Esimesed 200 rida.
Hacksaw Ridge - হ্যাকস' রিজ অনুবাদেঃ সাবটাইটেল হাট
প্রাথমিক অনুবাদকঃ মামুন আবদুল্লাহ সম্পাদনাঃ তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান
শুনতে পাও নি কি তুমি?
অবিনশ্বর ঈশ্বরের বানী, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা যিনি...
তাঁকে ক্লান্তি ও তন্দ্রা স্পর্শ করে না,
কেউ তাঁর জ্ঞানের সীমা জানে না।
দুস্থজনে তিনি দেন বল, আর তা বাড়ান বহুগুণে
তরুণরাও হতে পারে ক্লান্ত, শ্রান্ত, তারাও হতে পারে পরাজিত
কিন্তু যারা ঈশ্বরের নিকট আশ্রয় নেয়, তিনি তাঁদের সাহস জোগান।
তাঁরা ডানা মেলা ঈগলের মত উড়ে।
বাতাসের মত ছোটে।
কখনো ক্লান্ত হয় না।
তাঁরা অকুতোভয়ে অন্ধকারে পথ হাঁটে।
ডেসমন্ড।
জেগে থাকো।
জেগে থাকো, ডেসমন্ড
তোমাকে এখান থেকে আমরা নিয়ে যাবো!
ডেসমন্ড।
ডেসমন্ড।
কী?
থাম!
এখানে আয়!
একটু দাঁড়া, কানে কানে একটা কথা বলবো।
কী কথা, হাল?
- চূড়ায় কে আগে যায়! - এই! বাটপার!
জোরে দৌড়া!
ওই।
সাহায্য লাগবে?
একাই পারবো।
বাঁচালাম তোকে!
- ছাড় বলছি! - তুই ছাড়!
খোদা রহম করো!
ওই, ওখান থেকে নাম বদমাশের দল!
পড়ে গিয়ে হাত-পা ভাঙবি তো!
ডসের ছেলে দুটো, বাপের মতই পাগল একেকটা!
জ্যাকসন এন্ড মেইন সড়কের পাশে রাস্তা খুঁড়ছে, ফুটপাথ বানাবে
তোরা এখন দেখলে চিনতে পারতি না
তোদেরও কেউ চিনতো কিনা, সন্দেহ
আমি এখানে, আমাকেই চেনে না
যেন আমি তোদের সাথেই মরে গেছি
যেন আমরা কোনদিন ছিলামই না।
তোদের জন্য আজ এটুকুই, বন্ধু।
ডান হাতে ঘুষি ঠেকা, ডেসমন্ড।
থামো!
শুনতে পাচ্ছো না?
ওরা কুস্তি করছে কেন?
- করার জন্য কারণ লাগে নাকি? - টম তুমিও!
থামাতে হলে দুটোকেই মারতে হবে, তারচেয়ে বরং যে জিতবে তাকে ধরে ঠেঙ্গাবো।
টম।
না।
হায় আল্লাহ
টম!
টম, শুনতে পাচ্ছিস?
কী করলি এটা তুই?
ও শুনতে পাচ্ছে না।
বরফ লাগাতে হবে!
টেবিলটা খালি করো।
করছি।
শ্বাস নিচ্ছে?
হাল?
হাল, কথা বল?
হাল, কথা বল?
হাল?
ওঠ!
চোখের মণি স্থির।
হাল?
কী করেছিস জানিস?
তোকে এখন মারবো আমি, নিয়ম তো জানিসই
বুঝলি, ডেসমন্ড?
ডেসমন্ড!
টম...থামো।
এভাবে মারলে কী শিখবে ছেলে?
এখনই সে অনেক হিংস্র
আচ্ছা যাও, তাকে কোলে তুলে নাও
তাকে বুঝ দাও, দুনিয়াটা মখমলের বিছানা
হাল সেরে উঠবে।
এই।
আরেকটু হলে মরে যেত।
হ্যাঁ, দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো!
হত্যা মহা পাপ।
কোন মানুষের প্রাণ নেয়া ঈশ্বরের কাছে জঘন্য অপরাধ।
আর কোন পাপে তিনি এত কষ্ট পান না।
তোমাকে বলতে হবে নাকি?
সর ডাইনী, নাহলে কিলিয়ে বাপের নাম ভুলাবো!
কী হচ্ছে রে বাপ! বার্থা ঠিক আছ?
নিজের চরকায় তেল দে!
ঘুমিয়ে যা, টম।
আমি তাকে ঘৃণা করি!
মা।
বাবা আমাদের এত ঘৃণা করে কেন?
আমাদের ঘৃণা করে না।
সে নিজেকেই ঘৃণা করে।
কখনো কখনো।
আজকে যেমন দেখলি, আসলে এমন সে ছিল না
যদি তোরা যুদ্ধের আগে ওকে দেখতিস, বুঝতি
কেমন হলো, ডেসমন্ড?
ঠিক যেন একদল স্বর্গের উর্বশী, মা।
মিথ্যা বলা মহা পাপ, বিশেষ করে গির্জায়।
আসলে, আমি ওদের গানের কথা বলিনি!
কী হলো ওখানে, ডেসমন্ড?
ধরো, ধরো....বের করো ওকে
টেনে বের করো, এটা ধরে টানো।
আমি অ্যাম্বুলেন্স ডাকছি।
না, সময় নেই। জশুয়ার পিক-আপ নাও
- জলদি - আচ্ছা।
তুমি ঠিক হয়ে যাবে। ভয় পেওনা।
কিছু হবে না তোমার।
দেখি কী হয়েছে।
- ধমনী ছিঁড়ে গেছে, সেলাই করতে হবে। - জি, স্যার।
চাপ দিয়ে ধরো ওটার উপর
বাঁধনটা তোমার দেয়া?
জি, স্যার।
দারুণ একটা কাজ করেছ, ছেলেটারই জীবনই বাঁচিয়েছ তুমি।
চিন্তা করবে না। তুমি ভালো হয়ে যাবে।
- নাম কি তোমার, বাবা? - গিলবার্ট।
- সার্জারি করাবেন? - হ্যাঁ।
চিন্তা করবে না। তুমি ভালো হয়ে যাবে।
ব্যথা হচ্ছে?
একটু একটু!
সেনাদের পরীক্ষা ঐ দিকে। এখানে রক্ত নেয়া হয়।
আপনার লাগেনি তো?
ও না, আমার রক্ত না।
আমি একদম ঠিক।
জিজ্ঞাসা করার জন্য ধন্যবাদ, ম্যাম!
আপনার কী লাগবে?
আমার বেল্ট।
যে ছেলেটার এক্সিডেন্ট হলো, তাকে বেল্ট দিয়েছি।
বেল্ট ছাড়া প্যান্ট আমার কোমরে থাকে না।
বেল্টটা আমার কাছে নেই।
আমি জানি ম্যাম। বেল্টটা ঐ ছেলেটার কাছে।
আচ্ছা।
আমার কাজ তো শুধুই রক্ত নেয়া।
আমিও দিবো।
আচ্ছা। ওখানে গিয়ে অন্যদের সাথে অপেক্ষা করুন, আমি ডাক দেবো
ওই রুম।
এর আগে কখনো রক্ত দিয়েছেন, মি...?
ডস।
বন্ধুরা আমাকে ডেসমন্ড ডাকে, না, ম্যাম রক্ত প্রথমবার দিচ্ছি।
আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চেয়েছি কিন্তু...
বেশি পড়তে পারি নি।
রক্ত দেওয়া শেষে মাথা ঘুরতে পারে।
আপনাকে কেউ নিতে আসবে?
না ম্যাম, আমি হেঁটে যাবো।
আপনি থাকেন কোথায়?
ফোর্ট হিলে, ম্যাম।
বেশ দূর।
পাঁচ-ছয় মাইল, তবে আমি বনের পথ ধরে যাবো। সাত মাইল রাস্তা।
- তাহলে আপনি বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়ান। - জি ম্যাম, বেড়াই।
আচ্ছা। এখানে একটু চেপে ধরুন।
খারাপ লাগছে?
বাই।
ফুলবাবু সেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছে শুনি?
কালকে একজনের সাথে দেখা হয়েছে।
হাসপাতালের নার্স। নাম ডরোথি শ্যুট, আমি ওকেই বিয়ে করবো।
আল্লাহ! মেয়েটা জানে কি?
এখনো না, কিন্তু বলবো।
জীবনে কোনদিন মেয়েদের সাথে কথা বলেছিস? মানে, পরিবারের বাইরে?
মেয়েটার সঙ্গে বলেছি!
তাহলে, এ খুশিতে একটু কোলাকুলি করে নেই
- হাল! - এদিক আয়
গায়ে হাত দিবি না, শয়তান!
দোয়া করো, মা।
শুভকামনা
পরের জন।
বসে পড়ুন।
এর আগে রক্ত দিয়েছেন?
জি ম্যাম, দিয়েছি।
বেল্ট-ওয়ালা দেখি!
ডেসমন্ড, জি ম্যাম।
বেশ, ডেসমন্ড, আমরা তো রোজ তোমার রক্ত নিতে পারবো না।
ভালো তো। তাহলে আমারটা ফেরত দিন?
- কি ফেরত দিবো? - আমার রক্ত, ফিরিয়ে দিন।
রক্ত ফেরত দেওয়ার কোন নিয়ম নেই।
দিতে তো হবেই! যেদিন থেকে ঐ সূচ ফোটালেন, আমার হৃদয়ের মাঝে ঝড় উঠেছে
আর তোমার কথা মনে পড়লে, বুকের ভিতর কালবৈশাখী উঠে
এমন কথা আগে কখনো শুনিনি। খুবই চটকদার
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
তাহলে তো লজ্জার কথা! সারারাতই এটা চর্চা করেছি। ভালো হয়নি?
আমি তা বলিনি।
আচ্ছা, ধমনী আর শিরার মাঝে তফাতটা কী?
কী বলছো?
ছেলেটার ধমনী ছিঁড়েছিল।
ধমনিতে রক্ত ফিনকি দিয়ে বেরোয়।
আর শিরা?
রক্ত ঝড়ে।
তোমার মেয়ে-পটানো কথাবার্তায়, আরেকটু পাকা হতে হবে
আসলেই করা উচিত।
জানতে চাইলে, একটা বই দিতে পারি তোমায়।
ডেটিং এর?
রক্তের।
আরো কোন ডাক্তারি প্রশ্ন আছে?
না, শুধু বলতে চাই আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি তুমি!
কারণ আমি অন্ধকারে বসে আছি।
না।
তুমি সুন্দর।
রাস্তা থেকে সর!
দেখে পথ চলো!
স্যরি... ভাবিনি তুমি মাইন্ড করবে।
তুমি বলো নি তো।
ভেবেছিলাম তোমার ভালো লাগবে।
No comments yet. Be the first to leave one.