La unuaj 200 linioj.
অ নু বা দ ক : মে হে রা ব হো সে ন
জর্জ, উঠে পড়ো।
- জর্জ! - আজকে শনিবার।
জানি, কিন্তু আজকে ফুটবল ম্যাচের প্রথম দিন। আমাদের দুজনের প্রথম খেলা।
ফুটবল?
আজ খেলতে পারবো না। গতকাল ঘুমানোর সময়ে আমার সর্দি লেগে গেছে।
তোমার কিচ্ছু হবে না।
চলো, চলো, খুব মজা হবে।
আমরা ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের মতো খেলবো।
- এই নাও। - ধন্যবাদ, মা।
স্টুয়ার্ট, তোমার পানির বোতল নিতে ভুলে যেও না। জর্জ....
তোমার জুতা নিতে ভুলে যেও না।
তোমাকে তো আজকে সেইরকম সুন্দর লাগছে।
সবাই তো আর আমার মতো সৌন্দর্য সচেতন না।
ঠিক আছে, মুখ খুলো।
শুনলে সে কী বললো? সে বললো, "ব্লাহ-ব্লাহ।"
বিশ্বাসই হচ্ছে না।
ওর বলা প্রথম শব্দ।
ছোট বইটা কই? এই শব্দটা লিখে রাখি।
আমার মনে হয় না ওটা কোনো শব্দ।
অবশ্যই এটা শব্দ।
তোমার ক্রেনশও চাচা বলেছেন যে প্রত্যেক লিটল নয় মাসের মধ্যে কথা বলা শুরু করে।
ক্রেনশও চাচা তো কত কিছুই বলেন।
আপনারা দুজনও খেলা দেখতে আসবেন না?
অবশ্যই।
ফ্রেডরিক...
...এই ফুটবলের ম্যাচ নিয়ে আমি খুবই....
- গর্বিত? - উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে....
- আমি ঠিক আছি। - সে ঠিক আছে।
বাকিসব ছেলেরা জুতা নিয়ে খেলতে নামবে। যদি কেউ....
ওহ, সোনা। সে একজন লিটল। লিটল পরিবারের সবাই জন্মগতভাবেই ভালো খেলোয়াড়।
- তোমার কী... - পারবে খুলতে?
ঠিক আছে, তোমার খাওয়া শেষ।
স্নো, খাবার খাও।
খাবার? টুনা মাছ নাকি? নাকি ইলিশ?
নাকি, মুরগির মাংস?
ওহ! মুরগির মাংস হলে চরম হয়!
তোমার জন্য।
- ছেলেরা, ফুটবল খেলার জন্য প্রস্তুত? - অবশ্যই, বাবা।
ওহ, সুন্দর। ডালভাত।
আগে কী ছিলাম, এখন আমার কী অবস্থা। মনে হয় আমি যেন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো খাপছাড়া বিড়াল।
ওয়ালেস! উঠো! আরো দ্রুত!
এইতো হয়েছে! জোরে! জোরে! ঐদিকে দৌড়াও! ঐদিকে!!
তোমরা, এক জায়গায় না থেকে ছড়িয়ে পড়ো! ছড়িয়ে পড়ো!
- আচ্ছা, জর্জ তো খুব ভালো খেলছে। - হ্যাঁ!
সব বাচ্চা খেলতে পারছে কিন্তু স্টুয়ার্ট খেলতে পারছে না- এ ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগছে না।
এখনো অনেক সময় বাকি আছে।
কোথায় অনেক সময় আছে? আর মাত্র ৪০ সেকেন্ড আছে।
সে আজকে যেভাবে কমলার খোসাগুলো ছাড়িয়ে নিয়েছিলো, সেটা কিন্তু অসাধারণ ছিল।
কাজটা কিন্তু অতটা সোজা না।
ঠিক আছে, সে যে খেলছে না এতে আমি অত্যন্ত খুশি। আমি চাই না সে খেলতে গিয়ে আহত হয়ে ফিরুক।
এটা ছোটদের ফুটবল। এখানে কেউ আহত হয় না।
আরউইন, তুই ঠিক আছিস?
তুমি ঠিক আছো তো, আরউইন?
আমাকে দেখে কি ঠিক মনে হচ্ছে?
এই নাও। আসো।
বদলি খেলোয়াড়কে ডাকুন।
ম্যাচ তো টাই হয়ে যাবে। ১০ জন নিয়ে খেলতে হবে মনে হচ্ছে।
কিন্তু আমাদের দলে জর্জ আছে, মানে বলতে গেলে নয়জনই আছে।
ওয়ালেস, এসব বলতে হয় না।
জলদি করুন, কোচ।
স্টুয়ার্ট! আরউইনের বদলে তুমি যাও!
মা! বাবা! আমি খেলতে যাচ্ছি!
হ্যাঁ, স্টুয়ার্ট!
হায়, খোদা।
ঠিক আছে, স্টুয়ার্ট, সাবধানে খেলো।
চিন্তা করবেন না, আমি দলকে হারতে দেবো না।
যাও, একেবারে ফাটিয়ে দাও।
খেলা শুরু! চলো!
এদিকে দাও! আমার কাছে বল দাও!
পেয়েছি! পেয়েছি!
- আমি ওকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আসছি। - সোনা, সোনা।
আমি যতটুকু জানি, আমার মনে হয় ওকে এভাবে নিয়ে আসলে সে একটু...
লজ্জিত হবে।
বলটা ধরো, জর্জ!
বল নিয়ে দৌড়াও!
আমাকে বলটা পাস কর, জর্জ। জলদি।
জর্জ, লাথি মার!
আমি সামলাচ্ছি! আমি বলটা নিচ্ছি!
লাথি মার!
পেয়েছি! পেয়েছি!
ইয়াহু, আমি গোল করেছি!
এর পরেরবার থেকে হেলমেট পরে আসতে হবে।
ওকে সেখান থেকে কত ছোট লাগছিলো।
আমার কাছে ভালো লাগছে না। ওকে পরের সপ্তাহে খেলতে না দিলে হয় না?
সোনা, ওকে নিজের ইচ্ছামতো কিছু করার সুযোগটা তো দাও।
দিচ্ছি তো। ওকে ওর নিজের কলার খোসা ছাড়াতে দেই।
কিন্তু চামচ ব্যবহার করে।
স্কুলে যাওয়ার জন্য ওকে গাড়ি চালাতে দেই। কোনো মা-ই তার বাচ্চাকে এটা করতে দেয় না।
কিন্তু জর্জ ওর গাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যায়।
ওকে আর কতটা সুযোগ দেবো?
এখন যতটা দিচ্ছো তার চেয়ে আরেকটু বেশি।
হয়তো মা ঠিক বলছিলো। হয়তো আমার আর ফুটবল খেলা উচিত না।
মা তোমাকে কি করতে দেয় আমাকে বলবে?
ছবি আঁকতে আর নাচতে দেয়।
আসলে আমারই দোষ।
তোমাকে ওভাবে লাথি মেরে গোল করা আমার উচিত হয়নি।
সমস্যা নেই। খেলায় জিতেছি এটা বেশি। খেলায় জেতাটাই আসল।
না। আসল জিনিসটা হচ্ছে আমি ওয়ালেসের মুখে বলটা মেরেছি।
বগি ঠিক আছে! এইতো হয়ে গেছে, ব্রুকলিন!
যদি সত্যি সত্যিই এই জিনিসটাকে আমি উড়াই তাহলে অনেক মজা হবে, তাই না?
হ্যাঁ। শুধু একটাই সমস্যা।
মা।
- হ্যালো, মিসেস লিটল। - হাই, উইল।
- জর্জ বাসায় আছে? - সে স্টুয়ার্টের সাথে আছে।
শুধু এর কয়েকটা স্ক্রু টাইট করে নিলেই এটা উড়ার জন্য তৈরি হয়ে যাবে।
হাই, জর্জ। হাই, স্টুয়ার্ট।
- হাই, উইল। - হাই।
কিছুক্ষণের জন্য গেম খেলবি? আমি আমার প্লে স্টেশন ২ এনেছি।
আচ্ছা।
কিন্তু প্লেনের কী হবে?
আমি কিছুক্ষণ উইলের সাথে খেলতে যাচ্ছি। তুমি স্নোবেলের সাথে খেলো।
বাহ। মনে হচ্ছে আমাকে নিজেকেই এটার কাজ শেষ করতে হবে।
শুধু এর একটা...
ওহ, খোদা।
আরে, আওয়াজ কীসের?
মনে হচ্ছে ঘাস কাটার যন্ত্রের আওয়াজ।
ঘরের ভেতরে?
স্টুয়ার্ট!
তুমি কী করছো?
কিছুই করছি না!
ব্রেকটা টেনে ধরো!
বইটা নিয়ে আসো!
এটা তো অস্থির। আমার ভাই তো খালি নাকের ভেতরে রং পেন্সিল ভরে পাগলামি করে।
এখানে লেখা, "উড়ার পরেই, থ্রোটলটাকে পেছনে টেনে ধরো।"
উড়ার পরেই? আমি তো ইতোমধ্যেই উড়ছি!
স্নোবেল, সরে যাও!
প্লিজ, আমি মরতে চাই না!
কী হচ্ছে এসব?
স্টুয়ার্ট শুধু ঘরের ভেতরে উড়ছে।
ঘরের ভেতরে উড়ছে?
অন্তত ঘরের ভেতরে তো আছে, এতে কিছু হবে না।
সাবধানে!
সরে যান!
স্টুয়ার্ট!
নিচু হন!
- স্টুয়ার্ট, তুমি ঠিক আছো তো? - ঠিক আছো?
ঠিক আছি।
সবকিছু ঠিক আছে।
কী ঠিক আছে? স্টুয়ার্ট, তুমি এটার বাঁশ মেরে দিয়েছ।
- ওটা ধ্বংস করার জন্য দুঃখিত, জর্জ! - এটাকে তো আঠা দিয়ে জোড়া লাগিয়ে ঠিক করা যাবে।
না, ঠিক করা লাগবে না। এটাকে ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেয়া হবে। এটা ওর জন্য খুবই বিপজ্জনক।
অনেক ধন্যবাদ, স্টুয়ার্ট।
তুমি ছেলেদেরকে বাসায় নিয়ে যাও। আমি আর স্টুয়ার্ট কিছুক্ষণ কথা বলে আসছি।
ভালো বুদ্ধি।
চলো, ছেলেরা। বাড়িতে যাই।
মা এখনো আমাকে ছোট বাচ্চা মনে করে।
দেখো তুমি যেটা ভাবছো ব্যাপারটা সেরকম না।
সে তোমাকে অনেক ভালোবাসে। তোমার যাতে কোনো বিপদ না হয় তার জন্য সে এরকম করে।
ওহ, আজকের দিনটা আর ভালো যাবে না।
মায়ের মেজাজ খারাপ, জর্জ আমার সাথে খেলবে না....
জানি। কিন্তু প্রত্যেকটা মেঘের পেছনেই উজ্জ্বল সূর্যালোক থাকে।
ওদের সাথে উজ্জ্বল সূর্যালোকের কী সম্পর্ক?
না, এটা শুধু একটা কথার কথা, স্টুয়ার্ট।
লিটল হওয়ার পরে তোমাকে যা করতে হয় তা হলো তুমি যত খারাপ পরিস্থিতিতেই পড়ো না কেন...
...অবস্থা যত দুর্বিষহই হোক না কেন, তোমার উচিত...
...সবসময় এর ভালো দিকটা দেখা। এটাই হলো উজ্জ্বল সূর্যালোক।
যেমন এই পরিস্থিতিতে, আমার উজ্জ্বল সূর্যালোক হবে...
বুঝতে পারছি না, বাবা। আপনিও একটু সাহায্য করুন।
যেমন জর্জ একটা নতুন বন্ধু খুঁজে পেয়েছে। এর মানে তুমিও একটা বন্ধু খুঁজে পেতে পারো।
আপনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে কত দক্ষ।
আসলে একজন লিটল হিসেবে তোমার চেয়ে আমার অভিজ্ঞতা বেশি তো, তাই। তোমারও অভ্যাস হয়ে যাবে।
ততক্ষণ পর্যন্ত, বুকে রাখো অদম্য সাহস...
...আর নিজের মনের দরজাটা খোলা রাখো।
- আর তারপর? - সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নাও।
আর কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যায়...
...কারণ কানাডার লোকেরা আলাদা থাকতে পছন্দ করে।
কালকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে, শুক্রবারে পরীক্ষা হবে।
আর তোমাদের অবশিষ্ট টিফিন তোমরা দয়া করে নিয়ে যাও।
আমার স্বামী আমাকে বলে যে আমার গা থেকে নাকি শুঁটকির গন্ধ আসে।
টনি, আজ বিকালে তুমি আমার বাসায় খেলতে আসবে?
দুঃখিত, বন্ধু। আমার ক্যারাটে ক্লাস আছে।
অ্যাই, মার্ক।
আমার গিটার ক্লাস আছে।
অ্যাই স্টুয়ার্ট, আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে উইলের বাসায় বাস্কেটবল খেলতে যাচ্ছি।
আমিও আসি?
ওরা তোমার আনার কথা ঠিক বলেনি।
ওহ, ঠিক আছে। আমি এমনিতেও একটু ব্যস্ত আছি।
মাকে বোলো যে আমি তোমাকে বাসা পর্যন্ত ছেড়ে দিয়ে এসেছি, ঠিক আছে?
তোমার কাছে ঋণী রইলাম।
আচ্ছা।
ওরে!
আপু?
আপু?
তুমি বেঁচে আছো?
সে বেঁচে আছে।
রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ান। একটা আহত পাখি আসছে!
কী হচ্ছে এসব?
আমার পাখা।
আমি কোথায়! আরে! বাজপাখিটা কই?
কীসের বাজপাখি?
ঐযে বাজপাখি! চালাতে থাকো! এখানে থেকে সরে যাও!
আরে!
দূরে যাইয়া মর, শালা বাজ!
তুই লেমন চুষ, জীবনে তো মনে হয় কিছু খাস নাই!
পাখিটাকে শত্রু বানানোর দরকার আছে?
আরে, খাইছে, সামনে বিপদ আসছে।
না, তুমি এটা করতে পারবে। আস্তে চালিয়ো না।
তুমি পেরেছো।
হ্যাঁ। তা তো পেরেছিই।
No comments yet. Be the first to leave one.