Esimesed 200 rida.
সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী...
আমেরিকান সৈন্যবাহিনী এবং জাপানিজ ইম্পেরিয়াল বাহিনীর দাবী অনুযায়ী...
টোকিওতে এখনও পেনিনসুলা প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিবন্ধকতা জারি রেখেছে।
তবে, সকল প্রতিরোধ জাপানিজ সেনাবাহিনীর মুহূর্মুহ আক্রমণে শেষ পর্যন্ত লন্ডভন্ড হয়ে যাবে।
যাই হোক, ওয়াশিংটনের প্রদত্ত সরকারী বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী...
আমেরিকান এবং ফিলিপাইনের সম্মিলিত কামান হামলা তাদের...
শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে জাপানিজ এবং তাদের ট্যাংকের চেয়ে।
জাপানিজ পক্ষের সশস্ত্র ইউনিট, পদাতিক সৈন্যবাহিনী ইতোমধ্যেই অভূতপূর্ব ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
ম্যানিলায় জাপানের সদর সপ্তরে...
সেইসব লোকাল বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ফরমান জারি করা হয়েছে...
যারা জাপানিজ প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে মরণপণ সংগ্রাম করে চলেছে।
১৯৪২, উত্তর লুজন, ফিলিপাইন।
ভালোয় ভালোয় আমার সাথে চল!
তোকে আর আমার কাছে রাখব না!
তাড়াতাড়ি পা চালা!
জোরাজুরি করবি না!
একদম মেরে ফেলব কিন্তু! চল বলছি আমার সাথে!
না! আমি যাবো না!
তোকে যেতেই হবে নয়তো একদম খুন করে ফেলব!
বেরং, এক মুহূর্তের জন্য থামো না?
আমি ফিরে আসার পর তোমার পাওনা টাকা দিয়ে দেব।
তাহলে তো ভালোই হয়!
যাক বাবা, অবশেষে মনে হয় কিছু পয়সাকড়ি পেলে। পরে দরকার লাগলে নিও ধার, সমস্যা নেই।
ফালতু কথা বলো না।
বেরং!
রাগ না করলে একটা কথা বলি?
ফালতু কথা বললে অবশ্যই রাগ করব।
চায়াগো কেমন বদ সেটা মোটামুটি সবাই জানে!
মিলিং!
আসি।
চায়াগো আবার নতুন শিকার পেতে যাচ্ছে!
শালার কপাল একটা বলতে হবে!
রিপোর্ট অনুযায়ী, লুজনে মুহূর্মূহ আক্রমণের কারণে...
অবকাঠামো এবং জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
সুবিক উপসাগরে জাপানিজদের জাহাজে একটি দুঃসাহসী হামলা হয়েছে।
বাবা!
দয়া করে ওখানে আমাকে নিয়ে যেয়ো না!
আংটিটার দাম তো যা দিয়েছ তার তিনগুণ বেশি!
যদি একটু বাড়িয়ে দিতে, চায়াগো?
যদি আমার নির্ধারণ করা দাম পছন্দ না হয়...
তাহলে তোমার এই ভাঙ্গাচোরা স্বর্ণের টুকরাটা নিয়ে যাও।
আমার দাদীমা এই আংটিটা আমার মাকে দিয়েছিলেন।
লোভী শকুন কোথাকার!
তুই মরেও শান্তি পাবি না কখনো!
এই কুত্তার বাচ্চার গোলামি করার চেয়ে মরে যাস না কেন?
এই বুড়ি মহিলাগুলো কিছু হলেই যাকে তাকে অভিশাপ দেয়।
সেজন্যই দিনশেষে এদের কপালে ভালো কিছু জোটে না।
ঠিকই বলেছ, চায়াগো।
তারা যে পুরুষ মানুষের অবজ্ঞার...
জন্য যথোপযুক্ত সেটা তাদেরকে পদে পদে...
বুঝিয়ে দেওয়া উচিৎ।
বাবা!
সেলিনা কিশোরী মেয়ে।
শরীরে কোনো দাগ নেই।
শুঁকলে আতপ চালের মিষ্টি গন্ধ পাবে।
ওর ত্বক বেশ মসৃণ...
দেহের ভাঁজে ভাঁজে যৌবন তার আগমণধ্বনি জানান দিচ্ছে।
তোমার বয়স কত?
তোমাকে তোমার বয়স জিজ্ঞেস করেছি!
এখন থেকে তোমার মালিক আমি।
যখন কোনো প্রশ্ন করব, ভয় এবং শ্রদ্ধার সাথে উত্তর দেবে।
আমি যা বলব তা-ই করবে।
আমি তোমার রক্তের সম্পর্কের কেউ নই, তোমার কোনো বন্ধু নই আমি।
তুমি এখন থেকে আমার সম্পত্তি।
তোমার বয়স কত?
আমার বয়স ১৭ বছর, স্যার।
তোমার জামা খুলো।
সব খুলো!
জবুথবু হয়ে থেকো না, আমি তোমার দেহ'টা দেখতে চাই!
দুধ দু'টো ঢাকবে না বলে দিচ্ছি।
নিজের গায়ে জল ঢালো!
আমি তোমাকে ভেজা দেহে দেখতে চাই!
স্তনে সাবান মাখো!
পুরো স্তনে সাবান মাখো, স্তনের বোঁটাও যেন বাদ না যায়!
তোমার নাভিতে সাবান মাখো!
এবার তোমার ভোদায় আলতো করে সাবান মাখো!
এবার ঊরুতে সাবান মাখো, তারপর পায়ে সাবান মাখবে!
আমি জিভ দিয়ে যা যা চাটবো, সবকিছু যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে!
তুমি নাকি এখনো কুমারী!
তোমার পিচ্ছিল দু'টো দুধের মাঝ দিয়ে যখন আমার...
ধোনটা যাবে সেটার অনুভূতি কেমন বলতে পারো?
আমি নিশ্চিত যখন আমার বাড়াটা তোমার ভোদায় ঢুকবে...
ব্যাথায় রীতিমত কাঁতরে উঠবে তুমি!
সেটাই আমাকে উত্তেজিত করে তুলবে!
কুমারী মেয়েদের দেহের স্বাদই আলাদা!
শরীরে আরো জল ঢালো!
আরো ঢালো!
আরো জল ঢালো!
চায়াগোর ভাগ্যটা ভালোই বলতে হবে।
একে তো গ্রামের মহাজন...
তার উপর অঢেল স্বর্ণ আর টাকার মালিক সে!
তারপরও তার উচিৎ সতর্ক থাকা।
হতে পারে বিত্তের প্রভাবে সে অন্ধ হয়ে আছে।
তুমি আবার এত সিরিয়াস হচ্ছো কেন?
নাও, যতখুশি গলায় ঢালো!
পুরুষ জাতটা একটা হারামির জাত!
আর কতক্ষণ আমাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখবে?
আমাকে জোর করতে বাধ্য করো না!
রেগে গেলে কিন্তু কপালে তোমার খারাবি আছে!
দয়া করুন!
তুমি বাধা দিলেও কোনো লাভ নেই।
ভালোয় ভালোয় আমার কাছে চলে আসো!
আসো বলছি!
আমি না বলেছি কাছে আসতে!
সেলিনাকে বড় করতে আমার অনেক খরচা হয়েছে।
খরচা করবে না? সে তোমার সন্তান!
তো? ওর কাছ থেকে বিনিময়ে কিছু না পেলে এত কষ্টের কোনো মানে আছে?
এভাবে মেয়েটার সর্বনাশ করতে পারলে!
মিলিং, চুপ করো!
বেরং, তোমার কথা আমি বুঝতে পেরেছি।
তুমি দেনায় ডুবে আছো।
অই মাদারচোতের সব পাওনা আমি মিটিয়ে দিয়েছি!
নিজের রক্তের সন্তানের বিনিময়ে পাওনা মিটিয়েছ!
তোমাকে না বলেছি চুপ করতে?
কেন পুরুষ মানুষদের কথার মাঝখানে বাম হাত ঢোকাচ্ছ?
নিজের বন্ধ্যা বউকে কবে থেকে কথা বলার অনুমতি দিয়েছ তুমি?
গোসলের পর তোমাকে বেশ সজীব লাগছে!
হ্যাঁ!
চোষো, চোষো!
চোষো!
এবার তোমার স্তনের বোঁটা চুষব!
তোমার শরীর থেকে মিষ্টি একটা গন্ধ বেরুচ্ছে! সেদ্ধ ভাত বেশ লাগবে খেতে!
তোমার ভোদায় কি আমার শক্ত বাড়া'টা টের পাচ্ছো?
কেমন লাগছে আমার বাড়ার ছোবল?
আমার বাড়াটা বেশ বড়, না? উত্তর দাও!
জোরে জোরে বলো!
জোরে জোরে বলো! আমার বাড়াটা কি বেশ বড়?
আপনার বাড়াটা বেশ বড়!
আরো জোরে!
তোতলাবি না!
আপনার বাড়াটা বেশ বড়!
কেমন লাগছে তোমার?
ব্যাথা লাগছে!
প্লিজ, আর না!
ব্যাথা করছে খুব!
একটু পরে দেখবে এই ব্যাথা পেতেই তোমার বেশ ভালো লাগবে!
দয়া করুন! আমি আর পারছি না!
আমার বাড়াটাকে আগে খুশি করো!
তুমি সত্যিই অপূর্ব!
এতোটা পাষাণ হবেন না!
বল আরো জোরে ঠাপাতে!
জোরে!
আরো জোরে!
ডমেং, দুধ আন।
ডমেং?
তাড়াতাড়ি দুধ নিয়ে আয়, শুয়োরের বাচ্চা!
কান পেতে সব শুনছিলি, না?
মেয়েটা পালিয়েছে?
আমি উনার দৌড়ানোর শব্দ শুনেছি।
এখন কী হবে?
ফিরে আসবে।
শেষে সবাই ফিরে আসে।
আরেক বার।
কারাবোওয়ের গরুর দুধ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো।
প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে আর ঘুম ভাঙার পরে এক গ্লাস দুধ খাবি।
বাবা, বাবা!
বাবা!
আমাকে উনার কাছ থেকে নিয়ে যাও, বাবা!
বাবা!
বাবা, সে কোনো মানুষ না! সে একটা পিশাচ!
সে একটা জানোয়ার!
বাবা!
তুই কেন এসেছিস এখানে?
কেন এসেছিস?
কেন আমার ঘুম ভাঙালি?
বাবা!
তুমি যা বলবে আমি তাই করব!
যে কোনো কিছু করব!
শুধু অই জানোয়ারটার কাছ থেকে আমাকে নিয়ে যাও!
বাবা!
উনার সাথে আমি থাকতে পারবো না! সে একটা পশু!
দয়া করো, বাবা!
আমাকে বাঁচাও!
তুই এখন থেকে উনার সম্পত্তি।
বাবা!
এখন থেকে উনিই তোর মালিক!
- আমাকে বাঁচাও! - সে-ই এখন থেকে তোর পরিবার!
সেই এখন থেকে তোর পরিবার!
চলে যা!
তোমাকে মিনতি করছি!
বাবা, বাবা!
বাবা!
আমার জন্য অপেক্ষা করছিলে?
সে তোমাকে দত্তক নিয়েছে নাকি তুমি তার দাস?
এখানে কীভাবে আসলে তুমি?
গর্ধব।
কেন সময়মতো মুরগীর বাচ্চাগুলোকে খাঁচায় ভরলি না?
আমাকে মাফ করে দিন!
গবেটের বাচ্চা!
ইঁদুরের দল বাচ্চাগুলোকে খুবলে খেয়েছে!
আমাকে মাফ করে দিন! আর এরকম হবে না!
ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়েছে কেন?
তোর কাজ কি আমি করব?
সেলিনা?
কাছে আসো।
আরো একটু কাছে আসো।
আরো কাছে।
আরো!
আরো কাছে!
সুস্বাদু!
No comments yet. Be the first to leave one.