De første 200 linjer.
ওরা কেউ জানবেনা তুমি বুঝতে পারছো না ওকে থামানো যাচ্ছেনা
ওদিনের পরে...
আমি ছিলাম একজন মেকার
আশা করছি আজরাতেই ওরা মেরে ফেলবে...
যখন ও ঘুমিয়ে থাকবে।
কিন্তু কেন জানি আমার ভয় লাগছে...
ও বলছিলো মাংসের পাউরুটিটা আমাকেই করতে হবে।
আমি বললাম আমি বরং জেল-ও-সালাদ আনি, তবু কিটি তার কথা থেকে নড়লো না...
তাই...
জান
ওঃ... কি বলছিলে জান?
বলছিলাম আজকে গরডোর জন্মদিন।
আমাদের ৪টার দিকে তোমার ভাইর বাসায় থাকার কথা।
মাংসের পাউরুটি নিয়ে।
মেশিনটা আজকে কেমন অদ্ভুত সাউন্ড করছে...
তাই না?
কেমন রাগী রাগী...
আরে আমি আজ তোয়ালে ধুতে দিয়েছি সেটার সাউন্ড।
ও ও...
কিটিরা বলে ঐ ইউরোপিয়ান গুলো নিয়েছে..
নান্দনিক অল-ইন-ওয়ান।
ধোয়া, শুকানো - সব একটার মধ্যেই।
দারুণ না?
দামও নিশ্চয়ই বেশিই পড়েছে।
তোমার ভাইর ঠিকই সামর্থ্য আছে।
কিটি বললো, ওর বলে ভালো অংকের প্রমোশান হয়েছে।
তাও মাত্র এক বছর কাজ করেই।
কিটি আরো বলে ওরা বলে শখ করে ওসব
সারাউন্ড সাউন্ড সিস্টেমও কিনেছে।
এখন তো মনে হচ্ছে, আমি ভুল নাইগারডকে বিয়ে করেছি।
হুম হাহা...
এটা বলে খুব হাসাহাসি করলাম আমরা।
আসলে, ব্যবসা একটু ধীরে যাচ্ছে...
জান... সবসময় তুমি এটাই বলো...
"ধীরে..."
আচ্ছা ঠিক আছে...
যাই তাইলে...
তোমারটা তোমাকেই বুঝতে হবে।
চ্যাজকে কিটিও এটাই বলে।
সেলসম্যানদের নিজেরটা নিজেকেই বুঝতে হয়।
আরেকটু কষ্ট করো জান। খোদার ওয়াস্তে একটু হেসে হেসে কথা বোলো।
দরকার হলে এই টাই টা বদলাও।
এটা তুমিই দিয়েছিলে।
হুম, তুমি আরও ভালো সেলসম্যান হলে,
টাই টাও আরো ভালো পেতে আমার কাছ থেকে।
একটু যাচাই বাছাই করো নিজেকে।
আমার সবসময় মনে হয় সাজসজ্জাতেই কোন গোলমাল আছে।
কিটি বলে...চ্যাজ সবসময় ঘরের খুঁটিনাটি জিনিস মেরামত করে।
সারা উইকেন্ড জুড়ে টোস্টারটা খুলে কি কি সব করলো।
এখন পুরা নতুনের মত লাগে। তুলনা হয়না।
তো...
তো যা বলছিলাম... দু'ধরণের জীবনবীমা আছে
আমাদের এখানে।
একটা হচ্ছে ধরুন আপনার পুরো জীবন।
আরেকটা পুরো জীবনের সাথে
জীবনের জন্য কিছু সুবিধাদি।
সাথে আরও অনেক কিছু, বুঝলেন?
আসলে, আমরা এসেছি শুধু চারলিনকে আমার হেলথ কেয়ারটা দিতে।
ওর বাচ্চা হবে তো।
আশা করছি, ছেলে।
না হলে একটা ছোট্ট মেয়ে।
আমার তরই সইছেনা, কবে মেয়েটাকে জড়িয়ে ধরবো।
তাই? আচ্ছা...
এটা তো আরও... হ্যাঁ
তাহলে তো আরো বেশি দরকার...
কারণ জানেনই তো... জানেনই তো।
ধরুন আপনার সাথে চাকরিতে কোন একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলো...
-আমি একটা লাইব্রেরিতে জব করি মশাই। -ওকে...
যাওয়ার পথে আপনার গাড়ি এক্সিডেন্ট হল...
বাড়ি খেয়ে সামনের কাঁচ ভেঙে ঢুকে গেলেন...
বা ধরুন... ধরুন... মই দিয়ে সিলিং এর ময়লা পরিষ্কার করতে উঠলেন
আর ধপাশ...পড়ে গিয়ে ঘাড় মটকে গেলো তখন?
প্রায়শই হচ্ছে এসব।
আরে বিছানায় ধূমপান করতে করতে ঘুমিয়ে যায়।
বাড়ি জ্বলে পুড়ে সব ছাই।
শুধু এটাই বলতে চাচ্ছি যে মর্গ ভর্তি লাশের খোঁজ নিয়ে দেখবেন
তাঁদের কেউ জীবনবিমার প্রয়োজন বোধ করে নি।
মনের শান্তির জন্যই বলছি, আপনার ছেলে শিশুটির সব...
বা মেয়ে শিশুটির...
সেটাই... মেয়ে শিশুটির সব দায়িত্ব বহন করা হবে।
আমাদের আসলে ৪টার মধ্যে মার ওখানে থাকার কথা।
হুম, আমরা আজ তাইলে উঠি...
ও, আচ্ছা...
বেশ, একটা ব্রোচার নিয়ে যান,
বা এই কলমটা দেখুন না।
কি চমৎকার স্মার্ট স্টাইলিশ দেখুন দেখুন...
যত রং আছে সব হয়...
আচ্ছা, বাসায় গিয়ে ভেবে দেখুন, যদি মাইন্ড চেঞ্জ করেন,
আমাকে একটা...
ঐ ধুর।
দেখো দেখো কে এটা?
-কে বাবা? -হ্যাঁ, বাবা,
-কে এটা? -হেই, স্যাম।
ছেলেরা, এটা হচ্ছে একটা কৃষ্ণাঙ্গ।
কি বলো বাবা... ওকে দেখে তো কৃষ্ণাঙ্গ মনে হচ্ছেনা।
হ্যাঁ, বাবা, ওকে তো কৃষ্ণাঙ্গ মনে হচ্ছেনা।
-বড়সড় একটা কুমড়া মনে হচ্ছে। -হ্যাঁ, সেটাই...
...বড় একটা স্টুপিড কুমড়া।
লেস্টার নিগারড।
হয়েছে স্যাম, আমি নাইগারড..
...হাইস্কুল থেকেই।
বাবা, তুমি হাইস্কুলে একটা কৃষ্ণাঙ্গের সাথে গিয়েছিলে, ছিঃ
-হুম, বাবা, সত্যি? -চুপ থাকো।
তারপর তোমার কি অবস্থা লেস্টার?
-হ্যাঁ, এইতো। ভালোই। -আচ্ছা?
আচ্ছা।
আমারও। ট্রাকিং কোম্পানিতে সুপার।
এলাকার সর্বত্র আমাদের মালামাল সরবরাহ হয়।
এইতো সেদিন বেয়ার আইল্যান্ডে বাড়ি কিনলাম।
কি বুঝলে?
এই...মনে আছে আমি একটা গল্প বলতাম
একটা ছেলেকে কীভাবে তেলের ড্রামে ভরে
হাইওয়েতে গড়িয়ে দিয়েছিলাম?
-এটা সেই লোক, বাবা? -বলো কি বাবা, এই সে?
আবার জিগায়।
জিগায়।
সেই পুরোনো পেনসিল সাইজের ডিকওয়ালা লেস্টার
এই লেস্টার বলো তো...
ঐ মেয়েটার নাম কি যেন যার সাথে হাইস্কুলে থাকতে ঘুরোঘুরি করতে?
ঐ যে, সেই ঢেউ খেলানো কোমরওয়ালী...
-হুম, পার্লের কথা বলছো তুমি। -হ্যাঁ, পার্ল।
মাল ছিলো পুরা একটা, না?
বাবা বলছে, ও বেশ দুগ্ধবতী ছিলো।
হুম, মাল মানে জানি আমি, চু...আউ!
বাবা, আউ।
সে আমার ওটাকে একবার "আদর" দিয়েছিলো, জানো তো?
হোমকামিং, সিনিয়র ইয়ার। তার মোটা মোটা হাত দিয়ে।
পুরা মাখন...
আমরা এখন বিবাহিত। ১৮ বছর চলছে...
আল্লাহ্ বাবা, কি অস্বস্তিকর।
হ্যাঁ, বাবা, খুবই অস্বস্তিকর ছিঃ
আঠারো বছর, না?
-হ্যাঁ। -আইসসালা।
বুঝলামই না কি দেখেছে ও তোমার ভেতরে।
হ্যাঁ, আসলে...
না, আসলেই, আমাকে বোঝাও।
এটা কি তোমার স্টুপিড পেনসিল সাইজ যৌনাঙ্গ...
নাকি তোমার ইঁদুরের মত চেহারা?
হুম, আসলে, উম...
আমার ফেরা উচিত।
হয়েছে তো।
কখনো বলেছি তোমাদের কীভাবে আমি হাইস্কুলে
এই পোলাটাকে পিটাতাম?
মুঠোয় চোখা করে নিজের নাম বসাতাম, তারপর দিতাম ঘুষি।
সবাইকে জানাতে হবে না কে মেরেছে?
-এইটা ভালো ছিল বাবা। -হ্যাঁ, বাবা এটা ভালো ছিলো।
মনে আছে না?
হুম, জানি... বহুত আগের কথা, কিন্তু...
কি দিন রে ভাই।
এইযে শুনুন?
আপনার মনে হয়...আর কতক্ষণ?
কুত্তার মত ব্যথা করছে এটা।
-আপনাকে ডাকা হবে। -বুঝেছি, কিন্তু এক ঘন্টা ধরে...
-বসে আছি। -আপনাকে ডাকা হবে।
আমি কি একটু পেতে পারি?
ওঃ
ধুর, পুরো ক্যানটাই নিয়ে নিন।
স্ট্র ছাড়া খেতে পারিনা আমি একদম।
বাঁচালেন।
কি হয়েছে আপনার নাকে?
আরে এটা...
সামান্য...
...ভুল বোঝাবুঝি।
এখন আপনিই ভুল বুঝেছিলেন কি
নাকি আপনাকে ভুল বুঝেছিলো?
জ্বি?
কে কাকে ভুল বুঝেছিলো?
না, আমি বলছি কি...
এগুলা...
এগুলা নিয়ে পড়ে থেকে কাজ নেই।
কেনো?
জ্বি?
এগুলা নিয়ে পড়ে থেকে কাজ নেই কেনো?
বিশেষ করে যে জিনিস আপনাকে হাসপাতালে পাঠালো?
বেশ, সত্যি বলতে কি...
আমি আসলে একা পড়ে গিয়েছিলাম।
তিনজনের সাথে একজন।
আবার এই বড় বড় লোক ছিলো। অন্তত তাঁদের একজন তো বটেই।
বাকি দুইটা বাচ্চাছেলে হলেও...
তাদের বয়সের তুলনায়... বুঝলেনই তো?
আমি যদি শুধু একটু পুরুষের মত পুরুষ হতাম,
ঐ স্যামের বাচ্চাকে দেখিয়ে দিতাম।
স্যাম?
হেস।
স্কুলে থাকতেও পেইন দিত। এখনও পেইন দেয়।
তো তাহলে কেন আপনি...
তাকে উচিত শিখাটা দিলেন না?
আসলে, ওর...
ওর সাথে ওর ছেলেরা ছিলো আর...
কেউ আপনাকে তার ছেলেদের সাথে করে মারলো
-আর আপনি কিছুই করলেন না কেমন দেখাবে ভেবে? -না, ঠিক তা না...
ধুর।
শুধু...
ধুর।
যতটুকু দেখেছি,
কেউ তোমার নাক ভাঙ্গার সাহস পেলে।
পরেরবার সে তোমার মেরুদন্ড ভাঙার চেস্টা করে।
স্যাম? কোনোভাবেই না। উহু...না...উহু।
মানে, আমার মনে হয়না আর কি।
আমার শুধু...আমার মনে হয়
No comments yet. Be the first to leave one.