The Thin Red Line

The Thin Red Line

Descargar subtítulo en Bengali

Información de lanzamiento

The Thin Red Line 1998 720p BrRip x264 YIFY
The Thin Red Line 1998 1080p BrRip x264 YIFY
Comentario por Irtiza_Chowdhury

Etiquetas

brrip
x264
1080
720p
720
Publicado el: 2018-05-19
Descargas: 120
Para personas con discapacidad auditiva: No

Vista previa de los subtítulos en Bengali

Las primeras 200 líneas.

প্রকৃতির বুকে এই যুদ্ধ কীসের?

কেন প্রকৃতি নিজেই যায় নিজের বিরুদ্ধে?

জমি যায় সাগরের বিরুদ্ধে?

প্রকৃতির কি প্রতিশোধ নেয়ার একটা মনোবৃত্তি রয়েছে?

একটা নয়, দুটো?

মনে আছে, যখন আমার মা মারা যাচ্ছিলেন।

একদমই ছোট আর ফ্যাকাশে লাগছিল তাকে।

তাকে জিজ্ঞেস করলাম ভয় লাগছিল কিনা।

তিনি তার মাথা নাড়ালেন শুধু।

আমি তাকে এমন মুমূর্ষু অবস্থায় ছুঁতে ভয় পাচ্ছিলাম।

দুনিয়ার সকল সৌন্দর্য, শক্তি খুঁজে পেয়েছিলাম...

তার ঈশ্বরের কাছে ফিরে যাওয়ার মাঝে।

মানুষকে অমরত্ব নিয়ে কথা বলতে শুনি।

কিন্তু স্বচক্ষে তা দেখিনি।

অবাক লাগে ভেবে, আমার মৃত্যুর সময় কী হবে।

কেমন লাগবে, যখন জানবো এটাই...

আমার জীবনের শেষ নিঃশ্বাস হতে যাচ্ছে।

একটাই চাওয়া, মৃত্যুটা যেন আমার মায়ের মতই হয়...

একইরকম স্নিগ্ধতার সাথে।

কারণ তাতেই লুকিয়ে থাকবে —

সেই অমরত্ব, যা আমার অদেখা।

এখানকার বাবুরা দেখি কখনও মারামারি করে না।

মাঝে মাঝে করে।

মাঝে মাঝে যখন তারা খেলে,

দেখবেন পুরোটা সময় মারামারি করছে !

- আমাকে ভয় পাচ্ছে নাকি? - একটু।

- আপনি কি ভয় পাচ্ছেন আমাকে? - হ্যাঁ।

- কেন? - কারণ আপনি দেখতে...

আপনি দেখতে আর্মিদের মত !

- আর্মিদের মত লাগে আমাকে? - হ্যাঁ।

ব্যাপার না।

কিছু আসে যায় না এতে।

- বাবুকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে। - হ্যাঁ।

সাঁতার কাঁটার পর সে মন চাইলে ঘুমোবে।

হুম।

ঘোরো তো দেখি।

যাও, যাও !

জলদি যাও।

যাও, যাও !

উইট, একটা আমেরিকান প্যাট্রোল বোট দেখলাম !

এখানে ঘুরঘুর করছে কেন?

তুমি একদম বদলাওনি, তাই না, উইট?

এখনও কিছুই শেখোনি।

মানুষ তোমার মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খায়, আর তুমি প্রতিবাদও করো না।

কতবার অনুমতি ছাড়া নিরুদ্দেশ হয়েছ?

আর্মিতে কত বছর হল তোমার? এই নিয়ে ৬ বছর না?

এতদিনে কি চালাক হয়ে আবুল সাজা বন্ধ করা উচিৎ নয়?

আদৌ সেটা সম্ভব কিনা ঈশ্বরই জানেন।

চালাক হওয়া সবার সাধ্যে নেই।

না, নেই, আর ব্যাপারটা লজ্জাজনক।

নিজেকেই দেখো।

বাস্তবতা হল, তুমি আমার অধীনে কাজ করতে পারবে না।

জিন্দেগীতে কখনও সত্যিকারের সৈনিক হতে পারবে না।

এটা সি কোম্পানি, যেটার ফার্স্ট সার্জেন্ট আমি। আমি এই দলের পরিচালক।

ক্যাপ্টেন স্টারোস সিও হলেও আমিই এর পরিচালক।

এখানে কোন গড়বড় হতে দিবো না আমি।

তুমি আমার কাছে কেবল একটা বোঝা।

অন্যকেউ থাকলে তোমার নামে মামলা করত।

কিন্তু আমি দরদ দেখাচ্ছি। নিজেকে ভাগ্যবান মনে করো সেজন্য।

শাস্তি হিসেবে তোমাকে অন্যদলে পাঠাচ্ছি।

তুমি খাটিয়া বহনের কাজ করবে।

আহতদের দেখাশোনা করবে।

আপনি যা দিবেন, মাথা পেতে নিতে পারবো।

আমার শক্তি আপনার দ্বিগুণ।

এই জগতে...

মানুষ একা কিছু করতে পারে না।

আর জগত এই একটাই।

কথাটা ভুল বললেন, টপ।

আরেক জগত দেখেছি আমি।

মাঝে মাঝে ভাবি, ওটা বোধ হয় আমার কল্পনামাত্র।

বেশ...

তাহলে এমন জিনিসও দেখতে পেরেছ যা আমি কখনও পারবো না।

আমরা এমন যা জগতে বাস করি যা দিনদিন নরকের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে উচিৎ চোখ বুজে সব উপেক্ষা করা।

নিজের কথা আগে ভাবা।

আমি মত শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ত আর পাবে না তুমি।

তুমি হয়ত সেটা বুঝতে পারছ না।

সে তোমাকে মন থেকে ঘৃণা করে।

কখনও মনে হয়নি সেটা।

কারণ আমি তাকে ঘৃণা করি না।

চার্লি কোম্পানিকে আমি ভালোবাসি।

ওরা আমার পরিবার।

এটার নাম ''দ্য রক''। দ্বীপটা সবাই এড়িয়ে যেতে চাইছে।

জাপানিরা সেখানে বিমানঘাঁটি পেতেছে। প্লেন চলাচল এই জায়গায় সীমাবদ্ধ।

দেখতেই পাচ্ছ, এটা তাদের অস্ট্রেলিয়া যাবার...

আর এটা আমেরিকাতে জাহাজের আসা-যাওয়া নিয়ন্ত্রণের পথ।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানিদের আগমন ঠেকাতে...

আমাদের যা করার ঠিক এখানেই করতে হবে।

মেরিনদের দায়িত্ব শেষ। আবার আমাদের পালা।

গাধার মত খেটেছি।

সেনাপতিদের তেল মেরেছি।

নিজেকে ছোট করেছি...

তাদের জন্য, আমার পরিবারের জন্য...

আমার ঘরের জন্য।

- তোমাকে আমার পছন্দ, কর্নেল। সত্যিই। - ধন্যবাদ, স্যার।

তোমার বয়সে সাধারণত মানুষ অবসর নিয়ে ফেলে।

ব্যাপার না।

তোমার মত পরিপক্ব এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন সেনা কর্মকর্তাদেরই আমাদের দরকার।

আমাদের দক্ষ সার্জেন্ট এবং অভিজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল রয়েছে।

কিন্তু একবার পদোন্নতি হলে মানুষ লোভে পড়ে যায়।

সে রাজনীতিবিদ হয়ে পড়ে, ঠিক না?

গ্রহণযোগ্যতা পেতে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়।

নৈতিকতা ধরে রাখা এত কঠিন।

- একদম খাঁটি কথা বলেছেন, স্যার। - অ্যাডমিরাল সাহেবের নজর আছে সবার ওপর।

- কেউ না কেউ সবসময় নজর রাখছে। - হ্যাঁ।

বাজপাখির মত।

কেউ না কেউ সবসময় প্রস্তুত ঝুঁকি নিতে, যতই তুমি অপ্রস্তুত থাকো।

তোমার কি ছেলে আছে, কর্নেল?

- জি, স্যার। আছে। - ভালো।

কারণ আমরা নিশ্চয়ই চাই না আমাদের বংশধররা...

আজ থেকে ৩০ বছর পরও এই লড়াই লড়ুক, চাই নাকি?

- না, স্যার, একদমই চাই না। - তাহলে নির্দয়ে তাদের খতম করে দিতে হবে।

তন্নতন্ন করে তাদের পাহাড় থেকে খুঁজে বের করে বিমানঘাঁটিটা রক্ষা করবে।

জি, স্যার।

প্রশ্ন হল কেন — কেন...

কেন জাপানিরা ওখানেই বিমানঘাঁটি পাততে গেল?

হয়ত তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য আমাদের অজানা।

উদ্দেশ্য আদৌ আছে কিনা সন্দেহ। তোমার কী মনে হয়?

আসলে, স্যার, কখনও ভেবে দেখিনি সে ব্যাপারে।

তুমি খুব অমায়িক।

দ্বীপটা উদ্ধারের ইচ্ছা কারোর নেই...তুমি বাদে।

তোমার ইচ্ছাশক্তি কতটুকু?

যতটা দরকার, স্যার।

আমার জন্য কত ত্যাগ স্বীকার করেছে তারা ...

অঝোরে লুটিয়ে পড়েছে মাটিতে।

আমাকে ভালোবেসেই হয়ত করেছে সব।

দেরি হয়ে গেছে অনেক।

মারা যাচ্ছে......

বৃক্ষের মত ধীরে।

বুঝতে পারছ?

জি, স্যার।

ধন্যবাদ, স্যার।

জাহাজটা ব্রিজের কাছে নাও।

রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে।

না চাইতেও ভয়ে মরে যাচ্ছি, সার্জেন্ট, বুঝলেন?

না চাইতেও এমন হচ্ছে। আমি...

পিচ্চিকালে আমার সৎবাবা কাঠের গুঁড়ি দিয়ে মারধর করতেন।

আর আমি ভয়ে দৌড়ে পালাতাম, লুকিয়ে পড়তাম।

অনেক রাত মুরগির ফার্মে ঘুমিয়েও কাটিয়েছি।

আর, আহ —

কখনও ভাবিনি এমন খারাপ সময় আবারও ফিরে আসবে।

কিন্তু এখানে প্রতিটা মিনিট হিসাব করে কাটাচ্ছি। প্রতিটা সেকেন্ডের হিসাব রাখছি।

- বুঝলাম। - আমরা শীঘ্রই ডাঙ্গায় নামবো —

আমরা শীঘ্রই ডাঙ্গায় নামব আর সেখানে বিমানযোগে ভয়াবহ আক্রমণ হবে।

মিশন শুরুর আগেই হয়ত আমরা মারা পড়ব।

এই জায়গাটা... এক বিশালাকার ভাসমান কবরস্থান।

- তোমার নাম কী, খোকা? - এখান থেকে বের হয়ে আমি গাড়ি কিনতে চাই।

- নাম কী তোমার? - এডওয়ার্ড, এডওয়ার্ড বি ট্রেন।

ট্রেন?

মৃত্যু এবং ঈশ্বর - এই দুটো জিনিসই কেবল চিরন্তন সত্য।

এগুলো নিয়েই চিন্তা করা উচিৎ।

এসব যুদ্ধ-টুদ্ধ আমার ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারবে না।

- আপনারটাও পারবে না। - আমাদের ওপর কি বিমানযোগে আক্রমণ হবে?

তা আমি ক্যামনে জানবো?

শুধু জানি, ক্রুর লোকদের বেলায় কোনো আক্রমণ-টাক্রমণ হয়নি।

তবে শেষদিকে একটু হলেই তারা মারা পড়ছিল।

- এর চেয়ে বেশি কী বলতে পারি? - অনেক উপকার করেছ, টিলস।

আর কিছু বলা লাগবে না তোমার। একটা কথা বলি।

আমরা অবুঝ বালকের মত হাত-পা গুটায়ে জাহাজে ভেসে বেড়াচ্ছি শুধু।

সেটা তো জানিই।

ব্যাপারটা নিয়ে ভালো করে ভাবো, টিলস। ভালো করে ভাবো।

- তামাশা দেখবে না? - ইচ্ছে নেই দেখার।

- ঠিক, বেশ ভিড় ওখানে। - না থাকলেও দেখতে যেতাম না।

পিস্তলটা নিতে যাচ্ছি আমি।

- তাই? বারোটা বাজাও নিজের। - হ্যাঁ, বারোটা বাজাও নিজের।

আফসোস হবে তোমাদের ; যখন ডাঙ্গায় পৌঁছে...

জাপানি সৈন্যদলের খপ্পরে পড়বে।

দরজা খোলো ! মরার দরজাটা খোলো !

দরজা খোলো !

তাস খেলাতে আমি ওস্তাদ।

আচ্ছা। আমি ঘুমাচ্ছি এখন। জ্বালিয়ো না।

হ্যাঁ।

এইযে, হাফলেডিসগণ। জীবনে আগে কখনও তাস খেলোনি?

আচ্ছা, গোলাম নিয়ে বাজি ধরা যাক। রবার্টের কাছে দুটো গোলাম।

জীবনের সবচেয়ে বড় ইচ্ছাটা পূরণ হয় এই আর্মিতে যোগ দেয়ার সময়...

যুদ্ধের আগে ব্রন্‌ক্স-এ।

তখন কি আর জানতাম এমন ভয়াবহ যুদ্ধ লাগবে?

জবাব দাও।

শুধু জানি, চার্লি কোম্পানি সারাক্ষণ বাঁশ খাচ্ছে। সারাক্ষণ।

আর দোষটা কার বলছি।

আমাদের ক্যাপ্টেনের।

প্রথমে তার কারণে নিজেদের দল ছেঁড়ে এই জাহাজে আটকা পড়ি...

এতগুলো অচেনা-অজানা মানুষের মাঝে।

তারপর এই মরার জাহাজ থেকে উদ্ধার পেতে তারই কারণে এই খুপরিতে আটকা পড়েছি।

হ্যালো, ক্যাপ্টেন।

আপনার ফাইলে পড়লাম, যুদ্ধের আগে আপনি নাকি অফিসার ছিলেন।

সেখান থেকে সিপাহী কীভাবে হলেন?

আমার স্ত্রীর কারণে।

আমি ইঞ্জিনিয়ারদের শাখায় ছিলাম।

আমরা একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারতাম না।

একটা রাতও না।

সেখানে ৪ মাস কাজ করি,

তারপর ছেড়ে দিই।

পদত্যাগ করে ফেলি।

তারা আমাকে দেশে ফেরত পাঠায়।

জানিয়ে দেয়, আমার নাকি কখনও পদোন্নতি হবে না।

বলে, তারা আমার কথা বিবেচনা করে পদাতিক সৈন্যবাহিনীতে ঢুকানোর ব্যবস্থা করবে।

কুত্তার বাচ্চাগুলান।

না, তাদের কোনো দোষ নেই।

এখন কোথায় সে?

Comentarios

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left