نخستین 200 خط.
ধুর, চোদনা!
বস, একজনের জন্য এতজনের আদৌ দরকার আছে কি?
হয়তো, এতজন-ও যথেষ্ট হবে না।
একটা মানুষ-ই তো, তাই না?
মানুষের ছদ্মবেশে একটা রাক্ষস।
একজন নায়ক!
একইসাথে একজন খলনায়ক-ও বটে।
যারা যুদ্ধ শুরু করে, তাদের ঘৃণা করি।
তাদের-ও ঘৃণা করি, যারা যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যায়।
আমি সেইরকম লোক, যে যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ি,
শত্রুর কলিজা বার করে আনি, চারিদিকে তার রক্ত ছিটিয়ে দিই।
তারপর, রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের পালিয়ে যাওয়া উপভোগ করি।
যখন আমি যুদ্ধের ময়দানে নামি,
কোনো দয়া, ক্ষমা বা সমঝোতার জায়গা নেই সেখানে।
আজকের রাতের জন্য, একবছর ধরে পরিকল্পনা এবং দুই হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি।
আমাদের রাজনৈতিক জীবনের জন্য এই রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ ভারতের সব গ্যাংস্টার এখন গানির পার্টিতে যোগদান করছে।
যে চোদনা সাংবাদিকটা, আমাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানে,
তাকে গানি ধরেছে।
তোরা দুজন সেখানে যা।
আমাদের পরিকল্পনা বানচাল করার সাহস, যারা করছে, তাদের শেষ করে দে।
মুখ্যমন্ত্রীর খামারবাড়িতে আমরা একটা মিটিঙে থাকবো।
ফোন বন্ধ থাকবে।
বুঝেছিস?
যদি গুরুত্বপূর্ন কিছু ঘটে,
- নরসিংহার সাথে যোগাযোগ করিস। - ঠিক আছে।
- সাবধান থাকিস। - ঠিক আছো।
- বস, আটজনের মধ্যে সাতজন নিখোঁজ বিধায়কের লোকেশন বার করতে পেরেছি।
একমাত্র বিধায়ক ভেঙ্কটেশের খোঁজ এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।
তার ভাই আর শালাকে তুলে এনেছি।
নিশ্চিত কর, যেন সাতজন নিখোঁজ বিধায়ক,
সূর্যোদয়ের আগে আমার সামনে উপস্থিত হয়।
ঠিক আছে।
শাসক পার্টির অনেক বিধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে।
তারা বিরোধী দলের সাথে যোগাযোগ রাখছে।
আগামীকালের মধ্যে, মুখ্যমন্ত্রী হরিহর...
বাইরে এসে দেখো, বাবা।
দক্ষিণ ভারতের সব গ্যাংস্টার...
আমার ভাইয়ের জন্মদিন পালন করতে উপস্থিত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী হরিহর রাজাপ্পা সম্ভবত...
পার্টিতে তাদের মদ খাওয়া এবং স্বল্প পোশাকের মেয়েদের...
নির্লজ্জভাবে কোমর দোলানো দেখতে আসতে হবে নাকি?
আমার ছেলের জন্মদিনের পার্টিতে দক্ষিণ ভারতের...
সমস্ত রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীদের আসতে হবে।
তোমার ইচ্ছা পরের বছর সার্থক হবে।
দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন!
আমাকে যেতে দিন, প্লিজ।
আমাকে যেতে দিন, প্লিজ।
আমার কাছে থাকা সব প্রমাণ ত্যাগ করবো।
সব আপনাদের দিয়ে দেবো!
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
এখানে লুকিয়ে আছিস, বোকাচোদা?
তোর দলের সব সদস্যকে শেষ করেছি।
সকালের মধ্যে যদি আমাদের দলের প্রতি তোর সমর্থন না দেখাস...
তোকে কুপিয়ে মেরে ফেলবো।
এই, মুনি, এখনো এখানে?
আমার বাজেয়াপ্ত ট্রাকটা কখন ছাড়বেন?
সকালের মধ্যে যদি মাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছতে না পারি,
আমার লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।
তোমার ট্রাকের ধাক্কায় আহত ব্যক্তি এখন হাসপাতালে আছেন।
ড্রাইভারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
তাকে বলো, অবিলম্বে আত্মসমর্পণ করতে।
অভিযোগ পাচ্ছি, রিচ রোডে কোনো পুলিস পেট্রল নেই।
স্থানীয় এসআই অবিলম্বে লাইনে আসুন। ওভার।
রিপোর্টিং, স্যার। ওভার।
দুই সপ্তাহ আগে, স্কুটার হারানোর রিপোর্ট করেছিলাম।
আমার মেয়ের পক্ষে কাজে যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
দয়া করে খুঁজে বার করুন।
স্যার, এটা খুঁজে বার করতে, এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিতে দেখতে পারেন না?
সিসিটিভি ক্যামেরা?
দেখতে পাচ্ছেন?
- লুরধ। - স্যার?
কতদিন হল, সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো কাজ করছে না?
একমাস আগে সারানোর জন্য রিপোর্ট করেছিলাম। এখনো সারানো হয় নি।
এই হচ্ছে আমাদের থানা।
আপনি হয়তো সবজায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা দেখতে পাবেন। এইটুকুই।
ছয় মাস আগে, দুজন মেয়ে খুন হয়েছিল।
সেই জটিল কেসে, আমরা সবাই ব্যস্ত।
হারানো স্কুটার বা এইধরণের ফালতু কেসে...
মনোযোগ দেবার মত সময় আমাদের নেই।
- স্যার, এই কথা বলবেন না, প্লিজ। - এখন আসুন। পেলে জানাবো।
- তাকে নিয়ে যান। - ঠিক আছে, স্যার।
এই দাস, তাদের প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো কেন?
তাদের যেতে বলো।
- তুমি কী করছো? - স্যার…
তোমার ইন্সপেক্টরকে আনতে যাওয়ার কথা ছিল না?
ট্রেন আসতে দেরী আছে।
আগামীকাল আপনার ফেয়ার ওয়েল পার্টির জন্য থানা সাজাচ্ছি।
- সাজাচ্ছো? - হ্যাঁ।
অবসর নেবার আগে, ইন্সপেক্টর কর্তৃক তিরস্কৃত হই, চাও নাকি?
এইসব স্টোর রুমে রাখো।
- যাও এখন। - ঠিক আছে, স্যার।
- স্যার। - এই, গোবিন্দ আর মীনা।
- স্যার? - তোমরা কী করছো?
ইন্সপেক্টর দায়িত্ব নেবার আগে জায়গাটা পরিষ্কার করছি।
- এই, ওটা আমাকে দাও। - স্যার?
জায়গাটা অত্যাধিক পরিস্কার দেখলে তিনি ক্ষেপে যাবেন।
- জায়গা পরিস্কার থাকা ঠিক নয় কি? - তাকে খুব ভালো করে চিনি।
এই ফাইলটা এখানে কেন?
- স্যার... - ইন্সপেক্টরের কেবিনে রাখো।
ডিএসপি সর্বদা সময়ে টহল দেন।
তোমরা চালিয়ে যাও। আমি আসছি।
- মীনা - স্যার?
- আমার সাথে এসো। - দাস, ফাইলগুলো এখনো এখানে কেন?
এগুলো চেক করে ইন্সপেক্টরের টেবিলে রাখতে পারছো না?
এগুলো ওখানে রাখো।
ইন্সপেক্টরের তো আগামীকাল থেকে দায়ীত্ব নেবার কথা?
আজ এত হাইপ কিসের?
এর আগে দুই বছর, আমি তার সাথে কাজ করেছি।
তার মনোভাব সম্পর্কে অনুমান করা কারোর পক্ষে সম্ভব নয়।
শহরে পৌঁছে, যদি তিনি এখানে সরাসরি আসেন, কি হবে?
তখন তুমি কি করবে?
যে ব্যক্তির আগামীকাল আসার কথা,
নিজের ইচ্ছামত যদি হঠাৎ এখানে আসেন,
তাহলে আমার করার কিছু নেই।
তোমার "স্যার" প্রায়শই বরখাস্ত এবং স্থানান্তরিত হন,
এবং বাড়িতে আনন্দে আরাম করেন, তাই না?
তাকে বোলো, এইসব বন্ধ করে এখন থেকে সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করতে।
তুমি জানো, তিনি বরখাস্ত হয়েছিলেন, কেন জানো কি?
কাজ না করার জন্য তিনি বরখাস্ত হন নি।
প্রতিটা বরখাস্তকরণের পিছনে গল্প আছে।
এবং প্রতিটা গল্পের সাথে তার হত্যার কাহিনী জড়িয়ে আছে।।
এবং যতবারই তিনি হত্যা করেন, ততবারই একেকটা রাক্ষসের মৃত্যু হয়।
দাস, ফালতু কথা বলা বন্ধ করো।
যাওয়া যাক, স্যার।
হারানো ঘড়ি খুঁজে পেয়েছো?
- ওহ, সেটা? - হ্যাঁ।
এখনো খুঁজছি।
- এই... কি হয়েছে? - আমার সাথে আয়।
অর্জুন স্যার!
আপনার সাথে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগলো।
- ধন্যবাদ। - কখনো ভাবিনি, আপনাকে দেখতে পাবো।
আমি আলিয়া, স্যার।
শ্বেতা।
- হ্যালো, স্যার। - হাই, স্যার।
- তোমরা কি সবাই ট্রেনি? - হ্যাঁ, স্যার।
আমরা সবাই মাইসোর ব্যাচ থেকে এসেছি।
আপনার বন্ধু আমাদের ট্রেনিং দিয়েছেন।
- কোন বন্ধু? - ইন্সপেক্টর প্রভাকর।
- ওহ, প্রভাকর। - আপনার সম্পর্কে অনেক কিছু শেয়ার করেছেন।
- ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো! - ধন্যবাদ, স্যার!
- স্যার, একটা সেল্ফি নিতে পারি?
- ঠিক আছে। - এই, আয়!
- ম্যাডাম, আমাদের সাথে যোগ দিন, প্লিজ। - এসো, মা।
প্রস্থুত?
হাসো।
- ডিপার্টমেন্টের গাড়ি এনেছো? - হ্যাঁ, ম্যাডাম।
তোমার বস এখনো ডিউটির জন্য রিপোর্ট করে নি। পুলিশের গাড়ি এনেছো কেন?
রাবণন স্যার পাঠিয়েছেন, ম্যাডাম।
সে আমার ছেলের সাথে আগেও কাজ করেছে।
- বুঝলো না কেন? - ঠিক আছে। আর যেন না হয়।
- ঠিক আছে, স্যার। - বুঝেছো? যাওয়া যাক।
- হ্যাঁ, স্যার। - এইসব নাটক ভালো পারিস।
ভীরা আর মাইকেলের ফোন বন্ধ আছে, বস।
তাদের থামানোর জন্য আমার সমস্ত প্রচেষ্টা তারা উপেক্ষা করেছে।
মনে হয়, তাদের কোনো পরিকল্পনা আছে।
তারা পাগলাটে, বস।
তাদের কাছে আমাদের অনেক ভিডিও আছে।
এমনকি, ওই সাংবাদিকের গলা কাটার ভিডিও তারা রেকর্ড করেছিল।
আমার একটা ধারণা আছে, বস। আমাকে খুঁজতে যেতে দিন।
এই!
লক্ষ্মণ।
তুমি তাদের খোঁজো।
- দাঁড়ান। - ড্রাইভিং লাইসেন্স কোথায়?
স্যার…
- আমাদের মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না, স্যার। - এক মিনিট।
- জগদীশ, স্যার। - টিউশন পড়তে গিয়ে আর ফেরে নি।
মাত্র তেরো বছর বয়স। আমাদের একমাত্র মেয়ে, স্যার।
তার ফটো, স্যার।
ইতিমধ্যেই তার বন্ধুদের এবং আমাদের পরিচিতদের ফোন করেছি।
সে কোথায়, কেউ জানে না।
- আমরা খুবই ভয় পাচ্ছি। - বিশ্বাস রাখুন।
কোথায় থাকেন?
সুভাষনগর, তৃতীয় মোড়, স্যার।
কিন্তু তার টিউশন ক্লাস, এই এলাকায়।
তাই, আমরা এখানে তাকে খুঁজতে এসেছি।
আপনার বাড়ি সুভাষনগর থানার অধীনে পড়ে।
সেখানে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করুন।
- তারা অবশ্যই আপনাদের সাহায্য করবে। - কিন্তু, স্যার...
স্যার, আপনার অভিযোগ আমরা নিতে পারবো না।
তাদের বলবেন, ইন্সপেক্টর জগদীশ আপনাকে পাঠিয়েছেন।
তারা আপনার অভিযোগ নেবে।
- স্যার। - ভয় পাবেন না, ম্যাডাম।
থানায় যান। বিশ্বাস রাখুন।
- রাবনন! স্যার এসেছেন। - হ্যাঁ, স্যার।
স্যার!
- স্যার, আমি জগদীশ। - হ্যালো, ম্যাডাম।
- হাই। - কেমন আছেন?
- মীনা কুমারী এবং গোবিন্দ। - ভালো আছি। তুমি কেমন আছো?
স্যার আগামীকাল ডিউটির জন্য রিপোর্ট করবেন। আর আমি অবসর নিচ্ছি, ম্যাডাম।
শুভকামনা রইলো।
- আমার একটা উপকার করতে পারবেন? - অবশ্যই, ম্যাডাম।
কাউকে পাঠান, যে ওর চুল ও দাড়ি কেটে দেবে।
এখনো তাকে দেখে মনে হচ্ছে না, ডিউটির জন্য রিপোর্ট করতে যাচ্ছে...
মনে হচ্ছে, বরখাস্ত-ই আছে।
- শুভ রাত্রি, স্যার। - শুভ রাত্রি।
এইসব রেকর্ড করছিস কেন, বোকাচোদা?
গালাগালি দিস না, ভীরা।
এইসব ভিডিও একমাত্র কোনো বোকাচোদাই রেকর্ড করতে পারে।
ফালতু বকিস না। বেশি বাড়াবাড়ি করছিস।
No comments yet. Be the first to leave one.