Die ersten 200 Zeilen.
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
- সবাই রেডি তো? - হ্যাঁ।
স্বস্থানে দাঁড়াও, এবার দৌড়াও।
যাও!
গোস্ত চলবে, ডাঃ গ্যারিগান?
তোমাকে দেবো, ডাঃ গ্যারিগান?
- আমি ভেবেছি যে... - মা।
... উৎসবের উপলক্ষ্য পেয়েছি, উৎযাপন করা যাক।
শেরি, রাখো তো।
- তোমাকে নিয়ে আমরা খুবই গর্বিত, নিকোলাস। - খুবই গর্বিত।
সাধারণ ডিগ্রি পাওনি আমার মতো, আরও সম্মানজনক অর্জন করেছো।
পারিবারিক ডাক্তার হিসাবে, বলতে চাই, জীবনে উত্তম পেশাই বেছে নিয়েছো।
তোমাদের গ্লাস ওঠাও...
... টোষ্ট।
পিতা-পুত্রের জন্য।
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য।
নিকোলাস, ঠিক আছো তো?
ঠিক আছি।
ঠিক আছি।
যেখানে আঙ্গুল পড়বে, সেখানেই যাবো।
যেখানে আঙ্গুল পড়বে, সেখানেই যাবো।
ক্যানাডা।
এতো সৈন্য কেন?
- ইংরেজি জানো? - হ্যাঁ।
এতো সৈন্য জড়ো হয়েছে কেন?
সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিচ্ছে, অভ্যুত্থান হয়েছে।
- অভ্যুত্থান? আমরা নিরাপদ তো? - চিন্তা নেই।
ওরা জেনারেল আমিনের লোক। তিনি জনগণের জন্য কাজ করেন।
- আজ আমাদের খুশির দিন। - তাই?
- উনিই কি সেই? - হ্যাঁ।
- আপনি স্কটল্যান্ডে কী করেন? - আমি ডাক্তার, পাস করা ডাক্তার।
চিন্তা করেছি এখানেই চিকিৎসা সেবা দেবো।
- বানর! দেখো, গাছের ওপরে! - স্কটল্যান্ডে কি বানর নেই?
না, স্কটল্যান্ডে বানর নেই।
স্কটল্যান্ডে বানর থাকলে কড়া ভাজি করে খেতাম।
এখানেই আমি নামবো।
আমি বিদেশী মেডিক্যাল অফিসার।
ডাঃ গ্যারিগান।
- ডাঃ মেরিট? - না, আমি সারাহ। ডেভিডের স্ত্রী।
- হ্যালো। - ডেভিড জরুরি কাজে গেছে।
- সব ঠিক আছে তো? - স্বাভাবিক আছে। ভ্রমণ নিরাপদ ছিলো?
- জানেনই তো... - প্রচণ্ড ভয়াবহ?
মনে হচ্ছে পাছার মধ্যে ছাগল দৌড়েছে আর আপনার চেহারা কারো বগলে ছিলো।
শেষবার যখন এসেছি, এমনই লেগেছে।
বেশ, গাড়িতে উঠুন।
- গতকালও গাড়ির অপেক্ষায় ছিলাম। - তাই?
আপনাকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম, ভেবেছি অভ্যুত্থানে আটক হয়েছেন।
এখন আর চিন্তা নেই, যাই হোক। ওবোটে ক্ষমতাচ্যুত, রেডিওতে তাই শুনলাম।
ওবোটে কে?
- সাবেক-রাষ্ট্রপতি। - হ্যাঁ, নাম যেন কী...
... আমিন। সেই নিয়েছে, তাই না?
আপনিও সংকটপূর্ণ সময়ে এসেছেন।
যাই হোক, সাহায্য তো করতে পারবো।
- শুভ সকাল, নিকোলাস। - শুভ সকাল।
- কী মনে হচ্ছে? - বেশ, ভালো।
আসো, এদিকে আসো।
এই হচ্ছে অস্ত্রোপচার কক্ষ। বেশিরভাগই সহজ অপারেশন।
- শুভ সকাল। - শুভ সকাল।
কিছু মনে না করলে একটি প্রশ্ন করি, কতজন ডাক্তার আছেন এখানে?
আগে আমি ছিলাম, এখন তুমি এলে।
- শুভ সকাল, সিস্টার। - শুভ সকাল।
মজার ব্যাপার হচ্ছে...
এখনো ৮০% স্থানীয় ঝাড়-ফুঁকে বিশ্বাস করে।
মাঝে মাঝে মনে হয় সমুদ্রের পৃষ্ঠদেশ ঝাড়ু দিচ্ছি।
- তৈরি তো? - হ্যাঁ।
এই তো হয়ে গেছে।
এই তো শেষ।
ঠিক আছে।
হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
আচ্ছা, আরেকবার। এরপর কে?
খুব সুন্দর নাম। চোখ দেখি তো?
না... আমাকে ছেড়ে দাও।
ডাঃ মেরিট।
কী হয়েছে?
- মুগিশার বাচ্ছা অসুস্থ। - আমি যাবো।
না, না, আমি যাই। আমার চেনা আছে।
স্যরি।
দুয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চলে আসবো।
বনি।
- ওঠে পড়ো। - হাই, বনি।
হাই।
- আমার কাছে বলতে নিশ্চয়ই দ্বিধা নেই... - কী?
তোমাকে এই কাজের উপযুক্ত বলে মনে হয় না।
কেন? মোজা আর স্যান্ডেল পড়িনি বলে?
আইত্তেরি!
আমি ভিন্ন কিছু করতে চাই।
- সত্যি? - হ্যাঁ, সত্যি।
মজা নিতে চাই, দুঃসাহসিক কাজ, কিছুটা আলাদা।
অনেক কিছু দেখি!
তাই?
ডাক্তার।
স্কটল্যান্ডের জন্য চরম গোল।
- সুন্দর গোল হয়েছে। - বনি, মহিলারা গান গায় কেন?
জানেন না? প্রেসিডেন্ট এই গ্রামে আসছেন।
ডাঃ মেরিট কোথায়?
শহরে গেছেন জিনিসপত্র কিনতে।
চলুন, ভেবেছি নতুন নায়ককে দেখতে আপনি আগ্রহ দেখাবেন।
আমি আমিনের হয়ে কাজ করি না।
তা ঠিক।
ভেবেছিলাম অনেক মজা করবো।
ঠিক আছে।
যাবো।
আমিন।
উগান্ডা।
উগান্ডা। উগান্ডা।
আমি তোমাদের কথা দিচ্ছি।
এই সরকার হবে কার্যকরী সরকার, কথার নয়।
নতুন বিদ্যালয় করা হবে।
নতুন রাস্তা।
নতুন বাসস্থান।
হয়তো আমি পড়ে আছি...
... জেনারেলের ইউনিফর্ম।
কিন্তু...
... মনে প্রাণে, আমি এক সাধারণ মানুষ...
... তোমাদের মতোই।
আমি জানি তোমরা কারা, তোমাদের সবকিছুই জানি।
আমি তোমাদের।
সৈন্যদের জিজ্ঞেস করো...
... আমি খাবার ছুঁয়েও দেখি না...
... যতক্ষণ না আমার সৈন্যরা খায়।
পুরো উগান্ডায় এবার তেমনই হবে।
একত্রে আমরা এই দেশটাকে উন্নত করে তুলবো।
শক্তিশালী করবো।
স্বাধীন করবো।
উগান্ডা।
উগান্ডা।
উগান্ডা।
- দেখা শেষ হয়েছে? - কী?
দেখা শেষ হয়েছে?
আর কয়েক মিনিট।
- এখন যাবে? - যাবো।
তাঁরা ওবোটের জন্যেও একই গান গেয়েছে।
যতক্ষণ না তাঁরা বুঝতে পারবে তাঁদের অর্থনীতি সে নিজের পকেটে পুরছে।
- আরে, তাঁকে একটি সুযোগ দাও। - সত্যি বলছি।
কয়েক বছর ধরেই তো দেখছি।
কী হয়েছে?
হায়রে!
- কী সমস্যা? - ওরা ডাক্তার খুঁজছে।
- প্রেসিডেন্ট দুর্ঘটনায় আহত। - আমরা আসছি, আপনাদের পেছনে পেছনে।
হে খোদা। কী বিপদ!
আমার হাত।
হাত ভেঙে গেছে।
কৃষকের বাচ্চারে আমার চোখের সামনে থেকে সরা।
আসুন। এখানে আসুন।
আমি ডাঃ গ্যারিগান। শুনেছি হাতে ব্যাথা পেয়েছেন, পরিক্ষা করতে হবে।
এই যে... বুড়ো আঙ্গুল এভাবে ওঠান?
- কেমন দেখলেন? ঠিক আছে তো? - হ্যাঁ।
সারাহ, হাত ব্যান্ডেজ করতে হবে। গরুটাকে কেউ থামাতে পারবে?
হাত ভাঙেনি, সামান্য মচকে গেছে।
প্লিজ, গরু কষ্ট পাচ্ছে তো।
অন্য হাত দিয়ে একটু ধরবেন, প্লিজ?
সারাহ, তুমি কি কৃষকের সাথে একটু কথা বলবে?
সারাহ, কী বলে ওরা?
- প্রাণীটিকে কেউ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দাও। - তাঁদের বুঝাতে পারছি না তো।
দোহাই লাগে তোমাদের।
আমি দুঃখিত।
- আর্তনাদ সহ্য হচ্ছিলো না। - আপনি আমার অস্ত্র ধরেছেন।
- হ্যাঁ। - কে আপনি?
নিকোলাস... ডাঃ নিকোলাস গ্যারিগান। মোগাম্বোতে মেডিক্যালে কাজ করি।
- আমি একজন ডাক্তার। - আপনি বৃটিশ?
স্কটিশ, আমি স্কটিশ।
স্কটিশ!
আগে বলেননি কেন? স্কটিশদের সাথে যুদ্ধ করেছি মাউ-মাউদের বিরুদ্ধে।
মহৎ সৈন্য, খুব সাহসী। আর ভালো মানুষ, পুরোপুরি।
আর জেনে রাখুন, আমি উগান্ডান না হলে, স্কটিশ হতাম।
তাই, সত্যিই?
কেবল ওই লাল চুল ছাড়া। যা আপনার নারীদের কাছে আকর্ষণীয়।
কিন্তু আমাদের আফ্রিকানদের কাছে একদম বিরক্তিকর।
ধন্যবাদ, ডাঃ গ্যারিগান। খুব ভালো করেছেন।
প্লিজ।
আপনার টি-শার্টটি দিবেন? আমার ছেলে ক্যাম্বেল খুব পছন্দ করবে।
- ক্যাম্বেল নামের সন্তান আছে আপনার? - হ্যাঁ।
আপনি চাইলে আমার জামার সাথে বিনিময় করতে পারি।
হ্যাঁ, অবশ্যই।
ধন্যবাদ।
দেখেছেন? আপনাকে জেনারেলের মতো লাগছে।
স্যালুট, প্লিজ।
আমাকে যেতে হবে।
তুমিও এই মূল্যটি পেতে পারতে।
বিশ্বাসই হয় না তুমি গরুটিকে যেভাবে গুলি করলে।
পাগলের মতো।
- যাই হোক... - চলো বারান্দায় গিয়ে একটু গলা ভিজাই?
না, ধন্যবাদ, লাগবে না।
নিকোলাস, আমাকে যেতে হবে।
দেখো, কোনো সমস্যা নেই। কেবল একটু মাল খাবো।
নাহ!
আমি পারবো না।
কী?
স্বামীকে ঠকাতে চাই না।
হায়! কী সব বলছি আমি!
তোমাকে বুঝতে হবে আমি এখানে কেন এসেছি।
- ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি। - না, বুঝোনি।
- দুঃখিত। - ঠিক আছে।
অন্য সময় কোরো।
যখন তুমি বিয়ে করবে সুন্দরী কাউকে।
তখন তোমার অনুভব হবে...
বালের মতো!
No comments yet. Be the first to leave one.