La unuaj 200 linioj.
:: Alauddin Rasel Presents ::
শুয়ে থাক!
তোর ইচ্ছা! চুপচাপ চলে গেলে, ক্যালানির হাত থেকে বেঁচে যাবি।
তোর শুয়ে থাকা উচিত ছিল, জ্যাক!
জ্যাক! জ্যাক!
ওখানে কেউ একজন আছে!
- ঢেউটার দিকে দেখো! - কী?
ওখানে কেউ একজন আছে! দেখো!
- বাঁচাও! - আমি ঘুম থেকে উঠে ওকে...
আমি সাঁতার জানি না! আমি সাঁতার জানি না!
তোমার কিছু হবে না!
গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকো! গভীরভাবে শ্বাস নাও!
শ্বাস নাও! হ্যাঁ!
তাকে পেয়েছ?
কী?
একটা মহিলা ছিল! আমি তাকে...
তাকে পেয়েছ?
বাঁচাও!
- আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। - বাঁচাও!
চলো!
- জ্যাক! - এখনও একজন বিপদের মুখে আছে!
:: অনুবাদ ও সম্পাদনায় - আলাউদ্দীন রাসেল ::
ওরা কি বললো?
- জ্যাক, হয়তো আমাদের উচিত... - ও কে ছিল?
ওর নাম জোয়ানা!
ওর প্লেনে থাকার কথা ছিল না।
প্রবাল প্রাচীর থেকে স্কুবা ডাইভিং করার সময় তার কানে ইনফেকশন হয়...
...তাই ডাক্তার তাকে দুই দিনের জন্য বিমানে চড়া থেকে বিরত থাকতে বলে।
সে তার ফ্লাইট মিস করে।
এভাবে সে আমাদের সাথে যুক্ত হয়!
সকালে ও শুধু সাঁতার কাটছিল।
চোরা স্রোতে আটকা পড়ে!
ছয়দিন হলো আমরা এখানে আছি। কিন্তু ওর সাথে আমার কখনও কথা হয় নি।
- না, জ্যাক... - আমরা ৪৭ জন, কিন্তু কখনও একটা কথাও বলিনি।
- তুমি চেষ্টা করেছিলে! - না, আমি করি নি!
ভেবেছিলাম হয়তো আমি...
ভেবেছিলাম ছেলেটাকে তীরে নিয়ে আসার পরেও আরও সময় পাবো!
আমি সেখানেই ছিলাম...পানিতে!
আমি চেষ্টা করিনি!
আমি তার খোঁজে না যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
জ্যাক, তুমি ঠিক আছো?
- তুমি ওটা দেখেছ? - কী?
ওখানে পানিতে, একজন লোক দাঁড়িয়ে ছিল।
তুমি দেখো নি?
জ্যাক, শেষ কবে ঘুমিয়েছিলে তুমি?
এটাকে বাকি জিনিসপত্রের সাথে রাখতে হবে।
তোমাকে এটা কে শিখিয়েছে?
কোরিয়ান মহিলাটা!
- গিলে ফেলো না! - কেন?
- সাগরের পানি তোমাকে তৃষ্ণার্ত করে তুলবে! - কেন?
গিলতে না করেছি তাই গিলবে না! বোঝতে পেরেছ?
তোমার ঠোঁটগুলোর কী অবস্থা হয়েছে!
তোমার সত্যিই পানি দরকার!
না, আমি ঠিক আছি!
থ্যাংক্স!
আমাদেরকে কী করতে হবে সেটা কেউ বলছে না কেন?
আমার মনে হয় না কেউ আসছে।
কেউ না কেউ তো আসবেই!
বাকিরা আমাদেরকে এড়িয়ে চলে।
যদি আমরা যোগাযোগ করার জন্য ভালভাবে চেষ্টা...
আমাদের কিছু হবে না।
আমাদের অন্য কাউকে দরকার নেই।
আমিই তোমাকে বলব কী করতে হবে।
তুমি ওটা পেয়েছ নাকি পাওনি?
তুমি আমার আলোতে আছো, স্টিক্স!
- এটা আবার কী বাল..? - আলো! কমা! স্টিক্স!
তোমার ওই দু'টো পায়ের মতো।
যদিও নতুন ডাকনামটা আমার ভাল লেগেছে তা স্বত্বেও আমার মনে হয়...
আরে শান্ত হও!
আমি তোমার জিনিসটা পেয়েছি!
- এটা মশা-মাছি দূরে রাখবে? - আবার জিগায়!
এতে ঘৃতকুমারীর নির্যাসও আছে!
কত দিতে হবে?
- তোমার টাকা এখানে কোন কাজে আসবে না। - তাহলে তুমি চাওটা কী?
- যদি তুমি ভেবে থাকো যে, আমি... - পাঁচ ডলার!
মাত্রই না বললে, আমার টাকা এখানে কোন কাজে আসবে না!?
দরাদরি করছিলাম আরকি!
একটা ঋণপত্র নিতে পারি। মন বলছে তুমি এটার জন্য উপযুক্ত।
তুমি কি একটা বুরূশ খুঁজে পেয়েছ?
না! স্যরি!
হে ইশ্বর! প্রায় ২০টা সুটকেসে খুঁজেছি।
একটাও পাইনি! অদ্ভুদ, তাই না?
মানে, সবাই-ই তো সাথে বুরূশ নেয়...
- তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ, গরমে এরকম হচ্ছে!
- আসলে, আমি গর্ভবতী! - তাই?
ধন্যবাদ!
কী করছ তুমি?
অব্যবহৃত কাপড়চোপড় থেকে ব্যবহারযোগ্য কাপড়চোপড় আলাদা করছি।
- সাহায্য করতে চাও? - অবশ্যই?
- একটা কথা জিজ্ঞেস করতে পারি? - অবশ্যই!
তোমার কী মিথুন রাশি?
- হ্যাঁ! - ঠিকই ধরেছিলাম!
চঞ্চল! কামুক!
সবাই ভাবে জ্যোতিষবিদ্যা ছাইপাঁশে ভর্তি!
কিন্তু এর কারণ হলো, তারা এটা বুঝতে পারে না।
যদি চাও তোমার হাত দেখে দিতে পারি।
না চাইলে থাক!
মিথুন রাশি!
তোমাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে, ভ্রাতা!
আমি ঠিক আছি! কী অবস্থা?
একটা সমস্যা হয়েছে!
- এগুলোই? - এগুলোই!
- কয়টা? - ১৮টা!
লোকজন যা প্রয়োজন তা নিয়ে গেছে, কারণ আমাদের উদ্ধার হওয়ার কথা ছিল...
...কিন্তু আমরা উদ্ধার হই নি।
এগুলো অর্ধেক করে ভাগ করলেও, ৪৭ জনের জন্য যথেষ্ট হবে না।
৪৬! এখন আমরা ৪৬ জন!
লোকজন যদি জানতে পারে, আমাদের কাছে শুধু এগুলোই আছে, তাদের মাথা খারাপ হয়ে যাবে।
শূকরের মাংসও শেষের পথে, আরেকটা না ধরা পর্যন্ত সবাইকে কী বলবো?
- জানি না! - পানি খোঁজার লাঠি বানালে কেমন হয়?
- হাতে যে মাললত্র আছে সেগুলো কী করব? - জানি না!
- এটা তাবুতে রাখা উচিত, তাই না? - হয়তো কুকুরটা পানি খুঁজে বের করতে পারবে।
কতটুকু পানি হাতে আছে তা কেউ না জানতে পারলেই ভাল।
কুকুর গুপ্তধন আর বোমা খুঁজে বের করতে পারে, তাই আমি নিশ্চিত, তারা পানিও খুঁজে পাবে।
বাকিদেরকে বলব যে পানি এবং খাবার ফুরিয়ে যাচ্ছে। যা আছে সেগুলো ভাগ করে দিয়ে দেবো।
- তারপর তুমি সিদ্ধান্ত নিও... - আমি কোন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না।
কেন নয়?
ভেতরে আসতে চাও?
তো...
কী হয়েছে বলবে আমাকে?
দুটো ছেলে মার্ক সিলভারম্যানের উপর হামলা করে।
দুটো ছেলে মার্ক সিলভারম্যানের উপর হামলা করে?
কিন্তু তারা তোমার উপর হামলা করেনি।
না!
আজকে অপারেশন টেবিলে একটা ছেলেকে পেয়েছিলাম।
জানিনা, হয়তো তোমার চেয়ে এক বছরের ছোট হবে।
তার হৃদপিণ্ডের অবস্থা ছিল করুণ।
অত্যন্ত লোমশ এবং খুব দ্রুত চলছিল।
সবাই তোমার বাবার সিদ্ধান্তের জন্য তাকিয়ে ছিল।
আর আমি সিদ্ধান্তগুলো নিতে পেরেছিলাম কারণ দিনশেষে...
...ছেলেটা মারা যাওয়ার পর, আমি হাত পরিষ্কার করে...
...রাতের খাবারের জন্য বাড়ি আসতে পেরেছি!
আবার, হাসতে হাসতে বুকে ব্যথা হওয়া পর্যন্ত, কিছুক্ষণ ক্যারল বারনেটও দেখেছি।
আর আমি এটা কীভাবে পারলাম?
বলতে চাচ্ছি যে, যখন আমি ব্যর্থও হই, আমি এটা কীভাবে করি, জ্যাক?
কারণ আমার এটা মেনে নেয়ার ক্ষমতা আছে।
মনস্থির কোরো না, জ্যাক! সিদ্ধান্ত নিও না!
তুমি হিরো হতে চাইবে না। তুমি চাইবে না সবাইকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে।
কারণ যখন তুমি ব্যর্থ হবে...
তোমার সেটা মেনে নেয়ার ক্ষমতা নেই।
তুমি আমাকে ছেড়ে দাও নি কেন?
হেই, আমি তোমার সাথে কথা বলছি।
- এখন আবার শুরু করো না তো! - আমি ফিরে আসতে পারতাম।
কী? তুমি আমার কথার উত্তর দিবে না?
- আমাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য বলেছিলাম তোমাকে। - তুমি ডুবে যাচ্ছিলে।
- তোমার তাকে বাঁচানো উচিত ছিল। - কিন্তু আমি তাকে বাঁচাই নি।
তোমাকেও না!
ভাবছ যে আমাকে বাঁচানোর জন্য গিয়ে তুমি অনেক বীরত্বপূর্ণ কাজ করে ফেলেছ? আমি নিরাপদেই ছিলাম।
এখানে কী করতে হবে সেটা শুধু তুমিই জানো না। আমিও একটা ব্যবসা চালাই!
আমাদের রক্ষাকর্তা হিসেবে তোমাকে নিযুক্ত করেছে কে, হুহ?
তোমাকে এ অধিকার কে দিয়েছে? আমার দিকে তাকাও!
হেই, আমি তোমার সাথে কথা বলছি।
আমার দিকে তাকাও, জ্যাক!
কোথায় যাচ্ছ তুমি?
হেই, কোথায় যাচ্ছ তুমি? হেই!
বাবা?
তোমার বাবা চলে গেছে, জ্যাক।
কী বলছি শুনতে পেয়েছ?
সে চলে গেছে, জ্যাক!
- সে ফিরে আসবে। - এবার ব্যাপারটা আলাদা।
আমি চাই তুমি তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।
- কী? - দুই মাস ধরে সে আমার সাথে কথাই বলেনি।
দুই মাস ধরে তুমি তার সাথে কথা বলোনি।
সে চায় না, আমি তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসি। সত্যি বলছি!
- তার কোন বন্ধুকে বলো! - তার আর কোন বন্ধু নেই।
তুমি এটাই ভাবলে কেন?
সে তোমার সম্পর্কে ঠিকই ছিল?
কী ঠিক ছিল?
- তুমি গুরুত্ব বোঝ না... - আমি গুরুত্ব বুঝি।
জ্যাক, প্লিজ, জানোই তো সে কীভাবে... সে পারবে না...
সে নিজের খেয়াল রাখতে পারবে না। তোমাকে তার পিছু নিতে হবে।
আমি দুঃখিত!
আমি পারব না।
"আমি পারব না"?
তুমি 'পারবে না' বলতে পারো না।
যা করেছ তার পরে তো না-ই!
তুমি তোমার বাবাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনবে, জ্যাক।
কোথায় সে?
অস্ট্রেলিয়া!
- কী হয়েছে? - গর্ভবতী মহিলাটা পড়ে গেছে।
- কী হয়েছে? - ও অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে।
যথাসম্ভব গরমের কারণে! ও শ্বাস নিচ্ছে?
মনে হয়!
জলদি ওকে ভেতরে নিয়ে চলো।
ক্লেয়ার? ক্লেয়ার, সোনা, চোখ খুলো।
ক্লেয়ার, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ? ক্লেয়ার?
উঠো! চোখ খুলো!
উঠো! প্লিজ, উঠো!
ক্লেয়ার, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ তুমি? হাই, আমি, আমি ক্যাট!
- কী..? - তুমি জ্ঞান হারিয়েছিলে!
চাপ নিও না, ঠিক আছে? ওর পানি লাগবে।
- পানি! - নড়ো না, ঠিক আছে?
ওর শরীরটা পুড়ে যাচ্ছে একদম! সোনা, মনে হয় তোমার শরীরে জ্বর।
তোমাকে শান্ত থাকতে হবে।
- বিশ্রাম নাও! - কিরে ভাই..?
পানি তো উধাও!
কেউ চুরি করে নিয়ে গেছে।
- ডাক্তার সাহেব কোথায়? - জানিনা! তাকে কেউ খুঁজে পাচ্ছে না।
ওটাই কী পানির শেষ যোগান ছিল?
সবগুলো একসাথে রাখে কেউ, গাধার বাচ্চারা!
No comments yet. Be the first to leave one.