Die ersten 200 Zeilen.
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
আমি অত্যন্ত ভীত...
... আমাকে পাপের শাস্তি ভোগ করতে হবে।
যা হবে আমার সহ্য ক্ষমতার বাহিরে।
স্যামুয়েল! ডাকপিয়ন।
একটি “আর”।
বেশ।
আর এটা?
- ধন্যবাদ। - আপনাকেও।
আব্বু! আব্বু!
নয় পাউন্ড, এগারো আউন্স। একদম নিখুঁত।
আব্বু, ডাকপিয়ন এসেছে!
চারা রোপণ শেষ করেছো?
অর্ধেকেরও বেশি।
একদিনের মধ্যেই শেষ করার কথা, তাই না?
বলেছি না।
থমাস।
আব্বু আসুক।
দুঃখিত।
সে হচ্ছে ঐ উজ্জ্বল তারাটি।
দেখলে?
সামনের বড়ো দুটি তারকা থেকে শুরু করে...
... গুনতে থাকো।
পাঁচ পর্যন্ত গুনতে থাকো...
... ঠিক সামনেরটা।
তিনি সবসময়ই আমাদের দেখেন।
আমাদের সুরক্ষা দেন।
শুয়ে পড়ো।
শুভ রাত্রি। শুভ রাত্রি, মেগ।
এতে করে সে মায়ের সম্পর্কে ধারণা পায়।
শুভ রাত্রি।
চিঠিতে কী লেখা ছিলো?
“নিউ ইয়র্ক আর পেনস্যালভেনিয়া সম্মেলনে...
... স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে।”
মধ্য প্রদেশগুলোর কী অবস্থা?
“চেস্টারটাউনে কাস্টমস হাউজ জ্বালিয়ে দিয়েছে...
... দুই ম্যাজিস্ট্রেট সহ।
মারা গেছে... তাঁরা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে।”
শালা মূর্খ!
কে? লেখক নাকি ম্যাজিস্ট্রেট?
কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস সম্পর্কে কী লিখেছে?
জুলাইয়ের মধ্যে স্বাধীনতার ঘোষণা আসতে পারে।
পিটার কাপিন কন্টিনেন্টালে যোগ দিয়েছে।
বয়স ১৭, আমার চেয়েও এক বছরের ছোটো।
সমাবেশের ডাক দিয়েছে, তাই আমাকে চার্লস টাউনে যেতে বলেছে।
- আমরা চার্লস টাউনে যাচ্ছি? - যাবো।
সকালে রওনা করবো।
চার্লট।
বাচ্চারা এসে পড়েছে।
ধন্যবাদ।
চার্লট, খালামণি!
মার্গারেট, উইলিয়াম, এ কী হাল হয়েছে?
তোমায় মিস করেছি।
অনেক বড়ো হয়ে গেছে, কোন গুদামের চাল খায়?
ভালো বংশ থেকে এসেছে, মায়ের দিক থেকে, অবশ্য।
ধন্যবাদ। ভেতরে চলো, চমক আছে তোমাদের জন্য।
- উপহার? আমাদের জন্য উপহার? - ধীরে ধীরে যাও।
ওদের দিকে খেয়াল রেখো, ঠিক আছে?
দুঃখিত।
এটা তোমার জন্য, সুজান। তোমার মায়ের রেখে যাওয়া।
এখনো কথা বলে না?
না।
তোমাকে দেখে ভালো লাগছে।
ঐ যে গ্যাব্রিয়েল।
গ্যাব্রিয়েল।
কিং জর্জকে ফাঁসিতে ঝুলাও!
হ্যারি বাররওয়েল সৈন্য সংগ্রহ করছে।
সমাবেশ থেকে ইঙ্গিত পেলেই গভর্নর শপন নেবে...
... কন্টিনেন্টাল বাহিনীর নিকট নিজেকে সমর্পণ করবে।
ফিলাডেলফিয়াতে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিতে জোর করেনি?
হ্যাঁ।
ম্যাসাচুসেটসের চারদিকে আমাদের সৈন্য পাঠানো হবে।
কিং জর্জকে ধর!
- সবগুলোকে ঝুলাও! - সব কয়টাকে ঝুলিয়ে দাও!
অনেক দেখেছো। বাচ্চারা, ভেতরে চলো।
ভেতরে চলো, জলদি।
বারওয়েল তোমার ভোটে এগিয়ে থাকবে।
আর সে আশা করবে তুমিই প্রথম নাম লেখাবে।
হ্যাঁ, আমিও তাই ভাবছি।
দুঃখিত, বদমাশগুলারে নিয়ে...
ওদের একজন মা দরকার।
একজন মা।
বিশেষকরে সুজানের জন্য।
আমার নাম পিটার হাওয়ার্ড।
আমি শ্রবণশক্তি আর বাঁ পা হারিয়েছি...
... ফরাসি আর ভারতীয় যুদ্ধে।
কিং জর্জ আমাকে কীভাবে প্রতিদান দিয়েছে?
করের নামে আমার অন্য পা কেটে নিয়েছে।
মিস হাওয়ার্ড, তাই না?
চেনোই তো, গ্যাব্রিয়েল মার্টিন।
শেষ দেখায় তুমি আমার চায়ের কাপে কালি ফেলেছিলে।
মনে হয় আমার ছোট ভাই হবে, স্যামুয়েল বা ন্যাথান হয়তো।
তুমিই ছিলে। একমাস আমার দাঁত কালো ছিলো।
কিং জর্জকে বার্তা পাঠাও, যেন জীবনেও না ভুলে!
আমাদের প্রথম কর্মসূচি...
শেষ কর্মসূচি হবে, যদি যুদ্ধ শুরু করি!
অর্ডার, অর্ডার!
মিঃ সিমস, আপনার বলার সুযোগ নেই।
প্রথমেই কন্টিনেন্টাল আর্মির কর্নেল হ্যারি বারওয়েল বলবে।
কর্নেল বারওয়েল।
আপনারা সবাই জানেন কেন আমি এসেছি।
আমি ভাষণদাতা নই।
আমাদের জন্য আপনাদের জোর করবো না।
আমি একজন সৈনিক।
আমরা এখন যুদ্ধাবস্থায় আছি।
ফিলাডেলফিয়া থেকে আমরা স্বাধীনতার ঘোষণা আশা করছি।
১৩টির মধ্যে ৮টি কলোনি রসদ যোগাচ্ছে...
... কন্টিনেন্টাল আর্মির সমর্থনে।
নবম হিসাবে আমি দক্ষিণ ক্যারোলিনাকে আহ্বান করছি...
ম্যাসাচুসেটস আর ভার্জেনিয়া যুদ্ধগ্রস্থ হতে পারে...
... কিন্তু দক্ষিণ ক্যারোলিনা নয়!
শুনুন, শুনুন।
এটা কেবল দুয়েকটি কলোনির স্বাধীনতার জন্য নয়...
... পুরো জাতির স্বাধীনতার জন্য।
কোন জাতির জন্য?
অ্যামেরিকান জাতি!
এমন কোনো জাতির জন্ম হয়নি যারা আমাদের প্রতারিত করতে পারে।
আমারা অ্যামেরিকান জাতির নাগরিক।
আমাদের অধিকার আজ হুমকির মুখে...
... ৩০০০ মাইল দূরের স্বৈরশাসকের জন্য।
আপনি কি পরিষ্কার করে বলবেন, মিঃ হাওয়ার্ড...
... কেন ৩০০০ মাইল স্বৈরশাসকের সাথে ঝামেলায় জড়াবো...
... একমাইল দূরের ৩০০০ স্বৈরশাসকের জন্য?
একটি নির্বাচিত আইনসভাও রাজার মতোই অধিকার হরণ করতে পারে।
ক্যাপ্টেন মার্টিন...
... আমি জানতাম আপনি খাঁটি দেশপ্রেমিক।
যদি দেশপ্রেমের দোহাই দিয়ে জিজ্ঞেস করেন, প্রতিনিধিহীন করারোপে আমি রাগান্বিত কি না?
হ্যাঁ, আমি রাগান্বিত।
অ্যামেরিকান কলোনিগুলোর কী স্বাধীনভাবে পরিচালনা করা উচিৎ?
আমরা বিশ্বাস তাঁরা পারবে, আর সেটাই উচিৎ।
যদি আপনি জিজ্ঞেস করেন আমি যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবো কিনা...
... তাহলে আমার উত্তর “অবশ্যই না”।
এটা কি সেই বেঞ্জামিন মার্টিনের কথা যার বীরত্বের খ্যাতি বিশ্বজোড়া...
... তেপান্তরের যুদ্ধে?
যুবক বয়সে আমি অসংযত ছিলাম।
সেই সংযম এখন ভয়ে রূপ নিয়েছে।
মিঃ মিডলটন, ক্যাপ্টেন মার্টিনের সাথে আমি যুদ্ধ করেছি...
...ওয়াশিংটনের নির্দেশে ফরাসি আর ভারতীয় যুদ্ধে।
এই কক্ষে তেমন কেউ নেই...
... বা কোথাও এমন কেউ নেই, যাকে জীবনের চেয়েও বেশি বিশ্বাস করতে পারি।
যুদ্ধ ছাড়াও বিকল্প পথ রয়েছে।
রাজার সামনে আমরা আর্জি জানাই।
- তাঁর নিকট পেশ করি। - আমরা করেছি।
যুদ্ধ এড়ানোর জন্য আমরা বারংবার চেষ্টা করেছি।
আমি বাঙ্কার পর্বতে ছিলাম...
বৃটিশরা তিনবার হামলা করেছে...
আমরা ৭০০ 'রও বেশি সৈন্য হত্যা করেছি তবুও ওরা দখল করেই যাচ্ছে।
এই হচ্ছে তাঁদের মানসিকতা।
স্বাধীনতার স্বাদ পেতে চাইলে...
... যুদ্ধ ছাড়া কোনো গতি নেই।
এখনই সময়।
শুনুন, শুনুন।
আমার সাতটি ছেলেমেয়ে।
আমার স্ত্রী মৃত।
যুদ্ধে গেলে কে তাঁদের দেখাশুনা করবে?
যুদ্ধ কেবল সন্তানহীন লোকেরাই করে না।
মেনে নিলাম।
কিন্তু মনে রাখবেন।
এই যুদ্ধ কোনো সম্মুখযুদ্ধ হবে না...
... কোনো যুদ্ধক্ষেত্রেও নয়...
... আমাদের মাঝেই হবে।
বাড়ির মধ্যেই হবে।
আমাদের সন্তানরা স্বচক্ষে দেখে শিখবে।
আমাদের সাথে অনেক নিরাপরাধও মারা যাবে।
আমি যুদ্ধ করবো না।
যেহেতু আমি যুদ্ধ করবো না, আমি ভোটও দেবো না...
... কেননা আমার বদলে অন্যরা যুদ্ধে জড়াবে।
আর তোমার নৈতিকতা?
আমি একজন পিতা। আমার কোনো নৈতিকতা নেই।
আমরা যুদ্ধের পক্ষে ভোট দেবো!
২৮ থেকে ১২! যুদ্ধ প্রস্তাব গৃহীত!
আমার অনুমতি ছাড়াই যুদ্ধে নাম লেখাবে?
হ্যাঁ, লেখাবো।
আব্বু, তোমাকে আমি নীতিবান হিসাবে জানতাম।
যখন তোমার নিজের সংসার হবে, তখন বুঝতে পারবে।
আমার নিজস্ব পরিবার থাকলে তাঁদের ছুঁতোয় লুকোবো না।
তাঁরও অসংযম রয়েছে একই বয়সে তাঁর বাবার মতোই।
দুঃখজনকভাবে সেটাই।
আমি দেখে রাখবো যেহেতু আমার অধীনে কাজ করছে।
ওকে কেরানি বা কর্মচারীর কোনো কাজ দেয়া হবে।
ভালো থেকো।
প্রিয় থমাস, অনেক সময় চলে গেলো...
... অথচ মনে হয় গতকালই চার্লস টাউনে দেখা হয়েছে।
দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, বৃটিশদের নিকট আমাদের পরাজয় ঘটেছে...
... জেনারেল কর্নওয়ালিসের নেতৃত্বে।
চার্লট খালার কাছ থেকে চিঠি পেয়েছি...
... তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন শহর আক্রান্তের পরে...
... তিনি তাঁর সান্তীর বাগানবাড়িতে উঠেছেন।
উত্তর প্রদেশে আমরা পরাজিত হয়েছি আর খাদ্যাভাবে ভুগছি।
মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।
আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু পিটার কাপিন এলিজাবেথটাউন যুদ্ধে নিহত হয়েছে।
তাঁর মৃত্যু অসহনীয় পীড়া দেয়।
জেনারেল গেইটসের নেতৃত্বে আমরা দক্ষিণে যাবো...
... রেডকোটদের প্রতিহত করার জন্য।
ধন্যবাদ, স্যার।
খুব ঈর্ষা হচ্ছে...
... তোমার বয়স আর দূরে থাকা, যার সাথে আমি লড়ছি।
No comments yet. Be the first to leave one.