Las primeras 200 líneas.
মুম্বাই।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় আহমেদ জয়নুদ্দিন
- চলো বাইরে গিয়ে খেলি। - চলো।
সাবটাইটেল ভালো লাগলে গুড রেটিং এবং ফিডব্যাক দিবেন। আর ডোনেন্ট করতে চাইলে
হেই, আপনি মুম্বাই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। কী হয়েছে?
আমি একটা মামলার রায় দিচ্ছি জেনে,
সেটায় মন্ত্রীর পাটির একজন জড়িত ছিল,
তারা রায় পরিবর্তন করার জন্য আমার উপর অনেক চাপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
যখন আমি রাজি হয় নি,
তখন সরকার থেকে কোনো সাহায্য আসতে দেয় নি৷
কেন্দ্রীয় সরকার থেকে অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য আবেদন করার আগে ...
৬০ বছর বয়সে সততা ধরে রাখতে গিয়ে মরতে চান ?
হাসিমুখে মরব... কিন্তু আমার পরিবার নয়।
তাদেরকে নিরাপদ কোথাও পাঠাতে হবে৷
ঠিক আছে।
আমি পুনেতে একটা নিরাপদ জায়গা জানি। আপনাদের সবাইকে ওখানে শিফট করব।
ঠিক আছে।
তবে তার আগে একটা গল্প বলি যেটা তোমাদেরকে সাহসী করে তুলবে।
- শুনবে? - হুমম ।
সেই সাহসী যোদ্ধার নাম...
জঙ্গলের ছেলে, নেলাকোন্ডা ভগবন্ত কেশরী!
ভগবন্ত কেশরী
কয়েক বছর আগে।
বাবা..ফোন
আমার কাছে দে।
-হ্যালো! -স্যার, আমি সেন্ট্রি নারায়ণ বলছি।
আদালত থেকে বিশজন আসামীকে রিমান্ডের জন্য এখানে পাঠানো হয়েছে।
তাদের এন্ট্রি করব নাকি আপনি না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করব?
আমি এখন কোয়ার্টারে যাচ্ছে। একটু সময় লাগবে।
ফর্মালিটি শেষ করো।
যাইহোক, তাদের কোন ব্লক নেয়া হচ্ছে?
আমাদের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন বন্দীদের এ ব্লকে পাঠাই, স্যার।
কিন্তু...
কিন্তু?
স্যার, তাদের বি ব্লকে পাঠাতে আমি সরকারের কাছ থেকে নির্দেশ পেয়েছি।
ঠিক আছে, পাঠিয়ে দেও।
- হ্যালো ... - আমাদের ব্লক বি'তে কোনো VVIP বন্দী আছে?
আছে, স্যার। বিজনেসম্যান রতন শুকলা ।
সরো। সরো।
গত সরকারকে আর্থিকভাবে সাপোর্ট করেছিল।
আর তাই এই সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে
তাকে গ্রেফতার করেছে।
ওরা তাকে মারতে এসেছে। ওদের থামাও।
আসো, তাড়াতাড়ি।
- হেই। - দাঁড়াও।
- হ্যালো। - স্যার, আপনি আরাম করেন।
ওরা সি ব্লকে প্রবেশ করেছে।
- তো ? - ভগবন্ত কেশরী সি ব্লকে আছে , স্যার!
বাবা, বালতি ...
- হেই। - আসো ভাইলোক।
আরে টিংকু...
একটা ছোট মামলা সমাধান করতে হবে।
দাদা পানি নেয়ার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছে কিন্তু তুই বালতিতে লাথি মেরেছিস...
তোরা যদি আমাদের কাছে ক্ষমা চাস, আমরা পানি নিয়ে চলো যাবো।
হেই। জানিস না এখানে কী হচ্ছে?
জাপতি এখানে আছে। চলে যা।
তুমি তাকে যেতে বলছো আর সে শিস দিচ্ছে।
- তাকে মেরে ফেলব, বস? - মেরে ফেল৷
তোর বড়দের কথা শোনা উচিত। না শুনলে বড় বিপদে পড়বি।
বাবারে, এটা ব্যায়ামের মতো। আমায় পানি নিতে দে।
হেই বুড়িয়া তুই পাম্পিং শুরু করলে,
তুই সারা রাতেও এক বালতি ভরতে পারবি না।
চুপ কর।
স্যারকে পানি দিয়ে বালতি ভরতে হবে। পরেই আমরা তাকে মারতে পারব।
ততক্ষণ চুপ থাক।
দাদা, বালতি ভরেন৷
বালতি ভরতে কতক্ষণ লাগবে?
চলো, দাদা।
- এত তাড়াতাড়ি? - অহ, ধুর৷
তোর দাদি সূর্যোদয় পছন্দ করে।
কিছুক্ষণ বসে থাকি৷
হেই! হেই। লাভার বয়।
এত সকাল তোমার দাদির কথা মনে পড়ছে?
প্রজাপতির মতো মন উড়ো উড়ো করছে?
হে।
আমি দাদীকে খুশি করব? তার জন্য একটা সুন্দর গান গাইব?
গান গা।
কেমন গাইলাম গান?
ভালো স্যার। খারাপ না।
তাতে কী হল? তোদের খুশির জন্য গান গেয়েছি?
আমরা যদি আনন্দের সাথে গান গাই গানও আনন্দ দিবে।
লোকজন কী বলল তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
জাপতি, বস।এখানে বসে সময় পার করছ কেন, কখন তাকে মারবে?
শিশি..শি। স্যার এখানে আছেন। তিনি পাঁচ মিনিটের মধ্যে চলে যাবেন।
বালতি, বালতি।
এসব কী, বস? তোমাকে মারতে বলছি আর তুমি বলছো,
স্যার আর বালতি, বালতি আর স্যার?
জাহান্নামে যাক বালতি।
- ধুর। - আরে, না...
তার ভাগ্য ভালো সে স্টীলের বালতি নিচ্ছে না।
বালতিই ভালো অপশন ছিল , বস...
তার হাত একটা 4 ইঞ্চি পুরু রডের মতো।
সে তাকে ঘুষি মারছে নাকি আঙুল দিয়ে খোঁচা মারছে?
জানিস আমাদের কানের মধ্যে মস্তিষ্ক থাকে কেন?
কারণ কানে শব্দ শুরু করলেই ব্যাপারটা সরাসরি মস্তিষ্কে চলে যায়।
ভাই, এখন বুঝতে পারছি পানি নিতে আসেননি, তাকে বাঁচাতে এসেছেন।
আমাদের বোকা বানিয়ে ধুয়ে দিছেন।
হ্যালো, স্যার৷
স্যার,স্যার, ধন্যবাদ, স্যার।
আমায় না চিনে আপনার জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছেন।
আমার বাবা শিক্ষা দিয়েছেন যে,
তোমায় ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে ভোজন দিতে হবে ...
আর সর্বদা তোমার জীবন অর্পণ করো যে বিপদে আছে।
ধন্যবাদ খোদা৷
নারায়ণ, আমি তার ফাইল দেখতে চাই।
- হায়। - হাহ,হেই।
এত মানুষকে কীভাবে মারলেন? আপনি সুপারম্যান?
না। আমি সাধারণ মানুষ কিন্তু আমি যে কাজগুলো করি তা প্রায়ই সুপার।
তাহলে আপনি সুপারম্যান।
হেই, স্যার...
আপনি আমার জীবন বাচিয়েছেন। দয়া করে মাত্র পাঁচ শত কোটি টাকা ...
- মি.শুকলা! - ঠিক আছে , স্যার।
আপনার ছেলের জন্য আকুল হয়ে আছেন।
কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা উচিত, তাই না? সময় মতো ঔষধ খান৷
আমি গেলাম, ম্যাডাম।
- তার ছেলে জেল থেকে না আসা পর্যন্ত... - তুমি অনেকবার তার সাথে দেখা করেছো৷
সে এসেছে?
আমার মনে হয় না উনার ছেলের সাথে দেখা করতে পারবেন৷
শেষবারের মতো আমার ছেলেকে দেখার জন্য দম আটকে রাখছি।
তাকে না দেখা পযন্ত মরব না৷
আপনার কাছে হাতজোর করছি, স্যার।
দয়া করে একবারের জন্য আমাদের সাথে ভগবন্তকে পাঠান।
তার সন্তানের সাথে দেখা করিয়ে শান্তিতে মরতে দিন।
-নারায়ণ... -স্যার?
আমরা আগামীকাল ভগবন্তের সাথে জঙ্গলে যাচ্ছি।
আমার মা শান্তিতে মরেছে কারণ
মরার শেষ মুহূর্তে তার সন্তানকে দেখতে পেরেছে।
আপনার কাছে চির ঋণী।
এটা নাও।
সুপারম্যান, শুনেছি তোমার মা মারা গেছেন।
কান্না করো না। এখন থেকে আমি তোমার মা৷
ঠিক আছে?
তাকে আর্মি পোশাকে খুব সুন্দর লাগছে, স্যার...
বিয়ের আগে, আমার স্ত্রী বিমান বাহিনীতে নির্বাচিত হয়েছিল।
কিন্তু তার স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ আমার সাথে জীবন ভাগ করে নেওয়ার জন্য উৎসর্গ করেছে।
সে ভিজ্জিকে জন্ম দিয়ে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেছে৷
এখনো অপরাধী বোধ করি আমার স্ত্রীকে তার স্বপ্ন পূরণ করতে বাধা দিয়েছি,
আর্মিতে যেতে।
অন্তত যদি আমার মেয়েকে সেনাবাহিনীতে পাঠাতে পারি তবে নিজেকে মুক্ত করতে পারব,
ভগবন্ত।
কিন্তু সেটা আমাদের হাতে নেই।
বড় হয়ে সে আমার কথা শুনবে কিনা কে জানে!
মেয়েদের হরিণের মতো হওয়া উচিত নয়।
তাদের বাঘের মতো হিংস্র হওয়া উচিত।
যদি সে আপনার কথা না শোনে, আমি তাকে বোঝাব।
আপনার মেয়েকে হিংস্র করে তুলুন৷
আমি এটা করেছি।
ওয়াও৷
তুমি যেখানেই থাক,তোমাকে সাহস নিয়ে থাকতে হবে, ঠিক এটার মতো।
তবেই পৃথিবী তোমার কাছে মাথা নত করবে।
তুমি এরকম হবে?
হ্যাঁ।
এক সপ্তাহ হয়ে গেল স্যার অফিসে কেন আসছেন না?
তোমাকে বলেছি তো তিনি কিছু কাজে বাইরে গেছেন।
একজন পুলিশ যে অন্যের কাছ থেকে সত্যকে বের করে,
সোজাসুজি মিথ্যা বলতে পারে না, স্যার।
যেহেতু জেলার তোমায় জেল থেকে বের করে নিয়ম ভঙ্গ করেছে,
তাই তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
তোমাকে না বলতে বলেছেন এই খবর পেয়ে তুমি হতাশ হতে পারো।
যাওয়ার সময় তিনি তোমার নাম বন্দীদের নামে যোগ করে গেছেন।
যারা ১৫ ই আগস্ট মুক্তি পাবে।
WARANGAL CITY
যেকোনোভাবে আজকে এসে অর্ডার নিয়ে যাব।
আমি এক ঘন্টার মধ্যে আসছি, স্যার৷
ভিজ্জি, দেখো কে তোমাকে দেখতে এসেছে।
হেই৷
সুপারম্যান....
- কী হয়েছে? তুমি অসুস্থ? - হুমমম।
দেখি৷
ভগবন্ত, কী খবর?
স্যার, যদি জানতাম আপনি চাকরি হারিয়ে ফেলবেন,
আমি মাকে কখনো দেখতে যেতাম না৷
ভগবন্ত, একজন মা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে যায় তা আমি বুঝি,
যখন তার সন্তানের কাছ থেকে দূরে থাকে।
তো ভগবন্ত, তোমার গ্রামে চলে যাবে নাকি এখানে থাকবে?
আমি গ্রামে যাচ্ছি না, স্যার।
আমার পুরোনো কিছু হিসাব বাকি আছে সেগুলো সমাধান করতে হবে।
ভিজ্জি, এসো তোমাকে নারায়ণ চাচার বাড়িতে ড্রপ করে হায়দ্রাবাদ চলে যাব।
না, আমি সুপারম্যানের কাছে থাকব৷
কী সুপারম্যান? বাবা না আসা পযন্ত আমার সাথে থাকবে তো?
আপনি যান স্যার। আপনি না আসা পযন্ত আমি ভিজ্জির সাথে আছি৷
ধন্যবাদ, স্যার।
- হেই, হেই। - না।
ওয়ারঙ্গল জেল সুপার, শ্রীকান্ত এক সড়ক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন৷
হায়দ্রাবাদ থেকে ওয়ারাঙ্গলে ফেরার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে,
তিনি পোস্টিং অর্ডার নিয়ে আসছিলেন ।
উনাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়...
ভিজ্জি, ভিজ্জি, সোনা।
খেয়ে নাও মা।
আমি বাবাকে চাই।
ভিজ্জি, উঠো মা। তোমাকে স্কুলে যেতে হবে।
না, যাবো না। আমি বাবাকে চাই।
ভিজ্জি মা।
ওদিকে দেখো..
এদিকে দেখো...
- তোমার নাম কী? - ভিজ্জি।
কোন ক্লাসে পড়ো?
৫ম শ্রেণীতে।
- কোন স্কুলে পড়ো? - রাও ইন্টারন্যাশনাল স্কুল...
বাবার হঠাৎ মৃত্যু সংবাদে সে শোকাহত হয়ে পড়েছে।
No comments yet. Be the first to leave one.