Las primeras 200 líneas.
পাশের দিকে যা!
পাশের দিকে যা! যেতে থাক!
যা! যা!
- বাড়িত যা! ভাগ এখান থেকে! - চিংস, বাড়িত যা!
- চিংস, বাড়িত যা! - চিংস, বাড়িত যা!
চিংস, বাড়িত যা!
চিংস, বাড়িত যা! চিংস, বাড়িত যা!
বাড়িত যা!
বাড়িত যা! বাড়িত যা, কুলির বাচ্চারা!
যেখান থেকে এসেছিস সেখানে যা, চুদিরপুতেরা!
হেই, চিং।
আদাব, ভায়েরা।
আমি ওয়াং চাও।
তোমাদের নতুন মনিব লাও টিং…
তোমাদের স্যান ফ্রান্সিসকোতে স্বাগতম জানাচ্ছে।
লাও টিং আমেরিকানদের সাথে একত্রেই কাজ করে…
চিংস, বাড়িত যা! চিংস, বাড়িত যা!
শ্রম দাও, আইন মানো…
আর ধনী হয়ে ঘরে ফেরো।
ইন্সপেকশনের জন্য পেপার ইমিগ্রেশন অফিসারের কাছে দাও।
যেহেতু লাও টিং আসার খরচ দিয়েছে…
ঋণ শোধের জন্যই চার মাসের বেতন কেটে নেওয়া হবে।
আর তারপর…
সামনে থেকে সর। শালার, শরীর থেকে কী দুর্গন্ধ আসে।
ভাগ্যের চাকা ঘুরতে থাকবে।
ব্যাগটা খোল, নষ্ট মাল।
মাথায় ঢোকেনা হারামজাদারা নিজেদের মধ্যে
নিজেরা থাকে কী করে।
হেই, চিংচং, নিজের গন্ধ কখনো শুঁকেছিস?
ইয়াহ? ইয়াহ?
কথা বলার সময়ে সামনে থেকে যাবি না, চিংচং।
বাল, লোকটা ময়লা থেকেই খুটে খাবে।
করছো কী?
পেটে ছুঁচো নাচছে।
ফেল।
ওঠ।
বললাম ফেল।
এর আবার সমস্যা কী?
তোর ভাইয়ের জন্য মন কাঁদছে?
একটা প্রশ্ন করেছি, শুয়োর।
- বালটাও বোঝে না শালারপুত। - ইয়াহ?
আগে ত শিখে নিতে হবে, কারন এখন জবাব না দিলে,
তার দামী শার্টটা রক্তে ভিজে যাবে একটু পর।
তোর জায়গায় আমি থাকলে আবার রিপিট করতাম না।
শালারপুত চান্দু দেখি ইংরেজীও মারায়!
খাইছে আমারে। আবার ক। কিছু বল।
দু'চারটা সাদা হোতকার মনোরঞ্জনের জন্য
অর্ধেক দুনিয়া শাউয়োর নৌকায় করে ভেসে আসিনি।
এইতো। বললাম কিছু।
ইংরেজী মারাতে পারলেই, ওভাবে চটাং চটাং করতে পারবি ভাবলি?
তোর মানতেই হবে, তাতে কাজ হয়।
মাদারচোদের নিজের পায়ের তলের মাটির খোঁজ রাখতে হবে।
আমাকে মারতে পারবি মনে হয়?
ভুল প্রশ্ন করলি।
ওহ, আচ্ছা? ঠিকটা কোনটা?
ঠিকটা হচ্ছে, সত্যিই জানতে চাস?
মাদারচোদ।
আমাকে নিচ্ছো কোথায়?
তোর উপকার করছি।
মুখ বন্ধ রাখবি, আর তোর দেখভাল আমি করব।
- হ্যালো। - কী অবস্থা?
ইংরেজী বলতে পারিস।
আমার এক দাদা আমেরিকান ছিল।
সেটা নিজের কাছে রাখলেই ভালো হবে, বুঝলি?
হোয়া!
হেই, চাও। কী খবর ভাইস্তা?
এই চান্দু আসলো কোত্থেকে?
এ কোনো যেনতেন চান্দু না।
বিশ্বাস কর, ওর হাতে জাদু আছে।
তিনটা ইমিগ্রেশনের ষণ্ডার গুষ্টি চুদে দিয়েছে এই লোক।
সেই স্পিড। এমনভাবে মারলো যেন সব উড়ে হাওয়া।
গুল মারিস না।
তিনজন, হাহ?
এই ছেলে, দারুণ প্রশিক্ষিত।
ভাবলাম আগে এখানেই নিয়ে আসি।
হুম।
- মাত্র এসেছে? - আজকেই।
আমাদের চিনিস?
ইয়াহ, ব্ল্যাক & রেড। হপ উই।
তিনটা ষন্ডা, হাহ?
না, তা মনে হয় না।
আমার ত লাগছে তারা তোকে মনে করার জন্য টাকা দেয় না।
বললিটা কী?
শালার চান্দুর কথায় ধার আছে। সেরা। সেরা।
আগের রেটই?
ম্মম-হুম।
তো, নতুন মাল?
চাও বললো মারামারি ভালোই করে।
চাও গোদে বিষফোঁড়া হতেই পারে,
কিন্তু এগুলা ভালোই হ্যান্ডেল করে।
- নাম কী? - আহ সাম।
আসছো কোথা থেকে?
ফোশান।
- প্রশিক্ষণ কে দিয়েছে? - সিফু লি কিয়াং।
হুম।
টংদের মধ্যে যুদ্ধ লাগতে যাচ্ছে। মারামারি করতে পারলে, দলে তুমিও আছো।
ইয়ং জুন থাকার ব্যবস্থা করে দেবে।
কাল তোমার সাথে কাজ শুরু করবো আর তারপর দেখবো তোমার মূল্য।
আহ সাম।
মাত্র নৌকা থেকে নামলাম কি আমি?
মাফ করবেন?
জিজ্ঞেস করলাম নৌকায় করে
মাত্রই সাগর পাড়ি দিয়ে আমিই আসলাম নাকি।
না, আপনি আসেন নি।
না, আমি আসিনি।
চায়নাটাউনের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী
টং এর আমিই বস।
আর তুই হচ্ছিস শালার মদের দামে আমার নিয়ে আসা
২৫,০০০ চাইনিজদের মধ্যে একজন।
তোকে বলি, সত্য কথা বলতে,
তোকে মনে করিয়ে দেই তুই একটা কামলা চান্দু!
আর কোনো চান্দুর আমার সামনে থেকে যাওয়ার আগে,
মাথা নুইয়ে যেতে হয়।
সতর্কবার্তা দিয়ে দিলাম।
ফাদার জুনের সাথে কথা বলার সময়ে সাবধান।
ইয়াহ।
সে তার লাঠিটা সবসময় এতো দ্রুত নাড়াচাড়া করে নাকি?
ইয়েস, আর আমি তা ভালোই জানি, আমার বাবা ত।
বাল। হেই।
- অসম্মান করে কিছু বলি নি। - তাই?
কারন একদম ওরকমটাই মনে হল আমার কাছে।
- না, আমি… - "না, আমি…"
তোমার সাথে মজা করছিলাম, ভাই।
আমার বাবা হওয়ার ব্যাপারটা বাদে।
ওটা সত্য।
এক বেশ্যা আর চায়নাটাউনের সবচেয়ে
ক্ষমতাশালী বসের ফসল আমি।
সবাই ধরে ফেলে কীভাবে এরকম পজিশন পেলাম।
দেখ, ফাদার জুন কড়া মাল হতে পারে, ঠিক আছে?
কারন সেই আসল মাল।
আফিম যুদ্ধের সময়ে ব্রিটিশ নেভির সাথে মারামারি করেছিল সে,
সাংহাই যুদ্ধ।
ব্রিটিশ নৌবহরের বিরুদ্ধে কয়েকটা কামানধারী মাছধরা
ভাঙ্গারীর মাল নিয়ে।
সাতরে গিয়ে একটা তলোয়ার দিয়ে পুরো জাহাজের সবাইকে খেলে দেয়।
কথা হচ্ছে, এখন তার বয়স হয়ে যেতে পারে,
কিন্তু তার সাথে লাগতে যেও না।
- বুঝেছ? - ইয়াহ, আমি বুঝেছি।
ঠিক আছে।
এখনো চামড়ায় সয়ে যায় নি,
তাই রুমেই থাকো,
হাগা বা মোতা লাগলে,
হলের টয়লেট ব্যবহার করবে।
বিশ্রাম নিয়ে নাও।
কাল থেকে কাজ শুরু করব।
বাল।
- সুদর্শন ছেলে। - অফিসার।
- শুভ রাত্রি'। - শুভ রাত্রি।
সাহায্য করুন, তারা আমাদের মেরে ফেলছে। সাহায্য করুন…
স্যার।
- ঠিক আছে, সোনা। তাকিও না। - স্যার!
হেই, থাম!
ওসব ফেলে দাও, ভায়েরা। সতর্ক করে দিচ্ছি।
থাম। থাম!
সুপ্রভাত।
সুপ্রভাত।
ধন্যবাদ।
খাবে না?
তোমাকে শুকিয়ে যেতে দিলে, তোমার বাবা আমাকে কথা শোনাবে।
বাকলি।
এখানে আসা হল কেন?
সুপ্রভাত, মিস্টার মেয়র। মিসেস ব্লেক। নবদম্পতি কেমন আছে?
কী সমস্যা, বাকলি?
প্লীজ।
হাওয়ার্ড স্ট্রীটে দুজন চায়নাম্যানকে হত্যা করা হয়েছে গতরাতে।
ইয়েস, আর?
তারা মেরিওয়েদার ভবনে কাজ করছিল।
যা জানতে পেরেছি, দুজন শ্রমিক সন্ত্রাসী
হাতুড়ি দিয়ে তাদের মাথা থেঁতলে দিয়েছে।
- ওহ, ঈশ্বর। - বাল। প্রেস?
এখনো জানে না, কিন্তু কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছি, তারা গন্ধ শুঁকে ফেলবে।
সেটা থামানো যায় নাকি দেখি।
সাক্রামেন্টোর আর মনোযোগ টানতে চাই না।
ইয়েস, যেকোনো মূল্যেই, খুন পত্রিকার নজরের বাইরে রাখা চাই।
ওসব রাষ্ট্রীয় মামলা, সোনা। আর ওসব তোমার মাথাব্যথা না।
আর তারপরেও মাথাব্যথা হচ্ছে।
তুমি নিশ্চিত তারা মেরিওয়েদারের ছিল?
খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ধুর বাল। সে ক্ষতিপূরণ চেয়ে বসবে।
-চলো। -তারা জনতা, জানো ত।
আর সরকার তাদেরকে
অন্যসব বিধানিক সমস্যা সমাধানের দৃষ্টিতেই দেখে।
সাবধানে সোনা। তুমিও সরকারই লোকেরই স্ত্রী।
দুজনকে সেন্ট্রাল বুকিং এর জন্য আনা হয়েছে।
একজনকে ছোটখাটো অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তারা আটকে থেকেই রাত পার করেছে।
কতদ্রুত তাদের অভিযুক্ত করা যায়?
রিপোর্টারদের নাস্তা শেষ হওয়ার আগেই
তাদেরকে সামনে দেখতে চাই।
বেশ, সকালেই তাদের তোলা হবে,
- কিন্তু আজকে ব্যস্ত দিন। - বেশ, দেখো যা করতে পারো।
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত, জেন্টলম্যান।
সুপ্রভাত, মিস্টার মেয়র।
মেরিওয়েদার রাগে ফেটে পরবে।
আমরা তাকে প্রতিরক্ষার কথা দিয়েছিলাম।
বেকারত্বের সাথেসাথে শ্রমিকদের
আন্দোলন ক্রমশ বাড়ছে।
- লিয়ারি রক্তের খোঁজে উন্মত্ত। - সুপ্রভাত। আবার দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
লিয়ারি আমার ক্যাম্পেইনে ফান্ড দিবে না।
কথা সত্য।
No comments yet. Be the first to leave one.