Esimesed 200 rida.
✪ মুভিঃ কুবো এন্ড দ্য টু স্ট্রিংস ✪ ✪ দেশঃ আমেরিকা ✪ ✪ মুভির ভাষাঃ ইংরেজী ✪ ✪ সাবটাইটেল বাংলা অনুবাদঃ শহীদ কবির ✪
যদি আপনি চোখের পলক ফেলতে চান, এক্ষুনি সেটা করে নিন।
এর পরে আপনি যা দেখবেন এবং শুনবেন তার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন,
সেটা অস্বাভাবিক মনে হলেও কিছুই আসে যায় না।
এবং দয়া করে সাবধান থাকবেন:
যদি আপনি উসখুস করেন, যদি আপনি অন্যদিকে তাকান,
আমি যা বলছি তার কোনো অংশ যদি ভুলে যান,
এমনকি সেটা এক মূহুর্তের জন্য হলেও,
তাহলে আমাদের হিরো নিশ্চিত ধ্বংস হয়ে যাবে।
তাঁর নাম কুবো।
তাঁর নানা কিছু একটা তাঁর কাছ থেকে চুরি করেছে।
এবং সেটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস।
আউউ!
তারপর, হ্যালো, কুবো!
আজকের দিনটা কেমন গেলো?
ভিড় তো একদম খারাপ ছিলো না।
আমি দুটো পেনি আর একটা উলের বল পেয়েছি।
এটা বেশ ভালো মানের উলের সুতো।
তো আজকে কী করবি বলে পরিকল্পনা করলি?
ওহ্, বোঝোই তো, যেমনটা করে থাকি।
- দানব? - অবশ্যই।
তোর কি ধারনা তুই মুখ দিয়ে আগুন বের করা মুরগার মতো কাজ করতে পারবি?
ফের মুরগার কথা?
মুরগার ব্যাপারটা বেশ মজা লাগে।
সামান্য কৌতুক অনেক সময় বড় কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
তারা তোর দিকে টাকা ছুড়ে দেয় কিনা, আমি শুধু এটা বুঝতে চাই।
আহ্। নাকি তারা তোর দিকে অন্য কিছু ছুড়ে দেয়, আমি জানি না।
ঠিক আছে, আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করবো।
আর তুই কি আজ পুরো গল্প শেষ করার চিন্তা করেছিস, খোকাবাবু?
যদি আপনি চোখের পলক ফেলতে চান, এক্ষুনি সেটা করে নিন।
ইইয়ে!
এর পরে আপনি যা দেখবেন এবং শুনবেন তার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন,
সেটা অস্বাভাবিক মনে হলেও কিছুই আসে যায় না।
এবং দয়া করে সাবধান থাকবেন: যদি আপনি উসখুস করেন, যদি আপনি অন্যদিকে তাকান,
আমি যা বলছি তার কোনো অংশ যদি ভুলে যান,
এমনকি সেটা এক মূহুর্তের জন্য হলেও, তাহলে আমাদের হিরো নিশ্চিত ধ্বংস হয়ে যাবে।
হানযো ছিলো একজন শক্তিশালি সামুরাই, কিন্তু সে একা হয়ে গিয়েছিলো।
তাকে তাঁর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিলো, তাঁর রাজত্ব বিলিন হয়ে গিয়েছিলো,
এবং তার সৈন্য বাহিনীকে ভয়ংকর চন্দ্র রাজা ধ্বংস করে দিয়েছিলো।
আপনাকে স্মরণ রাখতে হবে, হানযোর অনেক দূরবর্তী ভূমি পর্যন্ত বিচরন ছিলো
সেটা তাঁর যাদুকরী বর্ম অনুসন্ধানের কাজে।
পুরো পৃথিবীতে শুধু এই একটা অস্ত্র
যা কিনা চন্দ্র রাজার অশুভ শক্তি থেকে তাঁকে রক্ষা করতে পারে।
এই অস্ত্র তিন অংশে বিভক্ত করে বানানো।
- প্রথম অংশ... - ওওহ্! আমি জানি, আমি জানি!
অবিনাশী তলোয়ার!
দ্বিতীয় অংশ...
বক্ষাবরণের...
- দূভেদ্তা। - দুর্ভেদ্যতা।
দূ-র-ভে-দ্য-তা!
হ্যাঁ!
এবং শেষ অংশ, তৃতীয় অস্ত্র, বর্মের সর্বশেষ অংশ হচ্ছে...
আমি সেটার নাম জানি। আমাকে বলতে দাও!
অভেদ্য শিরস্ত্রাণ !
অতীতে একবার হানযো বর্ম অধিকারে নেয়ার পর
সবগুলো অংশ ঐক্যবদ্ধ ভাবে তাঁদের আসল শক্তি প্রদর্শন করে,
সে চন্দ্র রাজার দানবদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলো।
ওহ্, খাইছে রে!
মুরগার দফারফা কর! টুকরো টুকরো করে ফ্যাল!
ওরে, খোদা!
হানযো ক্রোধে পরিপূর্ণ ছিলো।
তাঁর কাছ থেকে পরিবার ছিনিয়ে নেবার কারণে তাঁর আত্মা বিষাদ যন্ত্রণা ভোগ করছিলো।
অবশেষে, আমাদের হিরো সমস্ত শক্তি নিয়ে মুখোমুখি হলো তাঁর প্রতিদ্বন্ধী, চন্দ্র রাজার!
তাহলে কাল আবার নিশ্চিত দেখা হচ্ছে!
কী বলে? ওহ্, বাকিটুক বলে যা!
মানুষ সমাপ্তি পছন্দ করে!
তুই কোথায় যাচ্ছিস?
না, তুই যাবি না...যেতে দেবো না তোকে!
কুবো।
- কুবো। - হ্যাঁ, মামনি।
কাছেই আছি।
ক্ষুধা লেগেছে?
যদিও সে চাইলেই অনেক কিছু
করে ফেলতে পারতো, সেই সক্ষমতা তাঁর ছিলো,
কিন্তু হানযো এবং তাঁর সেনাবাহিনী ছিলো অনুগত সামুরাই
তারা বুদ্ধিবলে সবকিছু জয় করতে চেয়েছে।
এবং হঠাৎ একদিন, যেভাবে দ্রুত তান্ডব শুরু হলো,
সেই ঝড় তাঁর সামনে থেকে সব পরিস্কার করে দিলো।
এরপর হানযো যখন তাঁর বাড়িতে ফিরে গেলো, সে একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললো।
তাঁর দূর্গে?
- বীটল ক্লান ক্যাসেল! - হ্যাঁ।
অনেক দূরের বিস্তৃন জায়গার কিনারায় তার অবস্থান,
চন্দ্র রাজার শক্তিশালি যাদু থেকে লুকানো।
তারপর কী হলো? যখন সে দূর্গে পৌছালো?
তখন দূর্গে কে পৌছালো?
হানযো! আমার বাবা!
হানযো... হানযো কি দূর্গে ছিলো?
সে...
আমাকে একটু সময় দে। আমি...
না।
সব ভুলে গেছি। কিচ্ছু মনে করতে পারছি না...
আমি দুঃখিত, কুবো।
আমি হয়তো ভিন্ন কোনো গল্প মনে করতে পারবো।
মামনি, বাবা দেখতে কেমন ছিলো?
ওহ্।
এটা একদম সহজ ব্যাপার।
হানযো একজন শক্তিমান বীর ছিলো, যে কিনা তলোয়ার ও ধনুক বিদ্যায় দক্ষ ছিলো
এটা না। সে আসলে দেখতে কেমন ছিলো?
যখন সে আমাদের সাথে থাকতো, তখন সেতো লড়াই করতো না।
সে ঠিক তোর মতো দেখতে ছিলো।
- আমার মতো? - হ্যাঁ।
শক্তিশালি এবং বুদ্ধিমান আর অনেক মজার,
আর, ওহ্, তোর মতোই সুদর্শন।
- ধুরো! মামনি! - ছাড় তো!
কখনো ভুলিস না সে তোকে কতোটা ভালোবাসতো, কুবো।
সে আমাদের রক্ষা করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে।
- সেটা চন্দ্র রাজা করিয়েছে... - আহ্।
তোর নানা।
নানার নির্দেশে আর তোমার বোন কি সত্যি সত্যি বাবাকে খুন করেছে?
এটা সত্যি হতে পারে না, তাই না?
তারা আমাদের পরিবারের মানুষ।
না, তারা আসলে দানব!
তোর নানা আর আমার বোন মিলে তোর চোখ চুরি করে নিয়েছে, কুবো।
তারা যেনো আর কক্ষনো তোকে খুঁজে না পায়। কক্ষনো না!
তোকে অবশ্যই সবসময় রাতের অন্ধকার থেকে লুকিয়ে থাকতে হবে,
নয়তো তারা তোর খোঁজ পেয়ে যাবে, আর আমার কাছ থেকে তোকে ছিনিয়ে নেবে।
আমাকে কথা দে অমন কিছু কখনো হতে দিবি না।
কথা দে, কুবো!
মন খারাপ করিস না, কুবো.
কুবো?
মনে আছে তোর অবশ্য কর্তব্যের কথা, কুবো?
মনে আছে?
সবসময় তোমাকে আমার সাথে রাখবো, মিঃ মাঙ্কি।
আর?
আর বাবার পোষাক সবসময়ের জন্য আমি পরে থাকবো।
হ্যাঁ, কুবো।
এবং এখনে আরো একটা ব্যাপার আছে।
ভূলেও কখনো, বাইরে অন্ধকারের ভিতরে যাবি না।
ঠিক আছে?
মনে থাকবে?
- হ্যাঁ, মিঃ মাঙ্কি। - লক্ষী সোনা।
ঘুমানোর সময় হলো।
মামনি, ওঠো। তুমি স্বপ্ন দেখছো।
না। কুবো।
কুবো, এটা কি তুই?
হ্যাঁ, মামনি। আমি তোমার কাছে।
কুবো, তোর চোখে কী হয়েছে?
কাগজ বালক!
এদিকে আয়! এদিকে আয়!
আয় তো। জলদি আয়।
আমার পাশে এসে বস। আমাদের জন্য এখানে সৌভাগ্য অপেক্ষা করছে।
তুই কী ভাবছিস?
আমি বড় দিন উদযাপনের সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।
মমম।
উৎসব পালন করতে আমার দারুন লাগে।
এখনি উদযাপনের সঠিক সময়।
সত্যি বলতে, এটা খুব লজ্জার বিষয় তুই কখনো সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকতে চাস না।
এখানে রাতে আতশবাজি পোড়ানো হয় সাথে ধুমধারাক্কা নাঁচ-গান হয়
আর সেই সাথে অবশ্যই বিশাল খানাপিনার আয়োজন থাকে।
কিন্তু সব থেকে ভালো অংশ হচ্ছে...
তুই কি ঐ বাতি আর বেদী গুলো দেখতে পাচ্ছিস?
আমরা ওগুলোর সাহায্যে অন্য ভূবনে থাকা আমাদের প্রিয়জনের সাথে কথা বলি।
আমরা তাঁদের জগতের গল্প শুনি,
এবং তাঁদের আবার নিরাপদে পবিত্র ভূমিতে ফিরে যাবার নির্দেশনা দেই।
সত্যি? তোমার কারো সাথে কথা হয়েছে?
হ্যাঁ, আমি আমার স্বামীর সাথে কথা বলেছি।
তাঁর কন্ঠস্বর ছিলো স্পষ্ট এবং জোরালো
ঠিক যেমন করে তুই একদিন সবাইকে গল্প শোনালি।
বিগত ৭২ বছরে, সে সাত চড়ে রাও করেনি।
এখন সে আরেক জগতে চলে যাওয়ার পর, আমি আর তাঁর মুখ বন্ধ রাখতে পারি না।
তোর কি কারো সাথে কথা বলার ইচ্ছা আছে, হাহ্?
অনেক ইচ্ছা আছে।
ভালো কথা, কে তোকে ঠেকাচ্ছে?
আমার কোনো বাতি লাগবে না?
হুম, আমি বাজি ধরে বলতে পারি তুই চমৎকার করে একটা প্যাকেট বানিয়ে
দারুন ভাবে সম্মান জানাতে পারবি।
কী দেখিস, এটা অতো সুন্দর মুখ না, তাই না?
এখন, একটু জলদি কর।
জলদি যা! এখনো অন্ধকার নামার বেশ দেরী আছে।
যা! এখান থেকে চলে যা জলদি।
বেদির উপরে বাতি রেখে দাও।
খুব সুন্দর।
এরপর আমরা কী করবো, আব্বু?
এখন আমরা প্রার্থনা করবো।
আমরা আলো দিয়ে তাঁর আত্মার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি।
দাদীমা, আপনি আমাদের সম্মান গ্রহন করুন...
আস্তে।
নরম স্বরে, নরম স্বরে।
হ্যালো, বাবা। আশা করি তুমি ভালো আছো।
মানে, আমি জানি তুমি মারা গেছো। কিন্তু আমি আশাবাদি সবকিছু ঠিক আছে।
দেখো, এটা তোমার পোশাক।
মামনি বলেছে আমি এটা পরলে তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যাবো।
মামনি বলেছে তুমি একজন অসাধারন নেতা যে আমাকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রান দিয়েছে।
তোমার সৌজন্যে আমার একটা চোখ বেঁচে গেছে।
দুটো থাকলেই বেশি ভালো হতো, যাই হোক তবুও ধন্যবাদ।
বাবা, আমি মামনি-কে নিয়ে চিন্তিত।
প্রতিটা দিন চলে যাওয়ার সাথে সাথে, সে যেনো অচেনা হয়ে আরো দূরে সরে যাচ্ছে।
সে তোমার কথা অনেক আলোচনা করে, কিন্তু...
কিন্তু আমি একদম নিশ্চিত নই।
আমি মনে করি না বাস্তব ঘটনা আদৌ সে কিছু মনে করতে পারে।
বাস্তব ঘটনা যে কী আমি আদৌ কিছু জানি না।
আমি শুধু চাই তুমি এখানে আসো,
তাহলে আমি তোমার সাথে কথা বলতে পারি, দেখতে পারি,
জানতে পারি আমার কি করা উচিৎ।
আব্বু, আব্বু, সে এখানে! দাদীমা এখানে চলে এসেছে!
এখন এটার চূড়ান্ত অংশ পালনের সময়।
আমরা তাঁকে আত্মিক জগতে ফিরে যেতে সাহায্য করবো।
কিন্তু সেতো মাত্রই এখানে এলো।
আহা চলো না।
বাবা? হ্যালো?
No comments yet. Be the first to leave one.