Οι πρώτες 200 γραμμές.
আগে যা ঘটেছিল:
এখন, এটাই সবচেয়ে জরুরি।
তুমি এই দ্বীপে কীভাবে এসেছিলে?
পাথরে ধাক্কা খেয়েছিলো, নোঙর ফেলতে বাধ্য হলাম।
এক সেকেন্ড, কী চাচ্ছ?
- তুমি স্নোবল বানাতে চাও? - বাঁশটা শক্ত করে ধরো।
মনে হয়।
- হেই। - হেই।
- কী অবস্থা? - এই যে অবস্থা।
যতক্ষণ পর্যন্ত এটাকেও কেউ নষ্ট করে না ফেলে।
আমি লোকজনকে বলেছি চব্বিশ ঘন্টা পাহারা দিতে।
কেউ এর কাছে যাবে না, পুড়ানোর ইচ্ছা থাকুক বা না থাকুক।
আমি ভাবছিলাম, এখান দিয়ে পার হওয়া কোনো জাহাজ যে
এই ভেলাটা দেখবে, তার আশা ক্ষীণ।
আমরা একটা বিপদসংকেত পাঠাতে পারি,
কাছাকাছি যাওয়া কোনো জাহাজের উদ্দেশ্যে, SOS এর মতো।
আমি সাইদকে জিজ্ঞেস করবো, কিন্তু ও এটা বানাতে পারলেও
সেটা চালু করবে কী দিয়ে?
সাইদ না বলেছিল যে, ঐ পাগল ফ্রেঞ্চ মহিলাটার কাছে ব্যাটারি আছে?
- অবশ্যই না। - আমি তোমাকে যেতে বলছি না।
- আমি একাজ করবো। - না।
- আমরা শুধু চেষ্টা করছি ... - তোমার কী মনে হয়?
এমন একটা জিনিস ও অচেনা এক লোককে দিয়ে দেবে?
ওকে খুঁজে দাও শুধু, তাহলেই হবে।
আমি ওর ক্যাম্পে গিয়েছিলাম অজ্ঞান অবস্থায়।
পালাবার সময়ে আমার মাথা ঠিক ছিল না। আমি ওকে খুঁজে বের করতে পারবো না।
ভাইরে, পারবে না? নাকি চাও না?
সাইদ দ্যাখো, তোমার কাছে ওর ম্যাপ আর কাগজপত্র আছে।
তোমার ধারণা ছিল ওগুলো কোনোকিছুর দিকে নির্দেশ করছে।
- আমি ভুল ভেবেছিলাম। - হয়তো ওগুলো ওর দিকে নির্দেশ করছে।
আমি জানি না কাগজপত্রগুলোর মানে কী!
এগুলো তার অশান্ত মনের প্রকাশ হতে পারে।
গানের কলি কিংবা সমীকরণ হতে পারে!
এই ম্যাপ যদি ওর দিকে নির্দেশ করে,
তাহলে তুমি জানো যে ও এখানে থাকে।
ও এটাকে একটা নাম দিয়েছে। টেরিটয়ার ফঁসে।
শ্যানন এটা অনুবাদ করেছে।
এর মানে "অন্ধকার এলাকা"। এরকম নামের একটা জায়গায় যেতে চাও?
- তারমানে তুমি সাহায্য করবে না? - সেটা বলিনি।
বিপদসংকেত দেবার বিকনটা বানাবো আমি। কিন্তু আরেকটা পাওয়ার সোর্স খোঁজো।
- ককপিটের কিছু। - আমরা ককপিটে যাবো না।
হিউগো, তুমি ওখানে কী করছ?
- ...যখন ওটা কেটে .. - একটা জিনিস দেখছিলাম।
আশা করি স্বল্পবসনা মডেলদের দেখছ না।
দ্যাখো মা, এ নিয়ে কথা হয়েছে আগেও।
আমাকে এখানে থাকতে দিতে চাইলে, আমাকে প্রাইভেসি দিতে হবে।
আর আমি ওসব দেখছি না।
তোমার অবস্থাটা দ্যাখো। আজকে শনিবার রাত।
অথচ একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক বাসায় বসে টিভি দেখে সময় কাটাচ্ছে।
তোমার বাইরে বেড়াতে যাওয়া উচিত, ভালো একটা মেয়েকে বিয়ে করা উচিত।
এক্ষুণি গিয়ে করছি।
স্বাস্থ্যকর খাবার খাও, মোটা হয়ে যাচ্ছ।
...মেগা নম্বর ৪২ এর সাথে।
তাহলে আজকে মেগা লটারির নম্বরগুলো হলো,
4, 8, 15, 16 এবং 23,
সাথে মেগা নম্বর 42।
যাদের কাছে এই নম্বরগুলো আছে, তারা জিতেছেন,
নইলে এই প্রায় রেকর্ডভাঙা জ্যাকপটটা ভাগাভাগি করা হবে।
এটাই হয়েছে মনে হয়, মেরি জো। পরপর ষোল সপ্তাহ আমরা কোনো বিজয়ী পেলাম না।
অনুবাদে -কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
হাই।
জেগে আছ?
আমি নিজেই সেটা ভাবছিলাম।
ঐ ফ্রেঞ্চ মহিলা এগুলো লিখেছে?
হার্লি, এই মাঝরাতে কী চাও?
কিছু না, ঘুমাতে পারছিলাম না।
আর কৌতুহল জাগলো।
তুমি আর শ্যানন,
তোমরা এসবের মানে বোঝার চেষ্টা করছ,
আর আমি ভাবছিলাম ...
...তোমরা কি এর মানে বুঝে গেছ?
- কীসের মানে? - জানি না।
এই সংখ্যাগুলো ও কয়েকবার করে লিখেছে।
এগুলোর মানে কী হতে পারে?
ভেবেছিলাম এগুলো কোনোকিছুর স্থানাঙ্ক।
স্থানাঙ্ক, হ্যাঁ।
কিন্তু তুমি যেদিন প্রথম ফ্রেঞ্চ মহিলাটাকে খুঁজে পেলে,
তখন বলেছিলে যে একটা তারের মতো কিছু সৈকতে দেখেছ।
তুমি ওটাকে অনুসরণ করে ওর কাছে গেছ।
না, ওটাকে অনুসরণ করে ওর পাতা একটা ফাঁদের কাছে গেছি।
কিন্তু ওর আস্তানা নিশ্চয়ই কাছেই ছিল?
- রোশোকে নিয়ে তোমার এত আগ্রহ কেন? - আগ্রহ না।
এমনি বলছিলাম।
তোমাকে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।
শুভরাত্রি।
হ্যাঁ, তোমাকেও।
তুমি কীভাবে জেতা নম্বরগুলো পেলে?
কীভাবে যেন আমার কাছে চলে এলো।
- তোমার পরিবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে না? - ওহ, হ্যাঁ, আচ্ছা।
এই অপরূপা হলেন আমার মা, কারমেন। এদিকে এসো, মা।
এরা হলো আমার ভাই ডিয়েগো আর তার স্ত্রী লিসা।
- আমরা বড়লোক! - দারুণ, মামা
ওর কথায় কান দেবেন না, ও একটা বুদ্ধু ...
এনার সাথে আপনাদের দেখা করাই লাগবে। আমার দেখা শ্রেষ্ঠ মানুষ।
আমার দাদা, টিটো। উনি তিনটা কাজ করেন ...
- কতদিন ধরে, দাদা? - ৫২ বছর।
বাহান্ন বছর!
ওনার বয়স ৭০, জীবনে একবারই ছুটি পেয়েছিলেন,
চারবছর আগে যখন ওনার বুকে পেসমেকার বসানো হয়েছিল, তখন।
আমি টাকা পেয়ে প্রথমেই ওনাকে দেবো, যাতে উনি ওনার প্রাপ্য বিশ্রামটা পান।
আমার উদ্দেশ্য এটাই,
আমার কাছের মানুষদের জন্য কিছু করা।
কারণ, ইদানিং আমি আমার পরিবারকে আসলেই খুব জ্বালায় ফেলেছি।
আর এভাবে আমি প্রায়শ্চিত্ত করতে পারবো।
হয়তো আমার মাকে নতুন একটা বাড়িও কিনে দিতে পারবো।
হয়তো আমার দাদা তার ক্রুজ থেকে ফিরে আসার পর,
আমরা আমাদের সারাজীবনের ইচ্ছাগুলো পূরণ করতে পারবো।
দাদা?
- হেই। - আমি কিছু করছি না।
কী?
- কী? - সুপ্রভাত বললাম শুধু।
ওহ, আচ্ছা।
সুপ্রভাত।
- দুঃখিত। - কোথাও যাচ্ছিলে নাকি?
আমি? না।
বেশ ...
...ভাবলাম একটু হেঁটে আসি।
হয়তো মাছ ধরার নতুন কিছু জায়গা পেয়ে যাবো।
- আমি সাথে আসছি। - দরকার নেই।
আমার একটু খোলামেলা জায়গায় ঘোরা দরকার।
ভাইরে, আমি আসলে একটু একা থাকতে চাচ্ছিলাম।
নিশ্চয়ই।
আমি বড়সড় মানুষ তো, বেশি পিপাসা পায়।
হ্যাঁ।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
ক্লেয়ার, তোমার হাতে একটু সময় আছে?
- হ্যাঁ। - তুমি কি আমার ছোট একটা প্রজেক্টে
সময় দিতে পারবে?
- আমি? - হ্যাঁ।
আমি একটা জিনিস বানাচ্ছিলাম, আরেকজন হলে ভালো হত।
আমার পেটে নয় মাসের বাচ্চা। সৈকতে হাল্কা পায়ে হাঁটতেই অবস্থা খারাপ!
তুমি একটা স ধরতে পারবে?
- আচ্ছা। - তোমার হাত সামনে পেছনে নিতে পারবে?
- হয়তো। - তাহলেই চলবে।
এসো।
আচ্ছা।
আমরা আসলে কী বানাবো?
কোথায় এটা?
- কোনটা? - ম্যাপটা। এটা দিয়ে ওকে খুঁজে পাবে না।
- আমার কাছে নেই। - আরো খারাপ হলো,
তুমি নিজে খারাপ কাজগুলো করো না। হার্লিকে দিয়ে করাও।
এক মিনিট। হার্লি?
ও কাল রাতে আমার গুহায় এসেছিল। রোশোর কথা জিজ্ঞেস করছিল।
রোশো কী সংখ্যা লিখেছে, আমি কীভাবে ওকে খুঁজে পেলাম, এসব।
তুমি এর ব্যাপারে কিছু জানো না, না?
চার্লি, তুমি হার্লিকে দেখেছ?
কয়েক ঘন্টা আগে। হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
পাগলের মতো আচরণ করছিল।
খোদা, ও রোশোকে ধরতে গেছে।
- তুমি কখন ফিরবে? - ওকে ধরতে পারলে সন্ধ্যার আগেই।
কেন?
আমাকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছে?
যদি বলি হ্যাঁ?
সাইদ!
তুমি রেডি?
আমার কিছু হবে না।
হিউগো, একটু আস্তে।
ওহ, দুঃখিত।
আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ? তুমি জানো আমি সারপ্রাইজ পছন্দ করি না।
তোমার এটা পছন্দ হবে, মা।
এতকিছুর মধ্যে দিয়ে গেছ তুমি ...
...দাদার মতো...
শেষকৃত্যের দিনে ফাদার অ্যাগুইলার মাথায় বাজ পড়লো।
হায়রে, ঝড়টা খুবই অদ্ভুত ছিল।
- আর লিসা ডিয়েগোকে ছেড় ওয়েট্রেসটার কাছে চলে যাবার পরে ডিয়েগো বাড়িতে ফিরলো। - ওই বেশ্যার কথা আর বোলো না।
বলছি আরকি, তোমার ভালো কিছু পাওয়া উচিত।
জানো,
লটারিটা জেতার পর থেকে ...
...দুর্ভাগ্য যেন আমাদের পিছে লেগেই আছে।
মনে হচ্ছে,
টাকাটা যেন অভিশপ্ত।
ওসব বললে গোনাহ হবে। আমরা ক্যাথলিক।
- আমরা অভিশাপে বিশ্বাস করি না। - মা, বলছি কেবল।
আচ্ছা, আমরা পৌঁছে গেছি প্রায়। এটা চোখে দাও।
- এটা পরতে হবে কেন? - তোমার হাতটা দাও, সাবধানে।
- সাবধানে। - নামলাম।
কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
এখন চোখের পট্টি খোলো,
এখন তোমার স্বপ্নের বাড়িটা দেখো।
আমার গোড়ালি!
চোখের পট্টি খুলতে বললাম না!
আমার চোখে ওটা দিয়েছিলে কেন?
ধোয়ার গন্ধ?
সর্বনাশ!
দাঁড়াও। 911 এ ফোন করি।
ওদের বলো যে আমার গোড়ালি ভেঙেছে।
ফোনটা ফেলো। গাড়িটা থেকে দূরে যাও।
- বাড়িতে আগুন। - নেভান! জলদি!
পেছন ফেরো।
অভিশাপ বলে কিছু নেই, না মা?
চুপ করে থাকো।
যা বলবে তা তোমার বিরুদ্ধে উত্থাপন করা হতে পারে।
ফ্রেঞ্চ বেটি!
ভাবলাম, তুমি খুশি হবে।
তোমার প্রতিটা শেয়ারের দাম বেড়েছে।
ফ্লোরিডার ঝড় হবার পরে অরেঞ্জ ফিউচারে
তোমার লগ্নির দাম ধাইঁধাঁই করে বেড়েছে।
তুমি এখন টাস্টিনের একটা বক্স কোম্পানির সবচেয়ে বেশি শেয়ারের মালিক।
- বক্স কোম্পানি? - ওরা বক্স বানায়।
No comments yet. Be the first to leave one.