Las primeras 200 líneas.
হেই।
আমার একটা মার্কার লাগবে।
শুনেছ?
বললাম আমার একটা মার্কার লাগবে।
এখানে সমস্যাটা কী?
- জ্যাক ডেমোন। - বিল ও'হারা।
জিসাস।
এখানে করছোটা কী?
শুনেছি বাহিনী ছেড়ে দিয়েছো
পিনকারটনদের সাথে শিকাগো যাবার জন্য।
ওখানটা বেশিই ঠান্ডা।
শরতে স্যান ফ্রান্সিস্কোতে চলে আসি।
ফ্লানেগানের কাছে আমার জন্য পদ খালি ছিল না,
তাই এখানেই শেষমেশ ভাগ্য হয়।
এখানে কাজ করো?
ফাং হাইএর সোনা অন্যসবার চাইতে বেশি জ্বলজ্বল করে।
বেশ, আম,
আমাকে দিয়ে বাজি লাগাতে পারো?
অবশ্যই। ৫০ হলে কেমন হয়?
হ্যাঁ, ৫০ চলে।
শুভকামনা, বিল।
হ্যাঁ! কাম অন!
দুঃখিত, বন্ধুরা।
মাঝেমাঝে ভাগ্য সাথে থাকে না।
বেশ ভালোই স্তুপ জমিয়েছ।
বিশ্বাস করো, বাকিতে পরে গিয়েছিলাম।
আচ্ছা, এখন ক্যাশ আউটের সঠিক সময় হতে পারে।
পকেট ভরে এখন বাড়ি যাও।
খেলা শেষ হওয়া মাত্র
ঠিক সেটাই করবো।
চলো। ঘুরাতে থাকো।
ঠিক আছে, বিল।
মনে হয় হয়ে গেছে।
- বাজে রাত কেটেছে? -টেবিল পাতানো।
সত্যিকার জুয়ারির মত কথা বলেছো।
আসো, এগিয়ে দিয়ে আসি।
-মার্কার নিয়ে ঠিকই আছি। -জানি আছো, বিল।
ছোট শ্বাস নাও, বিল।
আস্তে, এখন।
ফাং হাই এর ব্যাপারে কিছু বলি।
তারা বিশ্বাস করে তারা চেঙ্গিস খানের সরাসরি উত্তরসূরি।
মঙ্গোলদের চেনো, ত?
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য।
যাকগে, মঙ্গোলরা।
তারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দৈত্যের মত বের হয়ে আসলো।
পুরো শহরে লুঠতরাজ চালালো।
এখন চাইনিজরা, তাদের শত্রুকে বুঝতে হত, তাই ত?
তাই সম্রাট তার চরকে
মঙ্গোলিয়ানদের দেশে পাঠালো,
আর তারা ওখানে গেল, আর একটু দূরে থাকতে
তারা দেখলো
শ্বেত পর্বত দাঁড়িয়ে আছে যেখানে কোনো পর্বত থাকার কথা না।
তারা পর্বতের কাছে গেল,
আর কী পেল জানো?
হাড্ডি।
হাড্ডি দিয়ে ঠাসা পর্বত।
শত হাজার কঙ্কাল
স্তুপাকারে পঁচছে।
ঠিক তখন তারা বুঝতে পারলো কার সাথে লেগেছে…
যার সাথে তুমি লেগেছ।
ফাং হাই এর একটা সমস্যা ছিল।
যখন কোনো চাইনিজ জুয়ারি ঋণে পরে,
তার পা ভেঙে দিতে পারে, পরিবারকে হুমকি দিতে পারে, কিন্তু…
তারা করবেটা কী যখন কোনো আইরিশ ঋণে পরে
আর তারপর শোধের সময় আসলে
পালানোর চেষ্টা করে?
সেখানেই ওল্ড ডেমোন দৃশ্যে পদার্পণ করে।
দেখলে, তারা যেখানে যেতে পারে না আমি পারি,
কাউকে মেরে উদাহরণ বানাতে পারি,
সবাই তোলার ব্যাপারটা যেন জানে নিশ্চিত করি।
ফাং হাইএর ঋণ না দিয়ে পুলিশও পালাতে পারে না।
চাইনিজদের লাঠাল হয়ে,
বেঁচে আছো কীভাবে?
সেটাতেই আনন্দ লাগে আমার, বিল।
কিন্তু আমি সেখানে তোমার সাক্ষী হয়েছিলাম,
তো তুমি তার বিনিময় দেবে আমাকে।
সাধারনত সময়সীমা দু'সপ্তাহ।
তোমাকে আমি পুলিশম্যানের স্পেশাল অফার দেব।
তিন সপ্তাহ।
আর তারপরে…
হোয়াইট মাউন্টেনে যাচ্ছো তুমি।
চুদি তোরে, ডেমোন।
তিন সপ্তাহ, বিল।
শুভ সকাল, আহ সাম।
- শুভ সকাল। - শুভ সকাল, আহ সাম।
হেই, সময় হয়ে এলো!
-লাগছে কেমন? - ব্যাথা লাগে শ্বাস নেওয়ার সময়ে।
আর বসলে।
অতটা বেগতিক লাগছে?
দেখো এটা।
সবসময় সাথে নিয়েই ঘুরি।
কোথায় ছিলাম সে কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
কী এটা?
রেইলরোডের বড় পেরেক।
বোলো ট্রান্সকন্টিনেন্টালে কাজ করতো।
কুলি ছিলে?
ইউটাহ।
গ্রীষ্মে জাহান্নামের মত গরম,
শীতকালে কুত্তামরা ঠান্ডা।
তার আরো ভালো ব্যবহার জানার জন্য শ্বেতাঙ্গদের বেশি সময় লাগে নি।
একটা লিজেন্ডের সাথে কথা বলছো, ভায়া
প্রায় দশ বছর আগে,
ট্রান্সকন সার্কিটে একটা দৈতাকার
চায়নাম্যানের ফাইটিং এর কথা ছড়িয়ে পরে…
এমনকেউ ছিল না যে তাকে হারাতে পারতো।
তারা তাকে "হলদে দৈত্য" ডাকতো।
চুপ কর, বেবি জুন।
"হলদে দৈত্য"?
আমার বাবা নিজে দেখতে গেল ঘটনা,
সে ইউটাহ থেকে এতদূরে গেল
এই তথাকথিত দৈত্যকে আরো কাছ থেকে দেখতে।
শালার শ্বেতাঙ্গদের বাজি লাগানোর
আরেকটা মাত্র ম্যাচ ছিল সেটা।
একদম মেরে ফেলার জন্য তারা ফাইটারদের দ্বিগুণ টাকা দিত,
আর হলদে দৈত্য সবসময় বোনাসটা পেত।
আমার বাবা
বোলোকে ব্যবহার করে শ্বেতাঙ্গরা বড়লোক হয়ে যাবে
মানতে পারে নি,
তাই তাকে কিনে আনে সে।
"কিনে আনে" মানে?
টুপির মত?
মজা কোরো না।
ফাদার জুন তোমাদেরকে কিনে নিয়েছে,
যেমনটা আমাদের বাকিদের কিনে নিয়েছে।
আয় ত, তোকে দেখতে ধযভঙ্গ লাগছে।
তোকে সেব্যাপারে সাহায্য করবে এমনকিছু আছে।
একদিন, আমার তোর যাওয়া উচিৎ …
গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো তোর জানার জন্য।
হলদে দৈত্যের সাথে লড়তে?
আমাকে দেখতে পাগল লাগছে?
টেন-হাট।
মিস্টার ডেপুটি মেয়র। শুভ সকাল।
চীফ ফ্লানেগান, জানি আপনি ব্যস্ত মানুষ,
তাই সরাসরি কাজের কথায় আসি।
আপনার লোকদের গ্রেফতার করা গুপ্তঘাতককে ছেড়ে দেওয়ার
বিচারকের সিদ্ধান্তে
আমি নিশ্চিত আমার মতই আপনিও হতাশ ছিলেন।
হাস্যকর অনুকরণ ছিল, একদম।
যেমনটা ভাবতে পারেন, ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে
আমাদের চড়া নির্বাচকমণ্ডলী আছে।
সন্দেহ নেই।
চীফ, অনেকদিন ধরেই এতে ছিলেন।
২৫ বছর।
আমার পয়েন্ট হচ্ছে, আপনার মত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন জানে
সময়েসময়ে, আমাদের কোর্ট, বিচারক,
আইন ন্যায়বিচার দিতে অপারগ হতে পারে।
সেসব সময়ে, দায়িত্ব কাধে নিতে
কার্যনির্বাহীদের এগিয়ে আসতে হয়, যেমনটা হয়েছে।
যতটা মনে আছে, এই কথোপকথন
"আসল কথাতে আসছি" বলেই শুরু করেছিলেন।
চায়নাটাউনে নৃশংসতা চলমান সমস্যা।
যখনই চায়নাটাউনের বাইরে চলে আসে,
সেটা আমরা সহ্য করতে পারি না।
মেয়র একটা বার্তা পোঁছে দিতে চায়।
আর, আহ,
মেয়রের মনে কোনো বিশেষ ভেন্যু আছে?
ঠিক আছে, তাহলে।
লিডস! বিলটা আবার কোথায়?
আমরা ঘাতকের খোজ করি,
আর এমন জিনিসই পাই।
হুম।
আস্তে, ভায়া। পিনিক ধরে যাবে।
আছে কী এতে?
হালকা মোলাসেস মেরে দিয়েছি।
বিশেষ দিনেই মিশিয়ে দেই,
আজকের বিশেষ উপলক্ষ হচ্ছে
গতরাতে বাবার তোমাকে বিশেষ যে শিক্ষাদান করলো সেটা।
আমারটা আরো বাজে ছিল, জানিসই।
তার নিজের হাতে আমার দুটো হাত ভেঙে দেয়
দলে নেওয়ার সময়ে।
খাইসে।
সে কোনো পক্ষপাতিত্ব দেখাতে চায়নি।
আমাকে বিশ্বাস করতে পারিস, জানিস ত?
জানি।
বেশ।
কারন দর্শনের চেয়ে বেশি চতুর আমি।
হতেই হবে।
চোদা খা, কুত্তাচোদা।
এখানে এসেছিস কেন?
বলিস না কাটাকাটি করতে এসেছিস।
আর তোর মত মারামারিতে এক্সপার্টকে টাকা কামাতে
সমূদ্র পাড়ি দিয়ে আসতে হয় না।
কাউকে খুঁজতে এসেছিলাম।
মেয়েঘটিত কেস।
জানতাম!
বেশ, এখন, তোকে সবসময় পাশে পাবো না
- ঘুরলেই… - সে মারা গেছে।
সে মারা গেছে।
হ্যাঁ।
সমূদ্র পাড়ি দিলি।
মরেই গেল সে।
এখন তুই দলে ঢুকে পরেছিস।
হোগামারা তোর সাড়া।
জানি না, আহ…
একাই ছিলাম বেশ কদিন,
এখন জেনে ভালো লাগছে যে পেছন বাঁচাতে কেউ আছে আমার।
এইতো কথার মত কথা।
দুভাবেই কাজ করে, জানিস ত।
কী?
বিশ্বাস।
No comments yet. Be the first to leave one.