نخستین 200 خط.
এক্সট্রাকশন (২০২০) অনুবাদে সাবটাইটেল হাট
বাংলায় অনুবাদ - নূরুল্লাহ মাশহুর আতিক আরাফাত কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না
Join Our Group Subtitle Hut
একটা মুভি দেখব আর...
আমার বাসায় চল। মুভি দেখব।
- মজা হবে। - চল।
...স্কুলের ভেতর। আর ওকে খুঁজে পেল কে?
- কে? - অমিত স্যার।
ওহ!
অস্থির! জোস!
ওকে গিয়ে বল তুই কে।
- ওকে একটা কফি কিনে দে। - না, আমার কাছে টাকা নেই।
কফির বিল আমি দিয়ে দেবো। আরে, আরে, শোন।
ও তোর দিকে তাকাচ্ছে। ও লজ্জা পাচ্ছে।
ও লজ্জা পাচ্ছে। দোস্ত, ও তোকে পছন্দ করে।
- গিয়ে কথা বল। - না, না, না।
- এটা কিন্তু অভি। - মজার না?
না! না!
কোথায় ছিলি?
বন্ধুদের সাথে।
তোর বাবা স্কুল থেকে সোজা বাসায় আসতে বলেছে না?
হুম?
ওকে।
অস্থির নাইট পাব। আমি আসছি।
হেই।
ওহ!
এই! কী অবস্থা? ওর সাথে কথা বলেছিস?
আহ!
ওর সাথে এখনও কথা বলেছিস?
- না। - ও কথা বলেছে...
আরে, অভি। তোর উচিত ওর সাথে গিয়ে কথা বলা।
ওহ, ও হাসছে।
বুঝেছি তোর কী লাগবে। চল।
নে। এক টান দে, ভালো লাগবে।
- মজা করছ? - ফেল। ফেল।
আহ...
ভেতর থেকে এসেছ? হ্যাঁ?
কিছু ফেলে দিয়েছ মনে হয়?
না!
না?
ভেতর থেকে কিনেছ?
- না, এটা আমাদের না। - আরে, শান্ত হও। রিল্যাক্স।
জানো?
তোমরা বেশ ভাগ্যবান।
পুরো জীবন পড়ে আছে তোমাদের সামনে।
না!
সবাই বের হও।
চলো, চলো। জলদি, জলদি।
শালা তোকে আমি বলেছিলাম না...
সবসময় বাচ্চার পাশে থাকবি...
...তবু কীভাবে আমির আসিফ আমার বাচ্চাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল!
আমরা নেগোশিয়েট করব।
এটা মুক্তিপণের ব্যাপার না, সাজু।
মান-সম্মানের প্রশ্ন।
তুই ঢাকা যাবি।
আর কী করব?
ওকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবি।
তার জন্য পুরো একটা বাহিনী লাগবে, অভি।
তাহলে বাহিনী ভাড়া কর, বাইঞ্চোদ!
তোর কী মনে হয়?
আমি এখানে বসে তোকে মারতে পারব না?
অভি, প্লিজ...
নিজের বাচ্চার পরবর্তী জন্মদিন পালন করতে চাইলে...
যা...
আমার বাচ্চাকে ফিরিয়ে আন।
মহাজনকে বলো টাকা দিয়ে নিজের সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে।
আমাদেরকে এসবের মধ্যে জড়াচ্ছে কেন?
ন্যায়সা...
এত টাকা নেই।
এনসিবি মহাজনের সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে।
ওর একমাত্র ভরসা আমি।
বুঝতে পেরেছ?
জানোয়ার!
একটা লোক আছে যে এসব কাজ করে।
ওর পারিশ্রমিক দেওয়া মহাজনের পক্ষে সম্ভব হবে না।
কিন্তু আমার কাছে একটা আইডিয়া আছে।
তবে বেশ কঠিন হবে।
যা করা দরকার করো।
খোদা! বেশ নীচু।
৩০ মিটার হবে হয়তো।
বেশ নীচু।
- বেশ সুন্দর, যদিও। - উম্ম-হুম।
ও ঠিক আছে?
ভালোই আছে।
তুমি নিশ্চিত? কারণ ওকে দেখে মরার মতো লাগছে।
সবসময় বাজে বকা বন্ধ করো।
- তো? - বলদের মতো শোনায়।
অন্য কোনো বিশেষণ খুঁজে বের করো।
বলেছি না ও ভালো আছে।
- বোতলটা ধরো একটু। - ওহ, ধরলাম।
- ধরতে বলেছি। খেতে না। - বুঝলাম।
খোদা!
কাছে আয়।
হেই।
আরাম করে বসো।
তোমার বাথরুমে মুরগী বসে আছে।
হুম, মুরগী আমার পছন্দের, শুধু যেখানে সেখানে হাগু করার ব্যাপারটা বাদে।
বড় একটা কাজ পেয়েছি।
তাই নাকি?
উদ্ধার অভিযান। ভারতীয় বালক।
ড্রাগ লর্ডের ছেলে।
প্রতিপক্ষ গ্যাংস্টার বাচ্চাটাকে ঢাকায় আটকে রেখেছে।
ঢাকায় তো গ্যাসপার আছে।
গ্যাসপার এসবের বাইরে।
১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। ডেডলাইন, শুক্রবার, দুপুর।
বেঁচে থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে ৬ ঘণ্টা আগে।
হুম, আমি এটা নিচ্ছি।
এই গ্যাংস্টার, আমির আসিফ, ঢাকার বেশ প্রভাবশালী।
ছেলেটাকে তোমার কব্জায় নিলে, ব্যাপারটা জটিল হয়ে যাবে।
কাজ তো সবসময়ই জটিল হয়, তাই না?
এটা ভুল ছিল।
নিক, তুমি এখানে কী করছ?
বাজে বকা বন্ধ করো।
এই কাজ আমি ছাড়া আর কেউ করবে না।
আর তুমি কেন করবে?
আমার টাকা দরকার।
খালি কথায় পেট ভরে না।
তুমি ভাবছ বারবার চেম্বার ঘুরালেই,
বুলেটের দেখা পাবে।
কাল সকালে, ফিটজরয় ক্রসিংয়ে দেখা হবে।
নেশা না কাটলে, এসো না।
নাম কী ওর?
অভি। অভি মহাজন।
ভেবে চিনতে কাজ করো, টাইলার।
এই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। অভি মহাজন, বয়স ১৪।
ওর বাবা, অভি মহাজন সিনিয়র, কারাবন্দী।
তাই, তার লোকেরা ওকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের নিয়োগ করেছে,
আর ওরা আপোষ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
প্রতিপক্ষ কারা?
আমির আসিফ। ঢাকার পাবলো এস্কোবার।
ভারতের সবচেয়ে বড় মাফিয়া ভার্সেস বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মাফিয়া।
পুরনো ঝামেলা মনে হচ্ছে।
দুজনের শত্রুতা বহুদিনের।
এটা আমাদের উদ্ধার পয়েন্ট। হোসে আর থিয়াগো একজন লোক সাথে নিয়ে,
তোমাদেরকে নৌকায় করে নয় মাইল দূরে হেলিকপ্টারের কাছে নিয়ে যাবে।
- কোনো প্রশ্ন? - ওদের কয়জন লোক ওখানে থাকতে পারে?
সম্ভবত ২০ জনের মতো। ওকে, সময় ফুরিয়ে আসছে। কাজে নামা যাক!
রাস্তার পাশের লন্ড্রিটা দেখছ?
ইয়াপ।
ওটার সামনে যাও।
এবার?
ঢাকায় স্বাগতম।
আমরা বসে বাল ছিড়ছি নাকি এখানে? টাকাটা দে আর ফোট বাড়া।
প্রমাণ দাও।
প্রমাণ।
ট্যাকা।
প্রমাণ।
প্রমাণ দাও।
ট্যাকা!
বাচ্চাটা ঠিক আছে কি না দেখাও, আমার লোককে বললেই টাকা দিয়ে দেবে।
বুঝতে পার...
শালা... আয় এদিকে। - এই!
শোনো, তোমরা নিশ্চয়ই পেশাদার, আর ব্যস্তও,
তাই এসব হাঙ্কিপাঙ্কি বাদ দিয়ে কাজের কথায় আসা যাক, ওকে?
ওকে।
হারামজাদা!
চোখের পলকও ফেললো না!
আরে, ভাই, তুই পাগল নাকি?
এটার ভেতর ম্যাগাজিন নেই।
বুম!
যথেষ্ট কথা হয়েছে।
কাজের ব্যাপারে আসা যাক।
না।
বাপজান!
বাবা একটু মুখটা দেখি তো।
কী সুন্দর!
শুভ রাত্রি!
না। না।
এবার তোমার পালা।
ওদের টাকা দিতে বলো।
যদি না দেয়?
এটা নিয়ে...
ওর পাছায় ঢুকিয়ে একদম উড়িয়ে দেবো।
তাড়াতাড়ি!
তাড়াতাড়ি চলো এখান থেকে!
না! না! না! না! না!
শশ!
কে তুমি?
- হাঁটতে পারবে? - হুম।
আচ্ছা। এটা পরে নাও।
না! না, আমির, না! আমির, না!
শুয়োর।
খানকির পোলারা।
কারো কিছু মনে পড়ছে?
হ্যাঁ?
দাঁড়ান!
আমি জানি...
- আমি জানি কেডা নিছে। - কে নিছে?
- সঞ্জীব। - সঞ্জীবটা কে?
মাত্র যারে ফালাইছেন ছাদ থাইকা, সে।
এদিকে আয়।
নাম কী তোর?
ফরহাদ।
ফরহাদ?
বহুত চালু মাল তুই।
দেখ সবাই...
শিখ...
কেমনে বাঁচতে হয়...
কেমনে মাথার ঘিলু কামে লাগাইতে হয়।
No comments yet. Be the first to leave one.