The 400 Blows (Quatre cents coups, Les)

The 400 Blows (Quatre cents coups, Les)

Les Quatre Cents Coups

Download Bengali Untertitel

Release Info

The 400 Blows (1959) 720p BRrip sujaidr
The 400 Blows (1959) 1080p BRrip sujaidr
The 400 Blows (1959) 720p BRrip sujaidr multi subs
The 400 Blows (1959) 1080p BRrip sujaidr multi subs
The 400 Blows 1959 1080p Criterion Bluray DTS x264-GCJM
The 400 Blows 1959 1080p BluRay x264-DON
The 400 Blows 1959 720p BluRay x264-HD [Les Quatre Cents Coups]
Ein Kommentar von Kamrul_Hasan_Shimul
ঘুরে আসতে চান এক মুহূর্তের জন্য হারিয়ে ফেলা শৈশব থেকে? হারিয়ে যেতে চান ফেলে আসা শৈশবে? তাহলে এই মুভিটি আপনার জন্য। ঘুরে আসুন আমাদের এক টুকরো দুরন্ত ছেলেবেলায়। মুভিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র অ্যান্টনি ডইনেলের মাঝেই খুঁজে পাবেন আপনি নিজেকে। স্কুল পালানো, ক্লাসে অ

Tags

BluRay
x264
1080
TS
brrip
720p
720
HD
Veröffentlicht am: 2018-05-05
Downloads: 166
Hörgeschädigt: No

Bengali Untertitel-Vorschau

Die ersten 200 Zeilen.

সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল

সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল

সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল

সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল

সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল

ডইনেল, ওটা এদিকে নিয়ে আসো।

যাও, ক্লাসের কর্নারে গিয়ে দাঁড়াও।

এক মিনিট বাকি।

চুপ করো!

ত্রিশ সেকেন্ডের মধ্যে উত্তরপত্র জমা দিতে হবে।

চুপ থাকো!

ক্লাস ক্যাপ্টেন, রেডি হও।

তিন পর্যন্ত গুনবো।

এক।

দুই।

তিন। লেখা বন্ধ।

পেছনেরটা নাও।

- এবার দাও। - এক সেকেন্ড সময় দাও।

- কী হলো? - দিচ্ছে না।

টেনে নিয়ে এসো!

শালা চামচা!

সবাই জমা দিয়েছে?

সবাই যাও।

তুমি নও, ছোট্ট বন্ধু!

সবাই যাবে, তুমি থাকবে।

অ্যান্টনি ডইনেলকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে

সম্পূর্ণ বিনা কারণে।

যা ছিল পুরোপুরি অন্যায্য।

কুস্তি খেলছো নাকি? রেফারি লাগবে?

আগামি তিনদিন বিরতি থাকবে না। উচিৎ শিক্ষা দিয়ে ছাড়বো।

তোরা দেখে যা!

সবাই উঁকিঝুঁকি মারছো কেন?

সবাই সিটে গিয়ে বসো!

আমাদের ক্লাসে বিরাট এক সাহিত্যিকের আবির্ভাব ঘটেছে,

যে কিনা কলম লিখতেও তিনবার কলম ভাঙে।

ডইনেল, কাল অভিভাবক নিয়ে আসবে।

সিটে গিয়ে বসে লিখে নাও।

ইন্ডিকেটিভ, কন্ডিশনাল আর সাবজাঙ্কটিভের টেন্সের ক্ষেত্রে...

সবাই নোটবই বের করো।

“আমি ক্লাসের দেওয়াল নোংরা করেছি...

এবং ফরাসি কবিতার অবমূল্যায়ন করেছি।”

“খরগোশ!”

ডইনেল, দেওয়াল পরিষ্কারের জন্য কিছু নিয়ে আসো,

নইলে জিহ্বা দিয়ে চেটে পরিষ্কার করাবো!

রিশার, সিট চেইঞ্জ করতে কে বলেছে?

“বসন্তে যখন ঝোপঝাড়...

ফুলে ফুলে ভরে যায়...

যখন পাখির কুহুকুহু...

আমার কানে বাজে...

শিশির বিন্দু যখন...

প্রজ্বলিত হয়...

ঘাসের ডগায়...

যেটা আমি ঠুকরে খাই...

কচি কচি ডালপালা...

যখন আমি মজা করি...

একদিন...

পরিশ্রান্ত দেহে...

আমি ঘুমিয়ে পড়ি...

আমার খাঁচায়...

তখনই ছোট্ট মারগট এসে আমায় অবাক করে দেয়।”

- হেসেছ কেন, সিমোনট! - আমি হাসিনি, স্যার।

তুমি তো সাধু।

“সে আমাকে ভালোবাসে...

আমার ছোট মনিব...

আমাকে কতো আদর করে!

আমাকে যত্নকরে দেখাশোনা করে...

আমাকে কোলে তুলে জড়িয়ে ধরে...

... আমাকে চুমু খায়।”

শিস দিয়েছিস কোন বান্দর?

বল কে শিস দিয়েছিস। নইলে সবাইকে শাস্তি দেবো।

- শুনেছ, সিমোনট? - আমি মারিনি, স্যার।

বজ্জাত কোথাকার!

ক্লাসের সবকয়টা বজ্জাত!

আগের ক্লাসও বজ্জাত ছিল, কিন্তু এতটা অভদ্র ছিল না!

অন্তত তাঁরা শিক্ষকদের সম্মান করত।

কী পরিষ্কার করেছিস তুই? আরও বেশি নোংরা করলি!

সিটে গিয়ে লিখে নাও। তোমাদের বাবা-মা'কেই মাশুল দিতে হবে।

ফ্রান্সের ভবিষ্যৎ খুব খারাপ!

- সবাই বাবা-মায়ের ব্যাগ থেকে টাকা সরায়। - হতে পারে, কিন্তু আমি সরাই না।

এমনকি মরিসেটও টাকা সরায়।

হেই, মরিসেট, শুনে যা।

- এত সুন্দর গ্লাস কোথায় পেলি? - কিনেছি।

বাপের মানিব্যাগ থেকে টাকা মেরেছিস?

নিশ্চয়ই টাকা মেরেছিস, একদম মিথ্যে বলবি না।

তুইই স্যারকে অভিযোগ করেছিস!

তুই নিমক হারাম, মরিসেট!

তোর সময় ঘনিয়ে এসেছে।

তোকে আমি দেখে নেবো!

আজরাতে হোমওয়ার্ক করবো না।

- স্যুরপোজ স্যার আসলেই হারামি। - উনি তো এমনই।

আর্মিতে যাওয়ার আগে ওর মুখ থেঁতলে দেবো!

গেলাম আমি।

“আমি ক্লাসের দেওয়াল নোংরা করেছি...”

- শুভসন্ধ্যা, মা। - শুভসন্ধ্যা।

- ময়দা কোথায়? - কীসের ময়দা?

তোকে না ময়দা কিনতে বলেছি?

- বাজারের লিস্ট কোথায়? - হারিয়ে ফেলেছি।

এই জন্যেই তো রেজাল্টের এত বাজে অবস্থা।

আমার স্লিপারগুলো নিয়ে আয়।

বেডরুমে বিছানার নিচে আছে।

ময়দা লাগবে। যা গিয়ে নিয়ে আয়।

অপারেশন করতে হয়েছে।

এভাবেই পরিবারটা চলছে। ওর মায়েরও একই ঘটনা হয়েছিল।

এ তো কিছুই না। যোনি দিয়ে হলেই দশ মিনিটেই মারা যেতাম।

ছোট বাচ্চা হওয়ার সময় সিজার না করলে,

এতদিনে পরপারে পাড়ি জমাতাম।

আমার বোন তো প্রতিবছরই একটা করে প্রসব করে, বিশ্বাস হয়?

ডাক্তার জানিয়ে দিয়েছে...

সার্জারি করতেই হবে। রক্ত অনর্গল বেরিয়ে যাচ্ছিল।

- দৌড়ে কোথায় গিয়েছিলে? - ময়দার জন্য মা বকা দিচ্ছিল।

মা'কে রাগাবে না। সবসময় ভালো ব্যবহার করবে।

- কী এনেছ? - ফগ লাইট।

রবিবারের ঘোড়দৌড়ে ব্যবহার করবো।

- তোমার ছেলে ময়দা এনেছে। - তামাশা কোরো না!

সবসময় মেজাজ খিটখিটে থাকে।

- বাকি টাকা কোথায়? - কাল স্কুলের লাঞ্চে লাগবে তো।

আব্বুর থেকে নাও।

টাকা দাও!

ঝড় আসছে।

- আব্বু, আমার কিছু টাকা দরকার। - কেন?

মাত্র ১০০০ ফ্রাঙ্ক।

আসলে তুমি ৫০০ চাচ্ছো, তারমানে তোমার ৩০০ লাগবে,

এই নাও ১০০ ফ্রাঙ্ক।

এই যে ৫০০, তবে তোমার মাকেও দিতে হবে।

কাঁচি কোথায় রেখেছ?

কাঁচি কোথায় রেখেছ?

ভাঁড়ামো বন্ধ করো। বেক্কলের মতো হাসছো কেন?

এখন হোমওয়ার্কের সময় নয়। আমরা সবাই খেতে বসবো।

ঠিকই তো। সবকিছুরই নির্ধারিত স্থান ও সময় রয়েছে।

কলমটা কোথায় পেলে?

বন্ধুর সাথে অদল-বদল করেছি।

ইদানিং খুব বেশি অদল-বদল করা হচ্ছে।

কী রেঁধেছে? ঘ্রাণ পাচ্ছো?

- মাছের ঝোল। - স্বাদ হবে মনে হচ্ছে।

তোমার মা'কে জিজ্ঞেস করো তো তোয়ালেতে আগুন লেগেছে কিনা।

কেন?

এমনিই।

টেবিলটা পরিষ্কার করে ফেলো, বাবা।

তোমার কাজিন ফোন করেছে।

- ওর বউ আবারো গর্ভবতী। - তিন বছরে চার বাচ্চা?

খরগোশের মতো ডজন ডজন বাচ্চা।

গ্রীষ্মের ছুটিতে আমাদের বাচ্চা নিয়ে কী করবে?

- ক্যাম্পে পোলাপান নিয়ে কাজ নেই। - ওর বয়সীদের সাথে থাকবে।

- এখন এসব বাদ দাও। - আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

বেশি জোরে টেনো না।

- দারুণ না? - “লায়ন'স ক্লাব”

- কী হচ্ছে এসব? - আরে সাবধানে।

ছুটির দিনে কোথায় যাবে?

ক্লাব যাওয়ার ব্যবস্থা করবে।

- ছুটির দিনে বিশ্রামে থাকবো। - কোথায়?

- বান্ধবীর বাসায়। - তাহলে উনারা কী ভাববে?

ধুর, বাদ দাও।

- সারাদিন বাসায় অনেক কাজ... - আর “খেলতে হবে” সারা বিকেল।

- মানে? - হয় তোমার না হয় অন্য কারো।

অ্যান্টনি, ঘুমোতে যাও।

শুভ রাত্রি, মা। শুভ রাত্রি, বাবা।

মাঝেমধ্যে যা ছেলেমানুষি করো না!

আরে পাগলি একটু মজা করছিলাম।

এসবে সময় নষ্ট কোরো না।

ময়লা ফেলে এসে লাইট অফ করে ঘুমাবে।

রেসকোর্সে সবাই আমার পরিচিত। ঠিকই একদিন আমি ভিপি হবো।

ভিপি আর হয়েছ। তোমাকে ওরা উঠবে দিবে ভেবেছ।

আমাদের সান্ধ্য অনুষ্ঠান শেষ হলো। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি।

জলদি ওঠো। আমরা অ্যালার্ম শুনতে পাইনি।

“আমি দেওয়াল নোংরা করেছি।”

একটাও মোজা খুঁজে পাচ্ছি না।

ওগুলো বাদ দাও, নতুন করে কিনে নাও।

বাকি সবগুলোই নোংরা হয়ে গিয়েছে।

ছেলের বিছানার চাদর কেনার জন্য টাকা দিয়েছিলাম, মনে আছে?

ও তো স্লিপিং ব্যাগে ঘুমোতেই পছন্দ করে, তাই না?

হ্যাঁ, শরীর গরম থাকে।

এখনও যাওনি?

গেলাম আমি।

- দৌড়ানোর দরকার নেই। - দেরি হয়ে যাচ্ছে তো।

অযথা দৌড়ে লাভ নেই, দেরি তো হয়েই গেলো।

- আস্তে ধীরে যাও। - কেন?

স্যার তো বলেছে তোকে ক্লাসে ঢুকতে দেবে না।

- আসলেই দেবে না? - হ্যাঁ, আসলেই দেবে না।

- টাকাপয়সা আছে কিছু? - টিফিনের টাকা আছে।

তাহলে চল আমার সাথে।

কোথায় যাচ্ছিস?

আরে চল তো।

- দরজার পেছনে ব্যাগ লুকিয়ে রাখ। - কেউ যদি দেখে ফেলে?

আমি তো সবসময় এখানেই রাখি।

হায় খোদা, অ্যান্টনি! নিশ্চয়ই আমাকে দেখে ফেলেছে।

কোনটা তোমার ছেলে?

কালো চুলের ছেলেটা। স্কুল টাইমে এখানে কী করছে?

- আজরাতে তোকে ফাটাবে! - আব্বুকে বলার সাহস পাবে না।

- ওই লোকটা কে? - আগে কখনও দেখিনি।

তাহলে বেঁচে গেলি।

কালকে তো স্কুলে যেতে হবে, কিন্তু একটা নোট তো লাগবে।

- তাহলে কী করবি? - আমার কাছে পুরাণ একটা আছে।

তারিখটা আমি কেটে দেবো। তুই দেখে দেখে লিখে নিবি।

- হাতের লেখা তো মিলবে না? - তোর মায়ের স্টাইলে লিখবি।

অনেক কঠিন হবে। মা অনেক প্যাঁচিয়ে লিখে।

চিন্তা করিস না, স্যার ধরতেই পারবে না।

গেলাম, কাল দেখা হবে।

“সম্মানিত স্যার,

সবিনয় নিবেদন এই যে...

আমার ছেলে রেনে...

Kommentare

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left