Esimesed 200 rida.
--- অনুবাদে --- সজিব খান (এন্টিমু) নিয়ামুল হক আবেগ
ফ্র্যাঙ্ক! ওটা কী ছিলো?
জানি না!
পালাও!
চাক! চাক!
না! না!
কেউ আমায় সাহায্য করো!
এখানে নীচে কিছু একটা আছে!
আমাকে বের করো! বের করো আমায়! সাহায্য করো!
সাহায্য করো!
চল!
চলরে বাপ!
দানবটা অদৃশ্য হয়ে আছে। "আই" ব্যবহার করো। "আই= আই অফ আগামটো।"
এটা তাহলে মাংসাশী।
কোনোভাবেই পালাতে দেয়া যাবে না।
সহমত।
লড়াইয়ের অংশ আমি জাদুর বলয়ে ঢেকে দিচ্ছি।
এটা আবার কী?
লুসি ওর পা'য়ে!
এর আগে কোনো দানব "স্যাঙ্কটামের" এত কাছে আসতে পারেনি।
মর্ডো, এটা কি তোমার কাছে চিন্তার বিষয় না?
দানবটা মারা গেছে।
বাকিসব তোমার উপর ছেড়ে দিচ্ছি।
কী হলো?
সে আমাদের দেখে ফেলেছে?
হ্যাঁ।
তোমার জাদুর বলয় থাকা স্বত্বেও?
তাইতো মনে হচ্ছে।
ডক্টর স্ট্রেঞ্জ, দাঁড়ান!
ডক্টর!
ড. স্ট্রেঞ্জ!
উস্তাদ, এখানে বড্ড শোরগোল তৈরি হয়ে গেছে।
মনে হয় আমার আপনার ফোনের ব্যাটারিটা দেখা দরকার।
কারণ আমি আপনাকে অনেকবার....
সে-যাইহোক, যাস্ট অল্পকিছু রোগীর ফাইল দেখা বাকি!
বড়জোর ৫ মিনিট লাগবে।
আমি স্রেফ রাউন্ডে এসেছি, কোরি।
মিস ল্যাটান্সি, অ্যাকিউট অ্যাফাসিয়া,
মাইগ্রেনের সমস্যা, ফেসিয়াল-নার্ভ প্যারালাইসিস
শহরতলীর থার্ড স্ট্রিট ক্লিনিক থেকে রেফার করেছে।
ইন্স্যুরেন্স আছে?
আসলে, তাদের স্বাস্থ্যবিমা মোটামুটি পর্যায়ে আছে, কিন্তু..
- অর্থনৈতিক অবস্থা? - পরিমিত।
আচ্ছা, কমই, তবে..
কোরি, তুমি কেসগুলো নেয়ার আগে যাচাই করোনি, তাই না?
করেছি, কিন্তু...
কি মনে হয়, কোনো মেডিকেল জার্নাল মিস ল্যাটান্সির কেসে আগ্রহ দেখাবে?
- না, কিন্তু.. - তাহলে আমিও নাই।
ভালোবাসার চাকরি, তাই না?
হ্যাঁ, মনের মতো।
স্টিফেন, ভালোই হলো।
বাহিরে কোরিকে ওভাবে দেখেই বুঝে গেছিলাম, তুমি চলে এসেছ।
ওলিভার!
হঠাৎ কী মনে করে এদিকে আসা!
আসেন, বসেন।
কাজ-কর্ম কেমন চলছে?
কাজের চাপে ভর্তা হয়ে গেছি।
আমি কোনো সাহায্য করতে পারি?
সত্যি না-কি?
আলবৎ।
আচ্ছা, তুমি তো জানোই,
এখানকার এডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে আমার কাজ হচ্ছে,
হাসপাতালকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা।
কাজটা আরও সহজ হতো যদি, আমার সিনিয়র স্টাফদের ক'জন
একে অপরকে বাঁশ দেয়ার চেষ্টা না করত।
আর?
মানুষ তোমার গলা টিপে ধরতে চায়, স্টিফেন।
ড. অ্যাটওয়াটার তাদের একজন।
সে আমার সাথে আবারও দেখা করতে এসেছিলো।
ঐ মেয়ের তো সমস্যা লেগেই থাকে।
হ্যাঁ, মানলাম।
আর সব সমস্যা তোমাকে ঘিরেই।
দেখ, আমি জানি তোমাদের মাঝে অতীতের রঙ্গকাহিনী আছে...
ওলিভার, এর সাথে এসবের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঠিক আছে।
কিন্তু কনসাল্টের জন্য সে তোমাকে কোমা ওয়ার্ডে ডাকে, আর তুমি দৃষ্টিগোচর করে চলে যাও,
তারপর সে আমার সাথে হুড়োহুড়ি করে, আর আমি তোমার সাথে...
দয়া করে এসব ইঁদুর-বিড়ালের নাচ বন্ধ করো, স্টিফেন।
আচ্ছা, আমি কথা দিচ্ছি, তার সাথে দেখা করব।
বেচারি এখনও তোমার অপেক্ষায় আছে।
দারুণ।
আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।
বিখ্যাত ড. স্ট্রেঞ্জ তার সমুচ্চ প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে,
এই গরীবের কোমা ওয়ার্ডে এলো।
এত অবাক হওয়ার কিছু নেই।
আর এই হাসপাতাল আমাকে ছোটখাটো কেস হ্যান্ডেলের জন্য নিযুক্ত করেনি।
আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম, তুমি কতটা রেগে যাও,
যখন তোমার সকালের কফি আর বাথরুমে যাওয়াটা মিস হয়ে যায়।
একটা জিনিস তোমায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেই, জিনা।
চাঞ্চল্যকর রোগীরাই পরিচিতি বয়ে আনে।
আর পরিচিতি এনে দেয় টাকা,
এবং টাকাই সমস্ত সুখের দরজা খুলে দেয়।
আর তোমার আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।
ওহ, স্টিফেন!
কী হয়েছে তোমার?
তুমি কি সত্যিই এসবের পরওয়া করো না?
পরওয়া কোনো বিলাসিতা নয় যে আমি এর পেছনে সময় ব্যয় করব।
আমি শুধু অসাধ্য কেসগুলো হাতে নেই, মনে আছে তো?
হ্যাঁ মনে আছে।
এজন্যই আমার তোমাকে প্রয়োজন।
রোগীর নাম ক্যামিল।
জিনা, তার বয়স ১২ বছর।
হ্যাঁ, আমি জানি তুমি বাচ্চাদের চিকিৎসা করো না,
কিন্তু এই কেসটা একটু ভিন্ন।
মিসেস কারাঞ্জা, ইনি ড. স্ট্রেঞ্জ...
বিশ্বের অন্যতম সেরা নিউরোসার্জনদের একজন,
এবং একজন বিকৃত মস্তিষ্ক নিরাময় বিশেষজ্ঞ।
অজ্ঞান হওয়ার পূর্বে তার পরিস্থিতি কী ছিলো?
দুঃস্বপ্ন দেখতো সে।
খুবই দুঃখজনক ঘটনা, কিন্তু আমি স্বপ্নের ডাক্তার নই।
স্টিফেন, প্লিজ!
জিনা, এটাই সত্য।
তার দরকার মনোবিজ্ঞানী, সার্জন না।
এটা কোনো সাধারণ দুঃস্বপ্ন না।
সমস্যা তার মস্তিষ্কে।
দেখো, এটা ৭ দিন আগে নেয়া হয়েছিল।
একটা এম্বোলিজম!
আর এটা সকালে নেয়া হয়েছে।
ঠিক ধরেছো। এক সাপ্তাহে আরো ৮টা হয়েছে।
এরকম বিরল জিনিস আগে কখনো দেখিনি৷
বেশ, আমার কাছে এমন আরও রোগী আছে।
ভেতরে কিছু একটা হচ্ছে।
ক্যামিল? ক্যামিল..
আমাকে শুনতে পাচ্ছো?
দুঃস্বপ্নটা।
কী! সে কী দেখেছিল ওটা?
কী?
সে তার দুঃস্বপ্নে কী দেখেছিল?
একটা চেহারা।
সে সবসময় একটা জ্বলন্ত চেহারা দেখত।
হয়ে গেছে?
এমন রহস্যময় কোমায় যাওয়া বাচ্চারা কি
ড. স্ট্রেঞ্জের চিকিৎসা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না?
তোমার অহমিকাকে প্রশ্রয় দিতে দিতে হাসপাতাল থেকে আমার মন উঠে গেছে।
এখনই সময় তার প্রতিদান দেয়ার!
না! দয়া করে যাবেন না। আমার বাচ্চাকে রক্ষা করুন।
আমি দুঃখিত।
আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারব না।
- ওহ! - সরি।
লিপস্টিক?
আমার ছোটো বোনটা কবে থেকে লিপ্সটিক লাগাতে শুরু করলো?
ওই, গাধা, এটা দাও আমাকে।
আহ, এসো দেখি, আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই।
যাও এখান থেকে!
এবার মেনে নাও, এখন তোমাকে আগের চেয়ে ভালো দেখাচ্ছে।
তুমি অনেক খারাপ।
যাও আমার সামনে থেকে!
না!
এপ্রিল! তুমি ঠিক আছো?
এপ্রিল!
আজকের তাজা সমাচার,
এই মাসে তৃতীয়বারের মতো শহরে টর্নেডো আঘাত হানতে চলেছে,
চরম হিংস্রভাবে...
আর অপরদিকে,
দুই শহর কর্মীর নিয়তির রহস্য,
এক অব্যক্ত বিস্ফোরণের ন্যায় অমীমাংসিত রয়ে গেছে....
স্টিফেন?
নাও, একটু পানি পান করো।
বাচ্চাগুলো...
কী?
রাস্তায় যারা দাঁড়িয়ে ছিল!
আমি কি তাদের কাউকে মেরে ফেলেছি?
স্টিফেন, ওখানে কোনো বাচ্চা ছিলো না।
প্রত্যক্ষদর্শী বলেছে, তুমি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলে।
না, আমি...
কিন্তু আমি দেখেছিলাম...
তুমি তিনদিন ধরে অজ্ঞান।
তাই একটু বিচলিত হয়ে আছো।
খুশির খবর হচ্ছে, তুমি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবে।
তিন দিন?
হায় ঈশ্বর!
আমি আমার ফাইল দেখতে চাই।
আমার মনে হয়...
দেখাতে বলছি না!
এখনই দেখাও আমাকে।
স্টিফেন, শুনো,
চিকিৎসাশাস্ত্রের এই দুনিয়ায়, কোনোকিছুই অসম্ভব নয়।
তুমি তা ভালো করেই জানো।
রাখো তোমার উপদেশ।
এই হাত দিয়ে দরজা খুলতে পারলেই নিজেকে ভাগ্যবান মনে করব,
শল্যছুরি হাতে নেয়া তো দূরের কথা।
তাও তুমি এখনও একজন ডাক্তার, স্টিভেন।
আর মানুষকে সুস্থ করার জন্য শল্যছুরিকা হাতে নেয়া জরুরি না।
তোমার মনে হয় আমার সাথে যা হয়েছে তা উচিত হয়েছে, তাই না?
স্টিফেন, প্লিজ।
যাও এখান থেকে।
মাফ করবেন।
আপনাকে আবারও দেখে খুশি হলাম, ডক্টর স্ট্রেঞ্জ।
আপনাকে রুমে দিয়ে আসতে কি সাহায্য লাগবে?
না।
এই যে, স্যার।
কোনোকিছু প্রয়োজন হলে আমাকে জানাবেন।
ওলিভার, পরিত্রাণের জন্য কেউ না কেউ তো আছে।
টাকা খাওয়ার জন্য কেউ না কেউ আসবেই, স্টিফেন।
কিন্তু তার মানে এই না, তারা তোমার হাত সুস্থ করার সক্ষমতা রাখে।
আমি সেই সুযোগটাই নিতে চাই।
যত টাকা বা পরীক্ষণ খরচ হওয়ার হোক, তাতে আমি পরওয়া করি না।
আমার স্রেফ কয়েকটা অপশন দরকার।
প্লিজ!
সাহায্য করুন আমায়।
No comments yet. Be the first to leave one.