La unuaj 200 linioj.
অ নু বা দ ক : মে হে রা ব হো সে ন
মাফ করবেন। দুঃখিত। দুঃখিত।
মাফ করবেন। একটু সরে দাঁড়ান।
আজ রাতে, তথাকথিত জাদুকর লায়োনেল শ্রাইক
একটি অসম্ভব কৌশল প্রদর্শন করার মাধ্যমে
দর্শকদের মনোযোগ ও দৃষ্টি কাড়ার চেষ্টা করতে যাচ্ছেন।
এই সিন্দুকটিকে সবচাইতে মজবুত লোহা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
একে ভেদ করে বাইরে আসা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।
তবুও, লায়োনেল শ্রাইক মনে করেন তিনি এই সিন্দুক থেকে বের হতে পারবেন।
বাবা! বাবা!
আরে, ব্যাটা। তাহলে এসেই গেছো, হাহ?
ঐ সিটটাকে দেখছো?
ওটা এখানকার সবচাইতে ভালো সিট।
লায়োনেল শ্রাইক কি সত্যিই এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাতে পারবেন?
নাকি আগের বারের মতো এবারও তিনি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবেন?
সেটা তো সময়ই বলে দেবে।
- কী হলো? - আমি চাই না তুমি এ কাজটা করো।
আরে, ডিলান। আমরা এ নিয়ে আগেই আলাপ আলোচনা করেছি।
মনে নেই? আমাকে কী করতে হবে?
যারা আমাকে নিয়ে বাজে কথা ছড়াচ্ছে, তাদেরকে ভুল প্রমাণিত করতে হবে।
বুঝলে? তাছাড়া...প্রয়োজনের সময়ে যাতে কাজে লাগে, সেরকম গোপন প্ল্যান আমার কাছে সবসময়ই থাকে।
এখন, তোমার বাবার মতো করে ঘড়িটা ধরো তো?
- আচ্ছা। তাহলে আমি কত সেকেন্ড সময় পাচ্ছি? - তিনশো সেকেন্ড।
তিনশো সেকেন্ড। হয়তো একটু কমও লাগতে পারে।
তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
আচ্ছা। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা হচ্ছে।
লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলম্যান, লায়োনেল শ্রাইক!
উনি কি তার শ্বাস চেপে রাখতে পারবেন?
উনি কি যেকোনো উপায়ে এই সিন্দুক ভেদ করে বের হতে পারবেন?
তিন, দুই, এক...
দুই, তিন,
চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট...
২৯৬... ২৯৭, ২৯৮, ২৯৯, ৩০০।
৩০৩, ৩০৪...
পাঁচ মিনিট হয়ে গেছে,
অথচ আমরা এখনো লায়োনেল শ্রাইকের কাছ থেকে কোনো ধরনের সাড়া পাইনি।
সরো!
বাবা!
বাবা! বাবা!
আমাকে যেতে দাও!
বাবা!
না! বাবা!
বাবা! আমাকে যেতে দাও!
উনাকে খুঁজে বের করো!
দ্য আই।
হয়তো এটা মিথ্যা না...
কিন্তু এক মুহূর্তের জন্যও ভাববেন না যে এটাকে মিথ্যা বলা যায় না।
আমরা যা দেখি তা-ই বিশ্বাস করি।
কিন্তু দেখাটাই কি সত্য?
মানুষ হর্সমেনকে রবিনহুডের মতো মহৎ বলে মনে করে। কিন্তু সত্যিই কি তারা মহৎ?
নাকি ওরা কোনো সাধারণ চোর, বাটপার?
সেটা নির্ভর করছে আপনার দেখার দৃষ্টিকোণের ওপর।
আপনারা কী কী জানেন?
তারা লাস ভেগাসের একটা মঞ্চে থেকে প্যারিসের একটা ব্যাঙ্কের মোটা অঙ্কের টাকা লুট করে।
তারা একজন প্রভাবশালী ইনস্যুরেন্স কোম্পানির মালিকের একাউন্ট থেকে কয়েক লক্ষ ডলার হাতিয়ে নেয়,
আর তারপর নিউ ইয়র্কের একটা বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে লাফিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়।
সবসময়ের মতো সেসব টাকাপয়সা তাদের অনুগত ভক্তদের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে যায়।
কিন্তু একটা জিনিস আপনারা জানেন না।
ওরা একজন লোককে ফাঁসিয়ে দিয়ে গিয়েছিলো।
সমস্ত দায়ভার তার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছিলো। সেটা হলাম আমি।
তোমরা শুনছো তো, হর্সমেন?
যখন আবার তোমাদের আবির্ভাব ঘটবে,
তোমাদের জন্য আমি অপেক্ষায় থাকবো।
কারণ একটা কথা কান খুলে শোনো, তোমাদের কর্মের উপযুক্ত ফল তোমরা পাবেই।
এমনভাবে পাবে যার প্রত্যাশা তোমরা কখনোই করোনি।
কিন্তু তোমরা সেটারই যোগ্য।
কারণ আমি একটা মতবাদে বিশ্বাস করি, 'চোখের বদলে চোখ'।
স্বাগতম, ড্যানিয়েল অ্যাটলাস।
আমি কার সাথে কথা বলছি জানতে পারি?
এসবের পেছনের চেহারাটা একবার দেখতে চাই।
তুমি অনেকগুলো প্রশ্ন করেছো। অনেকগুলো অভিযোগও করেছো।
আমরা সব কথাকেই গুরুত্ব দিয়েছি, তাই তুমি নিশ্চিন্তে থাকতে পারো।
তাই নাকি? কারণ আমার তো...
- বিশ্বাস হয় না? - না।
তোমার নেতাকে বিশ্বাস করো না? বাকি হর্সমেনকে বিশ্বাস করো না?
নাকি আমাদেরকে বিশ্বাস করো না?
গত একটা বছর ধরে আমরা লুকিয়ে লুকিয়ে বাস করছি, এই জিনিসটা আমার কাছে মোটেও ভালো লাগছে না।
ডিলানের কাছে কিছু জানতে চাইলে সে একটা কথাই বলে,
"অপেক্ষা করো। ধৈর্য ধরো। দ্য আই এর কাছে একটা প্ল্যান আছে।"
অপেক্ষা করো। ধৈর্য ধরো।
দ্য আই এর কাছে একটা প্ল্যান আছে।
এসমস্ত চালাকি, ছলচাতুরী আমার সাথে এসব চলবে না।
তুমি মনে করো হর্সমেনকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব তোমার হাতে থাকা উচিত, ডিলানের হাতে নয়।
যদি এমনটাই তোমার ইচ্ছা হয়, লক্ষ্যে অবিচল থাকো, চেষ্টা চালিয়ে যাও।
মনে বিশ্বাস রাখো যে তোমার অনন্য প্রতিভা আর অসাধারণ মস্তিষ্ক এর যথার্থ স্বীকৃতি পাবেই।
হর্সমেনের জন্য আমাদের কাছে একটা নতুন মিশন আছে।
ডিলানের কাছে একটা প্ল্যান আছে আর সে খুব শীঘ্রই তোমাদেরকে সেটা জানাবে।
এখন তুমি যেতে পারো!
...দক্ষিণ ক্যারোলাইনা, ফ্লোরিডা, ম্যারিল্যান্ড, মেইনে।
আমরা পূর্বাঞ্চলের পুরো সমুদ্রের এলাকার কথা বলছি।
আমি এর ফলাফল দেখতে চাই।
ওহ, অ্যাই। দুঃখিত।
একটা তাড়া ছিলো। কয়েক মিনিটের জন্য আমার সাথে একটু আসতে পারবে?
আমি একটা মিটিংয়ের মাঝখানে আছি, ডিলান।
বুঝতে পারছি। সমস্যা নেই। এইযে সবাই। ওকে একটু লাগবে। মাফ করবেন।
মেয়রকে ফোন দাও।
অনেক অনেক ধন্যবাদ। যমজ নাকি? চরম তো।
সে-ও আসছে নাকি?
দেখো, একটা জরুরি ব্যাপার ছিলো, নাহলে তোমাকে ডাকতাম না।
এটা হর্সমেন সংক্রান্ত তথ্য।
খুব শীঘ্রই কিছু একটা ঘটবে।
এইযে মেসেজ বোর্ড। এলিট ম্যাজিক সোসাইটির।
সেখানে হর্সমেনদেরকে নিয়ে কথাবার্তা চলছে,
যে তারা অক্টা নামক এক স্বনামধন্য সফটওয়্যার কোম্পানিকে নিয়ে কিছু করার মতলব করছে।
আমি অক্টার সম্পর্কে জানি।
বাধা দেওয়ার জন্য দুঃখিত, ম্যাডাম, কিন্তু দুই মাস আগে ওর তথ্য অনুযায়ী
আমরা ফিলাডেলফিয়াতে লোক পাঠিয়েছিলাম কারণ সে বলেছিলো...
- পরে আমি আমার ভুল স্বীকার করেছিলাম। - সে বলেছিলো যে হর্সমেন
ইউরো-আটলান্টিক ব্যাঙ্কিং সামিটে উপস্থিত হয়ে কিছু একটা করতে যাবে।
- আমার কাছে প্রমাণ আছে। - ওকে বলতে দাও।
ধন্যবাদ। এই দেখুন ওদের মধ্যে যোগাযোগ।
এরা পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করছে যাদের মধ্যে আমার মতে একজন হলো ড্যানিয়েল অ্যাটলাস
আর আরেকজন বোধহয় মেরিট ম্যাককিনি।
আর কোনো প্রমাণ আছে? ই-মেইল? মোবাইল ফোন? কোনো নথিপত্র?
- কবুতর আছে। - কী?
এক মিনিট, তুমি গুপ্তচর কবুতরের কথা বলছো?
না, সত্যিকারের কবুতরের কথা বলছি। যেমন পত্রবাহক কবুতর।
- বুঝলেন? জাদুকররা কবুতরের সাহায্য কাজ করে। - ঘুঘু দিয়ে।
বুঝিয়ে বলছি।
এই কবুতরটাকে দেখুন, এখানে...
এইযে ড্যানিয়েল অ্যাটলাস। সেই একই কবুতর।
পূর্বের একটা গ্রামে সেই কবুতর।
পশ্চিমের একটা গ্রামে, সেই একই কবুতর।
৪২নং স্ট্রিটে, সেই কবুতর। ৬৫নং স্ট্রিটেও।
এরপর অনেকটা পথ পেরিয়ে এইযে জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিজের নিচে
একটা নৌকাতে এই লোকের সাথেও যার চেহারাটা দেখতে অনেকটা মেরিট ম্যাককিনির মতো।
আর এসব দ্বারা তুমি কী বোঝাতে চাইছো?
আমি জানি সে কী বোঝাতে চাইছে। এসব হলো আবোলতাবোল।
- কখনো কি আমাকে নিয়ে ভালো কিছু বলবে? - না।
দুই বছর আগেও তুমি তোমার লক্ষ্যের নিকটে ছিলে আর এখন...
তোমার কি মনে হয় আমার নিজের করা তদন্তে আমি নিজেই তালগোল পাকাচ্ছি?
আমাকে কি একটা আবাল, মাথামোটা পেয়েছো?
আমার মনে হচ্ছে তুমি খুব চালাক, কিন্তু তুমি চাও সবাই ভাবুক যে তুমি একটা বোকার হদ্দ, হাঁদারাম।
ঠিক আছে, থামো এবার।
কাওয়ান, আমি এখানে নতুন এসেছি, কিন্তু এ কয়দিনেই আমি বুঝে গিয়েছি,
যারা তোমাকে চিনেও না, তারাও তোমাকে দেখলে বলদ মনে করবে।
- আর তুমি? - জি ম্যাডাম।
হয়তো তোমার মনে নেই, কিন্তু একাডেমিতে আমার প্রথম বর্ষে তুমি একটা বক্তৃতা দিয়েছিলে।
যাকে তুমি নাম দিয়েছিলে "লং গেম"। তুমি নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা করেছিলে।
নিজের ভেতরের সত্তার ওপর আস্থা রাখার কথা বলেছিলে।
সেটা শুনে আমি নিজেকে বলেছিলাম, "একদিন, আমিও এই লোকটার মতো হতে চাই"।
আর এখন... এই কবুতর?
হয়তোবা, দুই তিনটা কবুতর ছিলো।
ঠিক আছে। এখন আমার কথা ভালো করে শোনো।
তুমি ছুটি নিয়ে সেখানে যেতে চাও? তাহলে নিজের খরচায় যাও।
কিন্তু মনে কোরো না যে তোমার যাওয়ার খরচ আমরা বহন করবো।
এই ব্যাপারটার সমাধান করতে এসেছিলাম, একে আরো জটিল করতে আসিনি। দুঃখিত।
বস, ধন্যবাদ। কথা দিচ্ছি, এবারে কোনো গন্ডগোল হবে না।
ঐ হর্সমেনকে আমরা পাকড়াও করবোই।
উনি খুবই ভালো।
যখন তুমি একই সময়ে দুজনের ব্যক্তিত্ব ধারণ করতে চাও,
তখন দুটোর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে আর সব কান্ডকারখানা ফাঁস হয়ে যায়।
আর যখন সেটা ঘটবে, আমি সেটার মজা নেবো।
দেখা যাবে।
- ওহ, হাই! - কে তুমি?
- আমার বাসায় কী করছো... - আসলে এটা একটা হাস্যকর কাহিনী।
আমার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকেছো কী করে? ওরে!
যদিও এটা হাস্যকর। কিন্তু "হা হা" করে হাসার মতো হাস্যকর নয়।
অথবা হয়তো তোমার কাছে এটা "হা হা " করে হাসার মতো হাস্যকর নয়।
কিন্তু আমার মনে হয় এটা হাস্যকর।
আসলে আমি... না, সেরকম না...
কিছুদিন আগে এই পাড়ায় এসেছি, তাই এখানে চলে এলাম...
আচ্ছা।
সত্যি করে বলো, তুমি এখানে ঢুকেছো কীভাবে?
তুমি কি আমার কোনো পাগলা ভক্ত নাকি?
ওহ, খোদা। না, না, না, তোমাকে চিনতে পেরেছি।
তুমি নিম্নমানের সস্তা হাতসাফাই দেখিয়ে টাকা উপার্জন করতে, তাই না? তুমি একটা...
টুপি থেকে একটা খরগোশ বের করে এনেছিলাম।
হ্যাঁ ঠিক বলেছো, টুপি থেকে খরগোশ বের করেছিলে।
জানতাম ওটা অতটা ভালো ছিল না।
না, আসলে ঐ জাদুটা খুবই জঘন্য ছিলো।
ঐ খরগোশটাও সুন্দর ছিলো না।
বেশ, খুবই জঘন্য একটা জাদু দেখালে। শরীরটা সস্তা উপাদান দিয়ে বানিয়েছো।
তো আমার সোফার কাউচের নিচে থেকে বেরিয়ে আসলেই ভালো হয়...
এই দেখো! এখন আমি এখানে বসে আছি। চরম!
যাই হোক, ঐ খরগোশের জাদুটা ছিলো আট বছর আগের কথা, ঠিক আছে?
এরপর থেকে আমি অনেক উন্নতি করেছি।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
আচ্ছা, হাত দুটো দাও। এখন বলো তুমি কী চাও?
তোমার সাথে দেখা করতে চেয়েছিলাম। আসলে সবার সাথেই।
আমিও দ্য আই এর একজন সদস্য হতে চাই, বুঝেছো?
বলে দিলাম। কারণ আমিও তোমাদের সবার মতো মানুষের উপকারের জন্য জাদু করতে চাই।
ওহ, ভালো কথা। আমি জানি জ্যাক বেঁচে আছে।
জানি সে মারা যাওয়ার মিথ্যা নাটক করেছে।
আমিও মিথ্যা মারা যাওয়ার নাটক করতে ভালোবাসি। জিনিসটা অস্থির ছিল!
এটা কী? এভাবে দড়ি বাঁধে নাকি?
- হ্যাঁ। - জঘন্য।
- খুবই লজ্জাজনক। - আচ্ছা।
আরেকটা কথা, হেনলি তোমাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় আমি দুঃখিত।
- আউ! মরলাম রে! - দুঃখিত।
এবারে ঠিকমতো হচ্ছে। তুমি জানো আমি কী শুনেছি?
- কীসের ব্যাপারে? - হেনলিকে নিয়ে?
আমি শুনেছি যে হেনলি অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলো।
সে আস্থা হারিয়ে ফেলে আর তাই সে দলত্যাগ করতে চায়, আর দ্য আই তাকে সেটার অনুমতি দেয়।
কিন্তু কি আর করার?
এসব হলো মনের ব্যাপারস্যাপার, এগুলো বলাটা খুবই কঠিন।
হয়তো সে তোমার প্রতি বিরক্ত হয়ে গিয়েছিল। কখনো তা ভেবে দেখেছো?
ওকে সামলাতে পারোনি?
হয়তো তুমি ওকে ভালো করে আটকাতে পারোনি। আউ!
হমম। এখন আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো।
No comments yet. Be the first to leave one.