نخستین 200 خط.
তোমরা তোমাদের বাবার বিয়েতে যেতে পারবে না, ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগছে না।
বাবাকে যাতে বিয়ে না করেন সেটাই বলতে এসেছি আমরা।
ওহ ভালো তো!
তো তোমরা দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে বলতে এসেছো,
তারা যে কাজটা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা যাতে তারা না করে।
প্রাপ্তবয়স্ক দুজন একে অপরকে কাচ এর বেড়াজাল এর মধ্যে দিয়ে চিনে।
শুধু কাচের মধ্যে দিয়েই না। তোমার বাবা আর আমার মধ্যে ভালোবাসা হয়েছে।
গোপন কাগজপত্র চুরি করার মাধ্যমে আপনাদের পরিচয়।
আর আপনাকে ২২ বছরের সাজাও দেয়া হয়েছে।
তাহলে কোন ধরণের লাভ স্টোরি এটা?
বালের স্টোরি এটা!
আমার বাবার থেকে কী চান আপনি?
১১ বছর আছে। আমার আর মাত্র ১১ বছর আছে।
আপনি একজন খুনী যে কিনা নিজের স্বামীকে মেরে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে।
-কী করব আমরা? উদযাপন করব? -আচ্ছা, না, না, না।
তোমাদের উচিত তোমাদের বাবাকে আরও বেশি সম্মান করা।
তার খুশিটাকে যদি উদযাপন করতে না পারো সেটা তোমাদের সমস্যা।
একটা কথা বলব তোমাদের।
ডাক্তারেরাও অনেক চেষ্টা করেছে বিয়ে থামানোর জন্যে,
আর এখন তোমরা দুজন।
কথাটার উপর মনোযোগ দাও।
কাচের মধ্যে দিয়েও ভালোবাসা অনুভব করা যায়।
লোহার কয়েদখানার মধ্যে থেকেও ভালোবাসা অনুভব করা যায়।
আর বাইরের কেউ, কোন জায়গায় থেকে তোমার কথা ভাবছে,
সেটাও অনুভব করা যায়।
বাইরে স্বাধীন হয়ে লাখো মেয়ে ঘুরছে, তবুও তোমার বাবা আমাকে বেছে নিয়েছে।
আর সেটা সত্যিই খুবই সাহসীকতার....
তাই, আমার হৃদয়ের গহীন থেকে, তোমাদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। বিয়ে আমি করবোই।
চল।
আমার হাতে বেশি সময় নেই, সারাক্ষণ বসে মারতে পারব না।
মেয়েটা কোথায়?
ওহ, ঈশ্বর!
দগ্ধ লোহা দিয়ে নিজের পেট পুড়িয়েছি,
টয়লেট এর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে নিজের মুখে সংক্রমণ করিয়েছি,
নিজেরই ট্র্যাকস্যুট নিজে খেয়েছি।
তোমার কি মনে হয় তুমি আমাকে নির্যাতন করতে পারবে?
আমি সত্যটা বলি। আমি কোনো নির্যাতনকারী নই।
আমি...
আমি আসলে...
আমি একজন হিসাবরক্ষক।
কোনো বিষয়ে জানা না থাকলে, সেটা অনলাইনে সার্চ করি।
পারমাণবিক বোমা বানাতে চাও? ইন্টারনেটে আছে।
কাউকে মারার উপায় জানতে চাও? ইন্টারনেটে আছে।
বুঝেছি আমি।
কী করতে চাচ্ছো তুমি? বলো আমাকে।
আমাকে ডিটারজেন্ট খেতে বাধ্য করবে?
আমার পাকস্থলী অনেক আগেই এসব হজম করেছে।
না, তার থেকেও সাধারণ কিছু।
একটা সিরিঞ্জ...আর বাতাস।
এই নে।
মেয়েটা কোথায়?
বেশি সময় নেবো না।
টাকা কোথায়?
পুলিশকে দিয়ে দিয়েছি।
ঠিক।
আমি আসতেছি।
তুমি সবাইকে ধোঁকা দিয়েছ, ফ্যাবিও।
প্রথমে ভেবেছিলাম তুমি আমার বাবাকে সাহায্য করছো,
এখন আমার মনে হচ্ছে তুমি আমার বোনকে সাহায্য করছো।
তোমাদের মধ্যে সুন্দর একটা ভালোবাসার গল্পও তৈরী হয়েছে।
আর এখন...
এখন মনে হচ্ছে এসবকিছু,
টাকার জন্যে, যেটার শোধ আমার হাত দেবে।
দেখ এইদিকে। চেয়ে দেখ।
না!
৪-৩।
আসো।
-মা, তুমি এখানে কী করছো? -সারা।
আমি খুবই খুশী। অবশেষে তুই গর্ভবতী হয়েছিস।
আমার সোনা মেয়ে।
দয়া করে জড়াজড়ি করবেন না।
যখন বিষয়টা জানলাম কতটা খুশী হয়েছি তুই ভাবতেই পারবি না।
খুশিতে পড়ে যাচ্ছিলাম বলে রান্না ঘরেই বসে পড়ি।
তোর জামাই আমাকে কাঁদিয়ে ছাড়লো। সবাই বলে আমি যাতে কান্নাকাটি না করি।
তারা তো বলবেন, কিন্তু সংবাদটা তো অনেক খুশীর, তাই না?
সারায়, তুই কিছু বলছিস না কেন, হুম?
না।
ভয় পাচ্ছিস নাকি?
ওহ, আমার সোনা, কত চালাক!
একটা বাচ্চা'ই কেবল ভালো কিছু নিয়ে আসে, সারায়।
তোর বাবা তোর জন্যে অনেক গর্বিত।
ওহ, আমার সোনা!
তোকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে, সারায়। এর মানে ছেলে হবে।
আমাদের মায়েরা বলে।
জুহান বাচ্চাটার কাপড়চোপড় পড়াতে পারব তাকে,
আমাদের কাছে সবকিছুই আছে।
আরে, সারায়। আমি অনেক অনেক খুশী!
আমার মেয়ে মা হবে।
আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন, দাদীমা। আমি আপনাকে বিরক্ত করতে চাই না।
আমি কার্লোস সানদোভাল, সারায়ার ডাক্তার।
-আপনি ভাবতেও পারবেন না আমি কতটা খুশী হয়েছি। -আন্দাজ করতে পারছি।
সারায়ার স্বাস্থ্যই হচ্ছে আমাদের প্রধান চিন্তার বিষয়, আমি নিজে ভালোভাবে ওর যত্ন নেবো।
-ধন্যবাদ। -অবশ্যই।
মাকা, আমার একটা উপকার করো।
আমার মধ্যে বাতাশ ভরে দিও না। আমি মাছ অর্ডার করেছি,
রাতে খাবো বলে, গ্যাস এর কারণে আমি সেটা কেনছেল করতে পারি না।
না, চিন্তা করো না। বাতাশ সোজা ক্যারোটিডে যাবে।
-মানে ধমনীতে যাবে। -এরকম করো না।
-কী হবে জানতে চাও? -দেখাও আমাকে।
বামবি, ফোনটা আনো।
কাম অন।
উচ্চস্বরে পড়ো।
যাতে সবাই শুনতে পারি। প্লিজ।
আগে নিশ্চিত করো যে, ১৫ সেকেন্ডের শক্তি যাতে তোমার মাথায় না যায়।
আমি পড়তে চাই না।
বামবি, পড়ো।
"ধমনী ছিদ্র করে এর মধ্যে বাতাশ ঢুকালে,
"বুদবুদ এর সৃষ্টি করে যেটা সংবহনতন্ত্রের মধ্যে দিয়ে চলে যায়"
"৫০ cc থেকে শুরু আয়তন
বৃদ্ধি পেয়ে পেয়ে প্রধান স্নায়ুতন্ত্রের,
সব সংবহনতন্ত্র বন্ধ করে দিতে পারে।
"যার ফলে স্ট্রোক,
"অথবা হার্টে গিয়ে হার্ট এটাকসহ,
মরণঘাতী হতে পারে।
বাতাশের পরিমাণ বাড়ার মতো এটার ঝুঁকির মাত্রাও বহুগুণ বেড়ে যায়।
ধুর! অনেক কষ্টের!
বাচ্চাকাচ্চাদের মারাটাই তোমাকে মানায়।
নজর রাখো। যাও।
খুব খারাপ, তাই না?
খুবই খারাপ এটা।
এটা রাশিয়ান রুলেটের মতো।
যেটা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধরা পড়ে না, খুবই পরিষ্কার।
তাই...
-কী চাও তুমি? -মেয়েটা কোথায় জানতে চাই।
আর এখান থেকে যেতে চাই।
তাহলে মেরে ফেলো আমাকে।
এইভাবে তোমার সময় নষ্ট হবে।
তুই আসলেই একটা মাগী!
জানিস তো? তুই বেঁচে থাকতে পারতিস।
ওহ, কুত্তির বাচ্চা....
৩য় ডোজ দেয়ার পর আরও খারাপ লাগবে।
৪০ সিসি এর বাতাস গিয়ে তো শিরায় নাচানাচি করবে।
দলবেঁধে তোর হৃৎপিন্ডে প্রবেশ করবে।
বাহুতে খোঁচা খোঁচা অনুভব করলে আমাকে বলবি।
এটাকে এনজিনা বলে।
জুলেমা, আমি তোমাকে আর একবার জিগাবো।
মেয়েটা কোথায়?
শেষ প্রশ্ন। কথা দিচ্ছি আর কিছু জিগাবো না।
এরপর তুমি কোঁকড়া চুল রাখবে?
জানি না রে, টেরে। জানি না।
সেজন্যে আমার সানদোভাল এর অনুমতি লাগবে নয়তো ফার্নেন্দোর মেয়েদের জিজ্ঞেস করতে হবে।
না হলে কোনো লাশকে বা পৃথিবীর মৃত কাউকে।
আচ্ছা, সতর্ক থেকো, যদি না মেশিনটা আবার,
প্রতিবার ঢোকার সময় কবিতার সুরে গুনগুন শব্দ করে।
শব্দ করলে কী করব?
পুরুষ উত্তেজিত হলেও দরকার হলে তাকে থামিয়ে দিবো।
-না। -হ্যাঁ রে, সোনা। আমাকে শ্বাস নিতে হবে।
তোমার তাকে ব্লো জব বা হ্যান্ড জব এ করতে দেয়া উচিত।
নেশাখোর এর রোমান্টিকতা হয়ে গেলো।
-আমি যা বলেছি তাই করব। -নড়ো না।
পরে আবার পান্ডার মতো দেখাবে।
অভিনন্দন, সোলে।
-ধন্যবাদ। -বিয়ের দিনটা কখনো ভুলা যায় না।
সম্ভবত।
ভালো করে আই লাইনার লাগাও। এভাবে না।
নতুন কোনো খবর?
আমরা এখনো অপেক্ষা করছি।
ক্যাসটিলো?
হুম?
হেলিকপ্টার এসেছে।
আমি ভয়ে ছিলাম।
তারা আমাকে কিছুই বলেনি, আর তুমি বারবার এটা নিয়েই আছো।
বামবি, আবারও সে বকবক করছে!
তোর কি বিশ্বাস হয়?
কারণ আমার হয় না।
বল আমাকে টাকা কোথায়?
নাহলে এখন থেকে, মেইল বক্স খোলা ছাড়াই তুই অনবরত মেইল পেতে থাকবি।
না না।
চল খুঁজে বের করি।
এবার ৫০ সিসি দিতে চলেছি।
দেয়া যাক।
তুমি আইনের বিচারকার্যের ব্যাপারগুলো ভালোই বুঝো দেখছি।
একটা বিচারককে বিয়ে করবে সেটা বলতেই পারো।
আমি কোনো লিডিয়া ফিডিয়াকে বিয়ে করছি না, সে আমাকে ছেড়ে গেছে।
একটা বডিকে স্লাইস করে কেটে সেটাকে সুন্দর করে ফ্রিজে রখার মতো,
ভালো আর সে কীইবা করতে পারতো।
হারামজাদা কোথাকার!
এটা তোর আইডিয়া। তুই করেছিস এটা।
-আমাদের থেকে চুরি! -থামো, রোমেন। ধুর!
মাগী!
রক্ত বের হচ্ছে।
নজর রাখ গিয়ে! যা!
শালী খানকি মাগী....
আমার একমাত্র ভাই যাকে হারিয়েছি তার জন্যে এটা।
তোমার কি সত্যিই তাই মনে হয়?
তোমার মনে হয় আমি চুরি করেছি?
ব্রুস উইলিস এর মতো করাতের বন্দুক নিয়ে বাইরে গেলে তোমার কি মনে হয়,
এর পরিণামের মুখোমুখি হতে হবে না?
অপহরণ, গুলাগুলি, চুরি...
তোমার কি সত্যিই মনে হয় আমার এসব করার সামর্থ্য আছে?
মাগী, তুই আমার হার্ট এটাক করিয়েই ছাড়বি।
এটাই তো হবার কথা, কারণ তোকে ৫০ সিসি দিয়েছি।
তুই ভাগ্যের জোরে বাঁচতেছিস।
আর এক ডোজ দেবো নাকি?
থাম, থাম, থাম....
আমার বাবা মা মৃত, আমার বোন জেল এ,
হাতে ধরেছে পচন। ছিলা কুত্তার মতো এই...
মরুযাত্রী দলে বেঁচে আছি।
আর তুই আমার একমাত্র আশাটাকেও চুরি করেছিস।
মেয়েটা কানাডা ডি আভিলার,
No comments yet. Be the first to leave one.