Las primeras 200 líneas.
সিটিজেন কেইন
রোঝবাড।
''নিউজ অন দ্য মার্চ'' [ একটি শর্টফিল্ম যেখানে কেইনের জীবনের প্রতি সংক্ষেপে আলোকপাত করা হয়েছে ]
জানাডু হল সেই কিংবদন্তি জায়গা...
...যেখানে কুবলা খান তার মহিমান্বিত প্রমোদ-প্রাসাদ গড়েছিলেন।
ফ্লোরিডার জানাডু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ব্যক্তিগত প্রমোদ-উদ্যান হিসেবে রীতিমত কিংবদন্তি।
উপসাগরের তীরে এই জনশূন্য প্রান্তরে, একটি ব্যক্তিগত পর্বত অনুমোদনপূর্বক সফলভাবে নির্মাণ হয়েছিল।
জানাডুর এই পর্বতে রয়েছে ১০০,০০০ টি গাছ এবং ২০,০০০ টন মার্বেল।
জানাডুর প্রাসাদের সামগ্রীসমূহঃ
পেইন্টিং, ছবি, মূর্তি, অন্যান্য প্রাসাদের বিভিন্ন পাথর।
সবকিছুর সংগ্রহ রয়েছে এখানে।
এত বিশাল সংগ্রহ তালিকাভুক্ত করা বা এর মূল্যনির্ধারণ করা অসম্ভব।
এই সংগ্রহে বিশ্বের ১০ টা বড় জাদুঘর নিমিষেই ভরে যাবে।
জানাডুর প্রাণিসম্পদঃ
...বাতাসের পাখি, সমুদ্রের মাছ, মাঠঘাট ও জঙ্গলের জন্তু...
...দুটোই নূহ এর সময়কাল থেকে বৃহত্তম ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা।
ফেরাউনদের ন্যায়...
...জানাডুর মালিক তার কবরকে চিহ্নিত করতে অনেক পাথর রেখে যান।
পিরামিডের সময়কাল থেকে...
...জানাডু হলো সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্মৃতিস্তম্ভ...
...যা একজন মানুষ তার নিজের জন্য নির্মাণ করেছে।
[ গতসপ্তাহ জানাডুতে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪১ সালের সবচেয়ে আলোচিত, সবচেয়ে বিচিত্র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। ]
জানাডুতে গত সপ্তাহ...
...জানাডুর মালিককে সমাহিত করা হয়।
তিনি এই শতকের একজন ক্ষমতাশালী ব্যক্তিত্ব...
...তিনি আমেরিকার কুবলা খান ;
তিনি চার্লস ফস্টার কেইন।
সূত্রপাত ঘটেছিল এই জীর্ণ, মৃতপ্রায় ভবনে।
কেইনের সাম্রাজ্য, তার মহিমায়...
...নিয়ন্ত্রণ করতো ৩৭টি সংবাদপত্র, ২টি মন্ত্রণাসভা...
...একটি রেডিও নেটওয়ার্ক, সাম্রাজ্যের পর সাম্রাজ্য।
প্রথম শ্রেণির মুদির দোকান, কাগজ মিল...
...অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং, কারখানা, অরণ্য, সামুদ্রিক জাহাজ।
এই সাম্রাজ্যের মাধ্যমে ৫০ বছর ধরে...
...বিরামহীনভাবে বিশ্বের ৩য় সমৃদ্ধশালী স্বর্ণখনি থেকে মূল্যবান সব সামগ্রী তৈরি হয়েছে।
কিংবদন্তি এই আমেরিকাতেই খুলেছে কেইনের অর্থভাগ্য।
১৮৬৮ সালে বোর্ডিং হাউজের মালিক ম্যারি কেইন তার ভাড়াটের তরফ থেকে একটি দলিল পান...
...আদতে তুচ্ছ মনে হলেও সেটা ছিল ''দ্য কলোরাডো লোড'' নামক একটি পরিত্যক্ত স্বর্ণখনির মালিকানা।
৫৭ বছর পর, কংগ্রেসের তদন্তের মুখে...
...ওয়াল্টার পি. থ্যাচার - ওয়াল স্ট্রিটের প্রবীণ সদস্য...
...ও বছরের পর বছর কেইনের পত্রিকাসমূহের আক্রমণের শিকার; হস্তক্ষেপ করছেন সম্পত্তির ওপর...
...ও স্মরণ করছেন যৌবনকালের এক সফরের কথা।
মিসেস কেইন আমাকে তার সম্প্রতি অর্জিত বিপুল সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেছিলেন।
এটা তারই ইচ্ছা ছিল আমি যেন তার ছেলে চার্লস ফস্টার কেইনের দায়িত্ব নিই।
চিফ, এটা কি সেই ঘটনা নয় যখন চার্লস ফস্টার কেইন...
...আপনার পেটে স্লেড দিয়ে আঘাতের পর আপনাকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আক্রমণ করেছিলেন ?
আমি এখন কংগ্রেসকে একটি বিবৃতি পড়ে শোনাবো...
...যা সাথে করে এনেছি, তারপর আপনাদের সকল প্রশ্ন অগ্রাহ্য করবো।
মি. চার্লস ফস্টার কেইন, যেই সামাজিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে...
...ও বিপদজনক পন্থায় নিরবচ্ছিন্নভাবে আক্রমণ করেছেন...
...ব্যক্তিগত সম্পত্তি সম্পর্কিত আমেরিকান ঐতিহ্যকে...
...উদ্যোগ গ্রহণের এবং অগ্রগতির সুযোগকে...
...তা প্রকৃতপক্ষে কেইনকে একজন সাম্যবাদী হিসেবেই অধিষ্ঠিত করে।
একই মাসে ইউনিয়ন স্কয়ারে...
''চার্লস ফস্টার কেইন"...
...এখানে কর্মরত প্রত্যেক মানুষের কাছে একটি আতঙ্কের নাম।
তিনি সর্বদাই একজন স্বৈরাচারী।
কিন্তু এরপরও ভিন্নমত রয়েছে...
আমার পরিচয় একটাই ; আর সেটা হলো আমি একজন আমেরিকান। - চার্লস ফস্টার কেইন
কেইন তার দেশকে একটি যুদ্ধ করতে যেমন আহ্বান করেছিলেন...
...তেমনি অন্য একটি যুদ্ধে দেশের অংশগ্রহণে বাঁধাও দিয়েছিলেন।
কমকরেও একজন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের নির্বাচনে আন্দোলন করেছিলেন।
লক্ষ লক্ষ আমেরিকানের মুখপাত্র হয়েছিলেন।
হয়েছিলেন আরও বেশিসংখ্যক মানুষের ঘৃণার পাত্র ।
৪০ বছরে কেইন নিউজপ্রিন্টে এমন কোন আলোচিত বিষয় উঠে আসেনি যেটাতে কেইনের সংবাদ-প্রতিষ্ঠান নিশ্চুপ ছিল।
কোনো আলোচিত মানুষের নাম উঠে আসেনি যাকে কেইন সমর্থন বা সমালোচনা করেননি।
বেশিরভাগ সময় সমর্থন, অন্যসময় সমালোচনা।
[ তার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু কিছু দিক একটু বেশিই আলোচিত ছিল ]
দুবার বিয়ে, দুবার ডিভোর্স।
প্রথম বিয়ে প্রেসিডেন্টের ভাগ্নি এমিলি নর্টনের সাথে, যিনি কেইনকে ১৯১৬ সালে ছেড়ে চলে যান।
১৯১৮ সালে তিনি এক মোটর অ্যাকসিডেন্টে তাদের ছেলেসহ মারা যান।
প্রথম বিয়ের ১৬ বছর পর...
...তার প্রথম ডিভোর্সের ২ সপ্তাহ পর...
...কেইন সুজ্যান অ্যালেক্সান্ডারকে বিয়ে করেন...
...যিনি ট্রেন্টন, নিউজার্সির হলটাউনের একজন গায়িকা।
২য় স্ত্রী যিনি কিনা একসময় অপেরা গাইতেন...
...কেইন তার জন্য শিকাগোতে মিউনিসিপাল অপেরা হাউজ নির্মাণ করেন।
৩ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে।
২য় স্ত্রীর জন্য কেইন জানাডু নির্মাণের কথা ভেবেছিলেন; সেই স্ত্রী যখন তাকে ডিভোর্স দেয়...
...জানাডুর নির্মাণকাজ তখনও শেষ হয়নি, অর্ধেক হয়েছিল।
কত খরচ পড়েছে সেটা অজানা।
কেইন ছিলেন জনমতের রূপদাতা, যদিও...
...দেশের ভোটাররা কখনও তাকে নির্বাচন অফিসের মঞ্জুরি দেয়নি।
কিন্তু কেইনের সংবাদ-প্রতিষ্ঠান একসময় এতই ক্ষমতাশালী ছিল...
...যে মনে হচ্ছিল সফলতা তার কদমচুম্বি করবে।
১৯১৬ সালে, গভর্নর পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে...
...রাষ্ট্রের সেরা উপাদানসমূহ পিছনে ফেলে...
...মনে হচ্ছিল হোয়াইট হাউজ দিয়েই তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি হবে...
...তারপর হঠাতই, নির্বাচনের পূর্বে ১ সপ্তাহেরও কম সময়ে...
...পরাজয়। লজ্জাজনক, অপমানজনক।
এই পরাজয় ২০ বছরের জন্য আমেরিকাতে সংস্কার কাজ পিছিয়ে দেয়...
...কেইনের রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশের সুযোগ আজীবনের জন্য বন্ধ করে দেয়।
তারপর অর্থনৈতিক মহামন্দার ১ম বছরে...
...কেইনের একটি পত্রিকা বন্ধ হয়ে যায়।
৪ বছরের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানেই কেইনের পতন হয়।
আপনার ১১টি পত্রিকা নতুন বেরিয়েছে, বিক্রি হয়েছে, তারপর বন্ধও হয়ে গেছে।
ঠিক বললাম?
রেডিওতে যা বলে তার সবকিছু বিশ্বাস করবেন না।
- এখন থেকে ইনকোয়ায়রার পড়বেন । - ইউরোপে ব্যবসাবাণিজ্যের পরিস্থিতি কেমন ছিল?
ইউরোপে ব্যবসাবাণিজ্যের পরিস্থিতির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছেন, মি. বোনস?
অনেক কঠিন ছিল।
ফিরে এসে আনন্দ লাগছে?
দেশে ফিরে এসে আমার সবসময় আনন্দ লাগে, আমি একজন আমেরিকান।
সবসময়ই একজন আমেরিকান। আর কোনো প্রশ্ন?
কচ্ছপের গতিতে প্রশ্ন করলে চলবে, ছোরা?
ইউরোপে যুদ্ধের সম্ভাবনা কেমন?
ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সাথে কথা হয়েছে।
যুদ্ধ ডেকে সভ্যতার ধ্বংস ডেকে আনবে , এমন বোকা তারা নয়।
আমি নিশ্চয়তা দিতে পারিঃ কোনো যুদ্ধ হবে না।
কেইন পৃথিবী বদলাতে সাহায্য করেছেন...
...কিন্তু কেইনের পৃথিবী এখন ইতিহাসের পাতায়...
...এবং কেইনের ক্ষমতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তার হলুদ সাংবাদিকতাই এই ইতিহাসের মুখ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।
কেইন তার অসমাপ্ত ও ক্ষীয়মাণ প্রমোদ-প্রাসাদে একা পড়ে থাকেন...
...নির্লিপ্ত মানুষটার সাথে খুব কম মানুষই দেখা করে, কখনও তার ছবি তোলা হয় না...
...নিউজপ্রিন্টের সম্রাট তার ধসে পড়া সাম্রাজ্য পরিচালনা থামালেন না।
নিরর্থক শাসনের প্রচেষ্টা করছিলেন, যেমনটা একসময় করতেন...
...জাতির ভাগ্যের সাথে ; যে জাতি তাকে আর কর্ণপাত বা বিশ্বাস করে না।
তারপর গত সপ্তাহ, চার্লস ফস্টার কেইন পড়েন মৃত্যুর কবলে ; মৃত্যু - যার থেকে কারও নিস্তার নেই।
''নিউজ অন দ্য মার্চ''
- এখানেই শেষ। - হ্যালো। হ্যালো।
- দাঁড়াও। - আমি তোমাকে জানাবো আমরা এটা পুনরায় চালাবো কিনা।
- কেমন লাগল, মি. রওলস্টোন? - কোন কোন দিক আপনার ভালো লেগেছে?
একজন মানুষের ৭০ বছরের জীবনকে একটা শর্টফিল্মে তুলে ধরা অনেক জটিল কাজ।
শর্টফিল্মটা ভালো তবে এর দৃষ্টিকোণের অভাব আছে।
ফিল্মটা দেখে শুধু জানতে পারছি যে চার্লস ফস্টার কেইন মারা গেছেন।
সেটাতো আমি জানিই ; পত্রপত্রিকা তো আর কম পড়ি না।
কিন্তু আমরা মানুষটার কৃতকর্ম সম্পর্কে জানতে চাই...
...তিনি মানুষ হিসেবে কেমন ছিলেন তা জানতে চাই।
ভালো কথা, তার বলা শেষ শব্দ যেন কী ছিল?
কারও কি মনে আছে?
মৃত্যুর সময় তার বলা শেষ শব্দ কী ছিল?
সম্ভবত নিজের সম্পর্কে কিছু বলেছিলেন।
- সম্ভবত না। - আমরা শুধু তাকে একজন গ্রেট আমেরিকান হিসেবে দেখেছি।
কীভাবে তিনি ফোর্ড, হার্স্ট বা জন ডো থেকে আলাদা ছিলেন?
- হ্যাঁ, অবশ্যই। - কী বলি শোনো, একজন মানুষ মৃত্যুর আগে যা বলে...
- কী বলেছিলেন তিনি? - পত্রপত্রিকা তো কিছু পড় না।
যখন চার্লস ফস্টার কেইন মারা যান, তিনি মাত্র একটা শব্দ বলেছিলেনঃ
''রোঝবাড।'' মাত্র একটা শব্দ? বেশ দুর্বোধ্য মানুষ বটে।
হ্যাঁ, ''রোঝবাড।'' মাত্র একটা শব্দ।
- কিন্তু সে কে? - রোঝবাড জিনিসটা কী?
তিনি রাষ্ট্রপতি হতে পারতেন...
...অন্যদের মত তিনিও মানুষের ভালোবাসা, ঘৃণা ও আলোচনার পাত্র ছিলেন...
কিন্তু যখন মারা যান...
...তার মনে ''রোঝবাড'' নামে কিছু একটা উদয় হয়।
- এর মানে কী? - হয়ত এটা কোনো রেসহর্স যার ওপর তিনি বাজি ধরেছিলেন।
- যেই বাজি তিনি হেরেছিলেন। - কিন্তু রেসটা কী নিয়ে ছিল?
রোঝবাড।
- থম্পসন। - হ্যাঁ।
- ফিল্মটা ১ সপ্তাহ চালু রাখো, দরকার পড়লে ২ সপ্তাহ। - তোমার কি মনে হয়না যে তার মৃত্যুর পর...
রোঝবাডের অর্থ খুঁজে বের করো। কেইনের চেনাজানা সবার সাথে যোগাযোগ করো।
তার এক ম্যানেজার ছিল...কী যেন নাম তার...
বার্নস্টেইন। কেইনের ২য় স্ত্রী এখনও জীবিত।
সুজ্যান অ্যালেক্সান্ডার কেইন।
- অ্যাটলান্টিক সিটিতে একটা নাইটক্লাব চালায়। - ঠিক বলেছ।
তাদের সবার সাথে দেখা করবে। যেসব মানুষ কেইনের জন্য কাজ করেছে সবার সাথে যোগাযোগ করবে...
...যারা যারা তাকে ভালোবেসেছে বা ঘৃণা করেছে সবার সাথে।
আমি অবশ্য তোমাকে সিটি ডাইরেক্টরি ঘাটতে বলছি না।
আমি এক্ষুনি কাজে লেগে যাবো।
ভালো ; যেভাবেই হোক রোঝবাডের রহস্যভেদ করতে হবে।
শেষে গিয়ে দেখা যাবে এটা হয়ত খুবই সামান্য কিছু।
মিস অ্যালেক্সান্ডার।
ইনি মি. থম্পসন, মিস অ্যালেক্সান্ডার।
আরেক গ্লাস ড্রিংক আনো, জন।
এক্ষুনি নিয়ে আসছি। আপনি কিছু খাবেন, মি. থম্পসন?
- একটা উইস্কি, প্লিজ। - কে আপনাকে বসতে বলেছে?
ভাবলাম একটু আলাপ করা যায় কিনা।
আরেকবার ভাবুন।
আপনারা কি আমাকে শান্তিতে থাকতে দিবেন না?
আমি আমার চরকায় তেল দিচ্ছি, আপনিও আপনারটায় দিন।
আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাচ্ছিলাম, মিস অ্যালেক্সান্ডার। আমি...
এখান থেকে বের হন।
বের হন বলছি !
- দুঃখিত। - বের হন !
- হয়ত পরে কোনো একসময় কথা হবে। - বের হন !
জিনো।
উনাকে আরেকটা উইস্কি দাও।
তিনি কারও সাথে কথা বলবেন না, মি. থম্পসন।
ঠিক আছে।
- আরেকটা ডাবল? - হ্যাঁ।
হ্যালো, নিউইয়র্ক সিটির সাথে যোগাযোগ করতে চাই।
কোর্টল্যান্ড ৭৯৯৭০। অ্যাটলান্টিক সিটি ৪৬৮২৭ থেকে বলছি। ঠিক আছে।
হেই।
- সে একটু ( টাল )... - হ্যাঁ বুঝেছি।
তার নেশা উতরে যাবে।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত স্বামীর ব্যাপারে আলাপে মিসেস কেইনের কোনো আপত্তি ছিল না...
হ্যালো।
থম্পসন বলছি। চিফের সাথে কথা বলতে চাই।
মি. রওলস্টোন? সে কথা বলবে না।
কেইনের ২য় স্ত্রী কথা বলছি। রোঝবাড বা অন্য কোনোকিছু নিয়ে আলাপে তার আগ্রহ নেই।
অ্যাটলান্টিক সিটি থেকে ফোন করেছি।
আগামীকাল ফিলাডেলফিয়ার থ্যাচার লাইব্রেরীতে যাবো, থ্যাচারের ব্যক্তিগত ডায়রি দেখতে।
তারা জানে আমি সেখানে যাবো।
এরপর কেইনের ম্যানেজার বার্নস্টেইনের সাথে নিউইয়র্কে একটা মিটিং আছে।
তারপর এখানে ফিরে আসব।
হ্যাঁ, তার চেনাজানা সবার সাথেই দেখা করবো। খোদা হাফেজ।
- হেই... আম্... - জন।
মনে হয় আপনি আমাকে সাহায্য করতে পারবেন।
আচ্ছা, আগে যখন তিনি মি. কেইনের প্রসঙ্গে কথা বলতেন, কখনও কি রোঝবাড নিয়ে কিছু বলেছেন?
"রোঝবাড"?
ধন্যবাদ, মি. থম্পসন, ধন্যবাদ।
No comments yet. Be the first to leave one.