Die ersten 200 Zeilen.
বাংলা সাবটাইটেল নির্মাতা সিজান_সৈকত
943-66-2291. পেনশন সার্ভিস, প্লীজ।
ধন্যবাদ, মিঃ মোজেজ আমাদের প্রতিনিধির জন্য অপেক্ষা করুন।
হাই, সারাহ বলছি।
আমি ফ্রাঙ্ক মোজেজ।
হেই ফ্রাঙ্ক, কি অবস্থা?
এইতো চলছে।
আমার কল দেয়ার কারন, তারা এবারও বাতিল চেক পাঠিয়েছে।
আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না, তারা সমস্যাটা এখনো ঠিক করছে না।
আমি কথা দিচ্ছি, আজকেই আরেকটা পাঠানো হবে।
আমি দুঃখিত।
বেশ, দেখা যাক কি করতে পারো!
তোমার এভোকাডোর কি অবস্থা?
দুটো নতুন পাতা গজিয়েছে।
ইয়াহ!
তোমাকে বলেছিলাম, চাষ করতে পারবে।
এটা জীবন-মৃত্যুর কাছাকাছি ছিল।
ইয়ার্কি মারছি না, অন্যকিছুও হতে পারতো।
তোমার দিনকাল কেমন যাচ্ছে?
আমার দিন? খুবই বাজে অবস্থা!
বাজে?
ইয়াহ।
আমার ইচ্ছে কোথাও ঘুরতে যাবার।
চিলি যাবার চিন্তা করছি, এডেভেঞ্চার হবে হয়তো।
তুমি কখনো চিলি গিয়েছো?
ইয়াহ।
তাই? কেমন ছিল?
পর্বতমালা।
এটাই?
বেশ, তখন রাত ছিল।
এটা...
শোনো, ফোন রাখতে হবে।
হ্যা, অবশ্যই।
না দুঃখিত, গ্লাডি এসেছে!
কি?
"তখন রাত ছিল!"
হাই, মিঃ মোজেজ!
হাই।
- নতুন বই শুরু করেছো? - করলাম।
কি নাম?
এটার নাম লাভ'স স্যাভেজ সিক্রেট।
দারুন।
কাহিনী কেমন?
বেশ পছন্দ হয়েছে, একেবারে ভয়ঙ্কর লেভেলের।
এটা একজন ফ্যাশন ডিজাইনার...
এবং তার সুপার মডেল বান্ধবীর কাহিনী নিয়ে। তারা সিআইএর দ্বারা নিয়োগ পায়...
বসন্তকালের মিলান শো'তে, একজন আততায়ীকে থামাতে।
বসন্তকালের মিলান কার না ভাল লাগে?
সেটাই কথা।
যাইহোক, আমাকে উত্তেজনাকর কিছু করতে হবে।
আমার বাড়িওয়ালী চেষ্টা করছে, আমাকে তার পার্টনারের বাচ্চার সাথে ঝুলাতে।
সে মাত্রই বললো, তার ধারনা আমি সমকামী।
আমি যাচাই করতে চাইনা।
কি? চুপ করো! আমি সমকামী না।
তো অদ্ভুত বিষয়টা হল।
আমি আগামী সপ্তাহে কানসাস সিটি যাচ্ছি।
সশরীরে?
উম-হুম।
ওয়াও। এটা বাজে আইডিয়া হবে।
হতে পারে।
তুমি সেখানেই তো আছো?
ইয়াহ।
শহরে এসে কল দিও, কেমন?
ইয়াহ।
ওকে, বিদায়।
ওকে, বিদায়।
ওকে।
ঠিক আছে।
ইউনিট ওয়ান।
ইউনিট ওয়ান।
ইউনিট ওয়ান, সাড়া দাও।
হেই, আমাকে আসতে বলবে না?
না, এমন ভাবছি না।
কিন্তু রাতের খাবার খাওয়ালাম তো!
ওয়াও।
ওয়াও!
তুমি মায়ের সাথে থাকো।
অসাধারন।
ইয়াহ, অবশ্যই। আর তুমি বেকার।
তাই এসব কিছুই পাচ্ছো না!
হেই।
এটা আমি, ফ্রাঙ্ক।
অ্যাভোকাডো?
তুমি এখানে কেন? আমার বাসা থেকে যাও!
- হেই! - আগে কল দিতে বলেছিলাম।
তোমাকে আঘাত দিবো না।
আমার কথাটা শুনবে? প্লীজ? থামো।
দূরে যাও, আমার থেকে দূরে থাকো!
এটা আমার ব্যাগ?
ইয়াহ।
তুমি প্যাক করেছো?
হ্যা।
তুমি খালি করছো?
সামান্য, এটা নোংরা ছিল।
এখান থেকে ভাগো!
প্লীজ, আমাদের যেতে হবে। এখন এসব বন্ধ করো।
- সাহায্য করুন! - আমার কথাটা শোনো, প্লীজ।
- কেউ আমাকে হত্যা করতে চায়। - সাহায্য করুন!
- কি করছো? আমার কথা শোনো! - অচেনা লোক!
- সাহায্য করুন! - তারা তোমাকেও হত্যা করতে চায়।
আমাকে কেন হত্যা করতে চাইবে?
কারন আমরা নজরদারিতে আছি।
তারা আমাদের কথা শুনছে।
কেন?
কারন তোমার সাথে যেভাবে কথা বলছি।
কি?
তারা জানে, আমি তোমাকে পছন্দ করি।
আমার কথা শোনো, পেছনের দরজা দিয়ে চলো যাই।
কোন ভাবেই না! না!
আমাকে ভুল বুঝো না, জানি এটা পাগলামি।
এরকম ভেবো না।
আমার মনেহয় না, এটা পাগলামি।
এবং এটা...
কখনোই চাইনি, আমাদের প্রথম দেখা এভাবে হোক।
তবুও কখনো কখনো হয়ে যায়।
আর আমি আশা করি, হয়তো একদিন তুমি আর আমি...
আরাম করে কোথাও বসবো...
এবং পেছনের কথা ভেবে বলবো, আহা! কতো রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ছিল।
আমিও কিছুটা ক্ষুধার্ত, আমরা কি খেতে পারি?
পিজ্জা।
শোনো,
ম্যক্সিমাম ছেলেরাই স্কুলে মার খায়।
আমি জানি, এভাবে মধ্যস্ততা করে এটার সমাধান করতে পারবে না।
না, তোমার সাথে একমত নই।
জানি, এটা কঠিন।
বাসায় এসে তার সাথে কথা বলো।
উম-হুম।
না, আজকে ঠিক সময়েই আসবো।
দুধ, দুই পার্সেন্টেজ? ওকে সোনা, বিদায়।
শোনো, তোমাকে ধনী বানাতে পারি।
তুমি জানো না, আমি কে?
অবশ্যই জানি।
এটা সিলেবাসের বাইরের বিষয়।
হ্যা, ম্যাম।
এই তোমার টার্গেট।
অবসরপ্রাপ্ত বিশ্লেষক,
সিআইএ এর।
তাতে কোন সমস্যা?
না।
দুঃখিত।
আমাকে যেতে দিলে, কোন অভিযোগ জানাবো না।
- কোন রাগ থাকবে না। - আমরা অভিযোগের বাইরে।
সবসময় তোমার মতো, ফালতুদের প্রতিই কেন দুর্বল হই?
আমি সিআইএ তে ছিলাম।
বিশ্বাস করলাম ছিলে, আর বাজি ধরছি তুমি স্পাই।
আমাকে একটু বাইরে যেতে হবে।
আমাকে এভাবে বেধে রেখে যাবে?
তুমি নিরাপদে থাকবে, কোথায় আছো সেটা কেউ জানে না।
না, এমনটা করো না।
- চুপ করে বসো। - প্লীজ, এরকম করো না।
দুঃখিত, দুঃখিত।
তোমার চোখ আসলেই অনেক সুন্দর।
টিভি দেখবে?
জলদি চলে আসবো।
প্রতিবার এভাবেই চলবে?
হাই, মার্না।
এন্টেনাটা একটু ঘুরিয়ে দিবে? দেখো ঠিক করতে পারো কিনা!
অবশ্যই।
বুঝতে পারছি না, এসব পুরনো জঞ্জাল ফেলে দিচ্ছো না কেন!
ভাল ছবির জন্য।
- আরেকটু বামে ঘুরাও। - ওকে।
ইয়াহ।
একেবারে পারফেক্ট হইছে।
অনেক ধন্যবাদ, মার্না।
অবিশ্বাস্য।
তোমার লজ্জিত হওয়া উচিত।
তোমাকে দেখে ভালো লাগলো, বাবু।
তোমাকে দেখেও।
তো কি অবস্থা?
একটা মেয়ের সাথে আছি।
না।
বেশ জটিল।
আততায়ীর দর্শন পেয়েছিলাম।
২৪ ঘণ্টা আগে, আমার বাসায়।
কোন পরিচয় পেয়েছো?
কিছুটা।
এবার ভদ্রলোকের খেলা হবে।
এবং তুমি তো জানো, আমি তোমাকে ভালবাসি, বিদায়।
স্বাধীন দক্ষিন আফ্রিকান আততায়ীদের অভিযুক্ত করা হচ্ছে,
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টারকে হত্যা করার।
স্টেফানি চ্যান, তাকে চেনো?
না।
তোমার উপর কেউ চরমভাবে ক্ষেপে আছে, বাবু।
ইয়াহ।
কিন্তু এখন কেন? আমিতো অবসরে আছি।
এই ব্যাপারে আরও তথ্য লাগবে।
নিজের দিকে খেয়াল রেখো।
আমি ৮০ বছরের বুড়ো, স্টেজ-৪ লিভার ক্যান্সারে ভুগছি।
- তারা আর কোন বালটা করবে? - এখনো গুলি করতে পারে!
বেশ...
কখনো ভাবি নাই, আমার সাথে এসব হবে।
কি?
বয়স বাড়ছে।
মানে, ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান।
আর এখন গ্রীন স্প্রিংসের বাসায়!
যাও খুঁজে বের করো।
মোজেজ পেনশন সার্ভিসে ২২ বার কল করেছে।
আর এটা বের করতে পারো নাই?
অবিশ্বাস্য।
হুরর।
No comments yet. Be the first to leave one.