نخستین 200 خط.
ব
বা
বাং
বাংল
বাংলা
বাংলা
বাংলা অ
বাংলা অন
বাংলা অনু
বাংলা অনুব
বাংলা অনুবা
বাংলা অনুবাদ
বাংলা অনুবাদে
বাংলা অনুবাদে:
বাংলা অনুবাদে:
বাংলা অনুবাদে:
বাংলা অনুবাদে: অ
বাংলা অনুবাদে: অন
বাংলা অনুবাদে: অনন
বাংলা অনুবাদে: অনন্
বাংলা অনুবাদে: অনন্য
বাংলা অনুবাদে: অনন্য
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দ
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দে
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেব
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবন
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনা
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ (
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( S
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( Sh
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( Sh.
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( Sh.A
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( Sh.AD
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( Sh.ADN
বাংলা অনুবাদে: অনন্য দেবনাথ ( Sh.ADN )
তোর ভাইয়ের ভিসা নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে।
আসতে পারবে কি না, সেটাও নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।
আর যদি আসেও, সম্ভবত আবার ফিরে যেতে পারবে না।
কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।
তোর বিয়েটা ঠিক হলে ও অবশ্যই আসতো।
মা! এই এক কথা বারবার বলা বন্ধ করো তো।
এভাবে বলতে থাকলে আমি চলে যাবো কিন্তু!
যা, যা। তোকে যাই বলি না কেন, তুই তাতেই দোষ খুঁজিস।
মা, কেন খামোখা তর্ক করে আমার মুডটা খারাপ করছো?
তোমাকে বাসে তুলে দিয়ে আমাকে অফিসে যেতে হবে।
তোর বাবা কত কষ্ট করে, ঋণ নিয়ে টাকা জোগাড় করেছিলো তোকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াবে বলে।
চাইলে কত ভালো চাকরি পেতে পারতি।
কেন এমন একটা ফালতু চাকরি নিয়েছিস?
মা, তুমি যত চেষ্টাই করো, আমার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারবে না।
কেন করবি তুই! তুই তো করবিই না।
আমাদের পাশের বাড়ির মেয়ে, সাথী, তোর চেয়েও ছোট...
তারও গত মাসে বিয়ে হয়ে গেছে...
এখন দেখ, ওয়াশিং মেশিনে গিয়ে কত সুন্দরভাবে থাকছে।
মা!
মা ওটা ওয়াশিং মেশিন নয়, ওয়াশিংটন।
- যাই হোক! - ওয়াশিং মেশিন?
তুই জানিস ও কত সুখে আছে?
তোর বাবা কয়েকদিন আগে ফেসবুকে মেয়েটার ছবি দেখে দুঃখ করছিলো...
বেচারা! অনেক মন খারাপ হয়েছিলো উনার।
তুই বল তো, তোর জন্য আমরা কি করিনি?
কেন আমাদের এমন শাস্তি দিচ্ছিস?
মা... বিয়ে করা, বিদেশে হানিমুন করতে যাওয়া
তারপর ফেসবুকে ফটো দেওয়া...
এগুলো কোনো বড় অর্জন নয়! আহামরি কোনো বিষয় নয় এটা।
এই বয়সে তোমাদের ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপ চালানো মানায়?
হ্যাঁ, আমাদের কথা যদি একটু ভাবতি,
তাহলে এতদিনে নাতি-নাতনীর মুখ দেখার সৌভাগ্য হতো।
বাহ্!
সেই সৌভাগ্য আর কোথায় আমাদের?
সব কথা গিয়ে ঘুরে ফিরে ওই এক যায়গাতে এসে আঁটকায়, বিয়ে বিয়ে বিয়ে।
- ভাইয়া, আপনার বিয়ে হয়ে গেছে? - না, ম্যাডাম। আমি ব্যাচেলর।
- আমাকে দেখুন তো, পছন্দ হয় কি না? - ম্যাডাম...এসব কি বলছেন?
সামনে কোনো মন্দিরের সামনে দাঁড়ান, আমরা বিয়ে করে ফেলবো।
তাহলে উনার একটু শান্তি হবে।
চুপ কর, রচু! তুমি চালাও।
চিন্তা করবেন না, ম্যাডাম...
আমি উনাকে বিয়ে করবো না।
সাইদাবাদ পুলিশ ষ্টেশনে আমার একজন মহিলা কনস্টেবলের সাথে পরিচয় আছে।
আপনার মেয়ের চেয়ে অনেক ভালো সে।
শোন, রচু...
আমি তোর ভালোর জন্যই বলছি...
এসব সাংবাদিকের চাকরি ছেড়ে কোনো সফটওয়্যার কোম্পানির চাকরী ধর।
তুই ওই বিয়ের ঘটক, গনেশ কে তো চিনিস?
সে প্রবাসী গ্রীণ কার্ডওয়ালা একটা ভালো ছেলের খোঁজ জানে...
আমি এই অটো ড্রাইভারের নামে শপথ করে বলছি...
তুমি যদি আরেকবার এই বিয়ের কথা বলো,
আমি এই অটো থেকে লাফ দিয়ে নেমে চলে যাবো কিন্তু।
হ্যাঁ, অবশ্যই, পালিয়ে যা। ...তোকে কে বাঁধা দিচ্ছে?
একবার বিয়েটা করে ফেল, তারপর যেখানে খুশি তোর যেতে পারিস।
মা, তোমার মোবাইলে টাকা রিচার্জ করা লাগবে?
লাগবে না। টাকা আছে।
হেই! তুই কথা ঘোরাচ্ছিস কেন?
তুমি তো ননস্টপ বাস চালিয়েই যাচ্ছো...
বাস স্টেশনে গিয়ে টয়লেট ব্যবহার করো।
আমি কি বলছি আর তুই কি বলছিস?
বাবাকে বলো যাতে কফিতে চিনি কম খায়...
তোমাকে দেখার মতো উনি একজনই তো আছেন।
তুই আছিস কেন তাহলে?
তুই তো বলেছিলি আমাদের সাথে সারাজীবন থাকবি।
এই তো আছি আমি।
কিন্তু যদি বিয়ে করে ফেলি, তখন কি হবে?
রচু... তুই এক্ষুণি বিয়ের কথা বললি?
নিশ্চই গত জন্মে আমি কোনো পুণ্য করেছিলাম।
মা, তুমি সিরিয়াল একটু কম দেখিও।
অনেক অভিনয় শিখেছো তুমি।
ওহ্! বাস চলে গেলো কিনা কেজানে।
মা, খামোখা চিন্তা করো না তো।
দেখো... তোমার মোবাইল রেখে চলে যাচ্ছো।
মা! আমি জানি।
আবার দেখ তো, কিছু ফেলে যাচ্ছি না তো।
আমরা শুধু ২ টা ব্যাগ নিয়ে এসেছি, মা।
- কত হয়েছে, ভাইয়া? - ৭০ টাকা, ম্যাডাম...
- কিন্তু আমাকে ১০০ টাকা দিন। - ১০০ টাকা কেন?
বড় বড় দুইটা ব্যাগ এনেছি...
তাছাড়া এখন আমাকে খালি যেতে হবে।
ব্যাগ কি আপনি মাথায় করে নিয়ে এসেছেন?
আমি শুধু ৩০ টাকা বেশি চেয়েছি, যৌতুক চাইনি।
একটা কষে লাগাবো!
রচু, খামোখা ঝগড়া কেন বাঁধাচ্ছিস?
দেখো,... আমি তোমাকে বিকাশে ৭০ টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি।
- চেক করে নাও। - যান, যান, ম্যাডাম।
এই ৩০ টাকা দিয়ে আপনার মেয়ের কুষ্ঠি চেক করে নিয়েন।
যাও তো!
যান ম্যাডাম...
তোর কি সব ছেলেদের উপর এমন রাগ?
- সবসময় তাদের সাথে ঝগড়া বাঁধাস। - তুমি যাও তো।
হেই... হাই, দিব্যা...
হাই... অফিস ছেড়ে যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে, আর তুমি এখন এসেছো অফিসে?
দুপুরের খাবার বেশি হয়ে গেছে মনে হয়?
লাঞ্চ ছাড়ো, আমি সকাল থেকে কিছুই খাইনি। আমার প্রচুর খিদা লেগেছে।
আমি মাকে বাস স্টেশনে ছেড়ে এসেছি।
অফিসের বার্ষিক অনুষ্ঠান এই শুক্রবার... তুমি আসবে তো?
একদমই না। এসব লাইট, চেঁচামেচি আমার ভালো লাগে না...
- তার চেয়ে বরং বাসায় ভালো সময় কাটানো যাবে। - সত্যি?
ওহ্...
ম্যাডাম, এডিটর ডাকছে আপনাকে। জরুরী দরকার বললো।
হ্যালো...
স্যার, আমি সুন্দর বলছি, সিইও অফিস থেকে...
স্যার আপনার কাজ শেষ হয়ে গেছে।...
আমি ফেরত হিসাবও তুলে রেখেছি।
স্যরি, স্যার! ওটার কথা ভুলে গিয়েছি, স্যার। আমি কাল সকালে করে দিই?
আমি এখন ভেলাচেরি ফ্লাইওভারে আছি।
স্যার... আসলে সেরকম কিছু নয়।
আচ্ছা, স্যার, আমি আসছি।
আজ রাতের মধ্যেই শেষ করে ফেলবো।
আচ্ছা, স্যার।
স্যার, এক মিনিট।
আপনার নামে কুরিয়ার এসেছে।
ওহ্... স্যরি, স্যার।
লিখতে থাকো।
ইয়া! বাবা এসে গেছে!
কার্থি... হেই...
- হাই, ড্যাডি!... - হেই, সোনা...
কার্থি, আজ স্কুলে কি হয়েছে?
আজ আমাদের দৌড় প্রতিযোগিতা হয়েছে।
ওয়াও, দৌড় প্রতিযোগিতা?
তুমি সেকেন্ড হয়েছো, নাকি থার্ড?
আমি ফার্স্ট হয়েছি, বাবা।
তুমি ফার্স্ট হয়েছো? কি পুরষ্কার পেয়েছো?
- আমাকে কোনো পুরষ্কার দেয়নি, বাবা। - তুমি লাস্ট হয়ে আমাকে মিথ্যে বলছো না তো?
হেই... খেতে দাও।
তুমি খেয়েছো?
- না, বাবা। - কেন?
আমি তোমার সাথে খাবো...
আচ্ছা, চলো তাহলে।
কার্থি, শ্লেট রেখে আগে খাবার খাও।
না... না... না...
আমি কার্থির জন্য একটা ভালো ডে কেয়ার খুঁজে পেয়েছি।
আগামী সপ্তাহে ওকে ভর্তি করিয়ে দেবো।
আমি আগে একবার বলিনি?
আমরা তাকে কোনো ডে কেয়ারে দিচ্ছি না।
তোমার সমস্যাটা কোথায়?
আমি আর কতদিন নিজের চাকরি ছেড়ে ওকে নিয়ে ঘরে বসে থাকবো?
আমি রোজগার করছি তো, না কি? তোমার চাকরী করতে হবে না।
কার্থির জন্মের আগে,
আমার নিজের একটা ক্যারিয়ার ছিলো।
আমি এভাবে ঘরে বসে বসে সেটা নষ্ট করতে পারবো না।
দরকার হলে তুমি চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে কার্থির খেয়াল রাখো।
আমি এমনিতে চিন্তায় আছি।
একটু শান্তিতে খেতেও দিবে না?
যদি ক্যারিয়ারই তোমার জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ,
তাহলে বিয়ে করে বাচ্চা কেন নিয়েছো?
হেই, কার্থি... এই দেখো, তোমার বন্ধু।
সে তার মা-বাবার সাথে বেড়াতে গেছে...
ফেসবুকে ফটোও দিয়েছে।
হেই, হাসি বন্ধ কর।
- ঘুমোতে আয়! - বাবা, দেখো!
অখিলা!
অখিলা!
অখিলা, দরজা খোলো!
খুলবে না তো?
সকালে খুলবে না?
তখন তোমাকে দেখে নিচ্ছি, দাঁড়াও।
শুনলাম তোমার ওখানে নাকি ঠান্ডা পড়ছে এখন।
একা একা তো অনেক মাস্তি করছো, তাই না?
- হ্যাঁ, তোমার বয়ফ্রেন্ডদের সাথে মাস্তি করছি। - আমার বয়ফ্রেন্ড?
তাদের সাথে খুব দারুণ সময় কাটাচ্ছি, তোমাকে বলেনি তারা?
সময় ভালো যাচ্ছে তাহলে? আমার তো মনে হয় না।
No comments yet. Be the first to leave one.