Las primeras 200 líneas.
মাথা খারাপ হয়েছে তোদের? কী মানে এসবের?
করছিসটা কী তোরা?
লুকোচুরি খেলছিস?
কার সাথে খেলছিস?
কার সাথে? গর্ত খুঁড়ে লুকাচ্ছিস?
আবারও গর্ত খুঁড়ছিস !
খুঁড়তে থাক, হারামজাদারা !
শালার হারামির পুত !
লুকাচ্ছিস তাহলে?
কিন্তু আর লুকোতে পারবি না !
মাটির নিচে লুকালেও ওরা তোদের খুঁজে বের করবে !
বেড়িয়ে আয় ! যা বলছি কর !
বেড়িয়ে আয় বলছি !
কানে যাচ্ছে না কথা !
এটা কর, ওটা কর ! বাথরুম পরিষ্কার কর !
বেলজিয়ামের দালালের মত সারাক্ষণ এটা-ওটা করাতে থাকে !
সে তো আগের কথা ; এখন আমি জার্মানের দালাল !
দেখে নিবো তোদের।
কথায় কাজ না হলে, লাঠিতে কাজ হওয়াবো !
চল !
ভীতুর ডিমগুলান ঘাপটি মেরে আছে !
আর কোনো কাজ নাই পলানো ছাড়া !
ছাগীর দুধ দোয়ানো আর শূকরদের খাওয়ানো ছাড়া আর কিছুই পারিস না তোরা !
হাসছিস আবার? এই হাসি টিকবে না বেশিক্ষণ।
অনেক হয়েছে ! আনন্দের দিন শেষ।
জনমের শিক্ষা দিবো তোদের !
এখানে বসে আছিস কেন রে? কাজে লাগ, নইলে খবর আছে তোর !
বেলারুশ, ১৯৪৩ [ বেলারুশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ, যা জার্মানদের দখলে ছিল ]
খুঁড়তে থাকো ! বন্দুকের যোগাড় না হলে, আমাদের বাহিনীতে নিবে না।
এদিকে কিছুই নেই।
আমি তো খুঁড়েই পেয়েছিলাম। দোকান থেকে তো আর কিনিনি।
তোমার বন্দুক তোমাকেই খুঁজতে হবে। আমি তো চলে যাবো এখন !
হ্যালো? বার্লিন নাকি?
পেরেছ তাহলে? দম ফুরিয়ে গেছে, না?
বলেছিলাম না?
ওহ খোকা...
খোকা রে...
তোর বাবা ফিরলে তাকে কীভাবে বুঝাবি?
সে এসে কাউকে না পেলে, সর্বনাশ হয়ে যাবে যে।
নিজের কথা ভাব একটু।
আমার কথা না ভাবলেও, অন্তত এদের কথা ভাব।
দোহাই লাগে খোদার...
তোর কি একটুও দয়ামায়া নেই?
এভাবে বোলো না, মা। সবাই যাচ্ছে ; তাই আমারও যেতে হবে।
করছটা কী?
তাহলে এখনই মেরে ফেল আমাদের। দেরি করিস না।
কী হলো ! মেরে ফেল আমাদের সবাইকে !
তুই কোত্থাও যাবি না ! কোত্থাও না !
মা !
হ্যালো। নাকি বলবো, 'সুপ্রভাত'?
বেশ। বন্দুক বের করো।
- বন্দুক কই তোমার? - এইতো এখানে।
এই দুজন কারা? যমজ?
হ্যাঁ, যমজ।
একই পেটের সন্তান।
সকাল হয়ে গেছে।
যাবো নাকি আমরা?
সময় হয়নি এখনও। যখন গরু বের করবে, তখন যাবো।
লোকজনের সামনে দিয়ে যেতে হবে।
এগুলো নে, খোকা। এগুলো তোকে গরম রাখবে।
আমরা সাথে থাকাতে তার সমস্যা হবে না।
চিন্তার কিছু নেই ; আমরা ওকে দেখে রাখবো।
ক্যাম্পে ও অনেক সুবিধা পাবে।
ঘোল এনেছি ; চাইলে খেতে পারেন।
মদ-টদ কিছু আছে নাকি? দুধে মিশিয়ে খাওয়ার মত?
আগে থেকে যদি জানতাম...
আমরা সাধারণত ড্রিংক করি না। কেবল ছুটির দিনে করি।
আর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়।
আমরা নিয়মমাফিক কাজ করি। আমাদের কমান্ডার একজন ক্যারিয়ার অফিসার।
আমাদের কমান্ডারের নাম কোসাচ !
তার বেশি কাছে গেলে, সে দূরে ভাগিয়ে দেয়। দূরে চলে গেলে, আবার তার নাগালে নিয়ে আসে।
- বাবকের কথা মনে আছে? - কোন বাবক?
যে আধা-বধির ছিল।
পাহারা দিতে গিয়ে সে ঘুমিয়ে পড়েছিল। কোসাচ তাকে জাগিয়েছিলেন না।
অনেক হয়েছে !
সে জেগেছিল নাকি না, কিছু আসে যায় না তাতে।
হাসি পাচ্ছে?
এখানকার মহিলারা দেখি দেরি করে ঘুমোয়। দাঁড়িয়ে আছ কেন? বসো !
বসার সময় নেই। আমরা ওদের হাতে ধরা খেলেই খেল খতম।
এতদিন যত খুশি বসতে পারতাম ; আর এখন বসার আগে দশবার ভাবি।
বুঝলে তো আমার কথা? মুষ্টির সমান একটা বোমার টুকরা !
হাসি পেলেও সত্যি যে, ওটা ঠিক এখানে লেগেছিল।
গরুগুলোর হয়েছেটা কী?
কয়েকটা ঘুল্লি দেয়ালেই জেগে যাবে।
ওদের বের করো !
চলো, যাওয়া যাক !
আপনারা ওকে নিয়ে যাচ্ছেন কেন?
তাজা তাজা বাতাস খাও একটু।
গরুগুলো যেমন আছে, সেই অবস্থাতেই বের করো !
আপনারা ওকে কোথায় নিচ্ছেন?
ও ভালো ছেলে ; কারও ক্ষতি করেনি সে !
অনেক লক্ষ্মী ছেলে সে !
এমন ভালো একটা ছেলের সাথে আপনারা দুর্ব্যবহার করছেন কেন?!
- কী করছেন আপনি? - হাত লাগাবেন না !
আসো, ভাইয়াকে বিদায় জানাই।
এইযে, পাখিটা ধরো। আর নড়বে না যেন !
এখান থেকে যাও !
যাও বলছি !
ঐযে দেখুন।
আমাদের গ্রামের মেয়র ইউস্টিন ! হাবা একটা !
বুঝতে পারছি না।
আমার ফ্লোরা ! আমার সোনার ছেলেটা !
আমার লক্ষ্মীটা !
হ্যালো !
হ্যালো।
যেতে থাকো, খোকা ; দাঁড়িয়ে থাকো না।
এটা চামড়াসহ ছিঁড়লে কেন?
করছটা কী? আমি এখনও বেঁচে আছি !
নার্স, পানি খাবো...
হ্যালো।
হাঁটতে থাকো !
- হ্যালো। - হ্যালো।
শেষজন কে?
মেজরের চেয়ারে বসবে না !
চুপ করো সবাই !
আরেকটু গা ঘেঁষে বসো ! আর তুমি, সামনে তাকাও !
এভাবে কেউ তাকায় ! পাশেরজনকে দেখে শেখো !
কি বাহারি স্যুট রে বাবা ! এখানে এসো।
তুমি এখানে বসো।
এইভাবে। স্যুট আপাতত খোলার দরকার নেই।
গরুটারে আনো !
দরকার হলে আমরা খাবো তোকে ; তারপরও শত্রুর কবলে দিবো না যেতে।
গরুটাকে জায়গা দাও !
জলদি, পেরেখোদ ! এখানে সারাদিন থাকতে পারবো না !
আমার কাছে ফিল্মের মাত্র একটা শিট। এইটাই শেষ ফিল্ম ; তাই সবুর করো।
আমাদের আব্বাজান এসে গিয়েছেন !
শান্ত থাকো ! ছবি তুলতে যাচ্ছি।
ছেলেটাকে দেখে শিখো কিছু। নতুন স্যুট পরা ; তারপরও কি শান্ত !
আসো, আমরা অদলবদল করি। এক জ্যান্ত মানুষ থেকে নিয়েছিলাম এটা।
আমাদের চিফ এসেছেন। স্বাগতম জানাও, কমরেড।
আমাদের ছবি কি শেষমেশ তোলা হবে?
দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে করো দেশকে মহীয়ান
রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের জন্য হও সমবেত
দাও ফ্যাসিবাদীদের হামলার জবাব
করো নিশিরাত্রের যাযাবরদের ক্ষতবিক্ষত।
ক্রোধের দাবানল উঠুক জ্বলে,
সবাই দেখে পালাক আমাদের ক্রোধের দাপটে।
যুদ্ধ চলছে, যুদ্ধ চলবে,
কেউ পারবে না একে ঠেকাতে।
কে ওখানে?
পাসওয়ার্ড।
পাসওয়ার্ড বলো !
- তুমি কি নতুন? - জি।
- নাম কী তোমার? - গাইশুন। ৩য় স্কোয়াড।
- গুলি করলে না কেন আমাকে? - আপনাকে চিনতে পেরেছিলাম, কমরেড কমান্ডার।
যখন কেউ থামবে না বা পাসওয়ার্ড বলতে পারবে না, গুলি করবে তাকে !
হ্যাঁ, তবে...
কোনো অজুহাত চলবে না। শাস্তি হিসেবে তুমি বেশিসময় কাজ করবে।
ধন্যবাদ।
- কোথায় সে? - কে? পাসওয়ার্ড বলো !
- কোথায় গেল সে? - পাসওয়ার্ড বলো আগে !
আবারও প্যাঁচা ডাকছে !
শুতে যাও। তোমার কাজ শেষ।
...শত্রুপক্ষ অকস্মাৎ কাছে চলে আসায়...
গেরিলা বাহিনী সারাক্ষণ চোখকান খোলা রাখছে...
আর আজ আমি পেয়েছি দুটো লেখা,
রহস্যের জালে মোড়া সেটা।
প্রতিটি লাইনে ছিল কেবল ফোঁটা,
আমার জন্য কঠিন ছিল বোঝা।
আছে কি কোনো উপায় বোঝার, মনে কী আছে তার...
ইভান, এখানে আসো !
তোমাদের থেকে সত্যিটা গোপন করবো না। আমরা একটা কঠিন সময় পার করতে যাচ্ছি।
পার্টিজানের পুরাতন সদস্যরা জানে 'অবরোধ' মানে কী।
এর মানে হিটলারের ভাষায় ''অবাধ যুদ্ধ''।
তার লক্ষ্য ছিল আমাদের সবাইকে শেষ করে দেয়া।
আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, সেই সকল এলাকার ধ্বংস রোধ করা
যার দায়ভার চিফ কমান্ডার আমাদের দিয়েছেন।
কিন্তু পরিস্থিতি জটিল,
এবং যেকোনো মুহূর্তে তা পাল্টে যাবে।
তাই আমাদের সাবধান থাকতে হবে।
তোমাদের হাতে অস্ত্র এবং কাঁধে মাথা রয়েছে।
কিংবা, আমাদের কমান্ডার যেমনটা বলেন,
বাঁচার মত বাঁচতে ও পথের সকল কাঁটা অকুতোভয়ে দূর করতে।
আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছিঃ
একজন নিবেদিত সেনা কখনও ফ্যাসিবাদীদের সংখ্যা জানতে চায় না।
বরং জানতে চায়, ''ফ্যাসিবাদীরা কোথায়?"।
এখন তারা আমাদের ভূমিতেই আছে।
এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব তোমাদের সকলের ওপর নির্ভর করছে।
ভীতুদের ঠাই নেই এখানে।
ভয় তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ।
তোমাদের ভয়ই তাদের হাতিয়ার।
তারা তোমাদের দাস বানিয়ে আজীবনের জন্য পঙ্গু করে দিতে চায়।
তারাই উল্টো আমাদের ভয় পাবে ! কোনো দয়া দেখানো চলবে না তাদেরকে !
তারা দয়া পাওয়ার যোগ্য নয়।
একদিন আমাদের সবাইকে জিজ্ঞেস করা হবে, এখানে আমরা কী করেছিলাম।
এমন কেউ আছে, যে অসুস্থ বা আহত? যে একা মার্চ করতে পারবে না?
লজ্জা পাবার কিছু নেই এতে।
আমাদের যেভাবেই হোক একটি অতিরিক্ত বাহিনী গড়তে হবে।
- অসুস্থ বা আহত নেই কেউ ! - থাকলে এখনই বলে ফেলো !
আমার জুতার অবস্থা করুণ।
নতুন ছেলেটার সাথে অদলবদল করো। ও এখানেই থেকে যাবে।
সবাই দলে দলে আসো এবং আমার সাথে অগ্রসর হও !
জলদি করো !
কমান্ডার জুতো পাল্টাতে বলেছে। তোমারটা দাও।
যাওয়া যাক, ছেলেরা ! পিছে পড়ে যেও না !
কী নাম তোমার?
ফ্লোরা।
আর তোমার প্রথম নাম?
ঐ একই, ফ্লোরা। ফ্লোরিয়ান। আর তোমারটা?
রোজ। খামারকুমারী রোজ ! কখনও শুনেছ এমন নাম?
No comments yet. Be the first to leave one.