نخستین 66 خط.
অনুবাদে ও সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব।
Malapataka Room Number 4
খাওয়া দাওয়া করেছ?
একটু?
আর একটু খাও।
ঠিকমতো না খেলে অসুস্থ হয়ে যাবে।
কালকে কখন?
ওহ, না।
তাহলে তোমার এখনই ঘুমিয়ে যাওয়া উচিত।
ভয় লাগে না?
ভয় পেলে আমার কথা মনে পরবে।
ঠিক আছে তাহলে।
সুন্দর স্বপ্ন দেখো, মার্শা সোনা।
আচ্ছা।
বায়।
আর কার সাথে ফ্লার্ট করছিস?
আমি মানুষ, গিরগিটি না।
সব মেয়ের সাথেই ফ্লার্ট করিস তুই।
আংগি, টায়সা, ইয়াসমিন।
আর এই মেয়েটা কে?
মার্শা সোনা?
এই।
শুধুমাত্র আমিই ওকে মার্শা সোনা বলে ডাকতে পারি, তুই না।
তোর হাতে শিকার হওয়া পরবর্তী নতুন মেয়ের জন্যে দুঃখ হচ্ছে আমার।
এই দাঁড়া, নতুন মেয়ে মানে?
এফ আর সজীব লিখে ফেসবুকে সার্চ দাও, বুঝিয়ে দেবেন উনি।
উহঃ!
মিস...
পট্টি লাগানোর কিছু আছে?
আছে।
ক্যান এ লেগে কেটে গেছে।
ওহ খোদা!
আসো, আমার সাথে আসো।
সম্প্রতি উঠেছ এখানে?
হাহ, অগোছালোর জন্যে দুঃখিত।
-ঠিক আছে। -গোছানোর জন্যে সময় পাইনি।
ভেতরে আসুন। কিছু মনে না করলে দরজাটা বন্ধ করতে পারবে? মশা ঢুকবে।
তো, আমি বাইরে অপেক্ষা করব?
না, ভেতরে আসো। ওখানে বসো।
দুঃখিত,
আমরা এখনও পরিচিত হইনি।
তোমার নাম কী?
ডালিমা।
রেমন্ড।
কোথায় কেটেছে?
এখানে।
কী নিয়ে পড়ছ?
মনোবিজ্ঞান।
মনোবিজ্ঞান।
তো, তুমি মনের যত্ন নেয়ায় দক্ষ, তাই না?
কী বলছ তুমি?
হয়ে গেছে।
-শেষ? -শেষ।
বিড়াল পছন্দ তোমার?
বিড়াল?
হ্যাঁ, বিড়াল...
ম্যাউ!
-পছন্দ। -পছন্দ!
আমার এক বন্ধু এই ভিডিওটা পাঠিয়েছে আমাকে।
দেখো একবার।
দেখেছ? ডানে, বামে।
কত্ত কিউট!
বেচারা বিড়াল, জোর করে বিড়ালটাকে পোশাক পরাচ্ছে।
তোমার নিজের নাম্বার?
অবশ্যই।
ওয়াও।
No comments yet. Be the first to leave one.