La unuaj 200 linioj.
অনুবাদকঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
ঠিক আছে, সৈনিকগণ! সকাল হয়ে গেছে। উঠো, স্ট্রাইপ।
ওই। এখনো জেগে আছো?
- অবশ্যই আজগুবি স্বপ্ন আর দেখছি না। - সৈন্যদল!
গত রাতে হার ফলস গ্রামে কিছু ঘটনা ঘটেছে,
প্রায় তিন মাইল পূর্বে গ্রামটি অবস্থিত।
আমরা একটি খাবারের দোকান ভেঙে ফেলার খবর পেয়েছি, চুরি হয়েছে।
স্থানীয়রা মনে করে এটা রোচদের (তেলাপোকা) কাজ।
রোচ!
আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে পড়বো। তৈরি হয়ে নাও!
ওই শোনো, তো, দেখে মনে হচ্ছে তুমি প্রথমবার বাস্তবে রোচ শিকার করতে যাচ্ছ, তাই না?
ওই, নয়া মাল!
নয়া মাল!
আমি স্ট্রাইপ।
আজ যদি তোর রোচদের সাথে প্রথম মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা হয়,
-...তবে একটা ছোট্ট পরামর্শ শুনে রাখ। - আচ্ছা?
যখন ওদের মুখোমুখি হবি,
তখন যেন প্যান্ট নষ্ট না হয় যায়। ওদেরকে মারার এটাই একমাত্র উপায়।
- চেষ্টা করবো। - লেনের কথায় কান দিও না।
ওর নিশানা খুবই খারাপ, ও-ই পৃথিবীর একমাত্র ব্যক্তি...
যে নিজের প্যান্ট নষ্ট করতে পারে আর মিস করতে পারে।
- চুপ কর, গেঁয়ো মেয়ে। - গেঁয়ো মেয়ে?
হ্যাঁ। শিকার করা আমার রক্তে মিশে আছে।
এই বৈশিষ্ট্য আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ জন্মগতভাবে পেয়েছে।
চলো যাওয়া যাক!
ওহ! হ্যাঁ!
আচ্ছা, আচ্ছা, ঠিক আছে।
এখন কথা বলতে পারো।
- এটা অবশ্যই রোচদের কাজ হবে। - রোচ, তুমি ওদের দেখেছ? তুমি দেখছ?
আমি ওদের দেখিনি।
আমি ওদের কথা শুনেছি। সব ধ্বংস করেছে। এটা অবশ্যই ওদেরই কাজ।
বিস্কুট খাবে?
- এই নাও। - ওরা খাবার লুটে নিয়েছে।
ওদের ছেড়ে যাওয়া সমস্ত কিছু আমাদের ধ্বংস করতে হবে।
কেউ এসব খাবে না।
আমরা পুনরায় ঠিক করে দিতে পারবো, ঠিক আছে?
ওরা কুলার ধ্বংস করে দিয়েছে। এবং ভেঙে যন্ত্রাংশগুলো নিয়ে গেছে।
কুলার? ওরা কুলারের ভাঙা অংশ চুরি করেছে?
ওরা কোন পথে গেছে?
ময়লার মধ্যে থাকা পায়ের ছাপ ওদিকে নির্দেশ করছে।
পার্ন হাইডেকার।
পার্ন হাইডেকার।
হাইডেকার? এটা কোন নাম?
ওদের আসা বন্ধ করুন। প্লিজ, অবশ্যই ওদের থামান।
ঠিক আছে।
আমার বাচ্চা খুব ভয় পেয়ে আছে।
থামাবো। কথা দিলাম।
স্ট্রাইপ!
ঠিক আছে। আমাদের বন্ধু এখানে মনে করে যে রোচরা...
পার্ন হাইডেকারের বাড়ির দিকে গেছে।
স্থানীয় অদ্ভুত প্রকৃতি লোক, এক প্রকার ধর্মভীরু বলে মনে হচ্ছে।
অ্যান্ডারসন, হেগ, আমি চাই তোমরা এখানে থেকে ওদের খাবার জ্বালিয়ে দিতে সাহায্য করো,
এবং ওদেরকে শান্ত থাকার আশ্বাস দাও।
তোমাদের বাকিরা, আমরা হাইডেকারের বাড়ির সামনে নেমে যাবো।
ওকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জায়গাটির চারপাশে তল্লাশি করবো।
যদি সেখানে রোচরা থাকে, তবে আমরা দেখাবো আমরা ওদের জন্য প্রস্তুত। চলো যাওয়া যাক।
তো মিঃ হাইডেকার সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি বা মানুষের সাথে মিশে এমনটা বলা যাবে না।
মনে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে।
রোচদের বিষয়ে তার এক প্রকার আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।
তার তথ্য এখন তোমাদের মাস সিস্টেমে দিচ্ছি।
কয়েক মাস আগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।
স্থানীয়দের দাবি যে সে রোচদেরকে তার জায়গা পার হতে দেয়, তাদের জন্য খাবার রেখে দেয়।
হতে পারে এটা স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাছ থেকে ছড়ানো গুজব তাই...
আচ্ছা, এখানে কতগুলো রোচ বেঁচে আছে?
কয়েক হাজার? কয়েকশো, যদি তা হয়?
মানে, আমাদের ওখানে লক্ষ লক্ষ ছিল।
ওদেরকে খতম করতে কেবল দুই বছর সময় লেগেছে।
আর ওদেরকে বাঁচাতে এখানে গেঁয়ো মানুষ আছে।
এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, সবগুলোকে মারতে এত বেশি সময় লেগেছে।
কিন্তু রোচকে বাঁচানোর মতো বোকামি কেউ কীভাবে করতে পারে?
কে জানে।
সামনে এবং পেছনে দরজা আছে।
জানালাগুলো ঢাকা আছে।
চিমনির ধোঁয়া। বাড়িতে কেউ আছে।
লেনার্ড, বুমার ব্যবহার করো।
ঠিক আছে, মাস চেক। সবাই নকশা দেখতে পাচ্ছ?
- পাচ্ছি। - পাচ্ছি।
পাচ্ছি।
আইকিন, ভ্যালকন, কোচ, তোমরা এখানে বাইরের বিল্ডিংগুলি পরীক্ষা করো।
ধীরে ধীরে একটার পর একটা তল্লাশি করো।
স্ট্রাইপ, রাইম্যান, তুমি আমার এবং লেনার্ডের সাথে যাবে।
আমরা এখান দিয়ে যাবো।
লেন এবং আমি হাইডেকারের সাথে কথা বলবো, তোমরা বাড়ির বাকি অংশটি তল্লাশি করে দেখবে।
ঠিক আছে।
প্রয়োজন ছাড়া, গুলি চালানো যাবে না।
শুধু রোচের ওপর চালাবো।
শুধু রোচের ওপর চালাবে।
শুভ সকাল, স্যার।
এর দরকার নেই। আমি আপনাদের ভাষা বলতে পারি।
ঠিক আছে।
- কী চান? - শুধু কথা বলতে চাই।
কথাই তো আমরা বলছি।
ভালো হয় যদি আপনি আমাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করেন।
উপরের রুমগুলো তল্লাশি করো।
শান্ত থাকুন। আমি আপনার শত্রু নই।
ওরা কোথায়?
কারা কোথায়?
আমরা দেখলাম ওই গ্রামের সব মানুষ...
...আতঙ্কিত ও রেগে আছে।
রোচরা খাবার দোকানগুলোতে প্রবেশ করে খাবার চুরি করেছে।
এই বিষয়ে কিছু জানেন?
না।
দেখুন, ওরা যা চুরি করেছে ব্যাপারটা শুধু তা নয়।
যে সমস্ত খাবার বাকি আছে তা ধ্বংস করা হবে।
- কেউ ওই খাবার খাবে না। - স্ট্রাইপ।
সবার জন্য জীবনটা আরও কঠিন হয়ে যাবে।
ওখানে দেয়ালে ক্রস আছে। আপনার নীতি আছে।
আপনি সমস্ত জীবন পবিত্র মনে করেন। আমি এটা বুঝতে পারি।
আমি একমত। সমস্ত জীবন পবিত্র তাই...
আপনি ওই রোচদেরও বাঁচান। তাই না?
ওরা যেমন এটা ওদের দোষ নয়। ওরা এসব চায়নি।
আমি বুঝি। আমরা বুঝি।
উম-হুম।
ওদের রক্তে যে ভাইরাস রয়েছে তা ওদেরকে সেভাবে তৈরি করেছে।
ওরা রোগ বহন করছে।
এটা জীবনের পবিত্রতা বা...
...আর কে রোগে ভুগছে সে কষ্ট সম্পর্কে চিন্তা করে না।
এখন থেকে পাঁচ, দশ, ২০ বছরের মধ্যে রোচদের আমরা থামাতে না পারলে,
আপনাদের বাচ্চারা সেভাবে জন্মগ্রহণ করবে এবং তারপরে ওরা বংশবৃদ্ধি করবে।
পেয়ে গেছি।
আর তাই এটা চলতেই থাকবে। কষ্টের কালচক্র।
ওই অসুস্থতা থামানো যেতে পারে।
রোচের বাসা।
তুমি ওখানে চেক করে দেখো। আমি সিঁড়ি দেখছি।
আপনি আজ যতগুলি রোচকে বাঁচাবেন,
ঈশ্বর জানেন যে এর ফলে আগামীকাল কতজন মানুষ হতাশ এবং দুর্দশাগ্রস্থ হতে পারে।
ওদেরকে মানুষ মনে করা বন্ধ করুন।
মানছি আপনার মনে অনেক দয়া আছে, তবে এটা বিপথগামী।
মানবজাতির অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদেরকে ওদের নিশ্চিহ্ন করতে হবে।
এটাই কঠিন সত্য।
বলিদান করতে হবে।
কীসের শব্দ?
আমাকে এখানে সাহায্য করো!
ধ্যাত্তেরি!
রাই!
ঘাঁটিতে ফিরতে সমস্ত পথ বুড়ো মিয়ার মন্ত্র শুনতে হবে?
কান বন্ধ করে নাও।
হ্যাঁ, তারচেয়ে বরং একেবারে বোবা করে দিই।
অস্ত্র নিচে নামাও।
রোচ সাহায্যকারীকেও অপরাধী হিসেবে গন্য করা হয়, তাই না?
ও তো মানুষ, তাই না?
মানুষকে মেরে ফেললে সে পাপ সারা জীবন তোমার পিছু ছাড়বে না।
আচ্ছা, স্ট্রাইপ, সব বিষয়ে তুমি নাক গলাতে যাও কেন?
কারণ আমি ওর সাথে বোঝাপড়া করছি, তোমার সাথে নই।
মনে হয় তোমাদের দুজনের পাকা ধানে মই দিয়েছি, তাই না?
ঠিক আছে!
বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দাও।
ওই, ঠিক আছো?
হ্যাঁ।
- শুনলাম একটা রোচের হাওয়া বের করে দিয়েছিস। - দুইটার।
কি, দুইটার?
- আরেকটাকে মেরেছি চাকু দিয়ে। - চাকু দিয়ে? বাপরে!
- ভালো করেছি, তাই না? - হ্যাঁ, বড় ধরনের শিকারী।
সেরেছে! প্রথমবার এসেই দুইটার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছো।
কি ভাগ্যবান রে, ভাই।
ওর জন্য আজ ঘুম ভালো হবে।
আজ রাতে খাওয়াতে হবে।
উহ-ওহ! উহ!
তোমাকে ভালোবাসি।
ওহ! নিখুঁত নিশানাধারী।
পিঠ চাপড়ানো লাগবে না!
নিষ্ঠুর! তুমি ভয়ানক মৃত্যুদূত।
হ্যাঁ, পরের বার কোনো রোচ বাঁচতে পারবে না।
এখনো ওটা নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছ?
আসলে, হরিণ শিকার করে বড় হয়েছি। আমি কখনও হাল ছাড়ি না।
শিকার পালিয়ে যাওয়াটা আমি পছন্দ করি না।
অসাধারণ।
হ্যাঁ, ওই হারামিটা যদি বনে পৌঁছে যায়,
তাহলে হয়তো সীমান্তেও পোঁছে গেছে।
হ্যাঁ তোমার জন্য তো ঠিক আছে।
তুমি দু'জনকে শেষ করে দিয়েছো।
আমার জন্য সময়ের ব্যাপার হয়ে গেল।
বুঝতেই পারছো, এখন হাত নিশপিশ করছে।
বাদ দাও, রাই।
ঘুম ভালো হয়েছে?
হ্যাঁ, ভালো হয়েছে।
তোমার মতো যদি আমিও করতে পারতাম?
তাই না? আমি যদি একসাথে দুটোকে মারতে পারতাম,
তাহলে এক ঘন্টার মতো আনন্দ করতাম!
ঠিক আছে। চুপ করো।
ঠিক আছে।
আহ! একেবারে জায়গামতো।
ওই, ঠিক আছো?
হ্যাঁ, মনে হয় আমি ক্লান্ত।
উহ-হু? ঠিক আছে, তো রাতটা তোমার ভালো কেটেছে।
৩৯, ৪০, ৪১....
৪২...
৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬,
৪৭, ৪৮, ৪৯,
৫০, ৫১, ৫২,
৫৩, ৫৪, ৫৫,
৫৬, ৫৭, ৫৮, ৫৯...
দৃঢ়তার সঙ্গে করো।
দৃঢ়তার সঙ্গে করো।
- স্ট্রাইপ, তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
মানে, আমি জানি না।
একটু অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে।
মানে, আমি অসুস্থ বা কিছুই হইনি। কেবল, আহ ...
ডাক্তারের কাছে যাও।
পরীক্ষা শুরু করছি।
No comments yet. Be the first to leave one.