Esimesed 200 rida.
তাড়াতাড়ি আসুন।
আমার পেছনে পেছনে আসুন।
ছেলেটা কোথায় গেল?
- দৌড়ে কোনদিকে গেল? - নিনো?
কোথায় তুমি, মিকো?
নিনো?
মিকো?
ঠিক আছে।
ভালো থাকবেন।
- ধন্যবাদ। - শুনুন।
যদি কোনো সমস্যা হয়, এই লাল গোলাপটা অনুসরণ করবেন।
নিজের খেয়াল রেখো, ভাই।
আমি এই পতাকার প্রতি আনুগত্য পোষণ করছি...
অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে।
আমেরিকায় প্রচুর সংখ্যক অভিবাসীর উদয় হয়েছে।
কিছু চক্র মানব পাচারের কাজ করছে।
মেক্সিকানরা ক্রমাগত সহিংসতার কারনে তাদের দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে।
আমেরিকায় সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখছে তারা।
ওদেরকে জিজ্ঞেস করা উচিৎ, এখনো সেই স্বপ্ন বেঁচে আছে কিনা?
আমেরিকা বিভক্ত হয়ে আছে ঘৃণায়...
অর্থনীতি, জাতি, ধর্মে।
জাতি বিদ্বেষ..
সারাদেশ জুড়ে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে।
শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য বাড়ছে...
গুজবের পরিমাণও বাড়ছে।
"NFFA" পুনরায় শাসন ক্ষমতায় এসেছে।
নতুন জাতির জনক...
ক্ষমতায় আরোহণের পরপরই পার্জকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।
পার্জই কি সকল সমস্যার সমাধান?
ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে...
এবং, গরীবরা আরো পিছিয়ে পড়ছে।
মিডিয়া কি ক্রমাগত...
বিভেদকে উস্কে দিচ্ছে?
পুরো দেশ গরম কড়াইয়ের মতো উত্তেজনায় ফুটছে।
ঘৃণার কুন্ডুলি তার সীমানা ছাড়াচ্ছে।
পার্জ কি পারবে এই বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে?
শীঘ্রই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে...
যখন আবারো বার্ষিক রক্তস্নাত সেই রাত আমাদের মাঝে আসবে।
এইতো, আমি এসেছি!
ওখানে শান্ত হয়ে দাঁড়াও!
হেই, স্কুয়ারেল? বোন, কেমন করছি?
আরেকটু ভালো করতে হবে।
নিচু হ!
তোমার ভাই সবসময় কেন নিজেকে উপযুক্ত প্রমাণ করতে চায়?
এই, শান্ত থাক! আমি তোর পাশে আছি!
এমনটা আশা করোনি, না?
এই ত্যাঁদড়কে কে শান্ত করবে তা আমি জানি।
হেই।
আমার দিকে তাকা!
ট্রাংকুইলা!
কী হলো?
তাকা আমার দিকে?
ভয় পাস না!
ভয় পাস না!
এই, এই...শান্ত হ!
আমার চোখের দিকে তাকা!
এইতো!
এই হলো কাউবয়।
এবার কাজে ফেরো সবাই। চলো!
চলো!
সবাই নিজেদের কাজে ফিরে যাও।
রোজা।
জ্বি।
কী অবস্থা?
আছি মোটামুটি।
মনে রেখো, ২.২ পাউন্ডে কিন্তু এক কেজি হয়।
ওকে?
যে কোনো প্রয়োজনে আমাকে ডাকবে।
- ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
- ড্যারিউস। - ওর কী অবস্থা?
বোঝেনই তো, এই দেশে ওর ২য় সপ্তাহ চলছে।
মেয়েটা এখনো ভয় পাচ্ছে।
ওর ভাগ্য ভালো যে পাশে তোমাকে পেয়েছে।
তাতো বটেই, আপনারও ভাগ্য ভালো যে আমি এখানে আছি।
সে আর বলতে হবে না।
পার্জ মোটেও ভেতরের রাগকে প্রশমিত করে না।
এটা উল্টো রাগ বাড়ায়। এটা একটা ভাইরাস।
এটা আমেরিকা সৃষ্ট এক ভাইরাস যা ঘৃণা আর ক্রোধ ছড়ায়!
এই ভাইরাসটা ছড়ায় বুলেটের মাধ্যমে!
এটা মুহূর্তেই ছড়িয়ে যাচ্ছে, বিস্তার লাভ করছে, নিজেকে অভিযোজিত করছে!
টিভিটা অফ করে দাও, অ্যাডেলা, প্লিজ!
পার্জের সময়টা ঘনিয়ে আসছে।
এই বাড়িটা...
তোমার মায়ের বাড়িটার কথা আমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
ড্যারিউসকে রান্নার দায়িত্ব দিলে একদম আসল ম্যাক্সিকান খাবার বানিয়ে দিতে পারবে।
এই বিস্বাদ খাবার খেতে হবে না তখন।
হুয়ান, ভুলে গেছ আমরা কোথায় আছি?
তোমার ইংরেজিতে কথা বলার প্র্যাকটিস করা উচিৎ।
রোমে যদি থাকতাম এখন?
এখন তুমি আমেরিকায় আছো।
অন্তত, আমার জন্য হলেও ইংরেজিতে কথা বলো।
প্লিজ।
অই টাকার ফ্যামিলি সত্যিই খুশি হবে এটা দেখে, বিশ্বাস করো!
তোমার স্ত্রী তো এখন গর্ভবতী!
যদি কোনো অতিরিক্ত সাহায্য লাগে, আমার এখানে চলে আসো।
আমরা সবাই একসাথে রাতটা পার করব।
অই বালের পার্জটা ঘেন্না করি আমি।
অই রাতে আসলে বাহিরে থাকতে মন চায় না।
- তবুও, ধন্যবাদ নিমন্ত্রণের জন্য। - ব্যাপার না।
সোনা, খুব সুন্দর একটা গন্ধ বেরিয়েছে।
কিচেনে যাচ্ছি, কিছু লাগবে তোমার?
আরেকটা বিয়ার চলবে?
- হ্যাঁ, একদম দৌড়াবে! - আরেকটা বিয়ার আনো।
- থ্যাংক ইউ। - থ্যাংক ইউ, সোনা।
জানি না কেন যেন গত কয়েকদিন বেশ সাফসুতরো করে রাখতে ইচ্ছে করছে সবকিছু।
আমার সামনে যা কিছু থাকবে, একদম নিপাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে।
এমনকি যেটা ভালো লাগে না সেটাও।
জানো, অ্যানা আমাদের জন্য রান্না করছে?
ম্যাক্সিকান সুস্বাদু খাবার, ঠিক বলেছি?
ওর রান্না ভালো, খেয়ে মোটা হয়ে যাবে।
- পাঁচ পাউন্ড বাজী ধরলাম। - না, তুমি তা করছ না।
জানো...
অ্যানার একটা বোন আছে।
সেও আয়ার কাজ করে।
- তোমাদের মেয়েটার সাথে দেখা করা উচিৎ। - না, আমাদের আয়া লাগবে না।
কী বললে, সোনা?
আমাদের ওর বোনের সাথে দেখা করার দরকার নেই।
আমরা ঠিক আছি।
ধন্যবাদ তোমাকে।
সোনা, অ্যামিলি তো শুধু আমাদেরকে সাহায্য করতে চাচ্ছে, তাই না?
তুমি একটুখানি কর্কশ আচরণ করছ।
তাই?
ক্ষমা করে দিও, অ্যামিলি।
আরে, সমস্যা নেই।
এখন আসলে কেউ কাউকে সাহায্য করতে চায় না।
- অ্যানার বোনটা আসলেই বেশ ভালো। - হুম।
অ্যানার বোনের সাথে দেখা করার দরকার দেখছি না, অ্যামিলি।
আমার বাচ্চাদের বাসায় স্প্যানিশ ভাষায়...
কথা বলার অনুমতি দেব কিনা সেটাও বলতে পারছি না।
তবে, তোমার অফারের জন্য থ্যাংক্স। আসলেই থ্যাংক্স জানাচ্ছি তোমাকে।
ঠিক আছে, বাদ দাও টপিকটা।
এটা আপনার ইংরেজি শেখার এপ্স।
লেসন ১২: পাস্ট টেন্সের বাক্যসমূহ।
- পাস্ট টেন্সের বাক্যসমূহ। - কে ভেবেছিল যে...
আমি টেক্সাসে থাকব?
কে ভেবেছিল, কে ভেবেছিল...
যে আমি টেক্সাসে থাকব... টেক্সাস?
কে ভেবেছিল যে আমি টেক্সাসে থাকব?
কে ভেবেছিল যে আমি টেক্সাসে থাকব?
কে...কে ভেবেছিল যে...
আমি টেক্সাসে থাকব?
টেক্সাসে আমি বন্ধুদের সাথে দেখা করেছিলাম।
আমার সাথে সাথে বলুন।
টেক্সাসে আমি বন্ধুদের সাথে দেখা করেছিলাম।
হেই, হুয়ান।
কার্ক বললো, আজ নাকি সকালে দেরী করে এসেছ।
আমি কখনোই দেরী করি না, স্যার।
কখনোই দেরী করো না?
কার্ক, হুয়ান বলছে, তুমি নাকি মিথ্যা বলেছ আমাকে।
হুয়ান স্বাধীন একজন মানুষ। সে যা খুশি তাই বলতে পারে।
হুয়ান, আবারও যদি সকালে দেরী করে আসো...
তোমাকে কিন্তু নিয়ম অনুসারে বহিষ্কার করব।
আচ্ছা, স্যার।
জানো, অন্যরা আমাকে কী বলেছে?
তোমার ল্যাসোর দড়ি নাকি আস্তাবলের মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছে।
কথাটা কি সত্য?
জ্বি না, স্যার।
আমাকে রাগানোর চেষ্টা করে লাভ নেই।
টিটি, তোমার পার্জ প্রোটেকশন বোনাস।
- ধন্যবাদ, মি. টাকার। - নিরাপদে থেকো।
ধন্যবাদ, স্যার।
কার্ক।
তুমি ভালো করছ, হুয়ান।
গতকাল আমার ছেলের মন মেজাজ খারাপ ছিল।
কিছু মনে করো না।
ধন্যবাদ, স্যার।
আপনার কথা শুনে ভালো লাগলো।
সত্যি করে একটা কথা বলি, মি. টাকার?
বলো।
আপনার ছেলে আমাকে পছন্দ করে না, কারণ...
আমি মেক্সিকান?
আমার ধারণা, ডিলান বিশ্বাস করে...
মেক্সিকোর কাউকে কাউবয়ের দায়িত্ব দেয়া উচিৎ না কিংবা...
সে আর্জেন্টিনার কিংবা যে কোনো জায়গারই হোক।
জানি, অনেক মানুষের মনমানসিকতা এরকম।
তবে, ডিলান এরকম মনমানসিকতা ধারণ করে কিনা শিউর না।
সে বেশ গর্বিত একটা ছেলে। তুমি গতকাল ওকে পেছনে ফেলেছ।
তুমি বেশ ভালো একজন কাউবয়, হুয়ান।
ঠিক জানি না, স্যার।
বেশ...
আমিও সেভাবে জানি না।
আমি শুধু...
ওকে সবসময় একজন গর্বিত আমেরিকান হওয়ার শিক্ষা দিয়েছি।
কিন্তু, হয়তো এর মানেটা ওকে বোঝাতে পারিনি।
গর্বিত আমেরিকানের সংজ্ঞাটা আসলে কী সেটাও...
এখন আর জানি না।
আমাদের চেনা দুনিয়াটা বদলে যাচ্ছে।
কেউ কারো ভালো চায় না।
সময়টা বেশ বিভ্রান্তিকর।
আচ্ছা, নাও...
পার্জ প্রোটেকশন বোনাস।
নিরাপদে থেকো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
এই টাকা আমাদেরকে জিন্দা রাখার জন্য...
যাতে, পরবর্তীতেও তারা আমাদের গোলাম বানিয়ে রাখতে পারে।
আমরা এর বেশিকিছু নই।
টাকাটা দিয়ে কী করব ভালো করেই জানি যদিও...
এবং এটা ঘরে ঘাপটি মেরে বসে থাকার জন্য না।
পাগল একটা।
আর, মাত্র এক ঘন্টা বাকি রয়েছে...
No comments yet. Be the first to leave one.