La unuaj 200 linioj.
আগে যা ঘটেছিল...
তোমার মা চায় আমরা যাতে স্মলভিলে চলে যাই,
এই পরিবারের স্মলভিলকে দরকার।
বছরখানেক আগে, আমি আমার মায়ের কিছু পিল খেয়ে ফেলেছিলাম।
এই নিয়ে মা বিশাল কাহিনী করেছিল।
অনেক থেরাপি নেয়া লেগেছিল।
অ্যাই! ও আমার গার্লফ্রেন্ড!
গার্লফ্রেন্ড?
মরগান এজকে নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখছি আমি
ও স্মলভিলকে বাঁচাতে আসেনি এখানে।
এজ আমার গল্প বদলিয়ে দিয়েছে। আমি ওকে একাজ করতে দিতে পারি না।
তুমি দায়িত্ব নেবার পরে আমার সেরা লেখা এটা।
আমি তো চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।
কবে থেকে শুরু করতে পারবে?
তারমানে আমি স্কুলে যেতে পারবো?
তোর ক্ষমতাগুলোর ওপর নজর রাখতে হবে আমাদের।
ফটো নিউক্লিক ইফেক্ট তো খুবই কম।
কিন্তু ক্যাল-এল, ও কখনোই তোমার মতো হবে না।
এই রঙটায় কি বেশি নীল আছে?
আমার এখনো হান্টস্ম্যান'স ট্রিবিউটই বেশি ভালো লাগছে।
বাবা, আমি নিশ্চিত এটা বলতে গু বোঝায়।
- হেই। - জোনাথন।
পচা কথা বলিস না। আর ও ভুল বলেনি।
মা, আমরা এমনি কিছু একটা বেছে নিতে পারি না?
সোনামণি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত।
আমরা অবশেষে এই বাসায় নিজেদের ছাপ ফেলতে পারছি।
সিদ্ধান্ত নিতে পারলে ফেলতে পারবে।
এই রঙটা কেমন লাগে? তোর পছন্দ হয়?
হ্যাঁ, সুন্দর।
- তাই? - হ্যাঁ।
তোমাকে হান্টম্যান'স ট্রিবিউট মাখানোই লাগবে।
আর যাই নিবি নে, বাবার রঙটা নিস না।
এমন করো কেন?
- তুই সত্যিই একাজ করতে চাস? - ক্ষমতা দিয়ে কিছু করবে না, ঠিক আছে?
এসো।
তুই এর চেয়েও ভালো কিছু করতে পারবি।
ঠিক আছে। দেখাচ্ছি।
ক্লার্ক? ক্লার্ক?
তোরা দুইজনেই জানিস ও সুপারম্যান, তাই আর লুকানোর কিছু নেই।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
দাঁড়াও, তুমি কি পৃথিবীর সব শব্দ একেবারে শুনতে পাও?
পৃথিবীর সব ধ্বনিতরঙ্গের সম্মিলিত কম্পাঙ্ক কীভাবে উঠানামা করে, সেটা টের পাই আমি।
মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝলাম না।
আচ্ছা, কেউ ট্যাক্সি ডাকছে, নাকি সাহায্য চাচ্ছে, সেটা বোঝো কী করে?
ফোর্ট্রেসে বহু বছর প্রশিক্ষণ করা লেগেছে এজন্য।
সেসময়েই নির্দিষ্ট কিছু মানুষের কথা শোনার ক্ষমতায় শান দিয়েছি আমি।
আচ্ছা, সত্যি করে বলো তো,
এ পর্যন্ত তোমার শোনা সবচেয়ে লজ্জার জিনিসটা কী?
নাহ, অশ্লীল হয়ে যাবে।
বলো না? নগ্নতা সম্পর্কিত কিছু?
- তোরা বড় হলে বলবো। - ওহ!
- বলো না। - কী?
- বলো না। - অন্য কোনো সময়ে।
চোখ দিয়ে লেজার বের করার ফালতু ক্ষমতার চেয়ে সবকিছু শোনার ক্ষমতা থাকলে ভালো হত আমার।
এখন আপাতত এটাকে 'হিট ভিশন' বল, ঠিক আছে?
- হুম। - আর কোনটা ভালো হত, কে জানে?
সব ক্ষমতারই একটা বোঝা থাকে,
- আর থাকে দায়িত্ব। - হ্যাঁ।
- নিয়মের কথা বলছ। - নিয়মগুলো আছে তোদেরকে বাঁচানোর জন্য।
হ্যাঁ। আমার ক্ষমতা ব্যবহার করা যাবে না, আমার দিকে কারো মনোযোগ আকৃষ্ট করা যাবে না।
ওকে মাঝরাতের পর খাওয়ানো যাবে না।
হেই, আমাদের পরিবারের দিকে যাতে কারো নজর না পড়ে, খুবই জরুরি কিন্তু এটা।
কেউ যদি আমার ব্যাপারটা জেনে যায়, তাহলে সবকিছু বদলে যাবে।
এমন না যে তোরা এটা ফেসবুকে পোস্ট করবি বলে আমরা চিন্তায় আছি।
আমরা গৃহিণী মা দের মতো ফেসবুক টিপি না।
আমার কথা হলো তোদেরকে বুঝেশুনে কাজ করতে হবে।
ছোট-খাটো ব্যাপারেই মানুষের সন্দেহ জেগে উঠতে পারে।
যখন আমি তোদের সমান ছিলাম, আমার বাবা খুব কড়া ছিল।
মাঝে মাঝে খুব রাগ হত।
এখন বুঝলাম, আমার ভালোর জন্যই এমনটা করত বাবা।
তোদের দুইজনের কাছেও এমনটাই চাই আমি।
হ্যাঁ। সাধারণ বলতে কি কুষ্ঠরোগীদের মতো একঘরে থাকা বোঝাচ্ছ?
স্মলভিল হাই স্কুল সেই কাজটা করে দিয়েছে।
আমি শুধু তোদের সাবধানে থাকতে বলছি, ঠিক আছে?
আমি সবসময়ে তোদের কাছে থাকতে পারব না।
- ঠিক আছে। - হ্যাঁ. ঠিক আছে।
আমরা কি ওয়েটিং রুমে বসতে পারি না?
আমাদের পরিচিত কেউ চলে আসলে?
ওরা হয়তো প্রশ্ন করা শুরু করবে।
দ্যাখো, এটা নিয়ে যদি তোমার এতোই লজ্জা লাগে, তাহলে
একাজ তোমার করা লাগবে না।
কাইল, এটা যে গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে আমরা দুইজনেই একমত ছিলাম।
এক বছর হয়ে গেছে, লানা।
এখনো কেন মনে হচ্ছে যে, শুধু আমিই এটা নিয়ে চিন্তিত।
এসব বলা বন্ধ করবে?
তুমি একাই এটা নিয়ে চিন্তিত না।
কিন্তু হ্যাঁ, নিজের চিন্তাকে হাস্যকর ভাবে প্রকাশ করছ তুমি।
হেই, সোনা।
হেই, খুকি।
ডক্টর লরেন্সের সাথে কী হলো?
সেটা আমার আর ওনার কথা।
তুই ঠিক আছিস কি না, সেটাই জানতে চাচ্ছিলাম শুধু।
তাহলে প্রতি দশ সেকেন্ড পরপর এটা জিজ্ঞেস করা বন্ধ করো।
তোমার কথামতো ডক্টর লরেন্সের সাথে দেখা করেছিলাম, ঠিক আছে?
এখন আমরা যেতে পারি? বাবা?
ঠিক আছে।
হেই, তুমি আজ সকালে ফার্স্ট পিরিয়ডে ছিলে না।
সব ঠিক আছে?
আমার মায়ের মতে ঠিক নেই।
সমস্যা নেই।
হাস্যকর ফ্যামিলি ড্রামা।
হেই, তোমাকে একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম।
স্কুলের পর কি আমরা দেখা করতে পারি,
- কিংবা আমরা... - ওহ, আমি...
আমার দেরি হবে, পরে কথা বলি?
- কাছাকাছি গিয়েছিলি, তবে দাঁও মারতে পারিসনি। - না।
অ্যাই, শর্ট স্ট্যাক,
তোকে সবসময়ে আমি আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে টাংকি মারতে দেখি কেন রে?
দ্যাখো, কী বলছ বুঝতে পারছি না...
হেই, করছিস কী আসলে?
প্রথমে সারাহকে চুমু খেলি, এখন দেখছি, কুত্তার মতো ওর গায়ে লালা ফেলছিস।
অ্যাই, ওর থেকে দূরে সরো।
কী করছিস তুই?
জর্ডান, আয়।
কথা না বলে চলে যাবে না।
জর্ডান, তুই ঠিক আছিস?
জর্ডান।
- জর্ডান। - এই ছেলে দেখি ভ্যাঁ করে কেঁদে দেবে।
বাবা তোকে যে ক্লিকারের মতো জিনিসটা দিয়েছে, ওটা নিবি? জর্ডান!
হেই, কী খবর।
ওয়াও।
- এই জায়গাটা দেখি... - যাই হোক।
...আমি চলে যাবার পরে একেবারেই বদলায়নি।
তোর সাহায্য লাগত না আমার।
বাবার সাহায্য তো লাগত, দেখতেই পেলাম। তুমি এখানে কী করছ?
নতুন স্কুলে তোদের কী অবস্থা, তা দেখতে এসেছি।
সেজন্য ঠিক ঠিক ফিফথ পিরিয়ডেই চলে আসলে?
এটাকে তো হঠাৎ করে আসা বলে না।
বাবা আমাদের ওপর চোখ রাখছিল।
কী?
তুই ঠিক আছিস কি না, তা দেখতে গেছিলাম।
হ্যাঁ। তুমি আজ সকালে এটা বলতে পারতে।
অথচ তুমি আমাদের মুখে মুখে মিথ্যা বললে।
আমি মিথ্যা বলিনি। তোরা তো জিজ্ঞেস করিসনি।
কতদিন ধরে করছ একাজ?
আমরা এখানে আসার পর থেকে? নাকি সারা জীবন ধরে?
এমন না যে আমি সবসময়ে শুনি।
এটা ভুল উত্তর ছিল।
তুমি কিন্তু বলেছিলে স্কুলে যেতে কোনো সমস্যা নেই।
- সমস্যা নেই, জর্ডান। - হ্যাঁ।
নতুন ক্ষমতা পাওয়া বিশাল ব্যাপার।
হ্যাঁ, তারমানে ওটাও মিথ্যা ছিল।
দারুণ।
তোমার প্রথম দিন কেমন গেল?
রিভার্স মর্টগেজের ব্যাপারটা নিয়ে জানার চেষ্টা করলাম,
কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বাইরের লোকের সাথে এখানকার মানুষেরা কথা বলতে আগ্রহী না।
বিশ্বাস অর্জনে সময় লাগে।
এখানকার মানুষেরা খুব দ্রুতই আপন করে নেয় অবশ্য।
ঐ ঘটনার পরে ছেলেদের সাথে আর কথা হয়েছে?
নাহ, একদম চুপ।
তোমার আড়ি পাতার ব্যাপারটা প্রথম যেদিন ধরে ফেলেছিলাম, সেদিনের কথা মনে আছে?
ভুলি কী করে?
ভেবেছিলাম তোমাকে চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি আমি।
আরেকটু হলেই হারাতে।
তোমাকে ফুল কিনে দিতেই মনে হয় এক সপ্তাহের বেতন গিয়েছিল আমার,
তারপরে কথা বলতে রাজি হয়েছিলে।
দুই সপ্তাহের বেতন।
তারপরেও, সহজেই ছাড় পেয়ে গেছ, কারণ আমি এখনো তোমাকে পাগলের মতো ভালোবাসি।
ছেলেদের সাথে সম্পর্কটা কীভাবে সহজ করা যায়, বলো তো?
আমাকে যে কথা দিয়েছিলে, ওদেরকেও সেই কথা দাও।
তোরা দুইজনে ঠিকই বলেছিলি।
আমি দুঃখিত।
আর কখনো তোদের কথা আড়ি পেতে শুনব না।
কথা দিচ্ছি।
ফুলের ব্যাপারে কী যেন বলছিল মা।
আমাদের হাতখরচ বাড়িয়ে দেবে নাকি?
ভালো বুদ্ধি।
তো, এখন রাগ কমেছে?
আচ্ছা, যাই হোক।
এই বছরের হার্ভেস্ট ফেস্টিভ্যালের প্রধান বক্তার সাক্ষাৎকার নিতে চাও?
চাল-ডাল নিয়ে আমার তেমন আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না।
কিন্তু এখানে এই খবরই বেশি চলে।
আমার জন্য যা লিখবে, তার সবই যে দুনিয়া পাল্টে দেবে, এমন না।
এই পেপারই কি এজ এন্টারকর্পের খবরটা ছাপিয়েছিল?
হ্যাঁ, সাথে পাখি দেখার ব্যাপারে দারুণ একটা লেখা আর বেশ কঠিন একটা ক্রসওয়ার্ড পাজলও ছিল।
অতো কঠিনও না।
নিউ কার্থেজে নতুন খবরের জন্য খোঁজ নিয়ে বেড়াচ্ছিলেন কে?
সেটা আমার কাজ, আপনি...
পাওয়েল। শ্যারন পাওয়েল।
মিস পাওয়েল, আমি হলাম লুইস লেন।
এর সাথে কি মর্গান এজের কোনো সম্পর্ক আছে?
হ্যাঁ, অবশ্যই আছে।
আশা করি ঐ হারামজাদাকে জেলের ভাত খাওয়ানোর জন্য আমাকে সাহায্য করবেন আপনি।
আমার ছেলে নিউ কার্থেজের এজ ফ্যাসিলিটিতে খনিশ্রমিক ছিল।
ধন্যবাদ। .
ও ওখানে ছয় মাস ধরে কাজ করেছিল।
ভালো টাকাও কামিয়েছে।
কিছু টাকা ঘরেও পাঠিয়েছিল।
কিন্তু মর্গান এজ ওকে যেদিন বড় একটা প্রস্তাব দিলো, সেদিন বদলে গেল সবকিছু।
কী প্রস্তাব?
ব্যাপারটা ও পরিষ্কার করে বলেনি।
মুখ বন্ধ রাখার জন্য বেশ কিছু কাগজে সাইন করেছে ডেরেক।
কোনো অসাধু কাজ হয়েছে, তা জানলেন কী করে?
হেই, মা, কথা বলতে পারলে ভালো লাগত।
আমি যেরকম ভেবেছিলাম, এই সুযোগটা সেরকম ছিল না।
কী হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত না আমি।
শুধু জানাই যে, আমি তোমাকে ভালোবাসি।
বাই।
আমাকে বলা ওর শেষ কথা ছিল এটা।
No comments yet. Be the first to leave one.