Die ersten 200 Zeilen.
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
স্টুডিও জিবলি নিবেদিত একটি হায়াও মিয়াজাকি চলচ্চিত্র
প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি ছিলো অরণ্যে ঢাকা...
... যেখানে হাজার বছর ধরে দেবতাদের বসবাস।
প্রিন্সেস মনোনোকে
ইয়াকুল!
আশিতাকা!
গুরুজি বলেছে সবাইকে গ্রামে ফিরে যেতে।
মুরুব্বিও একই কথা বলেছে।
- তিনি বলেছেন পরিবেশ অস্বাভাবিক। - কোনো পাখি নেই।
কোনো প্রাণী নেই...
আমি আসছি, তোমরা বাড়ি যাও।
কেউ আসছে!
কী আসছে?
কোনো মানুষ নয়...
গুরুজি সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলেছেন।
ঐ যে!
অভিশপ্ত দেবতা!
ইয়াকুল, দৌড় দে!
গ্রাম আক্রমণ করবে!
আশিতাকা!
ওটাকে ধরো না! অভিশাপ তোমার ওপরে পড়বে!
ইয়াকুল!
ক্রোধ সামলে রাখো, দয়া করো!
হে বন দেবতা! কেন ছোটাছুটি করছো?
- দানব! - দৌড়াও!
থামো! গ্রাম আক্রমণ কোরো না!
থামো! ক্রোধ দমিয়ে রাখো!
ওঠো!
- মরে গেছে! - আশিতাকা!
গুরুমা'কে ডাকো!
আগুন নেভাও!
আশিতাকা!
আমাকে ধরো না! এটা সাধারণ ক্ষত নয়!
সে আক্রান্ত! গুরু মা কোথায়?
সবাই সরে যাও!
গুরু মা!
পাত্রের পানি ক্ষতস্থানে ঢেলে দাও।
হে অচেনা অপদেবতা...
... আমার প্রণাম গ্রহণ করুন।
আপনি যেখানে মারা গেছেন সেখানে আমরা শেষকৃত্য সম্পন্ন করবো।
আমাদের অভিশাপ দিবেন না, শান্তি কায়েম করুন।
তোমরা জঘন্য অনুসারি!
আমার ঘৃণা আর বিষাদ টের পাবে!
গুরতর ক্ষত।
এই শূকর-দেবতা এসেছেন সুদূর পশ্চিম থেকে।
বিষাক্ততার কারণে শরীর পঁচে গেছে।
অশুভ শক্তি তাঁকে দানবে পরিণত করেছে।
রাজকুমার আশিতাকা...
ডান হাত দেখাও।
গুরু মা!
আশিতাকা, তুমি কি ভাগ্যকে মেনে নেয়ার জন্য প্রস্তুত আছো?
হ্যাঁ, তখনই আমি মেনে নেই যখন তাঁকে তীর ছুঁড়েছি।
এই ক্ষত হাড়ে আক্রমণ করে তোমার মৃত্যু ঘটাবে।
কোনো প্রতিকার নেই?
সে তো বাচ্চা মেয়েদের আর গ্রাম রক্ষা করেছে!
কিছু একটা চেষ্টা করা যায় না?
ভাগ্যকে তো বদলানো যায় না।
যদিও চেষ্টা করে দেখতে পারো।
দেখো।
এটা শূকরের শরীরে ছিলো।
সে ছিলো মৃত্যুযন্ত্রণায়, হাড় ক্ষয়ে যাচ্ছিলো, নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে যাচ্ছিলো।
এরচেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে?
পশ্চিমাঞ্চলে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা।
ওখানে গিয়ে স্বচক্ষে দেখে এসো।
সেখানেই অভিশাপ মুক্তির উপায় খুঁজে পাবে।
৫০০ বছরেরও বেশি চলে গেলো মিকাডো আমাদের রেখে যাওয়ার পর।
শুনেছি তাঁর সেই ক্ষমতা আর নেই...
... ক্ষমতা লোপ পেয়েছে।
কিন্তু আমাদের গোষ্ঠীর রক্ত একইভাবে বেড়ে উঠেছে।
ভাগ্যের কী পরিহাস! যে আমাদের ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিতো...
... তাঁকেই এখন চলে যেতে হবে।
আমাদের বিধান বলে, বিদায়কালে দেখা করা যাবে না।
ভাইয়া!
কায়া, কেন এসেছো?
তোমাকে দেখতে। এটা সাথে নিয়ে যাও।
কিন্তু এটা তো তোমার চাকু!
তোমার সাথে নিয়ে যাও।
আমাকে মনে পড়লে, এটা দেখো।
তোমায় ভুলবো না, কায়া।
মারামারি?
এগিয়ে আসো!
যোদ্ধা এসেছে!
কল্লা নামিয়ে ফেলবো!
থামো!
আমার হাত!
ধর শালাকে!
আগে যেতে দে!
শালা যোদ্ধা!
ক্ষত বেড়ে যাচ্ছে!
জাউ ভাত স্বাদ হয়নি!
ঐ যে ছেলেটি!
এটা চলবে?
এটা কী দিলেন!
আমার চাল ফেরত দিন!
একটু দেখি তো?
হুম!
আরে! এ তো খাঁটি সোনা!
আপনার টাকা লাগবে? আমি দেবো।
আমাকে দিয়ে দিন।
কেউ নিবেন?
নিবেন না?
আমি এক সাধারণ যাজক, কিন্তু এটুকু বলতে পারি এটা দিয়ে তিন বস্তা চাল পাওয়া যাবে!
দাঁড়ান, যোদ্ধা মশাই!
এটা আমার! আমাকে ফেরত দিন!
ওই! তাড়াহুড়ো করবেন না!
আমাকে ধন্যবাদ দেয়ার দরকার নেই। আমিই আপনাকে ধন্যবাদ দেবো।
নিজ চোখে দেখেছি, সামুরাইদের যা করলেন!
পালোয়ানের মতো লড়াই করলেন!
পিছু নিয়েছে দেখেছেন? স্বর্ণমুদ্রা লুকিয়ে রাখুন।
এই পথে যেতে ভয় লাগে।
ঘুমন্ত অবস্থায় ডাকাতি করতে পারে। এইবার দৌড় লাগান?
তাহলে এই ছিলো পিশাচ শূকরের গল্প?
আমি গমনপথ অনুসরণ করে এসেছি, কিন্তু...
পথ হারিয়ে ফেলেছো।
ওদিকে দেখেছো?
যখন এখানে সর্বশেষ এসেছি, এখানে সুন্দর একটি গ্রাম ছিলো।
তারপর বন্যা আর ভূমিধ্বসে গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায়।
আবাসভূমি পরিণত হয় ভূতের আস্তানায়।
যুদ্ধ, ব্যাধি আর অনাহারে মৃতদের আত্মায়।
অভিশাপের কথা বলছো? অভিশাপ শব্দটিই তো অভিশপ্ত।
আহ, মজা হয়েছে!
ঐ মারামারিতে জড়ানো ঠিক হয়নি। দুইজনকে মেরেছি।
তবুও অনেককেই বাঁচিয়েছো।
বাটি দাও।
আমরা সবাই মারা যাবো।
কেউ আগে, কেউ পরে।
বাহ! সুন্দর বাটি তো!
পুরনো একটি রূপকথা মনে পড়ে গেলো।
পূর্বাঞ্চলের এক সাহসী যুবক...
যে রত্নখচিত তীর ব্যবহার করে শিকার করতো।
সাহসিকতা দেখিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে যেতো...
আমাদের শিক্ষকরাও একই কথা বলতেন।
খাও, বাবাজি, জাউ খাও!
এটা কী দেখুন তো?
জানি না।
দানব-শূকরের শরীরে ছিলো। এটার আক্রান্তেই সে মারা গেছে।
সুদূর পশ্চিমে...
... পাহাড়ি অঞ্চলে হরিণ দেবতার বন।
সেখানে কারো পদচিহ্ন পড়েনি।
হরিণ দেবতার বন?
লোকে বলে অতিকায় এক পশু হাজার বছর ধরে বিচরণ করছে।
চলে গেছে মনে হয়।
আর বেশি দূরে নয়! সবাই সতর্ক থাকো!
এসে পড়েছে!
নেকড়ে!
গরুগুলোকে শান্ত রাখো! তাড়াহুড়ো কোরো না! প্রতিরক্ষা জোরদার করো!
অস্ত্র শুষ্ক রাখো।
কাছে আসতে দাও!
১ম জন, ফায়ার!
২য় জন, ফায়ার!
সবগুলো আসেনি। চলে গেছে।
ওগুলো তো বাচ্ছা, মা নেকড়ে কোথায়?
মোরো!
চলো!
মরে গেছে!
ও অনেক শক্তিশালি। এতে কিছুই হয়নি।
একটু আহত হয়েছে।
এগুলো নিয়ে আসো।
আর যেটা পড়ে গেছে?
নিয়ে আসো!
নিঃশ্বাস নিচ্ছে!
আসুন!
আমি আশিতাকা! সুদূর পূর্বাঞ্চল থেকে এসেছি!
আপনারা কি হরিণ দেবতার বন চিনেন?
চলো!
আত্মা? বৃক্ষের আত্মা?
আপনি অসুস্থ। শান্ত হউন।
এগুলো ক্ষতি করবে না। এগুলো বৃক্ষের আত্মা।
তাঁদের প্রভুকে ডাকবে!
কাকে? নেকড়ে?
না, এক বিশাল দৈত্য!
ভূত!
ইয়াকুল ভয় পায়নি, কোনো বিপদ নেই।
আমরা যেতে চাই এই বনের মধ্য দিয়ে।
চলুন ফিরে যাই!
নদীর মাঝে একটি পথ আছে। জঙ্গল দিয়ে যাওয়া যাবে না!
লোকটি ভীষণ ভারি।
তাঁকে জাগাতে না পারলে দেরি হয়ে যাবে।
তুমি কি পথ দেখাচ্ছো নাকি দেরি করিয়ে দিচ্ছো?
থামুন, এগুলো আমাদের সঠিক পথ দেখাচ্ছে না।
ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়ছেই!
এই তোমাদের বৃক্ষ-মাতা? বিশাল বৃক্ষ!
মেয়েটি আর নেকড়ে তিনটি বোধহয় এখানেই কোথাও থাকে।
অনেক গভীরে চলে এসেছি। হয়তো অন্য জগতে চলে যাবো।
হ্যাঁ, একটু বিশ্রাম নিন।
পায়ের ছাপ!
তিন আঙ্গুল... এখনো সতেজ!
কী হয়েছে?
সুস্থ আছেন, বাবু? খুব বিষণ্ণ দেখাচ্ছে।
বললাম তো!
কিছু দেখেছেন?
বাদ দেন।
আরেকটু বিশ্রাম নিন।
ঠিক আছে।
চলে গেছে।
তাঁকে এতো হালকা লাগছে কেন?
No comments yet. Be the first to leave one.