Οι πρώτες 188 γραμμές.
তুমি আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাও কেন?
মিস্টার পাইক, জেলেদের গ্রাম থেকে আসলেও আমার উচ্চাকাঙ্খা প্রবল।
তোমার উচ্চাকাঙ্খাগুলো কী কী?
একটা রেস্টুরেন্ট খোলা, একদিন নিজের হোটেলের মালিক হওয়া।
তোমার বাবা এই বিয়ের ব্যাপারে কী মনে করেন?
আমার বাবা মারা গেছেন।
- তুমি আমার মেয়ের জন্য কী করবে? - সবকিছু করবো।
- আমার কোম্পানিতে চাকরি করবে? - অবশ্যই।
যে লোক এত সহজে স্বপ্নকে বেচে দেয়, তার হাতে আমি আমার মেয়েক তুলে দেবো কেন?
কারণ, স্যার, ওই আমার স্বপ্ন।
তুমি কোথায় যাচ্ছ? পাগল হয়ে গেছ নাকি?
ওরা আবার ঝগড়া শুরু করেছে।
- আমাদের কিছু করা উচিত? কী মনে হয়? - আমরা কী করবো?
কী হচ্ছে?
জানি না। ও আবার বউয়ের সাথে ঝগড়া করা শুরু করেছে।
হেই।
ওর গায়ে হাত দেবে না!
ঈশ্বরের দোহাই, ওর গায়ে আরেকবার হাত দিলে...
আমার গায়ে হাত দেবে না!
অনুবাদে -কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
- তোমার আর ওর মধ্যে কী চলছে? - আমার আর কার?
- মাইকেল। - হাস্যকর কথা।
- তাই নাকি? - কিছুই চলছে না।
- রঙটা খুব সুন্দর। - ঠিক আছে?
অনেক সুন্দর এটা, তুমি নিশ্চয়ই বিয়ে করে অনেক খুশি।
- হিংসা হচ্ছে বুঝি? - না।
আমার স্ত্রীর সাথে একটু কথা বলতে পারি?
অতিথিরা নিচেতলায়, ভুলে যেও না।
আমার খুব খুশি লাগছে।
আজ তোমার বাবা যদি বেঁচে থাকতেন।
- দুঃখিত, তোমার মন খারাপ করিয়ে দিলাম। - আরে না।
বাবা যেখানেই থাকুক, আমি নিশ্চিত, বাবা আমাকে নিয়ে অনেক গর্বিত এখন।
বোতামটা লাগিয়ে দেবে?
লাগিয়ে দেয়া লাগবে?
- আমাদের হানিমুনের কী হবে? - সান।
আমি যেতে চাই, জানোই তো। কিন্তু এখন,
আমি তোমার বাবার চোখে নিজেকে দায়িত্বশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
বাবা এতে রাগ করবে না। আমি তো তার মেয়েই।
ছয় মাসের মধ্যে,
আমার ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং শেষ হবার পরে,
আমি তার গাড়ি কোম্পানির মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
আমি কথা দিচ্ছি,
আমরা আমাদের স্বপ্নের হানিমুনে যাবোই।
মাইকেল?
আমি দুঃখিত।
চিন্তা কোরো না।
আমি অযথা নাক গলিয়েছি।
দোষ আমারই।
তোমাকে বুঝতে হবে।
আমার ছেলেকে বাড়ি নিয়ে যাবার জন্য এই ভেলাটা বানানো শেষ করা লাগবে আমার।
তোমাকে থাপ্পড় দিয়ে আসলে বাঁচাচ্ছিলাম আমি।
- তাই? কার কাছ থেকে? - জিনের কাছ থেকে।
তুমি জানো না ও চাইলে কী করতে পারে।
এটা আমার সমস্যা না, তোমার সমস্যা।
সামুদ্রিক শজারু দিয়ে খেলে দেখো না?
ওগুলো ভালো ড্রপ খায়।
হেই।
আমি জানি সৈকতে বেশ বড় ধরনের ঝামেলা বেঁধে গিয়েছিল।
আমি স্বামী-স্ত্রীর ব্যাপারে জড়াতে চাই না।
কিন্তু ভাবলাম আরকি,
তোমার একটু শান্ত হওয়া প্রয়োজন।
তাই ...
এমন করছ কেন, আমি তো চেষ্টা করছি।
আচ্ছা।
তুমি বাইরের মানুষ হিসেবে থাকতে চাও? সে তোমার ব্যাপার।
আমি এইদিকটা বেঁধেছি।
এটা টিকবে বলে মনে হয়?
তুমি কি আগে নেভিতে কাজ করতে নাকি? আমাকে বলতে ভুলে গেছ হয়তো।
- কেন? - তোমার মতো একটা মেয়ে কীভাবে
এরকম নিখুঁত একটা বোলাইন নট বাঁধতে পারে?
সেইলবোটওয়ালা লোকদের সাথে প্রেম করে।
প্রসঙ্গটা যেহেতু তুললে, তোমাকে চেনার পর প্রথম থেকেই মনে হচ্ছিল যে,
তুমি হয়তো সিঙ্গেল।
বাসায় একা একা গিঁট বাঁধতে বাঁধতে শনিবারের রাতগুলো কাটাই।
কিংবা একজন স্থূলকায় আন্টির সাথে।
খুবই দুঃখজনক একটা চিত্র।
কিছু দড়ি জোগাড় করে একটা শনিবার রাত গিঁট বাঁধতে বাঁধতে কাটাতে পারি আমরা,
দেখতে পারি, তারপর কী হয়।
বাবা?
ধন্যবাদ।
তোমার নিউ ইয়র্ক খুব পছন্দ হবে, ওয়াল্ট। এরকম আর কোনো শহর নেই।
- আমি আসলে তোমাকে বিল্ডিং আর আর্কিটেকচারগুলো দেখাতে চাই। - বিল্ডিং?
সেটা বলেছিলাম। তারপর ফ্লাটআয়রন বিল্ডিংটাকে দেখলাম।
- সেটা কী? - নগরীর সবচেয়ে পুরানো স্কাইস্ক্র্যাপার।
১৯০২ সালে বানানো।
আর এটা ফ্লাট। ঐ বিল্ডিংটাই আমাকে
আর্কিটেকচারের পেছনে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
- কেন? - তুমি দেখলেই বুঝবে।
- তুমি এটা দেখতে চাও, না? - মনে হয়।
আমি গিয়ে ভিনসেন্টের সাথে বল খেলি?
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।
আয়, ভিনসেন্ট!
ওয়াও, তুমি দেখি অনেককিছু বানিয়ে ফেলেছ।
- হ্যাঁ, চেষ্টা করছি। - ব্যাপারটা দারুণ।
ভেলার পাটাতনের জন্য এ বাঁশটা এনেছি।
কেবিনের ফিউজলেজের জন্য একটা টুকরো এনেছি।
স্টোর করার কিছু জায়গা।
কী হয়েছে?
ভাবলাম তোমাকে কিছু নতুন খবর জানাই।
কী?
তোমার সাথে কে কে যাবে, তা নিয়ে অনেক কথাবার্তা হচ্ছে।
দ্যাখো, এটা তো বিশাল জাহাজ না।
চারজন লোক উঠতে পারবে।
একজনের জায়গা খালি আছে।
বাকি জায়গাগুলো কে নিলো?
কী হয়েছে, ডক?
পাত্তা পাচ্ছ না?
- তুমি সয়্যারকে নিচ্ছ? -হ্যাঁ।
ছোট্ট ভেলাটার একটা টিকেট কাটলাম।
অবশ্য দামটা অনেক ছিল।
ঐ কেবলটা দিয়ে আমার বিচ হাউজটা বানাতে পারতাম।
তুমি ওকে একটা জায়গা বেচেছ?
মাস্তুলের জন্য একটা দড়ি দরকার ছিল আমার।
ভাগ্য ভালো আমি সবকিছু জমিয়ে রাখি, খরচ করি না।
তুমি আর কতদিন ওকে তোমার সাথে এরকম ব্যবহার করতে দেবে?
- প্লিজ... - সান।
ও আমার স্বামী।
যে স্বামীর কাছে তুমি ইংরেজি জানার কথা বলতে ভয় পাও।
আমি বুঝতে পারছি না।
ও সবসময়ে এমন ছিল না।
আগে বলত, আমি ওর চোখে কতো সুন্দর।
ও আগে অনেক কোমল ছিল।
তারপর ও বদলে গেল।
কীসের কারণে?
কেউ সাহায্য করো!
হেই চার্লি, কী হচ্ছে?
ভেলাটায় আগুন লেগেছে, দ্যাখো!
না! না!
ও কোথায়?
ও কোন চুলোয় গেছে?
ও কোথায়?
- ও কোথায়? - ও বুঝতে পারছে না।
- হেই! ও কোথায়? - পিছাও।
ওর স্বামী একাজ করেছে। ও জানে!
তুমি এখন ওকে বাঁচাতে চাচ্ছ?
- ও আমার সাথে ছিল! - না, ওয়াল্ট!
ফিরে এসো।
- না, এটা পুড়ে গেছে। - সান, দাঁড়াও!
আমি ওর ঘাড় ভেঙে ফেলবো!
- একটু শান্ত হও। - জিন একাজ করেছে, তা তো আমরা জানি না।
- কী বলছ তুমি? - সয়্যার, চুপ করো!
- আমরা ওকে সৈকতে দেখেছি। - তারমানে এই না যে, ওই ভেলায় আগুন লাগিয়েছে।
তাহলে কে লাগিয়েছে?
জিন?
তুমি কী করছ?
আমার হাত পুড়েছে।
তুমি করেছ একাজ?
মাইকেল আমাদেরকে দ্বীপ থেকে বের করে নিয়ে যেতে চাচ্ছিল, কেন তুমি...
মাইকেল?
যা ঘটেছে আমি তার পূর্ণ দায়িত্ব নিচ্ছি, স্যার।
- মেশিনারিগুলো পুরানো ছিল, আমার উচিত ছিল। - আমি তোমাকে তিরস্কার করতে ডাকিনি। প্রমোশন দিতে ডেকেছি।
তুমি আমার বিশেষ অ্যাসিস্ট্যান্ট হবে।
- স্যার, আমি জানি না, - তুমি কি বিউং হানকে চেনো?
- পরিবেশ প্রতিরক্ষা সচিব? - তার বাসায় গিয়ে এই মেসেজটা দেবে।
আমি খুবই অসন্তুষ্ট।
- আপনি কে? - আমার নাম জিন-সু কুওন।
- আপনি কী চান? - আমি মিস্টার পাইকের হয়ে কাজ করি।
মিস্টার কুওন, প্লিজ ভেতরে আসুন।
প্লিজ...বসুন।
- আপনি কিছু খাবেন? - লাগবে না, আপনাকে একটা মেসেজ দিতে এসেছি।
প্লিজ, আমার মেয়ের সামনে না।
মিস্টার পাইক আপনার ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।
এটুকুই।
ধন্যবাদ স্যার, অসংখ্য ধন্যবাদ।
মিস্টার পাইককে প্লিজ বলবেন যে, আমি আর তাকে অখুশি করবো না।
কোনোভাবে যদি মাফ চাইতে পারতাম।
আপনার জন্য একটা উপহার, এটা একটা চ্যাম্পিয়নশিপ ব্রিড,
- সেক্রেটারি হান, - অনেক দামি এটা,
মিস্টার পাইককে প্লিজ বলবেন যে, আমি অনেক দুঃখিত, ঠিক আছে?
- আমি কিছু বুঝতে পারছি না। - আপনাকে নিতেই হবে এটা।
অনেক ধন্যবাদ, স্যার।
তুমি কী চাও?
তোমার সাথে শ্যাননের ব্যাপারে কথা বলতে চাই।
এমন হতে পারে যে, তোমার বোন আর আমার মাঝে বন্ধুত্বের চেয়েও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হতে যাচ্ছে।
এসব কী,
কোনো মধ্যপ্রাচ্যীয় রীতি-নীতি?
তুমি কি আমার আশির্বাদ চাও নাকি?
- আশা করছি তুমি আপত্তি করবে না। - তাই?
আমি ভদ্রতা করে বলছি, তোমার অনুমতি চাচ্ছি না।
তোমাকে আমার বোনের ব্যাপারে বলি।
ওর বয়স্ক ছেলে পছন্দ, যারা ওকে দেখেশুনে রাখতে পারে।
আমার আন্দাজ, এই জায়গায় তোমার সাথে ব্যাপারটা মেলে।
ও তোমার সাথে এমন আচরণ করবে যে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে হবে, এদিকে ওর দরকারি সবকিছু তুমি দেবে।
আর যা চাইবে তা যখন ও পেয়ে যাবে, তখনই তোমাকে ছেড়ে দেবে।
যখন ও একাজ করবে,
ব্যাপারটা ব্যক্তিগতভাবে নিও না, ভাই।
আমার ভেলার বারোটা বাজিয়েছ তুমি।
No comments yet. Be the first to leave one.