Las primeras 200 líneas.
আমার মনে হয়…
হাঁটু একটু ভাঁজ করে নিলে…
আর বডিটাকে একটু গুটিয়ে নিলে সুবিধা হবে।
ড্রাইভ করতে পারবি তো? কলকাতা কিন্তু ৮ ঘণ্টার পথ।
পারবো, সমস্যা নেই। কাগজপত্র সব এনেছিস?
হ্যাঁ।
এ ডেথ ইন দ্য গাঞ্জ
ফটাফট চলে এসো, তোমরা ! আমি গাড়িতে ওয়েট করছি।
তোমার এত তাড়া।
- ভিতরে এসে অন্তত হাই-হ্যালো করে যাও। - আম্মু, আমি সুসু করবো।
- এখানকার বাথরুম পরিষ্কার তো? - মনে হয় না।
আয়, শুটু।
এখানে কি কমোড নেই?
জলদি !
মিসেস কার্নি ! আসা যাবে?
হ্যাঁ ! প্লিজ ভিতরে আসো। তোমাদের অপেক্ষাতেই ছিলাম আমি।
নান্দু ! শেষমেশ এসেছ তাহলে।
হ্যালো, মামণি ! কেমন আছ?
- ওর খুব ঘুম পাচ্ছে। - ইশ !
আপনাদের এখানে বাথরুম আছে না?
- হ্যাঁ, আছে তো। আসো। - ধন্যবাদ।
হাই।
ততক্ষণ পর্যন্ত আমি তোমাদেরকে আমাদের বেকারিটা দেখাতে থাকি।
এইদিকে আসো।
কিছু মনে কোরো না তোমরা, ঠিকমত গুছিয়ে উঠতে পারিনি।
আরে, ব্যাপার না। কোনো সমস্যা নেই। লাইট কোথায়?
এইতো এখানে।
ধন্যবাদ।
তোমার মা আগেই তোমাদের আসার কথা জানিয়ে রেখেছিলেন।
তাই কী করেছি, জানো?
তোমাদের জন্য আলাদা করে পাউরুটি বানিয়ে রেখেছি।
ওহ ! কার্নির স্পেশাল পাউরুটি !
হ্যাঁ। সাধারণত এগুলো রেডি হতে না হতেই সব বিকে যায়।
তার ওপর এখন আবার ছুটির মৌসুম চলছে, আর…
এ হচ্ছে আমার কাজিন - শুটু।
না, না…
- শ্যামল। হ্যালো। - হ্যালো।
গ্রামের দিকে খুব একটা আসে না সে।
শেষ কবে এখানে এসেছিলি তুই?
আব্বু, আমি কেক খাবো !
না, কেক খাওয়ার সময় নেই।
- যাও, আম্মুর সাথে গাড়িতে গিয়ে বসো। - না, আমি একটা কেক নেবো !
এইটা নাও না? এই ফ্রুটকেকটা খুব টেস্টি !
আচ্ছা। ঠিক আছে।
৯ রূপী ৪ আনা, প্লিজ।
মানিয়া ! কেমন আছ?
ভালো আছি !
জাদুর পানি এনে রেখেছ তো !
- যা যা কইসিলেন সব এনে রাখসি ! - ভালো করেছ !
হাই, মানিয়া !
মানিয়ার কথা মনে আছে? শেষবার যখন আসলাম?
মঞ্জুরী, কোথায় তুমি? ওরা এসে গেছে।
- হাই ! - শুটু ! পিছনের ট্রাংকটা খোল তো।
- কেমন আছেন, বাবা? - ভালো আছি।
দিদা !
কতদিন পর দেখছি ! কেমন আছে আমার সোনামণিটা?
খুব ক্লান্ত এখন।
নিশ্চিত সময়মত বের হতে পারিসনি তোরা।
- মিমিকে বলো। ও-ই সবসময় দেরি করে। - তানিয়া বক্সী কোথায়? তানিয়া বক্সী !
- হাই, আন্টি ! একটু বাথরুমে যাওয়া লাগবে। - জলদি যাও !
- আংকেল, কেমন আছেন? - খুব ভালো।
শুটু ! কেমন আছিস?
ভালো আছিস তো?
ভালো আছি।
পরীক্ষা শেষ?
হ্যাঁ, শেষ, মাসি।
পরীক্ষা ভালো হয়েছে তো?
হ্যাঁ, ভালো হয়েছে !
আচ্ছা।
- মা ভালো আছে তোর? - ভালো আছে। আর আপনি?
তানি, তুমি ক্লাস ওয়ানে না?
আমি ক্লাস থ্রিতে, দাদা !
- তাই নাকি? - বাবা, আপনি পারেনও বটে।
মালপত্র কই রাখবো?
ভিতরে রেখে আসো…
আগুন জ্বালায়নি কেন এখনও? কি ঠাণ্ডা রে বাবা।
এটুকুতেই কাহিল হয়ে যাচ্ছিস তোরা ! জানুয়ারিতে এলে বুঝতি ঠাণ্ডা কাকে বলে।
মানিয়া, শোনো !
জি?
কাঠ নিয়ে এসো তো।
- আগুন জ্বালানো লাগবে। - আচ্ছা।
শুটু, গাড়ি লক করিসনি?
এখনও তো হেডলাইট জ্বলছে।
যা, লক করে আয় !
দাঁড়িয়ে আছিস কেন? আরেকটু চালু হ !
তানি, কাপড় বদলে ফেলো।
না, আমি আরও কিছুক্ষণ লাফাবো।
এইযে। এগুলো তোমাদের রুমের জন্য।
- সোনামণি, খেয়েছিস কিছু? - হ্যাঁ।
মা, আপনার জিনিসগুলো ওখানে আছে।
পেয়েছিস তাহলে ! বড় উপকার করেছিস !
আমাদের এখানে তো কিছুই পাওয়া যায় না !
চা করে দিবো?
না। একটু পরেই তো ডিনার করবো।
ঠিক আছে।
তাছাড়া আমাদের কাছে ক্রিসমাস কেক-ও আছে !
কার্নি জোর করে ধরিয়ে দিয়েছে !
উফ, কার্নিকে নিয়ে পারা যায় না…
পানসে চা-র দাম এক আনা, কেকের টুকরার দাম আধ আনা !
মা !
ওকে এসব শেখাবেন না !
কারেন্ট যে যখন আসবে ভগবানই জানেন।
- মা, ড্রিংক দিবো? - দে, খোকা।
বাবা, আপনার হাঁটুর ব্যথা কি কমেছে?
আরে, এই বয়সে ব্যথা খালি বাড়ে।
মা, আজ না হোক কাল কিন্তু আপনাদের কলকাতায় ফিরে আসতেই হবে।
এসেই শুরু করে দিয়েছিস !
শুধুশুধু এত চ্যাঁতো কেন?
ডক্টর গোস্বামী তো রোজ এসে চেকআপ করেন।
চেকআপ ঠিকই করেন।
কিন্তু প্রতিবার এখানে আসলেই এক বোতল মদ সাবাড় করে দেন উনি।
তাতে কী? উনি তো ফ্রিতেই ট্রিটমেন্ট দিচ্ছেন।
- ট্রিটমেন্ট না ঘোড়ার ডিম ! - আচ্ছা, অনেক হয়েছে !
ডক্টর গোস্বামীর সাথে যতখুশি ড্রিংক করুন সমস্যা নেই,
কিন্তু আপনাদের কারো যদি হাসপাতালে যাওয়ার দরকার পড়ে,
তখন তো বিক্রমকেই লাগবে সেখানে পৌঁছে দিতে।
বিক্রম নিজেই তো যখন-তখন টাল হয়ে যায় !
জামাইবাবু দেখি !
আছিস কেমন, হারামী?
তোর বাইকটা কই রে?
বাইক? জামাইবাবু যে যৌতুকে গাড়ি পেয়েছে, সেটা দ্যাখ।
বাকোয়াজ !
আমি পাইনি ভাই ! আমাকে দিতে বাধ্য হয়েছে !
- তোর বাইকটার কী হলো? - গাড়ি, বাইক সব তো একসাথে আনা যায় না !
- কতবার যে বুঝাবো তোকে। - নান্দু !
ব্রায়ান ! খুব ভালো লাগছে তোকে দেখে !
চশমা পরা শুরু করলি কবে থেকে ভাই?
মুরব্বীদের মত লাগছে তোকে !
- শালা ! - আচ্ছা, আংকেল-আন্টি কোথায়?
এটা আবার কী?
আন্টির জন্য এনেছি।
তোর তেল মারার স্বভাব আর গেল না !
এখানে যতদিন আছিস, আমার বাইকটা চালাতে পারিস।
আচ্ছা !
আরে ! কী খবর, পালোয়ান সাহেব?
তোর শালে এটা কী রে?
আমার আড্ডার সঙ্গী এসে গেছে !
- হ্যালো, আংকেল ! - কেমন আছ?
এটা কী?
ওমা ! আমাদেরই তো উল্টো তোমাকে গিফট দেয়া উচিৎ।
আমাদের কাছে কিন্তু ক্যাসেট নেই।
এটা দিতে পারলে ক্যাসেটও দিতে পারবে সে, তাই না?
অবশ্যই। আমি ক্যাসেট নিয়ে আসবো, আন্টি। চিন্তা করবেন না।
বিয়েতে এই জিনিস দুটো করে পেয়েছিলাম। ভাবলাম আপনাদের জন্য একটা নিয়ে আসি।
এটা তো আমার আপন বাড়িই !
কীসের আপন বাড়ি?
কেবল নান্দু এলেই তো এখানে আসো তুমি।
ছেলেটা যে পরিমাণ ব্যস্ত…
তোমার বউকে আনলে না কেন? কখন দেখা করাবে আমাদের সাথে?
আন্টি, আসলে আমি কাজ থেকে ফেরার পথে এখানে এসেছি।
বিয়ের ধকল এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি সে !
আপনাদেরকে খুব মিস করেছি। বিয়েতে আসেননি কেন আপনারা?
হ্যাঁ, আপনাদের সবাইকে খুব মিস করেছি !
আপনাদের আসা উচিৎ ছিল।
আমি আর বনি আসতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কাজের চাপ থাকায় পারিনি।
এই সপ্তাহ কিন্তু আমরা একসাথে ডিনার করবো। ঠিক আছে?
ঠিক আছে।
তুই কখন ফ্রি থাকবি? কাল? পরশু? নাকি ৩১ তারিখ ! বাবা, কী বলেন?
ভালো বুদ্ধি ! নববর্ষের রাত আমাদের বাসায় কাটাবে সবাই। ঠিক আছে?
আমি তো সবসময়ই ফ্রি !
যা জিজ্ঞেস করার ওকে কর। বদের হাড্ডিটা কিচ্ছু বলতে চায় না।
কী?
ও কী লুকোচ্ছে জিজ্ঞেস কর !
- আরে, বিক্রম… - কী লুকোচ্ছে?
- বল সবাইকে ! - তুইও কি বিয়ে করবি?
বাকিরা কোথায়?
বল না কী হয়েছে?
আমার একটা চাকরি কনফার্ম হয়ে গেছে !
ওয়াও ! শাবাশ !
হাউ মাউ খাউ।
পরীসোনার গন্ধ পাও।
তোমার গালটা দেখি তো ! দেখি একটু !
এই দেখো কী পেয়েছি !
- থ্যাংক ইউ ! - বিক্রম !
আরে বনি !
বউ কই তোমার? এসেছে?
না, আজকে আনতে পারিনি।
শীঘ্রই দেখা করিয়ে দেবো সবার সাথে।
- এই সপ্তাহ একটা ডিনারের প্ল্যান হয়েছে। - দারুণ। মজা হবে খুব !
মিমি কোথায়?
ভিতরে, বাবার অফিসে।
হেল্প লাগবে?
মিঃ বিক্রমজিৎ চৌধুরী !
অভিনন্দন !
হানিমুন কেমন কাটল?
কারেন্ট এসে গেছে !
কারেন্ট এসে গেছে, মঞ্জুরী !
খাবার রেডি করো।
- অস্ট্রেলিয়া ! সে তো অনেক দূর। - জানি।
আন্টিও কি যাবে তোমার সাথে?
ওখানে আগে পৌঁছে নিই, তারপর দেখবো।
যাক, চাকরি তো হলো। কবে জয়েন করছিস?
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে।
- ফেব্রুয়ারি তো এসেই গেল প্রায়। - অভিনন্দন, ব্রায়ান !
- ধন্যবাদ ! - শুটু…
এটা তোর বাবার সোয়েটার না?
- তাহলে তো খুব বেশি সময় বাকি নেই। - কত সুন্দর সুন্দর খাবার !
কোথায় ছিলে তোমরা?
তোমরাও ডিনার করতে বসে যাও।
বসে পড়ো।
No comments yet. Be the first to leave one.