Kick

Kick (కిక్)

دانلود زیرنویس Bengali

هماهنگ با نسخه‌های زیر

Kick (2009) Telugu BRRip 720p x264 AAC
ناشر Jotirmoy S
আমার করা ৪০ তম বাংলা সাবটাইটেল। লিস্টে একটা রভিতেজার মুভির সাব থাকবে ভেবেই করা, মুভিটাও অনেক সুন্দর। সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং দেবেন।

برچسب‌ها

brrip
x264
720p
720
تاریخ انتشار: 2017-07-28
تعداد دانلود: 46
مخصوص ناشنوایان: No

پیش‌نمایش زیرنویس Bengali

نخستین 200 خط.

সা

সাব

সাবটা

সাবটাই

সাবটাইটে

সাবটাইটেল

সাবটাইটেলটি

সাবটাইটেলটি ব

সাবটাইটেলটি বা

সাবটাইটেলটি বাংলা

সাবটাইটেলটি বাংলায়

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনু

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করে

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন জ্যোতি

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন জ্যোতির্ময়

সাবটাইটেলটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন জ্যোতির্ময় সজ্জন

মুভিঃ KICK (కిక్) (2009) TELUGU

অভিনয়েঃ রভিতেজা, ইলিয়ানা ডি'ক্রুজ, শ্যাম ও ব্রহ্মানন্দম।

অনেক পছন্দের মুভি, সালমান হিন্দিতে রিমেক করছে এবার অরিজিনালটা বাংলা সাবে দেখুন।

তুই এক ঘন্টার মধ্যে এক ছেলের সাথে দেখা করতে যাবি.

দিদি, আমি তাদের বলেছি তুই এখনই বিয়ে করতে চাসনা.

কিন্তু তুই বিয়ে না করলে, তুই জানো, আমার নাম্বারও আসবে না.

ভারতের চেনাজানা লোক, ছেলে খুব ভালো, দেখতেও সুন্দর.

আমরা তোকে এখনি বিয়ে করতে বলছিনা, গিয়ে তার সাথে দেখা কর, ব্যাস.

একেও মানা করে দিলে, আরেকজন খুঁজব.

কিন্তু আমি নিশ্চিত তুই ওকে পছন্দ করবি.

এ বিষয়ে তোর যোগ অনুশীলন শেষ হবার পরও বলতে পারতাম,

কিন্তু তুই তখন আমাকে সময় দিতি না.

এই হলো তার ছবি. যোগ অনুশীলন চালিয়ে যা মা.

প্রথমবার তোকে একটা মেয়ে দেখানোর ব্যবস্থা করেছি,

তোর তাকে অবশ্যই পছন্দ হবে.

তোমার অত্যাচার সহ্য না করতে পেরেই মালয়েশিয়া এসেছি.

তার সাথে দেখা করে সিদ্ধান্ত নেব.

তুই এখানে এসেছিস, তাই তোকে আবারো বলছি.

আমি তোকে ভালো করেই চিনি,

অন্য সবার আমি বলবনা যে মেয়েটা খুব ধনী তাই ওকে বিয়ে কর.

বিয়ে করে নে, সুখে থাকবি.

না বললে, মালয়শিয়া টাওয়ার থেকে লাফ দেবার ভয় দেখাব না,

লাফ দেব.

- বিয়ের কনেকে ট্রেনে বসে দেখছি. - ভাল জায়গা.

এরকম করতে আমাদের বাবা-মাই তো জোর করেছে.

আসলে এটাই ভালো,

পুরো পরিবারের সামনে বসে আপনাকে দেখলে,

সেটা খারাপ লাগত.

মানে বিয়ের জন্য ছেলে দেখা.

ট্রেনে প্রথমবার.

আসলে, আমার সাদাসিদে বিয়ে পছন্দ.

আমারও!

কিন্তু আমার বাবা মানবে না. সে বিয়েটাকে বড় করে আয়োজন করতে চায়.

আপনার নাম কি?

আসলে, আমার এই মিটিংটা পছন্দ না.

সেজন্য আমি আপনার নামটাও শুনতে চাইনি.

কোনভাবে এসে পরলাম, এখন ঠিক আছে.

সবকিছু ঠিকই আছে, আমার জন্য আপনার নামটা বদলাতে পারবেন না?

এ পৃথিবীতে আমি কোনকিছু ঘৃণা করলে, সেটা হলো এই কল্যান নামটা.

- যাদের নাম কল্যান তাদেরও ঘৃণা করি. - কেন?

একসময় তাকে ভালোবেসেছিলাম, তাই.

ওর কথা ভাবলেও আমার রাগ উঠে যায়.

সে আমার পুরনো-প্রেমিক.

ওকে দেখেছিলাম.

তুই যে পালিয়েছিস তা তোর মা জেনে গেছে.

তার লোকরা এখন পুরো শহরে.

তা তুই কাকে ভালোবাসলি?

ওর নাম আযাম, বাড়ি টলিচকিতে,

আমাদের কোয়ালিস ড্রাইভার.

ওর কথা বাদ দে, তোর প্রেমিকের কথা বল.

ওই তো সে!

ও তোর প্রেমিক?

- জানো ও আমার জন্য ১৪ বার কেটেছে? - কি?

হাত, আমি ওকে ভালো না বেসে কিভাবে পারি?

গাড়ির ট্যাংকি ভরে নিয়েছি, ম্যাডাম.

মানে শ্রেয়া.

- কিছু কর. - এখন আর কি করব?

আচ্ছা, ভালোকরে শোন,

- আমরা আছি এখানে, এই পথে গেলে পাঞ্জাগুট্টা সার্কেলে পৌঁছব, - তা জানি.

এই পথে গেলে জুবলি হিলস চেক পোষ্টে পৌঁছব,

এখান থেকে বামে গিয়ে সোজা ডানে গেলে,

একটা পাহাড় পরবে যেখানে একটা মন্দির আছে,

তোরা সেই মন্দিরে বিয়ে করবি.

- এটাই হলো প্লান. - পুরা আলুভর্তা মার্কা প্লান.

আযাম, ও যা বলেছে সেই মত কাজ করলে,

তার মা কাঞ্চু, কাঞ্চু কানকাত্তনম তোদের সবাইকে গায়েব করে দেবে.

আমি কি বলছি, তুই ওর সাথে ধরা খেলে,

ওর কিছুই হবেনা,

কিন্তু আযামের ভবিষ্যতে কাটার মত আর কিছুই থাকবে না,

ওর মা ওকে টুকরো টুকরো করে কেটে হালিম বানিয়ে খেয়ে ফেলবে.

আপনি কে?

এ মেয়েটা কে রে?

- আমার বন্ধু ভাই. - আমাদের কাছের বন্ধু.

একে তো দেখছিই.

বন্ধু, বন্ধুর মতই থাকো, বেশি ভাব নেবার দরকার নেই, বুঝলে?

ও কোন ভাব নেবে না কিন্তু তোর কাছে ভাল কোন প্লান থাকলে একটু বল.

আচ্ছা চল...আবে দে না.

প্লান...বা* প্লান.

আমরা এখানে আছি, সোজা গেলে পাঞ্জাগুট্টা সার্কেল ও নাগার্জুন সার্কেলে পৌঁছব,

ব্রিজ পার করলে, এখানে আসবে জুবলি হিলস, পেট্রোল বাঙ্ক পরবে ডান পাশে,

সেখান দিয়ে ডান দিকে সোজা গেলে, এটা পাহাড় পরবে, পাহাড়ে একটা মন্দির আছে,

আর তোরা সেখানে বিয়ে করবি.

আমিও তো একই কথা বললাম.

তুমি নাগার্জুন সার্কেলের কথা বলেছিলে?

সেটা তো পাঞ্জাগুট্টা সার্কেলের পাশেই, না?

চেক পোষ্টের পাশে পেট্রোল বাঙ্কের কথা বলেছিলে তুমি?

- এটা কিন্তু চিটিং হচ্ছে. - তুমি কি বিবাহিত? - না.

বিবাহিত না কিন্তু বিয়ের প্লান করতে আসছ?

- তুমি বিবাহিত? - দুইবার!

তারা তোমার মত আমার কাজে বাঁধা দিয়েছিল, তাই টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলেছি.

- আসো, চলো যাই. - থাম!

এখানে বিয়ে কি তোদের না আমাদের হবে?

তুই এ সাজে এসেছিস কেন?

আমি তোর সবচেয়ে ভালো বন্ধু. ও কনের বন্ধু. তুমি দৌড়াতে পারো?

এভাবে শাড়ি পরেছ কেন, বিয়েতে যাবে কোন?

আমরা কি বিয়েতে যাচ্ছি না?

এটা হলো পালিয়ে বিয়ে,

এতে দৌড়াদৌড়ি থাকবে, আক্রমনস থাকবে, এমনকি কেউ কেটে দুভাগও হয়ে যেতে পারে.

ওরা আমাদের প্লান জানেনা, তাইনা?

এখানের কেউ ওদেরকে বলে দিলে?

- চললাম. - কোথায়?

- প্রস্রাব করতে, যাবি আমার সাথে? - আমার প্যান্ট অনেক আগেই ভিজে গেছে.

কি হয়েছে আবার?

হেই ঐ দিকে তাকাও.

- হ্যালো, কানকাত্তনম মাসি! - তোর ফোনেরই অপেক্ষায় ছিলাম.

তোমার লোকদের এখনও আক্রমন করতে বলছ না কেন, মাসি?

ওরা বেরিয়েছে একটু আগে. ওদের আর ২ মিনিট ম্যানেজ কর.

ওদের জলদি আসতে বলো নয়তো এখানে তাদের হানিমুনও শেষ হয়ে যাবে.

না! আমি তাদের মেরে ফেলব.

যোগাযোগ রেখো, তাদের প্লান তোমাকে জানাতে থাকব.

ও আমার সবচেয়ে ভাল বন্ধু, দয়া করে এটি গুরুত্বের সাথে নিবেন না.

ছিঃ গাধা!

- ওই, তোরা এখানে? - দারুন পাঞ্চুয়ালিটি!

- মার ওকে! - চল পালা!

আযাম, তুই আবারো কেটে যাবি, আমার কথা শোন এবং পালা!

দৌড়া...দৌড়া...দৌড়া...

দৌড়াতে পারিস না, গড়িয়ে গড়িয়ে আসলি কেন? দৌড়া!

- দৌড়া...দৌড়া... - আমাকে পিছনে ফেলে যাচ্ছিস কেন?

দৌড়া...দৌড়া...দৌড়া বন্ধু আমার...

- অন্ধকারে তোমাকে দারুন লাগে. - দারুন, শালা **!

আমাদের থামাচ্ছ কেন তুমি? ওকে সাথে এনেছিস কেন রে?

- এখন কোন ঝগড়া না... - ওরা আমাদের ধরে ফেলবে, জোরে দৌড়া...

ওদিকে যাচ্ছিস কোথায়? এদিকে চল.

- একদম না, তুমি আসো আযাম. - আবে ও...

ওই ওরা এদিকে গেছে, তোরাও যা.

- যা গিয়ে ধরা খা ওদের হাতে. - এটা ওর বুদ্ধি ছিল.

এটা ওকে বল রে গাধা!

হে, আল্লাহ্! তোর কথাই তো সত্য হলো রে.

আমি বলেছি বলেই তো এসব হচ্ছে.

- প্রশ্ন চাই না জীবন? - জীবন! - তাহলে চল.

আমার জীবন এখানেই শেষ হবে.

- জলদি বসে পর. - জলদি করুন, পণ্ডিতমশাই.

মঙ্গলসূত্র কোথায়?

- মঙ্গলসূত্র কোথায় রে? - আমি নিয়ে আসছি, দাঁড়া.

জলদি নিয়ে আয়. তাড়াতাড়ি আসিস.

ওই গাধাগুলা! তোরা এখানে নিচে কি করছিস যেখানে উপরে ওরা বিয়ে করছে?

তুমি এখানে কি করছ, মাসি? চলো, উপরে চলো.

চল সবাই...চল...

- আমি আবার পালাবো! - আযাম, বেঁধে ফেল!

বেঁধে ফেলব.

আমাকে বাঁধো.

- বেঁধে দিচ্ছি. - আমার গলায় বাঁধো.

থাম!

আমাকে বিয়ে সম্পর্কে জানিয়েছিস তুই আবার বিয়েও তুই করাচ্ছিস. -হ্যাঁ.

বিয়ের সম্পর্কে তাদের তুই জানিয়েছিলি?

- কেন? - কিকের জন্য!

শালার কিক!

হ্যাঁ, বিয়ে করতে তোর এখানে আসা লাগে?

নিজের রুমে ভগবানের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে মালা বদল করতে পারতি না?

ভবিষ্যতে কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, তোর বিয়ে হয়েছিল কিভাবে? বলবি অনেক লম্বা কাহিনী!

বিয়েতে ধাওয়া ছিল, লাফঝাপ ছিল, মিসিং ছিল, গুলি করা হয়েছিল,

এভাবে বললে তোরও বলতে কিক লাগবে এবং যে শুনবে তারও.

- বলার মত কোন কাহিনী না থাকলে বিয়ে ফ্লপ হতো. - তুমি কি পাগল?

ধরা পরলে নিজেদের প্রাণও হারাতে পারতাম, সেটা জান?

ধুর প্রাণ! ওটা গেলেও কেই বা পরোয়া করে! এরকম কিক সবসময় পাওয়া যায় না. চুপ করো!

তোমার কিকের জন্য আমাদের জীবন ঝামেলায় ফেলব?

আমি জানিনা তুমি এসব কেন করেছ, ভাই,

মায়ের অনুপস্থিতিতে বিয়ে হবে ভেবে খারাপ লাগছিল,

কিন্তু তুমি তার সামনেই আমাদের বিয়ে দিলে.

এটা আমাকে দারুন কিক দিয়েছে!

সারাজীবন কিক নিয়ে সুখে থাক!

আমি একজন MLA, তুই আমাকে রাস্তায় পাগলা কুত্তার মত দৌড় করিয়েছিস,

আমি তোকে ছাড়ব না, তোকে আমার পায়ের কাছে এনে ক্ষমা চাওয়াবো.

ইন্দ্রাকিলাড়ি পাহাড়ের দুর্গা মায়ের নামে শপথ করে বলছি,

তুই যদি আমার বা আমার লোকদের কোন ক্ষতি করার চেষ্টা করো,

তাহলে কৃষ্ণা নদীতে পানি বইবে না, বইবে তোর রক্ত.

আমি এই ডায়লগ দেব ভেবেছিলে?

এটা ভিজয়ভাড়া না, আর আমি ঐ ক্যারেক্টারও করছি না,

মাসি, আমি এখন যাই বাই.

কে এই পাগলটা? ওর কিকের জন্য আমাদের ঝামেলায় ফেলছে?

ও কি মানুষ?

আপনার এই সন্দেহ এখন হচ্ছে? আমার তো ৩০ বছর আগেই হয়েছিল.

জানতে চাইলে, একটু ওখানে দেখেন!

ছেলে হয়েছে বলে ওর বাবা-মা খুব খুশি হয়েছিল,

প্রায় সব বাচ্চারাই জন্মের পর কাঁদে, কিন্তু ও কাঁদে নাই বা হাসেও নাই,

মৃত ছেলের জন্ম হয়েছে ভেবে...

তারা কখনো ভাবেনি ঘরে একটা রাস্কেল জন্ম নিয়েছে.

বেচারা বাবা-মা ভেবেছিল এটা ভাগ্য ছিল, কিন্তু ও ভেবেছিল এটা হলো কিক.

ও বড় হতে থাকল. ওর কিকও ওর সাথে বড় হতে থাকল.

একদিন আমি সাতার কাটছিলাম,

ওর বাবা ওকেও সাতার শিখাতে নিয়ে আসলো.

আমি সাতার জানতাম কিন্তু ও সাতার জানত না.

نظرات

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left