারো ব্যবসা শুরু করেছে।
চিহিরো, তাড়াতাড়ি এসো।
দাঁড়াও!
এই দিকে।
কে ভেবেছিল? এখানেও রেস্টুরেন্ট আছে!
কাউকেই তো দেখছি না।
ঐ তো।
এই, এসো!
এসো, দেখে যাও।
বাহ, দারুণ।
শুনছেন? কেউ আছেন?
আয়, চিহিরো। দেখে সুস্বাদু মনে হচ্ছে।
শুনছেন?
চিন্তা করো না। কেউ এলেই আমরা দাম দিয়ে দেবো।
ঠিক আছে। এখন শুরু কর...
এটা আবার কোন পাখি?
অনেক মজা! চিহিরো, খেয়ে দেখ।
আমি খাবো না।
চলো, চলে যাই? তারা রাগ করবে।
চিন্তার কিছু নেই। তোর বাবা আছে তো।
আমার কাছে কার্ড, ক্যাশ দুটোই আছে।
একটু খেয়ে দেখ, চিহিরো। একদম তুলতুলে নরম।
- সর্ষে বাটা। - ধন্যবাদ।
মা! বাবা!
কি অদ্ভুত বিল্ডিং!
ট্রেন!
তুমি এখানে থাকতে পারবে না। চলে যাও!
সূর্যাস্তের সময় হয়ে এসেছে। অন্ধকার নামার আগেই চলে যাও!
ওরা আলো জ্বালাচ্ছে। চলো!
আমি ওদের সামলাচ্ছি। তুমি নদী পার হয়ে যাও!
ওর সমস্যা কী?
বাবা?
বাবা, বাড়ি চলো।
বাড়ি চলো, বাবা!
বাবা!
মা!
মা!
পানি!
না....
এটা শুধুই স্বপ্ন।
ওঠো, ওঠো। জেগে ওঠো!
প্লিজ, উঠে পড়।
এটা শুধুই স্বপ্ন, একটা ফালতু স্বপ্ন।
যাও, চলে যাও।
চলে যাও।
আমি মিলিয়ে যাচ্ছি!
এটা নির্ঘাত স্বপ্ন।
ভয় পেয়ো না। আমি তোমার বন্ধু।
না, না, না!
হা করো। এটা খাও।
এই দুনিয়ার কিছু না খেলে তুমি অদৃশ্য হয়ে যাবে।
না!
ভয়ের কিছু নেই। এতে তুমি শূকর হবে না।
চিবিয়ে গিলে ফেল।
এইতো, এখন আর সমস্যা নেই।
নিজেই দেখ।
আমি স্পর্শ করতে পারছি।
অবশ্যই। এখন চলো।
আমার মা-বাবা কোথায়? তারা কি সত্যিই শূকর হয়ে গেছে?
তুমি তাদের দেখা পাবে, কিন্তু এখন না।
চুপ!
ওটা তোমাকে খুঁজছে সময় নেই, দৌড়াও।
আমি দাঁড়াতে পারবো না। আমি কী করবো?
- আমার পা আর চলছে না। - শান্ত হয়ে একটা লম্বা শ্বাস নাও।
তোমার অভ্যন্তরের বায়ু আর জলের দোহাই ওকে ছেড়ে দাও।
দাঁড়াও!
সেতু পার হওয়ার সময় দম আটকে রাখবে।
অল্প শ্বাস নিলেই আমার জাদু কাজ করবে না।
আমি চাই না কেউ তোমাকে দেখুক।
আমার ভয় করছে।
শান্ত হও।
স্বাগত, আপনার আগমনে আমরা সম্মানিত।
স্বাগতম, আসুন।
- কাজ শেষে ফিরলাম। - ফিরে আসার জন্য স্বাগতম, স্যার।
লম্বা শ্বাস নাও।
ধরে রাখ।
স্বাগতম। আমরা আপনার অপেক্ষাতেই ছিলাম।
আর একটু অপেক্ষা কর।
মাস্টার হাকু!
আপনি কোথায় ছিলেন...
মানুষ?
দৌড়াও!
মাস্টার হাকু, মাস্টার হাকু!
কিছু একটার গন্ধ পাচ্ছি, মানুষ ঢুকেছে নাকি!
মানুষের গন্ধ পাচ্ছি! মানুষের দূর্গন্ধ!
- তারা বুঝে গেছে তুমি এখানে। - দুঃখিত, ঝামেলা বাঁধিয়ে ফেললাম।
না, চিহিরো, তুমি যথেষ্ট ভালো করেছো।
এখন শোনো। আমি তোমাকে বলছি কী করতে হবে।
এখানে থাকলে, ওরা তোমাকে ধরে ফেলবে।
আমি ওদের বিভ্রান্ত করবো এই সুযোগে তুমি পালাবে।
না, যেও না! এখানেই থাক, প্লিজ।
তোমার আর কোনো উপায় নেই, যদি এখানে টিকে থাকতে চাও...
আর তোমার মা-বাবাকে বাঁচাতে চাও।
তাহলে আমি স্বপ্ন দেখছিলাম না। তারা সত্যিই শূকর হয়ে গিয়েছে।
মন দিয়ে শোনো।
আমি চলে যাওয়ার পর, পিছনের দরজা দিয়ে চলে যাবে।
সিঁড়ি বেয়ে একদম নিচে চলে যাবে।
সেখানে গিয়ে বয়লারের রুম দেখতে পাবে....
No comments yet. Be the first to leave one.