La unuaj 124 linioj.
এইযে, এটা নিয়ে নাও।
এই জিনিসটা আমার কাছে হস্তান্তর করার আরো শালীন পদ্ধতি আছে, জানেনই তো।
শুভকামনা! এখন তুমি আনুষ্ঠানিকভাবে মিলিটারির কর্মী।
লেফ. হ্যাভোক। ওকে বাসায় নিয়ে চলো।
নিনা...
মানুষ কোনো কিছু বিসর্জন করা ছাড়া কোনো কিছু অর্জন করতে পারে না।
যদি তুমি কিছু পেতে চাও, তাহলে তোমাকে এর সমমূল্যের কিছুর দরকার পড়বে।
এটা হলো অ্যালকেমির সমমূল্য বিনিময়ের প্রথম নিয়ম।
তখনকার সময়ে, আমরা ভাবতাম এটাই বুঝি পৃথিবীর নিয়ম।
আরে চিফ, এরকম চেহারা বানিয়ে রাইখেন না।
লেফ. কর্নেল এখন একটা কঠিন কেসে আটকা পড়েছেন।
একটা কেসে?
একটা সিরিয়াল খুনি, যে শুধু মহিলাদের পেছনেই লাগে।
এটা তো পুলিশের কাজ, তাই না?
মিলিটারিরা যদি এই ব্যাপারটা হাতে নিয়ে নেয়,
এটা সম্মানজনক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়, বুঝলে?
তো তিনি আরেকটা প্রমোশনের পেছনে লেগেছেন, হাহ?
এটা সত্যি যে লেফ. কর্নেল এমন একজন লোক যিনি প্রমোশন পেতে কোনো পথই বাকি রাখবেন না।
কিন্তু তিনি যদি এ কাজটাই করতেন, তাহলে আমরা তাকে অনুসরণ করতাম না।
মানে কী বোঝাতে চাইছো?
তুমি শীঘ্রই বুঝে যাবে।
টা-ডা!
ভাইয়া, ওটা কি...?
ওই, ব্যাটা! দাঁড়া! দাঁড়া, বলছি! ওটা ফেরত দে! ওটা ফেরত দে!
আবার শুরু হয়ে গেল...
ফেরত দে ভাই! প্লিজ, ফেরত দে!
সবাই ওকে নিয়ে আলোচনা করছে।
কে-ই বা ভেবেছিল যে একটা বারো বছরের ছেলে এই সমাপনী পরীক্ষাটা পাশ করবে?
অসাধারণ প্রতিভাবান। এখনো এদের অস্তিত্ব আছে।
বেশ, এডওয়ার্ডের পরীক্ষায় পাশ করাকে উদযাপন করার জন্য, আজ আমরা একটা জম্পেশ ভোজ করবো!
অস্থির!
সত্যি বলছেন তো!?
আহ-হাহ। তুমি আমাদের সাথে যোগদান করবে?
বেশ, আমার কিছু কাজ আছে।
ও তাই নাকি?
আহ, টাকার, আমার কাছে আপনাকে দেয়ার জন্য লেফ. কর্নেলের একটা বার্তা আছে।
"শীঘ্রই মূল্যায়ন দিবস আসছে। আমি এর ব্যাপারে অপেক্ষা করছি।"
হ্যাঁ, আমি জানি।
মূল্যায়ন জিনিস, এটা কী স্টেট অ্যালকেমিস্টদের জন্য?
মম-হমম। যদি আমি আমার গবেষণার ফলাফল প্রতিবেদন জমা না দেই আর মূল্যায়ন না পাই,
তাহলে আমার স্টেট অ্যালকেমিস্ট এর সার্টিফিকেট আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হবে।
খুবই খারাপ।
গত বছর, আমি ভালো মূল্যায়ন পাইনি,
তাই এ বছর আমাকে ভালো করতে হবে।
ফাটিয়ে দাও, আব্বু!
আপনি কি কথা বুঝতে সক্ষম কাইমেরাকে নিয়ে কিছু করবেন?
কাজ করা শেষ হয়ে গেলে, আমাদেরকে দেখাবেন, ঠিক?
অবশ্যই, কথা দিলাম। এর কাজ শেষ হয়ে গেলে, আমি অবশ্যই তোমাদের দুজনকে এটা দেখাবো।
একটা চিঠি? কাকে লিখছো?
কাকে লিখছি তাতে কী আসে যায়!
আহ, ভাইয়া, উইনরিকে লিখছো, তাই না?
এ-এটা শুধু একটা সাধারণ রিপোর্ট!
ঐরকম কিছু একটা!
উইনরি কি বড়ো ভাইয়ার গার্লফ্রেন্ড?
বলা যেতে পারে-
না! কক্ষনো না! কক্ষনো না! কক্ষনো না! কক্ষনো না! কক্ষনো না!
আমিও আমার মা কে চিঠি লিখবো!
শুনো, তোমার মা তো অনেক দূরে, তাই না?
মম-হমম। উনি বলেছিলেন বাবা কোনো কাজেরই না।
আর তিনি তাকে নিয়ে আর পারছিলেন না, তাই উনি বাপের বাড়ি চলে গেলেন।
আশা করি মা উত্তর পাঠাবে।
এই নিন।
আমার স্ত্রী আমাদের দারিদ্র্য সহ্য করতে পারেনি, তাই আমাদের ছেড়ে চলে যায়।
যদি আমার সার্টিফিকেট আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়, তাহলে আমরা তখনকার মতো আবার আর্থিক সংকটে পড়বো।
যদি আমি এই জীবনব্যবস্থা চালিয়ে যেতে চাই,
আমাকেই যেকোনো মূল্যে এই মূল্যায়ন পাশ করতে হবে।
আব্বু, তোমার পড়ার জন্য শুভকামনা...!
বুঝেছি, তুই বাইরে ঘুরে আসতে চাস, ঠিক?
শুধু এটুকু হলে হবে না!
আমি দুই বছর আগে টাকার নামের একটা লোক যে কাইমেরা বানিয়েছিল তার সম্পর্কে জানতে চাই!
ওই, শেস্কা, এ ব্যাপারে কিছু জানিস?
শোউ টাকারের প্রতিবেদন পড়া নিষিদ্ধ।
আপনি দয়া করে খুঁজে দেখবেন, প্লিজ? আমি সাধারণ লোক নই, দেখুন!
আমি এটা বলতে চাইনি।
আপনার কাছে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বাস্ক গ্র্যান্ড এর অনুমতি যতক্ষণ না থাকে-
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গ্র্যান্ড...?
তুমি আইরন ব্লাড অ্যালকেমিস্ট সম্পর্কে কিছু জানো না?
তিনি মিলিটারির যুদ্ধ কৌশলে অ্যালকেমি ব্যবহারের সর্বপ্রধান কর্তৃপক্ষ।
যদি তুমি তার অনুমতি চাও, তাহলে এর মানে এটা একটা মিলিটারির গোপনীয়তা।
মিলিটারির... গোপনীয়তা...?
তুমি ভেতরে যেতে পারবে না! প্লিজ থামো! এই প্রথম শাখাটা শুধুমাত্র স্টেট অ্যালকেমিস্টদের জন্য।
মিলিটারির অনুমতি ছাড়া কেউ এখানে প্রবেশ করতে পারবে না।
কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে এই একটা জায়গাতেই আমি এই সম্পর্কে জানতে পারবো।!
দ-দাঁড়াও...!
কী!?
বেশ, দুঃখিত, কিন্তু এখানে নিয়মের শাসন আছে।
ওই, দাঁড়াও!
ভাই, আমি বুঝতে পারছি না। কেন তুমি এটা এখানে...
...এই জঘন্য অ্যালকেমি ব্র্যান্ড আমার হাতে লাগিয়েছ?
দেখো, এলিসিয়া, তোমার বড় ভাইয়া এড!
সোনা, এড যা বলছে তার দিকে মনোযোগ দাও।
কথা বলো। যত সময় লাগে নাও।
দেখা যাক, টাকারের কাইমেরা, তাই না?
আহ-হাহ। মেজর, আপনি তো তদন্ত বিভাগে কর্মরত এ আছেন, তাই না?
আমি ভাবলাম আপনি হয়তো কিছু জানেন।
তুমি নিজেই তো উনাকে জিজ্ঞেস করতে পারতে, তাই না?
হ্যাঁ, কিন্তু উনি এখইন খুবই ব্যস্ত, মূল্যায়ন আসছে তো, এই জন্য।
আমি এ সম্পর্কে খুব একটা জানিনা।
বলা হয়ে থাকে টাকারই ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি যিনি একটা মানুষের ভাষায় কথা বলা আর...
...আর বোঝা একটা কাইমেরা সৃষ্টি করেছিলেন।
আপনি এ ব্যাপারে নিশ্চিত?
আমি শুনেছিলাম যে কাইমেরাটা একটা কথা অবশ্যই বলতো: " আমি মরতে চাই।"
আকস্মিকভাবে, এর পরেই, এটা কিছু না খেয়ে মারা যায়।
বুঝতে পারছি না টাকার কেন এরকম একটা জিনিস বানালো।
কে জানে?
কিন্তু মিলিটারির কেউ একজন ছিল যে অন্তত ভেবেছিল যে এটাকে কাজে লাগাতে পারলে ভালো হবে।
টাকারের স্ত্রী এর কী হলো?
আহ, মানে ওরা রাজধানীতে আসার আগে যে মারা গিয়েছিল তার কথা বলছো?
আমি কি ভুল কিছু বলেছি?
হ্যাঁ, হিউজেস বলছি।
ওই পেশাদার খুনি!?
আম্মু! আম্মু!
এই নিয়ে পাঁচজন হলো, হাহ?
তদন্ত বিভাগ কিছু পায়নি?
আমাদের ওপর চাপিয়ো না।
আম্মু!!
হেই, কি ব্যাপার!?
মনে হচ্ছে, তুমি ভয়ানক কিছু একটা দেখেছ, হাহ?
এখন ঠিক আছি।
তুমি পুরোটা সময় তোমার মা কে ডাকছিলে। আর ক্ষমা চাচ্ছিলে।
আমার তখনই সন্দেহ হয়েছিল যখন আমি তোমার শরীরটাকে দেখেছিলাম।
তোমার মা, হাহ? মনে হয় অনেক কঠিন একটা পরিস্থিতি ছিল।
তুমি যা করেছিলে তা প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে।
যাই হোক, আমি তোমার কষ্টটা বুঝতে পারি।
No comments yet. Be the first to leave one.