Die ersten 200 Zeilen.
(সেরা অভিজ্ঞতার জন্য অরিজিনাল ইতালিয়ান অডিও ব্যবহার করুন, ডাবিং নয়।)
অনুবাদ ও সম্পাদনা মাসুম হোসেন কামরুল হাসান শিমুল
(বাস্তবে কারও সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়)
লিওন্টিন, ওটা কী?
আরে! এ তো যিশু খ্রিষ্ট!
কোথায় নিচ্ছে?
নিচে নামছে!
ভাস্কর্যটা কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?
কী বললে?
কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?
ধর্মযাজকের কাছে নিয়ে যাচ্ছে।
- আমাদের ফোন নাম্বার চায়। - না!
এই যে বাবু, এদিকে আসো তো।
টেবিল-১৬ তে কি কি খেয়েছে?
প্রিন্স একটা শামুক খেয়েছে।
- আর পানীয়? - সোয়াভে মদ।
না, আমি তো দেখেছি...
আমি দেখেছি এক বোতল ভালপলিসেলা খেয়েছে।
- হাই, মার্সেলো। - হাই, পিয়েরোনে।
একটা শামুক আর ভালপলিসেলা। জুলিও, একটা ছবি তোলা যাবে?
হবে না, বন্ধু।
তথ্য তো আমি দিলাম, বকশিশ ওকে কেন দিলে?
ম্যানেজার, ওই ফটোগ্রাফারকে ধরে আনো!
- ফিল্মটা দাও। - এতে কোনো ফিল্ম নেই!
অনুমতি ছাড়া কারো ছবি তোলা যায় না।
আগুনটা একটু জ্বালিয়ে দেবে?
- একটু এদিকে আসবে, বাছা? - আমি?
হ্যাঁ, তুমি। কথা আছে তোমার সাথে।
শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছেন?
- জ্বি, বলুন? - বসো।
চেয়ার তো নেই।
উবু হয়ে বসো।
জ্বি, বলুন।
বদমাশ ছেলে।
- কেন? - কারণ তুমি বদমাশি করছ।
ভাবছি তোমার চেহারাটা ভস্কে দেবো।
আমার কাজই তো জনগণকে জানানো, তাছাড়া, সামান্য প্রচারণা...
তোমার প্রচারণা তো ওর সংসার হুমকির মুখে ফেলবে।
আমি কি তোমার বউ বা বান্ধবীর প্রতি নাক গলিয়েছি?
আপনি তো সাংবাদিক নন।
- সাংবাদিকতা শেখাচ্ছে! - চুপ করো।
- বুঝেশুঝে খবর ছাপবে। - তো, মারবেন নাকি!
- লোকটা এসেছে? - এখনও আসেনি।
আসলে বলে দেবে ও একটা লেট লতিফ।
একটা হুইস্কি দাও।
ওর সাথে লেনদেন চুকোতে হবে। অসহ্য হয়ে উঠেছে।
শুভ সন্ধ্যা, মাদালিনা। একা নাকি?
- নাচবে নাকি? - না।
ভদকা চলবে?
না, কিছুই ভালো লাগছে না। চলে যাবো।
- আমি আসতে পারি সাথে? - চলো যাই।
- তোমার সহকর্মীদের উৎপাত সামলাও। - তোমরা দুজন কোথায় যাচ্ছ?
- মিস মাদালিনা। - আজকে অন্তত ছেড়ে দাও।
দারুণ তো। তারকার মতোই লাগছে।
প্রতিরাতে একই কাহিনি। ওদের বিরক্ত লাগে না?
পাপারাজ্জো, এবার থামো।
খ্যাতির বিড়ম্বনা তো সইতে হবে। তারকা খ্যাতি বলে কথা।
মার্সেলো, উনাকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছ?
যদি এমন একটা শহরে চলে যেতাম, যেখানে কারো কাছ থেকে পালাতে হবে না।
রোম আমার পছন্দের।
মনে হয় এক শান্তিময় অরণ্য।
সহজেই লুকিয়ে থাকা যায়।
আমিও লুকোতে চাই, কিন্তু পারি না।
- এখন কী করবে? - আর কিছুক্ষণ চালাবে নাকি এখানেই নামবে?
রোম শহরটা বিষের মতো লাগছে। মন চায় নির্জন কোনো দ্বীপে চলে যাই।
- কিনে নাও একটা। - সেটাই ভাবছি।
কিন্তু কিনলেই কি যেতে পারবো?
অগণিত টাকাই তোমার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আর তোমার টাকা না থাকাটা কাল হয়েছে।
এটাই আমাদের একই জায়গায় দাঁড় করিয়েছে।
ব্যাপারটা খারাপ না। আমাদের অনেকেই অসুখি রয়ে গেছি।
- তোমার গালে কী হয়েছে? - কিছু না।
তোমার তো টেনশন নাই।
পয়সাওয়ালা তারকা, শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে গেছো।
- তাই ভাবছ? - অবশ্যই।
এখনও আমি দু'পায়ে দাঁড়াতে পারিনি।
এখনও আমার জীবনীশক্তি দরকার যা আমার নেই।
তবে প্রেমে পড়লে নিজেকে প্রাণবন্ত মনে হয়।
ভালোবাসা-ই আমার জীবনীশক্তি।
ভালোবাসা জিন্দাবাদ!
আনামারিয়া, এদিকে তাকাও!
গাড়িটা তো এপার্টমেন্ট সাইজের!
- তাই নাকি লিলিয়ানা? - আমি তো লিলিয়ানা নই।
- তাহলে কে তুমি? - শুভ সন্ধ্যা।
- শুভ সন্ধ্যা। - কার সাথে কথা বলছ?
কে ওখানে?
লিলিয়ানা মিলানে চলে গেছে।
গাড়িতে চড়বে নাকি?
- আমি? - হ্যাঁ।
নিচে নামো।
উনি আমাকে গাড়িতে ঘোরাবে বলেছেন, যাবো?
ওই মেয়েটিকে একটু ঘুরিয়ে আনবো।
তো এখন কী করবে?
কিছু না। মেয়েটিকে ঘুরিয়ে বাড়িতে নামিয়ে দেবো।
- চেনো ওকে? - না।
দেখে তো চেনা লাগছে না।
আমি খেতে যাচ্ছি। তোমার অপেক্ষায় থাকবো।
- এই তো এসে পড়েছে। - লাইট অফ করে দাও!
আরে বাদ দাও। ওরা আমাদের চেয়েও বড়োলোক।
আসবে?
জোর করবো না, চাইলে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে আসতে পারো।
যাবে তুমি?
না।
তবে গাড়িতে চড়তে আমার ভালোই লাগে।
- পেছনে উঠুন, পারবেন? - হ্যাঁ, পারবো।
- ভালো আছেন? - হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভালো আছি।
- বিদায়, নিন্নি। - বিদায়, আনামারিয়া।
- আপনার বাসা কোথায়? - সেসাতি স্পিরিতি।
- গাড়িটা তোমার? - হ্যাঁ।
- তুমি কিনে দিয়েছ? - ওর বাবা কিনে দিয়েছে।
আমার বাবা শুধু বেতের মাইর দিয়ে গেলো!
- আমার বাবাকে চেনো? - একবার পরিচয় করে দিয়েছিলে।
- তোমার বাবা-মা কোথায় থাকে? - সেসেনায়।
- সাগর-পাড়ে? - না।
তো দিনকাল কেমন চলছে?
কি আর বলবো?
ভালো যায়নি আজ?
একজন ১০০০ টাকা আর কিছু সিগারেট দিলো।
লোকটা কি যুবক ছিল নাকি বুড়ো?
চেহারার দিকে তাকাইনি!
এমন একটা মহিলার সাথে তুমি বিছানায় যাবে?
- না। - কেন নয়?
সে তো অনেক তারকার চাইতেও সুন্দরী।
- নাকি উনার মতো মহিলার সাথে যাও না? - যাই, মাঝেমধ্যে।
শোনো হ্যান্ডসাম, বেশি ভাব নিচ্ছ নাকি?
কী বলছ?
- তুমি না বাসায় যাবে বললে? - হ্যাঁ।
তো চলো পৌঁছে দিচ্ছি।
কেন? অন্যকিছু ভেবেছ নাকি?
আরে না। কী ভাববো?
সবাই জেগে যাবে। রেডিওটা বন্ধ করে দাও।
- তো চলে যাই, নাকি? - বাসায় কেউ আছে নাকি?
- কী বলল? - বাসায় কি আছে কেউ?
কে থাকবে? আমার কাজিন ভেলেত্রিতে...
তো কফি খাওয়ার দাওয়াত দেবে না?
তাহলে তো ভালোই হয়। কফিটা অন্তত ভালো বানাই।
পরিবেশ কিন্তু বেশি ভালো না।
আসো আমার পেছন পেছন।
চলো কফি খাই।
সিঁড়িতে সাবধানে হাঁটবে, অসাবধানে পড়ে যাবে...
হায়রে কপাল! আবারো পানি জমেছে।
এখানে আর থাকার উপায় নেই!
একটু দাঁড়াও।
বালের ইঞ্জিনিয়ার! মরার কবর খোঁড়ার ইঞ্জিনিয়ার!
এগুলো মেরামত করার আগে বিল পরিশোধ করে দেয়া ঠিক হয়নি।
যাস-শালা!
বেডরুমটা দেখিয়ে দিচ্ছি।
হায় খোদা।
এখানেও পানি জমেছে। তোমরা বসো, আমি কফি বানাচ্ছি।
বাসাটা আরেকটু উঁচু জায়গায় হলে ভালো হতো।
দুঃখিত। বছর দুয়েক আগেই আবেদন করে রেখেছি...
টেনশন নিও না।
আমি কফি বসাচ্ছি, ঠিক আছে?
দরজাটা বন্ধ করবে?
এখানেই খেলবে নাকি?
খেলবে না?
কফি এখানেই রেখে দিচ্ছি।
আগেই চুক্তি করে নাওনি? পাগল নাকি?
আমার সাথে তো করেনি!
ওদের বের করে দিলে ভালো হতো? হয়ত ২০০০ টাকা পেতেও পারি।
এখানের প্রাইস আমি ঠিক করি!
ওরা কি বিবাহিত?
বিবাহিতই হবে!
অশেষ ধন্যবাদ।
ব্যাকআপ লাগবে?
না, রাস্তার মাথায় গিয়ে সোজা ডানে যাবে। তোমাকে একটা কিস করি?
ধন্যবাদ। মন চাইলে আবার চলে আসবে।
- বিদায়। - দেখেশুনে চালাবে!
ওহ, খোদা!
এমা!
এমা, কী হয়েছে? কথা বলো।
কী হয়েছে তোমার?
এ কী করলে তুমি?
পাগল হয়ে গেছো নাকি!
কিচ্ছু হবে না, শান্ত হও।
আমি নিজেই নিয়ে যাবো।
কেন পাগলামো করো?
আমার কথা ভাবলে না?
একদিন হয়ত ঠিকই মরে যাবে।
অগোচরেই মরে থাকবে।
এমা, কথা বলো। পাগলামো করো না।
এমা, সোনা।
মাই লাভ।
জলদি আসুন!
রুবিনি, ওই মেয়েকে তুমিই এনেছ?
জিয়ানেলি, প্লিজ। এই খবরটা ছাপিও না।
আমি পুলিশি ঝামেলায় পড়তে চাই না।
কী হয়েছে? নাম কী ওর?
বলতে পারবো না, প্লিজ। এটা নিয়ে রিপোর্ট করো না।
আপনি এখন আসতে পারেন।
এখন জাগাবেন না। উনার বিশ্রাম প্রয়োজন।
কিছুক্ষণ পরেই বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন।
আর অবশ্যই থানায় জিডি করবেন।
এমা, এমন করলে কেন?
বলো কেন করলে।
পুলিশ অফিসার অপেক্ষা করছেন।
আমি এখনই আসছি।
একটু অপেক্ষা করুন। উনি এখনই এসে পড়বেন।
- সিস্টার, একটা ফোন করতে পারি? - অবশ্যই।
- নিচে নামুন। - একটা ছবি তুলবো শুধু!
No comments yet. Be the first to leave one.