Οι πρώτες 200 γραμμές.
আগে যা ঘটেছিল:
- কয় গ্লাস গিলেছ, বাবা? - তুমি কি আমাকে লেকচার দিচ্ছ?
নার্স বললো, তোমার হাত কাঁপছিল।
আমার পেশাগত অভিজ্ঞতা যা বলে তা হলো,
যে সময়ে আমাকে ডাকা হয়েছে,
ততক্ষণে ক্ষতি যা হবার তা হয়েইগেছে।
আমাকে নিজের বিবৃতিটায় কিছু পরিবর্তন আসবে।
অপারেশন শুরু হবার বেশ কিছু পরে আমি থিয়েটারে ঢুকেছি, তা না।
- এটা তা না... - এটা পরিষ্কার যে আমার বাবা
পেশেন্টের হেপাটিক আর্টারি ছিন্ন করে ফেলেছেন,
আমার পেশাগত অভিজ্ঞতা যা বলে তা হলো,
এর ফলেই তার মৃত্যু হচ্ছে।
"প্রিয় মিস্টার সয়্যার, তুমি আমাকে চেনো না,
কিন্তু তুমি যা করেছ তা আমি জানি।
তুমি আমার মায়ের সাথে সেক্স করেছ,
তারপর আমার বাবার সব টাকা চুরি করে নিয়ে গেছ।
আমি তোমাকে খুঁজে বের করে তোমার হাতে এই চিঠিটি তুলে দেবো,
এতে আমার সাথে কী করেছ, তা তোমার মনে থাকবে।"
আমি খামটা দেখেছি।
এই চিঠি তুমি লিখেছ।
তোমার নাম আসলে সয়্যার না, না?
এটা ওর নাম, ও ছিল একটা ঠগবাজ।
আমার মায়ের সাথে প্রেম করেছে টাকাটা পাওয়ার জন্য।
ওদের হাত খালি করে দিয়েছ, আমাদের জীবন তছনছ হয়ে গেছে।
তুমি একটা বাচ্চা ছিলে তখন।
- ওঠো। - দরজাটা খোলো!
- ও এসে গেছে। - দরজাটা খোলো!
এসো।
তোমাকে ওঠাতে হবে।
ও ভাববে তুমি এখনো তোমার নানা-নানীর সাথে আছ, ঠিক আছে?
বিছানার তলায় লুকাও।
এক্ষুণি যাও, মায়ের কথা শোনো।
ব্যাপারটা খুব জরুরি। বিছানার তলায় যাও।
একটুও শব্দ করবে না। বের হবে না।
যাই ঘটুক না কেন, একদম বের হবে না, ঠিক আছে?
- আচ্ছা। - ওহ, ঈশ্বর।
- আমি তোমাকে ভালোবাসি। - আমিও তোমাকে ভালোবাসি, মা।
চলো, নিচে ঢুকে পড়ো।
- ঠিক আছে। - ব্রুক, দরজাটা খোলো!
থামাও এসব!
চলে যাও!
থামাও এসব!
তোমার সমস্যাটা কী?
আমি পুলিশকে ডাকছি! এখান থেকে চলে যাও!
কী করছ তুমি?
তুমি পিস্তল দিয়ে কী করছ?
অনুবাদে -কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
এটা ফিরে আসবে।
একটা শুয়োর তোমার তারপুলিন নিয়ে গেছে?
অন্ধকার ছিল, কিন্তু হ্যাঁ, আমি নিশ্চিত এটা একটা শুয়োরই ছিল।
ভেবেছিলাম শুয়োরটা চলে গেছে।
বেশ তো, জিনিয়াস, মনে হয় আমরা ভুল জানতাম।
ওটা তোমার তাঁবুতে কী করছিল?
আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।
তারপর ওটা আমার দিকে ধেয়ে আসলো, আমি ওটাকে মারলাম, আর ওটা জঙ্গলে পালিয়ে গেল।
তোমার তারপুলিন নিয়ে।
মনে হয় শুয়োরটা ক্যাম্পিং করতে চেয়েছিল।
তোমার মজা লাগছে?
হ্যাঁ।
বেশ ...
হাসো, মোহাম্মদ, হাসো।
কিন্তু আমি যদি ফিরে এসে আমার জিনিসপত্র না পাই, তাহলে তোমার খবর আছে।
তুমি কী শুনেছ?
ফ্রেঞ্চ মহিলাটার সাথে দেখা হবার পরে তুমি জঙ্গলে কিছু একটা শুনেছ।
আমি আহত আর ক্লান্ত ছিলাম।
- আমার মন আমাকে ধোঁকা দিচ্ছে। - তুমি কী শুনেছ?
মনে হচ্ছিল কারো ফিসফিস কথা শুনছি।
কী বলছিল সেটা?
কেন? তুমি কিছু শুনেছ নাকি?
বাদ দাও।
আমি কিছু শুনিনি।
তুমি কাকে ভয় পাও?
সোনা, ভয়ে কাঁপছ তো তুমি।
একটু অস্বস্তিকর হয়ে গেল ব্যাপারটা।
কিন্তু আমি যদি এখন কিছু না বলি,
তাহলে ব্যাপারটা একদম লজ্জাজনক হয়ে দাঁড়াবে।
- হিবস। - হ্যালো, সয়্যার।
ম্যাম, আমি ক্ষমা চাইছি।
ভেবেছিলাম আমার বন্ধু সয়্যার এখানে একা আছে।
আমাকে কয়েক মিনিট সময় দিতে হবে।
- শোনো, সোনা ... - সোনা, এটা কে?
শোনো, তুমি বারে গিয়ে একটু ড্রিংক করো।
আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না।
ওকে সরিয়ে দিয়েই আমি তোমার কাছে এসে
তোমাকে সব বুঝিয়ে বলবো।
- কিন্তু ... - শোনো। আমার ওপর বিশ্বাস রাখো।
আমি তোমাকে খুঁজে বের করবো। কথা দিচ্ছি।
তোমার প্রশংসা না করে পারছি না।
কীভাবে সুন্দর সুন্দর মেয়েগুলোর মন ভাঙিয়ে খাও তুমি!
যদি আমার ভুল না হয়ে থাকে, তাহলে আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে
আমি বলেছিলাম, আর কখনো তোমাকে দেখলে খুন করে ফেলবো।
সেজন্যই আমি এখানে এসেছি। সবকিছু ঠিকঠাক করতে।
তাছাড়া, আমরা দুইজনেই জানি যে খুন করার সামর্থ্য তোমার নেই।
এই নাও।
আশা করি ট্যাম্পার ব্যাপারটা মিমাংসা হয়ে গেল।
কী এমন জিনিস এটা যে ট্যাম্পার ব্যাপারটা মিমাংসা করে দিতে পারবে?
যে লোক তোমার জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে, তার ঠিকানা পেলে কেমন হয়?
আমি মদ বানাচ্ছি, তুমি খাবে?
বুড়ো পার্কসকে চেনো নিশ্চয়ই?
আমাদের আটলান্টার কাজটায় সাহায্য করেছিল যে?
হ্যাঁ চিনি, কী হয়েছে ওর?
সে সিডনির এক অখ্যাত পার্লারে কাজ করে।
গত সপ্তাহে ওর এক রেগুলার কাস্টোমার
হামবড়াই কথা বলতে গিয়ে মুখ ফসকে তার ঠগবাজিময় জীবনের কথা বলে দিয়েছে।
ঐ লোক হলো ফ্র্যাঙ্ক ডাকেট।
দুর্ভাগা, জুয়াসক্ত, অ্যালকোহলিক।
ট্রাকে করে খাবার চিংড়ির বেচে।
আগে ডাকেট লোকটা বিশাল জুয়াড়ি ছিল।
ও প্রেমের ভান করত।
বউয়ের সাথে প্রেম করত, তারপর স্বামীর টাকা নিয়ে নিত।
এ ব্যাপারে নাকি সে খুবই চালু ছিল।
কিন্তু একদিন ওর ঠগবাজির শিকার হওয়া এক লোক
নিজের বউকে গুলি করে খুন করে, নিজের খুলিও উড়িয়ে দেয়া।
পুরোটাই ঘটেছিল তাদের বাচ্চা ছেলেটার সামনে।
ওকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে টনিকে টাকা দিয়েছিলাম আমি।
দেখা গেল, ফ্র্যাঙ্ক ডাকেটের আগের নাম ছিল ফ্র্যাঙ্ক সয়্যার।
এ নামটাই মনে হয় তোমার সাথে মানানসই।
এ সেই লোক?
এ সেই লোক।
লোন দেবার জন্য ধন্যবাদ।
সমস্যা নেই।
এগুলো কোথা থেকে এসেছে এ ব্যাপারে কেউ জানতে চায়?
ওরা জানে প্লেনে একজন মার্শাল ছিল, ওরা ধরে নিয়েছিল সে একাই ভ্রমণ করছিল,
তাদেরকে জঙ্গীদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য।
এ থিওরিটা আমার পছন্দ হয়েছে।
- সবার পিস্তল ফেরত পেয়েছ? - একজনেরটা বাদে।
কারটা?
তোমাকে তিনটা অপশন দেই?
সয়্যার। আমি ওটা ফেরত নিতে পারবো।
সত্যিই।
কীভাবে নেবে?
ওর ভাষায় কথা বলবো।
তুমি আগেও একাজ করেছ, আমার যতদূর মনে পড়ে,
তুমি ওর সাথে প্রেম করেছিলে।
আর তুমি যা চাচ্ছিলে, তা ওর কাছে ছিলই না।
ওকে নির্যাতন করে কাজ হচ্ছিল না বলেই ওর সাথে প্রেম করেছিলাম।
ওকে পিস্তলটা রাখতে দাও। এত কষ্ট করে লাভ নেই।
জিজ্ঞেস করলে আমাকে গুলি করবে, এই ভয় পাচ্ছ?
তুমি ওর থেকে কিছু নাও সেটা চাই না আমি।
- হেই। - হাই।
কী অবস্থা তোমার?
অন্তঃসত্ত্বা।
কালকে রাতে স্বপ্ন দেখেছি।
সেগুলোকে স্মৃতিই বলা যায়।
তুমি ছিলে সেখানে।
দুঃখিত।
ভাবলাম তুমি মনে হয় হাঁটতে যেতে চাও।
দুঃখিত।
আমার একটা ...
...কাজ আছে।
নিশ্চয়ই।
পরে দেখা হবে, ঠিক আছে?
এটা পরে ফিরে আসবে।
কুত্তার বাচ্চা!
একটা শুয়োর এসব করেছে?
গত রাতে এটা আমার তাঁবু তছনছ করেছে।
আজ সকালে যখন আমি আমার তাঁবু উদ্ধার করতে গেছি,
তখন আমাকে পেছন থেকে আক্রমণ করেছে।
তারপর ভীতুর ডিমের মতো জঙ্গলে পালিয়ে গেছে।
কারণ ছাড়া একটা শুয়োর তোমাকে আক্রমণ করবে না।
ধন্যবাদ, শুয়োর বিশেষজ্ঞ।
কিন্তু এটা তাই করেছে।
এটা আমাকে উত্ত্যক্ত করছে।
কী করছ তুমি?
- শোধ নেবো আমি। - কী বলছ নিজে শুনে দেখেছ?
এটা সামান্য একটা শুয়োর।
লককে বলো, ও মেরে দেবে।
- নাহ, এটা আমার লড়াই। - শুয়োর কীভাবে শিকার করতে হয়, জানো?
তুমি হারবে, আরো খারাপ কিছুও হতে পারে।
- তুমি এত দরদ দেখাচ্ছ কেন? - দেখাচ্ছি না।
বেশ, তাহলে এখন যাও। আমাকে প্রতিশোধ নেবার পরিকল্পনা করতে দাও।
তুমি নিশ্চয়ই হিবসের দোস্তো।
আমেরিকায় থাকতে হিবসের সাথে কয়েকটা কাজ করেছি।
- বেশ ভালো লোক। - ও একটা কুত্তার বাচ্চা।
তা অবশ্য ঠিক।
কয়েকটা ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
অস্ট্রেলিয়া এর নাগরিকদের হ্যান্ডগান ব্যবহারের অনুমতি দেয় না।
তুমি এটা সহ ধরা পড়লে ...
তোমাকে ছাড়িয়ে আনতে পারবো না।
দ্বিতীয়ত, তুমি জানো আমি বেশ কিছুদিন ধরে এ কাজ করছি,
আর যে লোক হলো-পয়েন্ট লোডসহ কমপ্যাক্ট .357 কেনে,
সে ভয় দেখাতে কিংবা চুরি করতে চায় না।
সে দরকার পড়লে খুন করতে পারে।
যদি সে টের পায় যে এ কাজের যোগ্যতা তার নেই তাহলে ...
কাস্টোমার পটানো আরো ভালো করে শেখা দরকার তোমার।
আমি যা বলছি তা হলো,
কারো চোখের দিকে তাকিয়ে তার দিকে পিস্তল তাক করলে,
তুমি নিজের আসল পরিচয় জানতে পারবে।
আর যদি টের পাও যে খুন করার মুরোদ তোমার নেই,
তাহলে পয়সা ফেরত পাবে না।
তাতে কোনো সমস্যা হবে না।
হার্লি, সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।
কিন্তু তোমাকে ...
আমি ইথানকে খুন করেছি। ওকে কবর দিয়ে দিতে পারবো।
হ্যাঁ, যতদিন পর্যন্ত না ও কবর থেকে উঠে আসে,
আমি জানি এর পরিণতি কী।
জঙ্গলের মাঝ দিয়ে তোমার আর আমার চেঁচামেচি আর কান্নাকাটির মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটবে।
আমি মোটা বলে আর পা ব্যথা করছিল বলে ও আমাকে প্রথমে ধরে ফেলেছিল।
তুমি কি ঠিক আছ?
No comments yet. Be the first to leave one.