La unuaj 200 linioj.
"DERA NGED"
- আসো। - জলদি!
তিন বললেই একটা হাসি দিবেন।
দেখি।
খাবার এসে গেছে।
কিন্তু এখানে তো চিজ স্টিক নেই।
চিজ স্টিক?
এখনি আনছি। খাও।
আপনার হটডগ!
আজ কি বৃষ্টি হওয়ার কোনো চান্স আছে?
মনে তো হয় না।
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রকট খরার প্রকোপে,
ফসলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,
এবং পাহাড়ি অঞ্চল ও দ্বীপসমূহে পানির স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে এমন খরানি দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকবে।
আব্বু!
- মজা করেছ? - হ্যাঁ!
বার্থডেটা আমার ছিলো আম্মুর না।
কিন্তু আম্মুই সবচেয়ে বেশি মজা করেছে।
কেমন ছিল?
পুরানো সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।
ডা. কিম, আপনি এখানে?
এইমাত্র আসলাম। একটু আগেই অপারেশন শেষ হয়েছে।
ভালো করেছেন, স্যার।
এগুলো কোথায় রাখবো?
- ওখানেই রেখে দাও। - আচ্ছা!
তোমাকে এসব করতে বলার জন্য দুঃখিত।
অপারেশনটা গুরুত্বপূর্ণ না হলে...
আপনাকে সাহায্য করতে পারছি এতেই আমি খুশি।
তারা সত্যিই অনেক ভালো সময় কাটিয়েছে।
বিশেষকরে মিসেস. কিম।
তুমি কি ক্লান্ত না?
জ্বি? ও হ্যাঁ, একদম...
আমি যাই তাহলে।
শুভ সন্ধ্যা।
কেমন হলো?
এমন একজন মানুষের সেবা করছো যে কি না ভার্সিটিতে পড়ায়।
অনেক ভালো করেছ।
ধুর! ওদের ওসব জিনিসও তোমাকে দিয়ে করাতে হবে!
আমি ওদের চাকর না।
তুমিই আমার কাছে কাজের জন্য মিনতি করেছিলে।
আমি পুরোটা জীবন এসব করে পার করে দিয়েছি।
তোমাকে যেকোনো কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
উনি আমাদের বড়সড় ক্লাইন্টদের একজন।
মনে হয় না আমি এসব আর নিতে পারবো।
কি বলতে চাও? নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করো।
বেশ, আমি মাইনকা চিপায় পড়ছি!
কাল থেকে আর কাজে আসছি না।
কী? হ্যালো?
এভাবে তো বাঁচতে চাই নি।
ভাইয়া!
অনেকদিন পর দেখা।
এখানে কিসের জন্য এসেছিস?
সামনেই জুন-উও 'র জন্মদিন আর আমিও এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম...
তো, যা না।
কী যে বলো।
জে-হিয়খ!
তুমি যে কোম্পানির জন্য কাজ করো...
সেটা কেমন? মানে...
তুই কি মজা নিচ্ছিস?
আরে না। জিজ্ঞেস করা আমার দায়িত্ব মনে হলো তাই।
দায়িত্ব, আসলেই?
সত্যিই, সেজন্যই তো খারাপ লাগছে।
তবে, আর আসিস না।
ভাইয়া!
এবং আমাকে ভাইয়া ডাকবি না।
পানি খাও, সোনা।
খুব মজা, তাইনা?
- আব্বু! - আব্বু!
তোমার ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছে? এইমাত্র গেল।
এত দেরিতে গোগ্রাসে গিলছো কেন?
- জে-ফিল কাক্কু এগুলো আমাদের জন্য এনেছে! - খুব মজা।
বতকের মতো গিলা বন্ধ করবে?
আব্বু, আমার জন্মদিনে কি আমরা থিম পার্কে যাচ্ছি?
যাবো?
থিম পার্ক? এসব মাথায় আসে কোত্থেকে?
ওর জন্মদিন তো...
জন্মদিন পালন করা আমাদের সাধ্যের বাহিরে।
খোদার দোহাই লাগে! তোমাদের মাথায় কি সারাক্ষণ এগুলোই ঘুরে?
ধুর!
তাহলে কি আমরা যাচ্ছি না?
আব্বু অনেক ক্লান্ত। তোমরা খেয়ে নাও।
পানি খাবে, সোনা?
ঢেঁকুর তুলছো কেন?
বোধহয় বেশি খেয়ে ফেলেছি।
খুব ধকল গেছে আজকে?
না, একটু ঝামেলা ছিলো।
বাচ্চাদের কি কিছুদিনের জন্য মায়ের কাছে নিয়ে যাবো?
কী?
নাকি কোথাও একটা চাকরীর ব্যবস্থা করবো।
সুপারমার্কেটে বা...
তুমি কি আমার সাথে মজা করছো?
না, গো।
তোমার উপর এত চাপ আর দিনদিন খিটখিটেও হয়ে যাচ্ছো।
আমি...
ব্যাপারটা এমন যে,
তুমি ১০০ মিটার দৌড়ের মাঝপথে আছো,
আর তোমার জেতার পাল্লাও এখনো ভারি।
এভাবে চলতে থাকলে একটা সুন্দর ফলাফলের আশা করতে পারো।
কিন্তু তারপর, একটা ইটের টুকরায় হোঁচট খেলে।
আর খেল খতম। তোমার দৌড় গেল জলে।
কিন্তু তারপরও তোমাকে উঠে দাঁড়াতে হবে আর যেভাবেই হোক দৌড়টা শেষ করতে হবে।
এবার কি তুমি অতিষ্ঠ হবে না?
খোদার কাছে শুকরিয়া করো যে আমরা এখনো বেঁচে আছি।
ঘুমাও।
ধুর!
তুই কি এবার শিওর?
তোকে বলছি।
ভেবেছিলাম জোয়া ফার্মাসিউটিক্যাল একটা ফাঁপা খোল ব্যতীত কিছুই ছিলোনা।
এটাই কি তোর ভাই বলেছে?
সেদিন আমাকে সময়টা পর্যন্ত দেয়নি ও।
আমি নিজের তথ্য নিজেই বের করে নিয়েছি।
কোম্পানির পারফর্মেন্সের ব্যাপারে তেমন কিছুই জানি না।
সাম্প্রতিক শেয়ার মার্কেটের কীর্তিকলাপের উপর ভিত্তি করে তোকে এসব বলছি।
কেউ একজন বিগত কয়েকমাস ধরে
জোয়া ফার্মার শেয়ার স্টকিং করছে।
এতে অবশ্যই কোন ব্যাপার আছে।
তোর জীবন বাজি লাগাতে পারবি?
এটা এত সহজ হিসাব না।
কিছু জিতবি, কিছু হারাবি।
জানিস না তোর এই ফাউল তথ্য আমার পরিবারের কি করেছে?
আমার ভাইয়ের লাইফের কি হাল করেছে?
আমি তো তোর ভাইকে এসবে টানতে কখনোই বলিনি।
ঠিক আছে, স্যরি।
আবার যদি আমাকে বাঁশ দিস, কেটে টুকরো টুকরো করবো।
না, এবার শিওর।
শেয়ারগুলো কে কিনেছে খুঁজে বের কর।
মানে?
খুঁজে বের করে দেখ ওরা কেমন,
যদি ঠিকঠাক হয় তাহলে কেন শেয়ারগুলো কিনছে সেটা বের কর।
ভেবেছিলাম ছেড়ে দিবে।
বাদ দাও না। জানোই তো ছাড়তে পারবোনা।
এটাই তো জীবন, বন্ধু। তুমি অনেক ভালো করছো।
- ওই! - কী?
আমরা নতুন কোনো ঔষধ তৈরি করছিনা কেন?
নতুন ঔষধ?
আমরা একটা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি
আর এটা কোনো ছোট কোম্পানি না।
একটা ভালো ঔষধ প্রস্তুতকারক এবং...
মানুষের কাছে গিয়ে হাত পাততে হবেনা আমাদের কাছ থেকে কেনার জন্য।
জানোই তো এই কোম্পানি ব্রনস্টার নামের এক বিদেশী ফার্মের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে।
ওই হারামিগুলো আমাদের R&D ডিপার্টমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে।
এবং আমাদেরকে লাথি মেরে মেরে ঔষধ বিক্রি করাচ্ছে।
আর তুমি নতুন ঔষধ তৈরির কথা বলছো?
ঠিক।
শেয়ার মার্কেটে আবার হাত দিয়েছ?
ধুর না।
তোমার কি এখনো শিক্ষা হয়নি?
নিজের পরিবারের কথা তো ভাবা উচিত।
বললাম তো না।
এভাবে টাকা লাগাতে থাকলে, কপালে দুঃখ আছে।
ধুর বাল!
টাকা লাগাইনি।
আমি ইতিমধ্যে শেষ। এমনিতেই দুঃখে আছি।
যে হারামিটা তোমাকে এর মধ্যে টেনেছে,
শালা পঁচে মরবে।
তুমি কি কিছুই করতে পারবেনা?
আমার কাছে টাকা নেই।
প্লিজ এমন কোরো না।
তোমার বিয়ের টাকাকড়ির কি হলো?
সে তো অনেক আগেই হাওয়া হয়ে গেছে।
হ্যাঁ...
কেবল যখন একটা সুবর্ণ সুযোগ আসবে।
লোন নিতে পারবে?
ভাইয়ের লাইফের তো বারোটা বাজিয়েছ। এখন আমার সাথেও সেটাই করতে চাচ্ছো?
এমন ভাবে বলছো যেন আমি কোন ভাইরাস।
তাহলে এমন করছো কেন?
বলেছিলাম তো। ভাইয়াকে আগের পজিশনটা ফিরিয়ে দিতে হবে।
ও এর চেয়েও বেশি কিছু ডিজার্ভ করে।
ডক্টরেট করেছে। ও তো এভাবে ওষুধ বিক্রি করে বেড়াতে পারে না।
ভাবি, ভাতিজা ও ভাতিজির কাছে আমি ঋণগ্রস্ত হয়ে আছি।
আমি জানি তোমার কেমন লাগছে। কিন্তু স্টক কেনাবেচা-ই কি একমাত্র সমাধান?
হ্যাঁ।
সবকিছু হারিয়ে ফেলতে পারো।
আমার ভাইয়ের পরিবারের জন্য, আমি এই রিস্কটা নিবো।
যেকোনো দিন!
তুমি কি ওকে এভাবেই যেতে দিবে?
ওর বেতনও আজীবনের মতো ফিক্সড করে দিয়েছে।
আর ও এখনো স্টকের জন্য টাকা ধার নেওয়ার চেষ্টা করছে।
আমার চিন্তা হচ্ছে যে ও সুদখোরদের কাছে না চলে যায়।
বেশি দেরি হবার আগেই ছেড়ে দাও ওকে।
ওর চেয়েও ভালো ছেলে পাবে।
জে-হিয়খ, তুমিই আমাদের ব্যাপারটা সেট করে দিয়েছিলে।
জানতাম না ও এমন হয়ে যাবে।
C2H5OH, ইথানল।
এন্টিসেপ্টিক এবং মদ তৈরিতে ব্যবহার হয়।
আমি ওকে কাজের ভেবেছিলাম।
কিন্তু?
CH3OH, মিথানল।
এটা খেলে অন্ধ হতে পারো নয়তো মরে যাবে।
বিষ। আর এটাই হচ্ছে ও।
ওকে একটু সাহায্য তো করো। ও তোমার ভাই।
আমার থেকে না, আর না।
আরে, ছাড়ো তো।
এমনকি ও সবচেয়ে নামকরা অপরাধী হলেও...
- ইয়ন-জু। - হ্যাঁ?
দুঃখিত, কিন্তু তোমার এ সমস্যার সমাধান এখন আমার কাছে নেই।
সময় এখন এতোটাই খারাপ?
শুধু ড্রিংকটা শেষ করো।
তোমরা এখন গোপনে বসে খাচ্ছ?
No comments yet. Be the first to leave one.